post
এনআরবি সাফল্য

করোনা ও ক্যান্সারের চিকিৎসা উদ্ভাবনের জন্যে বিশেষ সম্মাননা পেলেন ড. রায়ান সাদী

বয়স্ক এবং উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ করোনা রোগীকে সারিয়ে উঠানোর চিকিৎসা-ব্যবস্থা তথা ইমিউনোথেরাপি তৈরির পাশাপাশি অনকোলজি, নিউরোলজি এবং ভাইরোলজিতে কোষ এবং জিন থেরাপির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সম্পন্নকারি গবেষণা-প্রতিষ্ঠান ‘টেভোজেন বায়ো’র প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও বাংলাদেশি আমেরিকান ড. রায়ান সাদীকে বিশেষ সম্মাননা (প্রক্লেমেশন) দিলো নিউজার্সির ওয়ারেন সিটির (টাউনিশিপ) মেয়র ভিক্টর সরডিলো। ২০ অক্টোবর বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যায় ওয়ারেন সিটি হলে অনাড়ম্বর এক অনুষ্ঠানে প্রক্লেমেশন হস্তান্তরের সময় মেয়র বলেন, করোনা মহামারিতে গোটাবিশ্ব যখন লকডাউনে সে সময়ে অর্থাৎ ২০২০ সালের জুনে ‘টেভজেন বায়ো’ প্রতিষ্ঠার পর এ বছরের শুরুতে এই সিটির ইন্ডিপেন্ডেন্স বুলেভার্ডে তার গবেষণাগারের সদর দফতর স্থাপন করেছেন। "ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস করা পাবনার সন্তান এবং সপরিবারে নিউজার্সিতে বসবাসরত ড. সাদীর উদ্ভাবিত সেল এবং জিন থেরাপি তথা চিকিৎসা-ব্যবস্থা সকল রোগীর জন্যে সহজলভ্য হবে অর্থাৎ মানবতার কল্যাণে তা অশেষ অবদানে সক্ষম হবে বলেই বিশ্বখ্যাত ইয়েল ইউনিভার্সিটির জনস্বাস্থ্য বিষয়ক স্কুলের এমিরিটাস প্রফেসর কার্টিস প্যাটোন ২০২৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্যে ড. সাদী এবং তার প্রতিষ্ঠান ‘টেভজেন বায়ো’কে মনোনয়ন দিয়েছেন। ব্যাপারটি আমাদের এই সিটির জন্যে অবশ্যই অত্যন্ত গৌরব ও সম্মানের। তাই ওয়ারেন টাউনশিপ কমিটি এবং আমি মেয়র হিসেবে ড. সাদীকে এই ‘প্রক্লেমেশন’ প্রদান করছি সানন্দচিত্তে।"উল্লেখ্য, ড. রায়ান সাদীর এই চিকিৎসা-ব্যবস্থার মাধ্যমে করোনা-সহ জটিল অনেক রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব এবং তা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালেও প্রমাণিত হয়েছে। অর্থাৎ ইতিমধ্যেই চিকিৎসা জগতে তা ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। আসছে শীতে করোনা ভিন্ন নামে এবং ভয়ংকর রূপে আবারো আবির্ভূত হবার আশংকা করা হচ্ছে। এজন্যে মার্কিন স্বাস্থ্য দফতর ‘টেভজেন বায়ো’র সাথে যোগাযোগ রক্ষা করছে খুব দ্রুত এই চিকিৎসাকে বাজারজাত করার জন্যে। এ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ড. রায়ান সাদী ও তার পুরো টিম। 

post
এনআরবি সাফল্য

ম্যান অব দ্য সিটি অব লন্ডন’ অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশি নুরুজ্জামান

