post
এনআরবি সাফল্য

তুরস্কে বাংলাদেশি স্টুডেন্টস কমিউনিটির কমিটিতে সভাপতি ফাতিমা

এক যুগ ধরে তুরস্কে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশি স্টুডেন্টস ইন তুর্কিয়ের (অ্যাবাস্ট) নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি হয়েছেন আঙ্কারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের পিএইচডি গবেষক মোবাশ্বেরা জাহান ফাতিমা। এছাড়া ১০০ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ও সিটি অ্যাম্বাসেডর কমিটিতে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে সাধারণ সম্পাদক ও মেহেদী হাসানকে সাংগঠনিক সম্পাদক ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন এ কমিটি আগামী এক বছর দায়িত্ব পালন করবেন।চট্টগ্রামের মেয়ে মোবাশ্বেরা জাহান ফাতিমা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। মোবাশ্বেরা তুরস্কের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা সংস্থার ফেলো হিসেবে আছেন। এর আগে তিনি তুরস্কের মাইগ্রেশন রিসার্চ ফাউন্ডেশনে গবেষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তুরস্ক সরকারের বৃত্তি নিয়ে আঙ্কারার গাজী ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে দ্বিতীয় মাস্টার্স করেছেন। এছাড়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অব ডিবেটের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ তুরস্ক সরকারের প্রেস্টিজিয়াস বৃত্তি প্রকল্পের অধীনে স্নাতক সম্পন্ন করে দেশটির দুজজে ইউনিভার্সিটিতে ইন্ট্যারন্যাশনাল ট্রেড অ্যান্ড ফিনান্স বিভাগে স্নাতকোত্তরে অধ্যয়ন করছেন। সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান তুর্কীয়ে বুরসলারি স্কলারশিপের অধীনে ডিপার্টমেন্টে প্রথম হওয়ার কৃতিত্ব নিয়ে স্নাতক সম্পন্ন করে মারমারা বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং বিভাগে স্নাতকোত্তর করছেন।

post
এনআরবি সাফল্য

ভার্জিনিয়া স্টেট সেনেটে প্রশংসিত ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি

দিনটি হয়ে থাকবে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির জন্য গৌরবের। দিনটি ছিলো আনন্দের, দিনটি ছিলো স্বীকৃতির। ১৮ জানুয়ারি বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার স্টেট সেনেট অ্যাসেম্বলিতে উঠে আসে এ দেশে একমাত্র বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির নাম। আলোচিত হয় সুনামের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়টির এগিয়ে চলার কথা।ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্স স্টেট সেনেটর জন চ্যাপম্যান পিটারসন তার উপস্থাপনায় তুলে আনেন তার নিজের নির্বাচনী এলাকার এই বিশ্ববিদ্যালটির কথা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ভার্জিনিয়ার ৪০ টি ডিস্ট্রিক্টের স্টেট সেনেটররা। ছিলেন অভ্যাগত অতিথিরা। অ্যাসেম্বলি পরিচালনা করেন লেফট্যান্যান্ট গভর্নর উইনসাম আর্ল সিয়ার্স।  দুপুর ১২টায় অ্যাসেম্বলি হলে আসতে থাকেন সেনেটররা। আসেন অতিথিরাও। বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ ও প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্কের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এতে যোগ দেন। এতে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএফও ফারহানা হানিপ, বিজনেস স্কুলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মার্ক রবিনসন, জেনারেল এডুকেশন অ্যান্ড সেন্টার ফর স্টুডেন্ট সাকসেস এর অ্যাসিসট্যান্ট ডাইরেক্টর ড. হুয়ান লি ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধি এমএসআইটি'র ছাত্র নাঈম হাসান। স্টেট সেনেটর চ্যাপ পিটারসন অ্যাসেম্বলিতে প্রথমেই পরিচয় করিয়ে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদলের সদস্যদের। পরে তিনি অ্যাসেম্বলিতে তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতিত্বের সাথে এগিয়ে চলার কথা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রযুক্তিদক্ষতানির্ভর উচ্চ শিক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়টি সেরা অবদান রেখে চলেছে। সেনেটরের উপস্থাপনার পর লেফটেন্যান্ট গভর্নর উইনসাম আর্ল সিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান এবং যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শিক্ষার বিস্তার এবং ভবিষ্যতের জন্য আশা জাগানিয়া অবদান রাখার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এসময় করতালির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে শুভেচ্ছা জানান স্টেট অ্যাসেম্বলির সকল সিনেটর ও অতিথিরা। অ্যাসেম্বলিতে বিভিন্ন ডিস্ট্রক্টের সেনেটররা তাদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানকেও তাদের অবদানের জন্য এই অ্যাসেম্বলিতে স্বীকৃতি জানান।তবে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির প্রতি এই স্বীকৃতি ছিলো ভিন্নমাত্রার।২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ২০২১ সালে এর মালিকানা পরিবর্তিত হয়। এর পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়টি তার শিক্ষণ ও পরিচালন পদ্ধতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনে। যার মধ্য দিয়ে এটি দ্রুত উন্নতির পথে এগিয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এই সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলার কাম প্রাক্টিশনার শিক্ষক, সুসংগঠিত টিমওয়ার্ক, শ্রেণিকক্ষে কর্মস্থলের রেপ্লিকা সৃষ্টি করে দেওয়া বিশেষ শিক্ষাপদ্ধতি এর সেন্টার ফর স্টুডেন্ট সাকসেস প্রতিষ্ঠাই এই সাফল্যের কারণ।ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের পাশাপাশি এখন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও গ্রিনকার্ড হোল্ডার শিক্ষার্থীরাও এখন এই বিশ্ববিদ্যালয়কে তাদের পাঠস্থল হিসেবে বেছে নিচ্ছেন।  এর আগে চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ ও প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক চ্যাপ পিটারসনের সঙ্গে তার কার্যালয়ে বৈঠক করেন। এসময় আলোচনায় তারা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে এক হাজার দুই শ' জনের বেশি শিক্ষার্থী অ্যাকাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে ভবিষ্যত কর্মবাজারের জন্য তৈরি হচ্ছে।শিক্ষার্থীরা তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নেওয়ার পর এই দক্ষতা দিয়ে সরাসরি মধ্য কিংবা উচ্চ পর্যায়ের পদে কাজে যোগ দিতে পারবেন এবং তাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ই নিশ্চিত করছে রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট এসব কথাও উঠে আসে বৈঠকে।পরে লেফট্যান্যান্ট গভর্নর উইনসাম আর্ল সিয়ার্সের সঙ্গেও মত বিনিময় করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। এসময় তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে উপহারসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।পরে এক প্রতিক্রিয়ায় ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বলেন, প্রত্যেকটা কাজেরই একটা স্বীকৃতির প্রত্যাশা থাকে। স্টেট অ্যাসেম্বলিতে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির কথা উঠে আসা একটি অন্যতম স্বীকৃতি। এতে আমাদের এগিয়ে চলার পথে নতুন উদ্দীপনা কাজ করবে।তিনি বলেন, অ্যাসেম্বলি হলে সকল স্টেট সেনেটর ও অন্য অতিথিরা যখন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্য করতালি দিচ্ছিলেন সে সময়টি আমাকে অবশ্যই গর্বিত করেছে। দৃশ্যটি আমার দীর্ঘদিন মনে ধরে থাকবে।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির জন্য দিনটি ছিলো স্মরণীয় হয়ে থাকার মতো একটি দিন।ডব্লিউইউএসটি প্রধান অর্থকর্মকতা ফারহানা হানিপ বলেন, এই অজর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের। এতে সবাই আরও উদ্দীপ্ত হয়ে কাজ করবে। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির জন্য দিনটি ছিলো স্মরণীয় হয়ে থাকার মতো একটি দিন। স্টেট পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি যে স্বীকৃতি পেলো তা এর নতুন পথ চলার উদ্দীপনা হয়ে থাকবে। একসময় ফেডারেল সরকারের পক্ষ থেকেও মিলবে এমন স্বীকৃতি এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।

