মঙ্গলবার গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, "অপরাধ করেননি, আত্মবিশ্বাস থাকলে ড. ইউনূস আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিবৃতি ভিক্ষা করে বেড়াতেন না।" সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।
প্রধামন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয় শতাধিক নোবেল বিজয়ীসহ বিশ্বের ১৬০ জন বিশিষ্ট নেতা খোলা চিঠিতে যে ড. ইউনূসের বিচার স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছেন সে বিষয়টিকে তিনি কোন গুরুত্ব দিচ্ছেন কিনা।
তার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীন এবং চলমান মামলার বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার কোন ক্ষমতা তার নেই। তিনি আরও বলেন, ড. ইউনূসের পক্ষে বিবৃতি না দিয়ে বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ পাঠানো হোক, তারা সব খতিয়ে দেখুক।
ড. ইউনূসের মামলা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, মামলা তো তার দল বা সরকার করেনি। কর ফাঁকির জন্য মামলা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), যদি কেউ কর ফাঁকি দেয় তাকে তো কর দিতে হবে। আর তিনি তো ফাঁকি দেওয়া কর দিচ্ছেনও।
বিশ্বনেতাদের পাঠানো চিঠিতে আরেকটি বিষয় ছিলো বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়। সেই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "যে নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারে সেটাই অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। বিগত কয়েকটি নির্বাচনে জনগণ ভালো পরিবেশে ভোট দিয়েছে, আগামীতেও ভালোভাবে ভোট দিতে পারবে। জনগণ যাকে ভোট দেবে তারাই ক্ষমতায় আসবে, এটাই বিশ্বাস করি।"
পাঁচ দেশের জোট ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে গত সপ্তাহে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণ আফ্রিকা সফর নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। শুরুতে প্রধানমন্ত্রী লিখিত বক্তব্য পড়েন। এরপর শুরু হয় প্রশ্নোত্তর পর্ব।
