post
এনআরবি সাফল্য

কানাডায় বাংলাদেশি হাওয়াই গিটারবাদক এনামুলকে সম্মাননা

বাংলাদেশের খ্যাতিমান হাওয়াই গিটারবাদক ও শিল্পী এনামুল কবিরকে অন্টারিওর প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্টে বিশেষ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। অধিবেশন চলাকালে একজন ভিন্নধারার খ্যাতিমান এবং বাংলাদেশের শীর্ষ গিটার শিল্পী হিসেবে তাকে অধিবেশনে উপস্থাপন করা হয়। এই সময় প্রাদেশিক সংসদের সদস্যরা বাংলাদেশি এই শিল্পীকে সম্মান জানান। প্রসঙ্গত, শিল্পী এনামুল কবির ব্যক্তিগত সফরে বর্তমানে টরন্টোয় রয়েছেন। তার মেয়ে রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী নাহিদ কবীর কাকলী টরন্টোয় বসবাস করেন। অন্টারিওর প্রাদেশিক সংসদে বিরোধী দলীয় উপনেতা, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রথম নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ডলি বেগম তাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে কুইন্সপার্কে সংসদ অধিবেশনে নিয়ে যান। তিনি প্রাদেশিক সংসদের সদস্যদের সামনে শিল্পী এনামুল কবিরকে উপস্থাপন করেন। এ সময় তিনি শিল্পী এনামুল কবিরকে বাংলাদেশের সেরা হাওয়াই গিটারশিল্পী হিসেবে উল্লেখ করেন। এই সময় শিল্পীর সঙ্গে তার কন্যা রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী নাহিদ কবির কাকলী এবং দৌহিত্র অংকিতা উপস্থিত ছিলেন। এক প্রতিক্রিয়ায় শিল্পী এনামুল কবির বলেন, বিদেশের মাটিতে আমি যে সম্মান পেলাম তাতে আমি অভিভূত এবং আবেগ আপ্লুত। গিটার বাদক এনামুল কবির বাংলাদেশের একজন নিবেদিতপ্রাণ সঙ্গীতশিল্পী। তার হাত ধরে দেশে হাজার হাজার গিটার শিল্পি তৈরী হয়েছে। গত পাঁচ দশক ধরে তিনি দেশের সেরা হাওয়াইয়ান গিটারিস্ট হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন। সঙ্গীতের বিভিন্ন ঘরানার উপর তার ৪০টির বেশী গিটার অ্যালবাম রয়েছে। এর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ১৭টি গান রয়েছে। যার একটি 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সেরা ১১০ ভাষন' অ্যালবামে আবহ সঙ্গীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। তাছাড়া বর্তমানে সংসদ টিভিতে প্রতিদিন তার সঙ্গীত ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

post
এনআরবি সাফল্য

প্রভাবশালী বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলাদেশি গবেষক ড. এম এ হান্নান

বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী বিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন বাংলাদেশি অধ্যাপক ড. এম এ হান্নান। নবায়নযোগ্য শক্তি নিয়ে উল্লেখযোগ্য গবেষণার ওপর ভিত্তি করে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয় তাকে। ৬৯টি দেশের গবেষকদের এমন স্বীকৃতি দেয় যুক্তরাজ্যভিত্তির অ্যানালিটিক্স কোম্পানি ‘ক্লারিভেট’। ড. এম এ হান্নান ইউনিভার্সিটি তেনাগা মালয়েশিয়ার (ইউনিটেন) অধ্যাপক। তার এই অর্জনে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা গর্বিত। এক বিবৃতিতে ইউনিটেন জানায়, ৬৯টি দেশের গবেষকরা এই স্বীকৃতি পান। তাদের মধ্যে একজন এম এ হান্নান। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ২০১১ সাল থেকে ২০২১ পর্যন্ত এই ১১ বছরে এম এ হান্নানের গবেষণার ওপর ভিত্তি করে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এম এ হান্নান ধারাবাহিকভাবে ওয়েব অব সায়েন্স ইনডেক্সে সাত হাজার ৯১১টি উদ্ধৃতিসহ ২৫৫টি নিবন্ধ প্রকাশ করেছেন। ইউনিটেনের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. নূর আজুয়ান আবু ওসমান বলেন, এই সাফল্য ইউনিটেনকে বৈজ্ঞানিক গবেষণার উৎকর্ষতায় বৈশ্বিক মঞ্চে এনেছে। ১৯৯০ সালে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তড়িৎ এবং ইলেকট্রনিক প্রকৌশলে পড়াশোনা করেন এম এ হান্নান। একই সঙ্গে এমএসসি করেন। পিএইচডি করেন ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া (ইউকেএম) থেকে। তার ২৮ বছরেরও বেশি শিল্প ও একাডেমিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক জার্নাল এবং সম্মেলনের কার্যক্রমে প্রকাশিত ৩০০টিরও বেশি নিবন্ধের লেখক বা সহ-লেখক তিনি। এম এ হান্নানের গবেষণার আগ্রহের মধ্যে রয়েছে- ইনটেলিজেন্ট কন্ট্রোলার, পাওয়ার ইলেকট্রনিক্স, হাইব্রিড যানবাহন, এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম, ইমেজ এবং সিগন্যাল প্রসেসিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।

post
এনআরবি সাফল্য

সিডনিতে সাহিত্য চর্চায় সম্মাননা পেলেন দুই বাংলাদেশি

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক জন্মভূমি টেলিভিশনের সপ্তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে ‘বর্ষসেরা সাহিত্যিক সম্মাননা ২০২২’ পেয়েছেন শাখাওয়াৎ নয়ন এবং অনীলা পারভীন। শাখাওয়াতকে কথাসাহিত্যে এবং অনীলাকে শিশুসাহিত্যে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার জন্য এ সম্মাননা দেওয়া হয়। ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলস এর জন ক্লান্সি অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।ডা. আসাদ শামস, ডা. ফ্লোরা এবং সাকিনা আক্তারের উপস্থাপনায় ওই অনুষ্ঠানে ১০টি ক্যাটাগরিতে (শিল্প, সাহিত্য, শিক্ষা, সাংবাদিকতা, বিজ্ঞান, চিকিৎসা, রাজনীতি, সমাজ সেবায় এবং উদ্যোক্তা) মোট ২০ জনকে নিজ নিজ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননাপ্রাপ্ত অন্যদের মধ্যে বিজ্ঞানে অবদান রাখার জন্য ড. আবেদ চৌধুরী, সাংবাদিকতায় কাওসার খান, শিক্ষায় ড. এহসান আহমেদ, সঙ্গীতে অমিয়া মতিন, সমাজ সেবায় বাংলাদেশ মেডিকেল সোসাইটি অব অস্ট্রেলিয়া, ডা. জেসি চৌধুরী, রাজনীতিতে ড. সাবরিনা ফারুকী এবং মাসুদ চৌধুরী প্রমুখ। জন্মভূমি টেলিভিশনের ৭ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে একটি ম্যাগাজিন প্রকাশ করেছে। ওই ম্যাগাজিনে সম্মাননাপ্রাপ্তদের অর্জনসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রখ্যাত ব্যান্ড সঙ্গীত শিল্পী মাকসুদ তার জাদুকরী সুর ও সঙ্গীতের মূর্ছনায় সিডনিবাসীকে আরও একবার নস্টালজিয়ার ভুবনে নিয়ে যান। অনুষ্ঠানে জন্মভূমি টেলিভিশনের কর্ণধার সিনিয়র সাংবাদিক আবু রেজা আরেফিন সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের ইতি টানেন।