কমিউনিটি সেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘ফ্রি ম্যান অব দ্য সিটি অব লন্ডন’ অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছেন ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের ডিরেক্টর জেনারেল অ্যাকাউন্টেন্ট আবুল হায়াত নুরুজ্জামান।১৮ অক্টোবর দুপুরে সিটি অব লন্ডন গিলডহলের লর্ড চেম্বারলিন চেম্বারে অ্যাকাউন্টেন্সি, ব্যবসা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও কমিউনিটি সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে এই অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। এ সময় চেম্বার অব কমার্সের নেতা, সাংবাদিকসহ কমিটির বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।‘ফ্রি ম্যান অব দ্য সিটি অব লন্ডন’ সম্মাননা নেওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় অ্যাকাউন্টেন্ট আবুল হায়াত নুরুজ্জামান বলেন, ‘আমি অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে এই প্রেস্টিজিয়াস সম্মাননা নিয়েছি। এটি আমার কমিউনিটি জন্য উৎসর্গ করলাম। এই সম্মাননা কমিউনিটির জন্য বেশি কাজ করতে আমাকে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করবে।’অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের (বিবিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট সাঈদুর রহমান রেনু, সাবেক প্রেসিডেন্ট শাহগির বখত ফারুক, বশির আহমদ, ফাইন্যান্স ডিরেক্টর আতাউর রহমান কুটি, বিবিসিসিআই লন্ডন রিজিয়নের প্রেসিডেন্ট মনির আহমদ, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের জেনারেল সেক্রেটারি ও সাপ্তাহিক দেশ সম্পাদক তাইসির মাহমুদ, লন্ডন এন্টারপ্রাইজ একাডেমির হেড টিচার আশিদ আলী, সাবেক কাউন্সিলার ওয়াইসুল ইসলাম, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট মুহি মিকদাদ, জিয়াউর রহমান, আলাউদ্দিন, সাংবাদিক জাকির হোসেন কয়েছ, চ্যানেল এসের প্রধান ক্যামেরাপার্সন রেজাউল করিম মৃধা প্রমুখ।উল্লেখ্য, অ্যাকাউন্টেন্ট আবুল হায়াত নুরুজ্জামান ১৯৮১ সালের ১০ ডিসেম্বর সিলেটে সদর উপজেলার হাটখোলা ইউনিয়নের দিঘিরপার রাজারগাঁও গ্রামে জন্ম নেন। তার বাবা মরহুম মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম মতি বাংলাদেশ বনবিভাগের কর্মকর্তা ছিলেন। মা নুরুন্নাহার একজন গৃহিণী। ২১ বছর বয়সে তিনি লেখাপড়ার উদ্দেশ্যে ব্রিটেনে আসেন এবং গ্রিনিচ ইউনিভার্সিটি থেকে অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সের ওপর ডিগ্রি অর্জন করেন।তিনি ২০১০ সালে পূর্ব লন্ডনের ভ্যালেন্স রোডে নিজস্ব অ্যাকাউন্টটিং প্রতিষ্ঠান তাজ অ্যাকাউন্টেন্ট প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথমে ছোট পরিসরে শুরু করলেও বর্তমানে এটি একটি বিশাল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে কাস্টমার সার্ভিস এবং নিজের দক্ষতার কারণে একাধিক অ্যাওয়ার্ড লাভ করে তাজ অ্যাকাউন্টেন্ট। প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসার পাশাপাশি কমিউনিটির বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও সহযোগিতা করে আসছে।আবুল হায়াত নুরুজ্জামান ২০১৭ সালে ‘এএটি লাইসেন্স মেম্বার অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। তিনি ২০১৯ সালে দ্য লন্ডন এশিয়ান বিজনেস অ্যাওয়ার্ডস কর্তৃক বেস্ট স্মল বিজনেস অব দ্যা ইয়ার অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হন। অ্যাকাউন্টিং টেকনিশিয়ান ম্যাগাজিন জুলাই-আগস্ট ২০১৭ সংখ্যা তাকে নিয়ে বিশেষ কভার স্টোরি প্রকাশ করে।নুরুজ্জামান তার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ব্রিটেনের বিভিন্ন শহরে স্পেশাল স্পিকার হিসেবে বিভিন্ন ইভেন্টে নিয়মিত অংশ নেন। তিনি বিবিসিসিআইয়ের ডিরেক্টর জেনারেল নির্বাচিত হওয়ার আগে লন্ডন রিজিওয়নের প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।১২৩৭ সাল থেকে ‘ফ্রি ম্যান অব দ্য সিটি অব লন্ডন’ (ফ্রিম্যানশিপ) সম্মাননা চালু রয়েছে। স্ব স্ব ক্ষেত্রে সফল ব্যক্তিরা এ সম্মাননা পেয়ে থাকেন। বিভিন্ন সময়ে অনারারি ‘ফ্রিম্যান অব দ্য সিটি অব লন্ডন’ সম্মাননা লাভ করেছেন সব নামি-দামি ব্যক্তিরা। এদের মধ্যে অন্যতম, ডিউক অব ক্যামব্রিজ, প্রিন্স জর্জ ১৮৫৭ সালে এ সম্মাননা লাভ করেন।