post
এনআরবি সাফল্য

ইতালির শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশের গল্প শোনালেন রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ, অর্থনীতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্জন নিয়ে ইতালির শিক্ষার্থীদের গল্প শোনালেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শামীম আহসান। বাংলাদেশ দূতাবাস, রোমের অ্যাম্বাসি এডপশন প্রোগ্রাম (ইএপি)-এর মিট দ্যা স্কুলের প্রথম ধাপে ইতালির সার্ডিনিয়ার ম্যাকোমারের লিসিও গ্যালিলিও গ্যালিলি স্কুলের শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশ নিয়ে গল্প শোনান রাষ্ট্রদূত।মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় রোমের বাংলাদেশ দূতাবাস। দূতাবাস জানায়, শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় বাংলাদেশ ও ইতালির জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার সুবর্ণজয়ন্তীর চলমান উদযাপনের কথা উল্লেখ করেন। দূতাবাসের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) আয়শা আক্তার বাংলাদেশের ওপর একটি পাওয়ার-পয়েন্ট উপস্থাপন করেন। পরে রাষ্ট্রদূত বেশ কয়েকজন তরুণ শিক্ষার্থীদের করা প্রশ্নের জবাব দেন। তিনি হলভর্তি তরুণ শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ, অর্থনীতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অসামান্য অর্জন সম্পর্কে অবহিত করেন।শিক্ষার্থীরা বিপুল আগ্রহ নিয়ে রাষ্ট্রদূতের উপস্থাপনা শোনেন। রাষ্ট্রদূত বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ গ্যাভিনা ক্যাপাই, গ্লোবাল অ্যাকশনের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মিসেস এলিসা গুইসিওকে এ আয়োজনে সহযোগিতা করার জন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি অধ্যক্ষ বাংলাদেশ দূতাবাসকেও ধন্যবাদ জানান। তিনি ইতালির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাংলাদেশকে পরিচিত করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ ধরণের অনুষ্ঠান দুটি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে বোঝাপড়া এবং বন্ধন তৈরি করতে সহায়তা করবে।

post
এনআরবি সাফল্য

তুরস্কে বাংলাদেশি স্টুডেন্টস কমিউনিটির সভাপতি-সা. সম্পাদক দুই বাংলাদেশি

এক যুগ ধরে তুরস্কে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশি স্টুডেন্টস ইন তুর্কিয়ের (অ্যাবাস্ট) নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। মোবাশ্বেরা জাহান ফাতিমাকে সভাপতি, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে সাধারণ সম্পাদক ও মেহেদী হাসানকে সাংগঠনিক সম্পাদক ঘোষণা করে ১০০ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ও সিটি অ্যাম্বাসেডর টিম অনুমোদন দেওয়া হয়।ইস্তানবুলে অবস্থিত ঢাকা লাউঞ্জ ক্যাফে রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড কালচারাল সেন্টারে অ্যাবাস্টের উপদেষ্টামণ্ডলীর পক্ষ থেকে সহকারী অধ্যাপক ও এশিয়া অ্যান্ড ইন্দো প্যাসিফিক স্টাডিজের তুরস্ক প্রধান নাজমুল ইসলাম কমিটির অনুমোদন দেন। কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে উপদেষ্টামণ্ডলীর মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ইস্তানবুল জাইম ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক মাজহারুল ইসলাম রবিন, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক জনাব ওয়ালিউল্লাহ, পিএইচডি গবেষক মিনহাজুল আবেদিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও অটোমান গ্রুপের সিইও জনাব শিহাব আহমেদ। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে এ সংগঠনটি। বিদেশের বুকে বাংলা ভাষার চর্চা ধরে রাখতে ও বহির্বিশ্বে তুরস্কে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের অবস্থান জানান দিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে 'আনাতোলিয়া' নামের অনলাইন সাময়িকী প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের তুরস্কে উচ্চশিক্ষার ব্যপারে বিস্তারিত গাইডলাইন দিয়ে যাচ্ছে অ্যাবাস্ট।

post
এনআরবি সাফল্য

ডেমোক্রেটিক ক্লাব, ইয়ুথ এবং ওমেন্স ফোরামের সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা

নিউ আমেরিকান ডেমোক্রেটিক ক্লাব, ইয়ুথ এবং ওমেন্স ফোরামের ১১তম মিট অ্যান্ড গ্রিট অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো নিউইয়র্কে।এতে সম্মাননা জানানো হয় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে অবদান রেখে আসা বিশিষ্টজনদের। যার মধ্যে অন্যতম ছিলেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। এটি ছিলো নিউ আমেরিকান ডেমাক্র্যাটিক ক্লাব ইনক এর ১১তম বার্ষিক ডিনার ও মিট এন্ড গ্রিট। কুইন্সের গুলশান টেরাসে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানটি আয়োজনে আরও অংশীদার ছিল নিউ আমেরিকান ইয়ুথ ফোরাম অব নিউইয়র্ক ও নিউ আমেরিকান ওম্যানস ফোরাম অব নিউইয়র্ক। মূল ধারার রাজনীতির সাথে বাংলাদেশের সাথে যোগসূত্র তৈরি করতে প্রতিবছর এই মিলনমেলার আয়োজন করে আসছে নিউ আমেরিকান ডেমোক্রেটিক ক্লাব। জনাকীর্ন এ অনুষ্ঠানে সিটি কন্ট্রোলার ব্রাড ল্যান্ডারসহ সিটি ও স্টেটের দু'ডজন জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডেমোক্র্যাটিক ক্লাব এর প্রতিষ্ঠাতা মোর্শেদ আলম। মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন আহনাফ আলম। যুক্তরাষ্ট্রে স্ব স্ব ক্ষেত্রে অসামন্য অবদান রাখায় এই আয়োজন সম্মাননা জানানো হয়। কয়েকজন বাংলাদেশী আমেরিকানদের। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ও পিপলএনটেকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপকে এতে তুলে দেওয়া হয় আউটস্ট্যান্ডিংঅ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড। এছাড়া কংগ্রেস ওয়েইমেনের পক্ষ থেকে স্পেশাল কংগ্রেশনাল রিকোগনেশন দেয়া হয়েছে তাকে। তথ্য প্রযুক্তি ও শিক্ষাখাতে কমিনিটিতে অসাধারণ ভূমিকা রাখায় আবুবকর হানিপকে এই স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। বক্তৃতা ও অ্যাওয়ার্ডস সিরেমনির ফাকে ফাকে চলে নাচ ও গানের পারফরম্যান্স। সবশেষে শুরু হয় ডিনার নাইট। এই মিট অ্যান্ড গ্রিট আয়োজনে প্রতিবছরই দেশী খাবারের বিশাল সমাহার থাকে। এবারও তার ব্যাতিক্রম ছিলো না। একই রাতে কুইন্স প্যালেসে ছিলো শো টাইম মিউজিক্যাল পিঠা উৎসব-২০২৩। নাচ গান আর পিঠা খাওয়ার উৎসবে উপস্থিত ছিলেন কয়েকশো দর্শক। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপ। এসময় বক্তৃতায় ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বলেন, তার প্রতিষ্ঠিত পিপলএনটেকের মাধ্যমে গত ১৭ বছরে ৮ হাজার মানুষ আইটি জগতের ছয় অংকের বেতনের চাকুরি নিয়ে নিজেদের সফল ক্যারিয়ার গড়েছে। সিংক সম্প্রতি তার দ্বারা পরিচালিত ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির সাফল্যের কথা টেনে ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ থেকে পাচ শতাধিক ছাত্রছাত্রী পড়তে এসেছে। যার মধ্যে অনেকেই স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে আসার সুযোগ পেয়েছেন। পিঠা উৎসেবর আয়োজনে ছিলো ভাপা, চিতই পিঠা, দুধচিতই, ছিট পিঠা, দুধকুলি, ক্ষীরকুলি, তিলকুলি, পাটিসাপটাসহ বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী প্রায় সব রকম পিঠার সমাহার।

post
এনআরবি সাফল্য

চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠে আমেরিকা-কানাডা থেকে নির্বাচিত ৫ শিল্পী

চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠের গ্রান্ড ফিনালে নর্থ আমেরিকা অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো গত ২ জানুয়ারি সোমবার। নিউইয়র্কের উডসাইডের গুলশান টেরেসে অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত পর্বে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেট এবং কানাডা থেকে প্রতিযোগিরা অংশগ্রহণ নেন।এতে উত্তর আমেরিকান পাঁচজন বিজয়ী হয়েছেন। যারা বাংলাদেশে যাবেন মূল প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে। অনুষ্ঠানে বিচারক হিসাবে ছিলেন দুই বাংলার কিংবদন্তী রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের দুই কণ্ঠযোদ্ধা একুশে পদকপ্রাপ্ত রথীন্দ্রনাথ রায় ও শহীদ হাসান। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও চ্যানেল আই’র অন্যতম পরিচালক জহির উদ্দিন মাহমুদ মামুন অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন। এছাড়া আরো ছিলেন চ্যানেল আই যুক্তরাষ্ট্রের হেড অব অপারেশনস রাশেদ আহমেদ ও আদিত্য শাহিন। সহযোগিতায় ছিলেন শুভ রায়। রিয়েলিটি শো’র গ্রুমিং টিচার ছিলেন প্রবাসের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী শাহ মাহবুব। চূড়ান্ত পর্বের বিজয়ীরা হলেন- নিউইয়র্কের কানিজ দীপ্তি (চ্যাম্পিয়ন), জর্জিয়ার শান্তা মাইশা, ভার্জিনিয়ার মাহ্দিয়া ঈশাল ও অপ্সরা বণিক এবং কানাডার টরন্টোর বিপ্লব কর্মকার। তারা শিগগিরই ঢাকার জাতীয় পর্বে অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানের বিজয়ীদের হাতে শুভেচ্ছা পুরস্কার তুলে দেন আলেগ্রা হোম কেয়ার ও বাংলা সিডিপ্যাপের কর্ণধার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর মাহমুদ। এছাড়া অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ডেমোক্রেটিক পার্টির কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট লিডার অ্যাট লার্জ অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী।

post
এনআরবি সাফল্য

আমিরাতে ১০৫ কোটি টাকা লটারি জিতলেন প্রবাসী বাংলাদেশি রায়ফুল

প্রবাসী বাংলাদেশি মোহাম্মদ রায়ফুল সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে ‘দ্য বিগ টিকিট র‌্যাফেল ড্রতে ৩৫ মিলিয়ন দিরহাম (১০৫ কোটি টাকা) জিতেছেন। মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) আমিরাতভিত্তিক দৈনিক খালিজ টাইমস এ নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।আমিরাতের আল আইনে বসবাসরত মোহাম্মদ রায়ফুলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়েছেন কর্তৃপক্ষ।আয়োজকরা জানিয়েছেন, নতুন এই কোটিপতির সঙ্গে যোগাযোগ করার আগ পর্যন্ত তারা চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। তার টিকিট নম্বর ০৪৩৬৭৮। এছাড়া তার সম্পর্কে আর কিছু জানাতে পারেনি তারা।তবে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন প্রবাসী সাংবাদিকরাও। প্রায় তিন দশক আগে ১৯৯২ সালে আবুধাবি বিমানবন্দর ও শহরের প্রচারের জন্য বিগ টিকিট লটারি চালু করা হয়েছিল। প্রতি মাসে এই লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়।প্রথম স্থানের জন্য পুরস্কারের অর্থের মূল্য প্রতি মাসে পরিবর্তিত হয়। ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে জানুয়ারিতে প্রথম পুরস্কার ছিল ৩৫ কোটি দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০৫ কোটি টাকা)।এই পর্বে দ্বিতীয় পুরস্কার জিতেছেন ভারতীয় নাগরিক উমশাদ উল্লি ভেটিল। তিনি পেয়েছেন ১০ লাখ দিরহাম। আরও তিন ভারতীয় নিরশাদ নজর, রবিন কাদিয়ান ও আব্দুল বুরহান পুথিয়াভেটিল প্রত্যেকে ১ লাখ দিরহাম করে জিতেছেন।