post
এনআরবি সাফল্য

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি যুবকের স্বর্ণপদক জয়

মালয়েশিয়ায় স্বর্ণপদক পেয়েছেন বাংলাদেশি অধ্যাপক তারিকুল ইসলাম। তিনি ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া (ইউকেএম) থেকে ‘স্মার্ট টেকনোলজি অ্যান্ড সিস্টেমস’ ক্লাস্টারের অধীনে একটি উদ্ভাবন প্রকল্প উপস্থাপন করেন। যার শিরোনাম ছিল ‘সি ব্যান্ড অ্যান্টেনা ফর KITSUNE 6U CubeSatellite’। এই প্রকল্পটির জন্য তাকে স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। গত ১ থেকে ৩ নভেম্বর উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া কেলানতানে শুরু হয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন। এ সম্মেলনে তাকে এ পদক দেওয়া হয়। অধ্যাপক মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি গবেষকরা সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। মালয়েশিয়ায়ও এর ব্যতিক্রম নয়, তার প্রমাণ দিতে পেরে গর্ববোধ করছি। বাংলাদেশি গবেষকদের সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত বলেও জানান তিনি। চলতি বছরের ১৮ মে ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া (ইউকেএম) থেকে ‘মালয়েশিয়া রিসার্চ অ্যাসেসমেন্ট’ পুরষ্কার অর্জন করেন তারিকুল ইসলাম।তিনি ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়ার (ইউকেএম) ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক ও সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও জাপানের কিউশু ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির একজন ভিজিটিং প্রফেসর। তিনি অ্যান্টেনা, মেটাম্যাটেরিয়ালস ও মাইক্রোওয়েভ ইমেজিং সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রায় ৫০০টি গবেষণা জার্নাল নিবন্ধের লেখক ও ২২টি ইনভেন্টরি পেটেন্ট দাখিল করেছেন। এরই মধ্যে অধ্যাপক তারিকুল ইসলাম বেশ কয়েকটি স্বর্ণপদক পেয়েছেন। বহু বছর ধরে ইইকেএমএর-এর শীর্ষ গবেষক হিসেবে রয়েছেন। তিনি প্রায় ৩০ জন পিএইচডি ২০ জন এম এসসি থিসিস তত্ত্বাবধান করেছেন। তিনি ১০টিরও বেশি পোস্টডক্স ও ভিজিটিং গবেষককে পরামর্শ দিয়েছেন। প্রফেসর তারিকুল নটরডেম কলেজ ঢাকা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র ছিলেন। তিনি স্তন ও মাথার টিউমারের মতো রোগ নির্ণয়ের যন্ত্রের জন্য জাপান, সৌদি আরব, কুয়েত এবং কাতারের মতো বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সহযোগিতামূলক গবেষণা পরিচালনা করছেন। তিনি ন্যানো স্যাটেলাইটের জন্য ছোট অ্যান্টেনা উন্নয়নেও সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। ‘মালয়েশিয়া রিসার্চ অ্যাসেসমেন্ট’ যা ২০০৬ সালে প্রথম চালু হয়েছিল মালয়েশিয়ায় গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বীকৃতির মাধ্যমে গবেষণা এবং উদ্ভাবনের ক্ষমতায়নের জন্য একটি এজেন্ডা হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ইউকেএম ২০০৬ সাল থেকে গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঘোষিত ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি।