post
এনআরবি সাফল্য

সাবিনা খাতুনকে মালদ্বীপস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের সংবর্ধনা

সাফ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২২ বিজয়ী বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুনকে সংবর্ধনা দিয়েছে মালদ্বীপস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন। বুধবার (১৯ অক্টোবর) হাইকমিশনের হলরুমে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার এস এম আবুল কালাম আজাদ, হাইকমিশনারের সহধর্মিণী নাওমী নাহরিন, প্রথম সচিবের সহধর্মিণী রোমানা রাজিয়া সিদ্দিকী, প্রথম সচিব মো. সোহেল পারভেজ, দ্বিতীয় সচিব মিজানুর রহমান ভূঁইয়াসহ হাইকমিশনের কর্মচারীরা ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন। আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জাপানি ফুটবলার মাতসুসিমা সুমাইয়া, যিনি সাবিনা খাতুনের সঙ্গে মালদ্বীপে একই ক্লাবে ফুটবল খেলছেন। অপরজন ফাতেমা তুজ জোহরা, তিনি মালদ্বীপ ক্রিকেট দলের বাংলাদেশি কোচ হিসেবে কাজ করছেন। সাবিনা খাতুনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২২ বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য এক বিরল সম্মান বয়ে এনেছেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই মালদ্বীপে ক্রিকেট কোচিংয়ের ওপর অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি প্রকাশ করেন ফাতেমা তুজ জোহরা। মাতসুসিমা সুমাইয়া মালদ্বীপ ও বাংলাদেশের ফুটবলের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তার অনুভূতি ব্যক্ত করেন। পরে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে অতিথিদের শুভেচ্ছা উপহার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন ও অন্য অতিথিদের নিয়ে কেক কাটা হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২২ বিজয় লাভ ও আয়োজন সম্পর্কে তার অনুভূতি ব্যক্ত করেন। সবশেষে হাইকমিশনার রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ সমাপনী বক্তব্যে উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে খেলাধুলার অবকাঠামোর ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। ভবিষ্যতে সাবিনা খাতুন ও তার উত্তরসূরিরা আরও বড় টুর্নামেন্ট এমনকি বিশ্বকাপ জিতবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবাইকে আপ্যায়ন করা হয়।