post
এনআরবি সাফল্য

মালয়েশিয়ায় রেমিট্যান্সে অবদান রাখায় সম্মাননা পদক পেলেন ৯ প্রবাসী বাংলাদেশি

মালয়েশিয়া থেকে দেশে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পাঠিয়ে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ৯ প্রবাসী বাংলাদেশি পেলেন সম্মাননা পদক। বৈধ চ্যানেলে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠাতে উদ্বুদ্ধ করতে তাদেরকে এই সম্মাননা দিয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন— মো. মকবুল হোসাইন মুকুল, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. ফয়সাল আহমেদ, আহমেদ সাদী ইয়ামিন, মো. হাবিব, জামান মোহাম্মদ বাহাদুর খাঁন, মো. আমিনুর রহমান, আলি আহমেদ এবং মো. আব্দুছ ছাবুর। গত রোববার মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের ক্লাং-এ একটি হোটেলে আয়োজিত আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে তাদের হাতে সম্মাননা পদক ও সনদ তুলে দেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার। অনুষ্ঠানে হাইকমিশন কর্মকর্তা, মালয়েশিয়া সরকারের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও অভিবাসী কর্মী নিয়োগ কর্তা এবং বাংলাদেশ কমিউনিটি নেতাসহ ৩ শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মী উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্য হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার বলেন, 'মেধা, শ্রম ও দক্ষতার জন্য মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের বেশ সুনাম রয়েছে। পাশাপাশি তারা রেমিট্যান্সের মাধ্যমে দেশের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। গত বছর প্রায় ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়ে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেন মালয়েশিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশিরা।' তিনি জানান, রিহিয়ারিং প্রোগ্রামের আওতায় বৈধতাপ্রাপ্তদের জন্য ৬ নং ভিসা দ্রুত দেওয়ার জন্য কূটনৈতিক যোগাযোগে মালয়েশিয়া সরকারকে অনুরোধ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এ বছর মালয়েশিয়াতে ৭২৪ জন প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৬৬০ জনের মরদেহ বাংলাদেশ হাইকমিশন ও তাদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দেশে পরিবারের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং করোনা আক্রান্ত হওয়ায় বাকি ৬৪ জনকে মালয়েশিয়াতে সমাধিস্থ করা হয়েছে। আরও জানানো হয়, বাংলাদেশি কর্মীদের সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে দেশটির সোশ্যাল সিকিউরিটি অর্গানাইজেশনের মাধ্যমে ৬ হাজার ৪০৮ জন কর্মী ও তাদের পরিবারকে ২ কোটি ২৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ এবং অন্য সুবিধাদি দেওয়া হয়েছে। মালয়েশিয়ার শ্রম অধিদপ্তর থেকে ক্ষতিপূরণ বাবদ পাওয়া ৬০ লাখ রিঙ্গিত বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। পোস্ট অফিসের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ১ লাখ ১৫ হাজার পাসপোর্ট বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া, মালয়েশিয়া থেকে দ্রুত দেশে পাঠাতে অনিয়মিত ৩ হাজার ৫০ জন এবং জেল ও ক্যাম্পে থাকা ১ হাজার ৩০৬ জন বাংলাদেশিকে হাইকমিশন থেকে ট্রাভেল পারমিট প্রদান করা হয়েছে।

post
এনআরবি সাফল্য

গ্রিসে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পুরস্কার পেলেন ৭ বাংলাদেশি