post
এনআরবি সাফল্য

মালয়েশিয়ায় স্বর্ণপদক পেলেন বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ায় স্বর্ণপদক পেয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি গবেষক ড. লায়লা নাহার। গ্রিন টেকনোলজি ব্যবহার করে স্বাস্থ্যকর মাশরুম ক্র্যাকারর্স উদ্ভাবনে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তাকে এ স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। গত ১ নভেম্বর থেকে ৩ নভেম্বর উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া কেলানতানে শুরু হয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন। এ সম্মেলনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পদক দেওয়া হয়। ৩ নভেম্বর সম্মেলনের শেষ দিন ড. লায়লা নাহারসহ ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া কেলানতানের ৮ জনকে স্বর্ণপদক দেওয়া হয়েছে। এ সময় ছিলেন- ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া কেলানতানের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. রাজলি বিন চী রাজাক, মালয়েশিয়ার উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি (ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) ড. মোহাম্মদ জাবরি বিন ইউসুফ, ডেপুটি ভাইস চ্যান্সেলর (রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেসন) প্রফেসর ড. আরহাম বিন আব্দুল্লাহ, ডাইরেক্টর অফ রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন প্রফেসর ড. আহমাদ জাইদ বিন সোলাইমান, ইউএমকের ডাইরেক্টর অফ আইসিডি, প্রফেসর ড. জুলি বিনতে মোহাম্মাদ।প্রতি দুই বছর পরপর সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, পলিটেকনিক, কমিউনিটি কলেজ, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, স্কুল, শিল্প/এজেন্সির বাছাই করা গবেষকদের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে তাদের এ পদক দেওয়া হয়। PECIPTA'22 মালয়েশিয়ার উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত উদ্ভাবনের ওপর আন্তর্জাতিক সম্মেলন এবং প্রদর্শনীতে মালয়েশিয়ার সব বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, পলিটেকনিক, কমিউনিটি কলেজ, স্কুল, শিল্প/এজেন্সি থেকে মোট অংশগ্রহণকারী ছিল ৪৭৭ জন গবেষক। ড. লায়লা নাহার, রাজশাহী পিএন গার্লস হাইস্কুল থেকে ১৯৯৫ সালে মাধ্যমিক এবং ১৯৯৭ সালে রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে ২০০৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ থেকে তার মাস্টার্স এবং ২০১১ সালে ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া (UPM) থেকে পিএইচডি (মাইকোলজি অ্যান্ড প্ল্যান্ট প্যাথলজি) ডিগ্রি লাভ করেন।তিনি বর্তমানে কৃষি-ভিত্তিক শিল্প অনুষদে, ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া কেলানতান (UMK), ২০১৪ সালের জুন থেকে কৃষিপ্রযুক্তি প্রোগ্রামে সিনিয়র লেকচারার/সহকারী অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপনা করছেন। ইউএমকেতে যোগদানের আগে, তিনি ২০১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়াতে পোস্টডক্টরাল ফেলো ছিলেন। ২০১৪ থেকে ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া কেলানতানে তার শিক্ষকতার সময়, তিনি স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একজন সুপারভাইজার হিসাবে কাজ করেছেন। তিনি উদ্ভিদের রোগ নির্ণয়, প্যাথোজেনিক জীবাণু শনাক্তকরণ, উদ্ভিদ-প্যাথোজেন মিথস্ক্রিয়া, ছত্রাকের নির্যাস থেকে জৈব হার্বিসাইড যৌগ শনাক্তকরণ, মাশরুম চাষ, ব্যয়িত মাশরুম সাবস্ট্রেট থেকে জৈবসার উৎপাদন এবং পণ্য বিকাশের মতো বিভিন্ন ধরনের গবেষণার ক্ষেত্রে জড়িত। তিনি হাই ইম্প্যাক্ট জার্নালে ৪০টি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন (১৪ এইচ-ইনডেক্স), ৩টি বইয়ের অধ্যায় এবং ২০টি প্রসিডিংস পেপার। তার ফলাফল এ পর্যন্ত একটি ট্রেডমার্ক এবং দুটি কপিরাইট পেয়েছে। তিনি বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবেও আমন্ত্রিত হয়েছেন। উচ্চ শিক্ষার পাঠদান এবং কোর্স পরিচালনার পাশাপাশি লায়লা নাহারের গবেষণার কিছু অংশ স্থানীয় কমিউনিটির উন্নয়নমূলক কাজেও জড়িত।রাজশাহী উপ-শহর নিবাসী মোহাম্মদ নাসিম আলী এবং হোসনে আরা বেগমের মেয়ে ড. লায়লা নাহার বর্তমানে ইউএমকেতে কৃষিপ্রযুক্তি প্রোগ্রামে সিনিয়র লেকচারার/সহকারী অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপনা করছেন। ড. লায়লা নাহারের এই সাফল্যর পেছনে আছে মা-বাবার সঙ্গে স্বামী সাইনুল ইসলামের অনুপ্রেরণা ও সাহস। পদক পাওয়ার অনূভূতি জানাতে গিয়ে ড. লায়লা নাহার বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি গবেষকরা সুনামের সাথে কাজ করছেন। মালয়েশিয়াতেও এর ব্যতিক্রম নয়, তার প্রমাণ দিতে পেরে গর্ববোধ করছি। স্বামী সাইনুল ইসলাম বলেন, ড. লায়লা নাহারের শ্রম আজ সফল হয়েছে। নাহার বিদেশের মাটিতে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছে। আমি গর্বিত।

post
এনআরবি সাফল্য

'অস্ট্রেলিয়ান অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড' এ ভূষিত বাংলাদেশি কন্যা শামারুহ মির্জা