post
এনআরবি সাফল্য

দুই সপ্তাহে ৭৭ কোটি ডলারের প্রবাসী আয়

চলতি মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে (২-১৩ অক্টোবর) ব্যাংক মাধ্যমে ৭৬ কোটি ৯৮ লাখ মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় দেশে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রবাসী আয়সংক্রান্ত হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে এই চিত্র পাওয়া গেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি ১৯ কোটি ডলার প্রবাসী আয় এনেছে ইসলামী ব্যাংক। তারপর অগ্রণী ব্যাংক ৫ কোটি ৫৩ লাখ, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ৪ কোটি ৭৬ লাখ, সোনালী ব্যাংক ৪ কোটি ৪১, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ৪ কোটি ১৯ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এনেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরা গত সেপ্টেম্বরে দেশে ১৫৪ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন, যা কিনা ৭ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত আগস্টে ২০৩ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছিল। তার মানে, আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরে প্রবাসী আয় কমে যায় ২৪ শতাংশ। আর গত বছরের সেপ্টেম্বরে তুলনায় হিসাব করে গত মাসে প্রবাসী আয় কমেছে ১০ দশমিক ৪৭ শতাংশ। গত মাসে প্রবাসী আয়ে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির পর চলতি মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে যে পরিমাণ প্রবাসী আয় এসেছে, সেটিকে সন্তোষজনক বলছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা। তাঁরা বলছেন, চলতি মাস শেষে প্রবাসী আয় ১৬০ কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে। ব্যাংক মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্বুদ্ধ করতে চলতি অর্থবছরে নগদ প্রণোদনা ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে আড়াই শতাংশ করে সরকার। এরপরও সেপ্টেম্বরে প্রবাসীর আয়ে পতন হয়। তার কারণ হিসেবে ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শে ব্যাংকগুলোই ডলারের সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করে দেয়। এরপর প্রবাসী আয় আসা কমে গেছে।

post
এনআরবি সাফল্য

পর্দা উঠলো আবিয়া'র তিন দিন ব্যাপী দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ২০২২-এর

আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টস। সংক্ষেপে আবিয়া হিসেবে গোটা উত্তর আমেরিকায় পরিচিত। এই সংগঠনের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন চলছে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে ন্যাশনাল হারবার সংলগ্ন সাত-তারকা হোটেল গ্যালর্ড ইন্টারন্যাশনালে। এ যেনো এক মিলন মেলা। সে মিলন মেলায় সমবেত যুক্তরাষ্ট্র-কানাডায় বাংলাদেশি সেইসব প্রকৌশলী, স্থপতি, আইটি বিশেষজ্ঞরা যারা এখানে তাদের স্বনামে ধন্য এবং স্বমহিমায় উদ্ভাসিত। আর এরই মধ্যে একেকজন সফল নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশি। তবে এবারের সম্মেলন আরও বেশি অন্যরকম কারণ বাংলাদেশ থেকেও এসেছেন কয়েকজন প্রকৌশলী, স্থপতি তথা আইটি উদ্যোক্তারা যারা স্রেফ দেখতে আসেননি, এসেছেন বাংলাদেশে তাদের সাফল্যের গল্প শোনাতে। আর এখান থেকে সাফল্যের কথাগুলো জানতে। দেওয়ার-নেওয়ার, মিলিবার-মেলাবার এক দারুণ সুযোগ তৈরি হয়েছে এখানে। শুক্রবার ছিলো সম্মেলনের প্রথম দিন। এই দিন সন্ধ্যায় ছিলো সোশ্যালাইজেশন ডিনার। আর মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।বিকেলের মধ্যেই অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হয়ে যান অংশগ্রহণকারীদের অনেকে। কারণ পারস্পরিক যোগাযোগ-দেখাশোনার এই সুযোগ তারা মিস করতে চাননি। তাদের মধ্যে অনেকের সঙ্গেই কথা হয় এনআরবি কানেক্ট টিভির। তারা এই সম্মেলন নিয়ে তাদের উৎসাহ ও উচ্ছাস দুই-ই প্রকাশ করলেন। জানালেন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তারা এখানে এসেছেন। পোটোম্যাক রিভার ঘেঁষা এই অনিন্দ্য সুন্দর পরিবেশে অনেকটা মজার সময় কাটানোও তাদের উদ্দেশ্য। আর সাথে সংগঠনটির জন্য আরও বড় কিছু কি করা যায় সেসব নিয়ে আলোচনা করা। এমনটাই বলছিলেন আবিয়ার প্রেসিডেন্ট ফয়সাল কাদের। আয়োজনের দ্বিতীয় দিনে থাকছে বেশ কয়েকটি টেকনিক্যাল সেমিনার ও প্যানেল ডিসকাশন। যা সকাল ৮টায় শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে। আর সাথে চলবে বিজ্ঞান মেলা, ম্যাথ কুইজ, ট্রিভিয়া। রয়েছে ইয়ুথ ফোরামের ইয়ুথ প্যানেল ডিসকাশন। এই দিন সন্ধ্যায় ডিনারের পরপরই শুরু হবে বিশেষজ্ঞদের উপস্থাপনা। তারা এই সম্মলনে তাদের কি-নোট উপস্থাপন করবেন। অন্যান্যের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অন্যতম সফল আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষা উদ্যোক্তা ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি- ডব্লিউইউএসটি'র চেয়ারম্যান ও সিইও আবুবকর হানিপও এতে তারা কি-নোট উপস্থাপন করবেন। আয়োজনের তৃতীয় দিনে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশি টেক কোম্পানিগুলোর মধ্যে ব্রেকআউট সেশন। পরে আবিয়া'র সংবিধান ও বাই-লজ নিয়ে আলোচনার পর সংগঠনটির এজিম সম্মন্ন হবে। এবং দুপুরে শুরু হবে অত্যাধুনিক ইয়াটে নৌভ্রমণ। যা শেষ হবে ওইদিন বিকেল সাড়ে চারটায়। যার মধ্য দিয়েই শেষ হবে এই সম্মিলন। 