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস। ‘থাকব ভালো, রাখব ভালো দেশ; বৈধপথে প্রবাসী আয়-গড়ব বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ১৮ ডিসেম্বর এথেন্সস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে উদযাপন করা হয় দিবসটিকে। আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ২০২২ উপলক্ষে আগামী ১৮-২৩ ডিসেম্বর ‘অভিবাসী সপ্তাহ ২০২২’ ঘোষণা করে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে দূতাবাস। এ উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী অভিবাসন সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা ওয়ানস্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া, দেশে বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে বিভিন্ন ধরনের প্রচারাভিযান ও সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পবিত্র কোরআন থেকে তেলোওয়াত ও পবিত্র গীতা পাঠের মাধ্যমে দিবসটির আলোচনা শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ।এ সময় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবের প্রদত্ত বাণী পড়ে শোনানো হয়। দিবসটি উপলক্ষে বৈধপথে বাংলাদেশে নিয়মিত রেমিট্যান্স প্রেরণ ও রেমিট্যান্স প্রেরণে সহায়তা করার স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পুরস্কার ২০২২ হিসেবে প্রবাসীদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও সম্মাননা পত্র তুলে দেন রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমদ। অনাড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশে দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) বিশ্বজিত কুমার পালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের মিনিস্টার মো. খালেদ ও দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।আলোচনার শুরুতে দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) বিশ্বজিত কুমার পাল দূতাবাস ও বাংলাদেশ সরকার প্রবাসীদের জন্য গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করেন। তিনি প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডের কার্যক্রম ও প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডের সদস্য অন্তর্ভুক্তিমূলক উপকারিতা ও এর ভবিষ্যত গুরুত্বের ওপর বিশেষভাবে বক্তব্য দেন। আলোচনায় অংশ নেন প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আঞ্চলিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি, নারী নেতারা এবং বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিসের নেতাসহ বিভিন্ন শহর এবং দ্বীপাঞ্চলে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। প্রবাসী বক্তারা আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসের প্রতিপাদ্য ও চেতনাকে সামনে নিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। আলোচনায় গত ৯ ফেব্রুয়ারি অভিবাসন বিষয়ে বাংলাদেশ ও গ্রিসের মধ্যে স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক এর তাৎপর্য তুলে ধরা হয় এবং গ্রিসে বসবাসরত সকল আনডকুমেন্টেড প্রবাসী বাংলাদেশিদের লিগালাইজেশন প্রক্রিয়ার ওপর বাংলাদেশ সরকার ও গ্রিক সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ তুলে ধরেন, সেই সঙ্গে গ্রিসের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী প্রতি বছর বৈধপথে ৪০০০ শ্রমিক বাংলাদেশ থেকে আসার সুযোগ সৃষ্টির বিষয়টি তুলে ধরেন।আগামী ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাস থেকে লিগালাইজেশনের প্রক্রিয়া শুরু হবে মর্মে গ্রিক সরকারের পক্ষ থেকে জানা গেছে মর্মে জানানো হয়। এক্ষেত্রে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক অতি উৎসাহী হয়ে, কোনোভাবে কোনো দালাল বা প্রতারক দ্বারা প্রতারিত না হোন এবং বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা ও প্রতারক চক্রের প্ররোচনার বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে সবাইকে অনুরোধ করা হয় ও দূতাবাস থেকে নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য দেওয়া হবে মর্মে জানানো হয়। উপস্থিত বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিসের সভাপতি হাজী আব্দুল কুদ্দুস প্রবাসীদের সন্তানদের বাংলাদেশ সরকারের কোটা সুবিধার আওতায় এনে চাকরি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে দাবি উপস্থাপন করেন এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে সরকারের নানামুখী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবদান রাখারও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বক্তারা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করার জন্য দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানান। রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুদৃঢ় নেতৃত্ব এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে যাচ্ছি। এ বিষয়ে তিনি বলেন বাংলাদেশ সরকার অবৈধ অভিবাসন কখনো চায় না, দালাল চক্রের মাধ্যমে অবৈধ উপায়ে গ্রিস কোনো বাংলাদেশি প্রবেশ করুক তা বাংলাদেশ সরকার চায় না। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্প ২০৪১-এর লক্ষ্য অর্জনের জন্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। এছাড়া তিনি জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকীতে দূতাবাসের গৃহীত সকল কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার জন্য প্রবাসীদের ধন্যবাদ জানান। এ সময় তিনি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনন্য অবদান এবং বাংলাদেশের কৃষ্টি-সংস্কৃতি, ঐতিহ্য বিদেশের মাটিতে তুলে ধরার জন্য তাদের প্রশংসা করেন এবং তাদের উত্তরোত্তর সাফল্য, সমৃদ্ধি ও সুস্ব্যাস্থ কামনা করেন। গ্রিস থেকে দেশে বৈধপথে রেমিট্যান্স প্রেরণে বর্তমানে ১৯তম অবস্থানে রয়েছে, প্রতি বছর গ্রিস থেকে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ইউএস ডলার রেমিট্যান্স বাংলাদেশে যায়, যার পরিমাণ সমগ্র ইউরোপের মধ্যে চতুর্থ। এ কারণে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ২০২২ উপলক্ষে দূতাবাস বৈধপথে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রেরণে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে ৩ টি পর্যায়ে (২টি প্রতিষ্ঠান, ৪ জন পুরুষ ও ১ জন নারী) মোট ৭টি আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পুরস্কার ২০২২-এ সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স দেওয়া ও রেমিট্যান্স প্রেরণে সহায়তাকারী বিবেচনায় সম্মাননার জন্য মনোনীত করা হয় এবং তাদের আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ২০২২-এর অনুষ্ঠানে দূতাবাস কর্তৃক সম্মাননা স্মারক ও সম্মাননা দেওয়া হয়। সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে: এন, বি, এল মানি ট্রান্সফার এজেন্সি ও ইসলাম মফিদুল এজেন্সি। ব্যক্তি পর্যায়ে (নারী): মানসুরা আক্তার এবং ব্যক্তি পর্যায়ে (পুরুষ): মো. সাইদুর রহমান, মোশাররফ হোসেন লিয়াকত, মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন, মো. আলামিন মিয়া। সম্মাননা স্মারক ও সম্মাননা পত্র প্রাপ্তরা দূতাবাসকে তাদের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এ সম্মাননা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান।