আগামী ৯ নভেম্বর অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল গ্যালারিতে মনোনীতদের মধ্য থেকে ৪ জনের নাম ঘোষণা করা হবে। আগামী ২৫ জানুয়ারি জাতীয় পুরস্কারের জন্য রাজধানীতে জাতীয় বিজয়ী হিসেবে তারা অন্যান্য রাজ্য ও অঞ্চলের পুরস্কারপ্রাপ্তদের সঙ্গে যোগদান করবেন।ন্যাশনাল অস্ট্রেলিয়া ডে কাউন্সিলের সিইও কার্লি ব্র্যান্ড মনোনীতদের তাদের স্বীকৃতির জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, 'মনোনীতরা আমাদের মনে করিয়ে দেন যে, অঞ্চলটি কী একটি অসাধারণ সক্রিয় সম্প্রদায়ের আবাসস্থল।'এ পুরস্কারটি অস্ট্রেলিয়ানদের একটি ব্যতিক্রমী ও বৈচিত্র্যপূর্ণ গোষ্ঠীকে সম্মানিত করে, যারা জাতীয় গুরুত্বের বিষয়গুলোতে আলোচনা এবং পরিবর্তনকে আলোড়িত করেন।'অস্ট্রেলিয়ান অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড' জাতীয় অস্ট্রেলিয়া দিবস কাউন্সিলের একটি প্রোগ্রাম। প্রতি বছর দেশটি এই পুরস্কারের মাধ্যমে সেসব বিশিষ্ট অস্ট্রেলিয়ানদের কৃতিত্ব ও অবদানকে উদযাপন করে, যারা সবার জন্য আদর্শ নাগরিকদের প্রতিনিধিত্ব করেন। তারা তাদের কৃতিত্বের মাধ্যমে জাতিকে অনুপ্রাণিত করেন এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্থিতিস্থাপক অস্ট্রেলিয়া তৈরিতে নিজ অবদান রাখার জন্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেন।১৯৬০ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়ান অব দ্য ইয়ার পুরস্কারটি অস্ট্রেলিয়া দিবসকে ঘিরে উদযাপনের অংশ হিসেবে দেওয়া হচ্ছে। এই সময়ে এটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি জাতীয় পুরস্কার হয়ে উঠেছে ।২০২৩ বর্ষসেরা অস্ট্রেলিয়ান পুরস্কারের মনোনীতরা হলেন—অস্ট্রেলিয়ান অব দ্য ইয়ারমিকেলা জেড: প্রতিষ্ঠাতা, ইনডিজিটাল (ফিলিপ)স্কট ওয়ালিস: প্রতিষ্ঠাতা, নিরক্ষীয় লঞ্চ অস্ট্রেলিয়া, আর্নহেম স্পেস সেন্টার (গারান)অলিম্পিয়া ইয়ারগার: পোকা চাষের অগ্রগামী ও প্রতিষ্ঠাতা, গোটেরা (ক্যানবেরা)হেইডি ইয়েটস: মানবাধিকার আইনজীবী এবং সম্প্রদায়ের উকিল (ক্যানবেরা)সিনিয়র অস্ট্রেলিয়ান অব দ্য ইয়ারমোহাম্মদ আলী: প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, হেল্পিংএসিটি (ফ্রাঙ্কলিন)প্রফেসর টম ক্যালমা এও: মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের আইনজীবী, পরামর্শদাতা ও স্বেচ্ছাসেবক (চ্যাপম্যান)রবার্ট কুক: শিশু আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও ওয়াররুমবুল কোর্ট ম্যাজিস্ট্রেট (ক্যানবেরা)ব্রায়ান ট্রিগ্লোন ওএএম: প্রতিষ্ঠাতা ও কন্ডাক্টর, আলকেমি কোরাস (টরেন্স)ইয়াং অস্ট্রেলিয়ান অব দ্য ইয়ারব্রাইস ক্রোনিন: প্রকৌশলী, ডিজাইনার ও প্রতিষ্ঠাতা, অ্যাক্সেস থ্রি ডি (বেলকনেন)কফি ওউসু-আনসাহ: অভিনয়শিল্পী ও গীতিকার (ক্যানবেরা)ক্যামিল শ্লোফেল: প্রতিষ্ঠাতা, দ্য স্টপ ক্যাম্পেইন (আইন্সলি)হিলারি সোয়ান: শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠাতা, এমপাওয়ার (রিভেট)লোকাল হিরোনাজমুল হাসান: মাল্টিকালচারাল কমিউনিটি চ্যাম্পিয়ন (হোল্ডার)গৌরব মালহোত্রা: প্রতিষ্ঠাতা, কেন বেহরেন্স হেল্পিং হ্যান্ডস (ডেনম্যান প্রসপেক্ট)গ্যারি মালহোত্রা: প্রতিষ্ঠাতা, কেন বেহরেন্স হেল্পিং হ্যান্ডস (ডেনম্যান প্রসপেক্ট)ক্যারল মিড: প্রতিষ্ঠাতা, পরিবর্তনের জন্য সেলাই (গর্ডন)ডা. শামারুহ মির্জা: বিজ্ঞানী ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা, সিতারার গল্প (ওয়ারমাঙ্গা)