post
এনআরবি সাফল্য

মালয়েশিয়ায় ‘দাতু শ্রী’ খেতাব পেলেন কুমিল্লার সেলিম

মালয়েশিয়ার সম্মানসূচক ‘দাতু শ্রী’ খেতাব পেয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি জালাল উদ্দিন সেলিম। তিনি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ভেলানগর গ্রামের মোহাম্মাদ আব্দুল আওয়ালের ছেলে।শনিবার (১ অক্টোবর) মালাক্কার প্রভাবশালী রাজপরিবারের পক্ষ থেকে সেলিমকে এ খেতাব দেওয়া হয়। ব্যবসায়, এনজিও ও সামাজিক কাজে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে খেতাব দেয় মালাক্কার রাজপরিবার।এমন স্বীকৃতি লাভ করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও মোবাইল ফোনে সেলিমকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কাছের মানুষ ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।‘দাতু শ্রী’ বা ‘দাতো সেরি’ হলো দেশের জন্য অবদান রেখেছেন এমন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রের দেওয়া সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব। এটি ফেডারেল খেতাব ‘তান শ্রী’র সমতুল্য একটি সম্মান। এ খেতাব পাওয়া ব্যক্তির স্ত্রীকে ‘দাতিন শ্রী’ বলা হয়।জানা গেছে, সেলিম ১৯৯৫ সালে মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি স্যায়েন্স মালয়েশিয়ায় (ইউএসএম) পড়ালেখা করতে যান। পড়ালেখা শেষে তিনি সেখানেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। মনোনিবেশ করেন ব্যবসায়। এরপর আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।২০১৯ সালে মালয় তরুণী দাতিন সেরি নুরুল আনিসকে বিয়ে করেন সেলিম। তাদের ঘরে জন্ম নেয় এক ছেলে ও এক মেয়ে। মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ কমিউনিটির কাছে অতি পরিচিত মুখ সেলিম।জালাল উদ্দিন সেলিম বলেন, আমি বাংলাদেশি, এটাই আমার বড় পরিচয়। প্রবাসে এ সম্মান পাওয়া দেশের জন্যও সম্মানের। এ সম্মান যেন ধরে রাখতে পারি।মালয়েশিয়ায় কর্মরত সব প্রবাসীর যেকোনো সমস্যা সমাধানে পাশে থেকে আত্মনিয়োগ করবেন বলেও জানান সেলিম।