post
এনআরবি সাফল্য

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিচালক পদে প্রার্থী হলেন সায়মা ওয়াজেদ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক দপ্তরে আঞ্চলিক পরিচালক পদে প্রার্থী হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে এই পদের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।ডব্লিউএইচও-এর এই অঞ্চলের ১১টি সদস্য রাষ্ট্র নির্বাচনে ভোট দেবে। এই পদে নেপালও প্রার্থী দিবে বলে ঘোষণা করেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলটি হলো ডব্লিউএইচও-এর ছয়টি অঞ্চলের অন্যতম। এ অঞ্চলে বিশ্বের মোট জনগোষ্ঠীর এক-চতুর্থাংশের বসবাস। অঞ্চলটির প্রায় ২০০ কোটি মানুষের বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ডব্লিউএইচও-এর আঞ্চলিক দপ্তর কাজ করে। পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য আঞ্চলিক পরিচালক নির্বাচিত হন। বর্তমানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে আঞ্চলিক পরিচালক ড. পুনম ক্ষেত্রপাল সিং একজন ভারতীয় নাগরিক। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ডব্লিউএইচও-এর নির্বাহী বোর্ড ১৪৪তম অধিবেশনে ২০১৯ সালের ২৬ জানুয়ারি তাকে নিয়োগ দেন। ড. ক্ষেত্রপাল সিং এই পদে প্রথম নারী। বাংলাদেশের প্রার্থী সায়মা ওয়াজেদ একজন অটিজম অ্যাক্টিভিস্ট। তিনি ২০০৮ সাল থেকে শিশুদের অটিজম এবং স্নায়বিক জটিলতাসংক্রান্ত বিষয়ের ওপর কাজ করছেন। তিনি ২০১৩ সাল থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় বিশেষজ্ঞ দলের সদস্য। ১৯৯৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোবিজ্ঞানে স্নাতক এবং ২০০২ সালে ক্লিনিক্যাল মনস্তত্বে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা। সায়মা ওয়াজেদের প্রতিদ্বন্দ্বী নেপালের প্রার্থী জেনেভায় ডব্লিউএইচও সদর দপ্তরে কর্মরত সংস্থাটির একজন কর্মকর্তা। ডব্লিউএইচও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের ১১টি সদস্য দেশ হলো বাংলাদেশ, ভুটান, উত্তর কোরিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড ও পূর্ব তিমুর।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.