post
এনআরবি সাফল্য

ইউরোপের বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশি শুভ্রের সাফল্য

বিশ্বের প্রাচীন ও ইউরোপের বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় লা সাপিয়েন্সা থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং ইন কম্পিউটার সায়েন্স পোস্ট গ্র‍্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন বাংলাদেশি যুবক মো. রেজোয়ান হোসেন শুভ্র। তিনি পেশায় কম্পিউটার প্রকৌশলী।জানা গেছে, বাংলাদেশে সাড়ে তিন বছর বুয়েটের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যাক অফিস প্রজেক্ট, লিডস-সফট ও মিডিয়া সফটওয়্যার কোম্পানিতে চাকরির পর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করতে ইতালির রোমে আসেন। শুভ্র শিক্ষাকালীন সময়ে ইরাসমাস প্লাস স্কলারশিপ নিয়ে স্কটল্যান্ডের হ্যারিয়ট-ওয়াট ইউনিভার্সিটি থেকে একটি সেমিস্টারের তিনটি কোর্স সম্পন্ন করেন। ডিপ লার্নিং বেজড পারসন আইডেনটিফিকেশন ইউজিং টুডি আউটার ইয়ার ইমেজেব-এর ওপর গবেষণা সম্পন্ন করেন। ভবিষ্যতে এ বিষয়ের ওপর আরও গবেষণা করার আশা প্রকাশ করেন তিনি। এছাড়া ভবিষ্যতে তার আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও মেশিন লার্নিংয়ের ওপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের পরিকল্পনা রয়েছে।এ বিষয়ে শুভ্র বলেন, অর্জন তখন সম্ভব যখন নিজে সেটা মনে প্রাণে চাওয়া হয়। এর মধ্যে যত বাধা-বিপত্তির সব সমাধানের রাস্তা নিজেকেই বের করে সামনে এগোতে হবে। সময়গুলো হয়ত সবসময় সমান যায় না, কিন্তু সেই সময়কে ধরে না রেখে আগামীকালের সূর্যোদয়ের দিকে আগ্রহ দেখালে একটা সময় প্রাপ্তি চলেই আসে।শুভ্র আরও বলেন, বাংলাদেশের গবেষণার দিকে আগানো এখন সময়ের দাবি। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং মেশিন লার্নিংয়ে ইতালির ইউনিভার্সিটিতে লব্ধ গবেষণাকে বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজে লাগানো সম্ভব। তাছাড়া এখান থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীরা দেশে ফিরে অর্জিত গবেষণার প্রয়োগ এবং আরও উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের গবেষণাকে বিশ্বমানের করে তোলা সম্ভব। যার ফলে বিশ্বের মাঝে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা আরেক ধাপ এগিয়ে যেতে পারে বলে আমার বিশ্বাস।ইতালির রোম শহরে অবস্থিত লা সাপিয়েন্সা রাষ্ট্রীয় একটি বিশ্ববিদ্যালয়, যা ১৩০৩ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। সি ডব্লিউ ইউ আর র‌্যাংকিং (সেন্টার ফর ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং) অনুযায়ী ২০২২-২০২৩ সালে বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে প্রথম ইতালীয় বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্থান নিশ্চিত করেছে। ২০২২ সালের হিসাব অনুযায়ী ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী এ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন।