post
এনআরবি সাফল্য

তুরস্কে প্রবাসী বাংলাদেশি কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

তুরস্কে অধ্যয়নরত স্নাতক, স্নাতকোত্তর, পিএইচডি কোর্সে উত্তীর্ণ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে দেশটির বাংলাদেশ দূতাবাস। স্থানীয় সময় শনিবার রাজধানী আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাসের 'বিজয় একাত্তর' মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি কোর্সে উত্তীর্ণদের মধ্যে ৩৯ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মস্যূদ মান্নান কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।শিক্ষার্থী ছাড়াও তুরস্কের বিভিন্ন শহরে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে কয়েকজন শিক্ষার্থী ও প্রবাসী বাংলাদেশি বক্তব্য রাখেন। শিক্ষার্থীরা জানান, দূতাবাসের আয়োজনে এভাবে সংবর্ধনা পেয়ে তারা অনেক আনন্দিত। এ ধরনের সম্মাননা মেধা বিকাশের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেবে বলেও শিক্ষার্থীরা মনে করেন। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত মস্যূদ মান্নান অর্জিত শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে আত্মনির্ভরশীল ও সমৃদ্ধের বাংলাদেশ গড়তে অবদান রাখতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি এ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের ভাগ্যবান উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের সুযোগ আছে যা জাতির প্রত্যাশা পূরণে সহায়ক হবে।' অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মানে কেক কাটা হয়। পরে র‍্যাফেল ড্রয়ে ৭ জন বিজয়ীর মধ্যে ল্যাপটপ, মোবাইল ইত্যাদি পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয়

post
এনআরবি সাফল্য

কাতারে স্টেডিয়াম নির্মাণে বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের রাষ্ট্রদূতের প্রশংসা

অত্যাধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণসহ আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য কাতার নেতৃত্বের প্রশংসা করলেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. জসিম উদ্দিন। তিনি বলেছেন, ‘কাতারে স্টেডিয়াম নির্মাণে বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের ভূমিকা অপরিসীম। বাংলাদেশ ও কাতার উভয় দেশের উন্নয়নে প্রকৌশলীদের ভূমিকা রয়েছে।’ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) কাতার চ্যাপ্টার আয়োজিত ৭৪তম ইঞ্জিনিয়ার্স ডে উদযাপন উপলক্ষে এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। টেকসই উন্নয়নের জন্য পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘বিশ্বকাপ উপলক্ষে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন স্টেডিয়ামগুলো কাতারে আগত ফুটবলপ্রেমীদের ভালো লাগার পাশাপাশি কাতার-বাংলাদেশের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক বৃদ্ধি পাবে।’ রাজধানী দোহার ক্রাউন প্লাজা হোটেলে প্রকৌশলী মোস্তাক আহমেদ ও প্রকৌশলী সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি প্রকৌশলী গাজী মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রকৌশলী শফিকুল আলম, প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন আকন ও প্রকৌশলী জালাল আহমেদ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বি.এম. কামাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হাফিজ উদ্দিন ঢালী।বাংলাদেশ দূতাবাসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ নেপাল, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও পৃষ্ঠপোষকের প্রতিনিধিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

post
এনআরবি সাফল্য

সৌদিতে কোরআন প্রতিযোগিতায় ১১১ দেশের মধ্যে তৃতীয় বাংলাদেশের তাকরীম

সৌদি সরকারের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত ৪২তম বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন বাংলাদেশের হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরীম (১৩)। এর আগে, গত ৫ মার্চ তেহরানে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন বাংলাদেশের এই হাফেজ। স্থানীয় সময় বুধবার রাতে মক্কার পবিত্র হারাম শরিফে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে চূড়ান্ত বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এসময় তৃতীয় স্থান অর্জন করা তাকরীমকে এক লাখ রিয়াল (প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ টাকা) পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সৌদি বাদশাহ সালমানের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তার উপদেষ্টা ও মক্কা নগরীর গভর্নর খালেদ আল ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ এবং দেশটির ইসলাম ও দাওয়াহ বিষয়ক মন্ত্রী ড. আবদুল লতিফ বিন আবদুল আজিজ আলে শেখসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ। গত ১০ সেপ্টেম্বর শুরু হয় বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা। চূড়ান্ত পর্ব শেষ হয় বুধবার। এ প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১১১টি দেশ থেকে ১৫৩ জন অংশ নেন। চূড়ান্ত পর্বে উত্তীর্ণ ১৫ প্রতিযোগীকে ২৭ লাখ রিয়াল পুরস্কার দেওয়া হয়। হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম ঢাকার মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামী মাদরাসার শিক্ষার্থী। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুর থানার ভাদ্রা গ্রামে। তার বাবা হাফেজ আব্দুর রহমান মাদরাসার শিক্ষক এবং মা গৃহিণী।

post
এনআরবি সাফল্য

১৫ দিনে ১০ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে প্রবাসীরা

চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ১৫ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ১০০ কোটি ৮৬ লাখ (১০০৮ দশমিক ৬৭ মিলিয়ন) ডলার। দেশীয় মুদ্রায় (প্র‌তি ডলার ১০৮ টাকা ধ‌রে) যার পরিমাণ ১০ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা। চলমান ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ২০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের এক প্রতিবেদনে এ চিত্র পাওয়া গেছে। সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৫ দিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স এসেছে ১৪ কোটি ৫ লাখ মার্কিন ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স এসেছে ৮৪ কোটি ৮৩ লাখ মার্কিন ডলার। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৪ লাখ মার্কিন ডলার আর বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে এক কোটি ৬৪ লাখ মার্কিন ডলার।আলোচিত সময়ে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে বেসরকারি ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংকটির মাধ্যমে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ২২ কোটি ডলার। এরপর সিটি ব্যাংকে এসেছে ৯ কোটি ৯৭ লাখ ডলার, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে ৭ কোটি ৩০ লাখ, অগ্রণী ব্যাংকে ৬ কোটি ২৩ লাখ এবং ডাচ্–বাংলা ব্যাংক ৫ কোটি ২১ লাখ এবং পূবালী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫ কোটি ৫৮ লাখ ডলার প্রবাসী আয়। আলোচিত সময়ে সরকারি বিডিবিএল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বিদেশি ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া ও ওরি ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এদিকে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে বিভিন্ন ছাড় ও সুবিধার সুফল দেখা যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরের টানা দুই মাস ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স বৈধ পথে পাঠিয়েছে প্রবাসীরা। গত আগস্ট মাসের ২০৩ কো‌টি ৭৮ লাখ (২ দশমিক ০৩ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। তার আগের মাস জুলাইয়ে এসেছিল ২০৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার। জুলাই মাসে ঈদ-উল আজহার কারণে দেশে বিপুল পরিমাণ প্রবাসী আয় এসেছিল। তবে আগস্টে বড় উৎসব ছিল না, তারপরও প্রবাসী আয় ২০০ কোটি ডলার ছাড়ায়। চলতি বছরের প্রথম আট মাসের মধ্যে যে তিন মাস প্রবাসী আয় ২০০ কোটি ডলারের বেশি ছিল।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, হঠাৎ বেসরকারি খাতের অনেক ব্যাংক সরকারি ব্যাংকগুলোর চেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আনছে। কারণ, এসব ব্যাংক বেশি দামে বিদেশ থেকে ডলার কিনছে। প্রবাসীরাও বেশি দাম পাওয়ায় এসব ব্যাংকের দ্বারস্থ হচ্ছেন। প্রণোদনা ও ডলারের দাম বাড়ার পরও ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রবাসী আয়ে বড় পতন হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাং‌কের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ (২১ দশমিক ৩ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ১১ শতাংশ কম। ২০২০-২১ অর্থবছরে দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ (২৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। এখন বিদেশ থেকে যেকোনো পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠাতে কোনো ধরনের কাগজপত্র লাগে না। এছাড়া আবার প্রবাসী আয়ের ওপর আড়াই শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.