post
এনআরবি সাফল্য

তিন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জয় পেলেন সুইজারল্যান্ডের পৌর কমিশনার নির্বাচনে

সুইজারল্যান্ডের ডেলেমন্ট পৌরসভায় কমিশনার পদে নির্বাচন করে জয়লাভ করেছেন তিনজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত। ধাপে ধাপে নির্বাচন শেষে গত ২৩ অক্টোবর সোশালিস্ট পার্টি থেকে তারা কমিশনার পদে জয়লাভ করেছেন।ডেলেমন্ট পৌরসভায় কমিশনার পদে নির্বাচিত তিনজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হলেন- কাজী আসাদুজ্জামান, ইস্কান্দার আলী এবং জর্ডান আলী। এদের মধ্যে জর্ডান আলী ইস্কান্দার আলীর ছেলে। তাদের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামে। ইস্কান্দার আলী দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে সুইজারল্যান্ডে বসবাস করছেন। আর কাজী আসাদুজ্জামানের বাড়ি ফরিদপুরে। তিনি দীর্ঘ ৩৪ বছর ধরে রয়েছেন সুইজারল্যান্ডে।কাজী আসাদুজ্জামান জানান, পাঁচ বছর মেয়াদি প্যানেলভিত্তিক নির্বাচনে স্বতন্ত্র একটি প্যানেলসহ ছয়টি প্যানেল ছিল। এতে ৩৬ জন কমিশনার পদে নির্বাচনে জয়লাভ করেছে। জয়লাভ করা ৩৬ কমিশনারের মধ্যে তারা তিনজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত।কাজী আসাদুজ্জামান বলেন, নয় হাজার ভোটার ডাকের মাধ্যমে ধাপে ধাপে ভোট দিয়েছেন। ২৩ অক্টোবর এর কার্যক্রম শেষ হয়েছে। তারপর নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করা হয়।

post
এনআরবি সাফল্য

দক্ষ পেশাজীবি প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশের উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন

প্রবাসীদের অভিজ্ঞতা, পেশাগত খ্যাতি, সঞ্চয় ও বিনিয়োগ স্থানীয় ব্যবসার জন্য অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। দেশের উন্নয়নের প্রবৃদ্ধি অর্জনে প্রবাসীদের “জ্ঞান হস্তান্তর” ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। আর এই “জ্ঞান হস্তান্তর” হচ্ছে অর্জিত জ্ঞান, মেন্টরশিপ, পরামর্শ এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়। এছাড়া মানবপ্রীতি, ব্যবসা এবং একাডেমিক নেটওয়ার্ক, ইন্সটিটিউশনাল লিংকিং ইনিশিয়েটিভস, বিভিন্ন সোর্স থেকে নিজ দেশে বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং টেকনিক্যাল পরামর্শের মত বিষয়গুলোতে প্রবাসীরা বিভিন্নভাবে অবদান রাখতে পারেন।গত রবিবার ভার্জিনিয়ার টাইসন্স কর্ণারে বাংলাদেশি আমেরিকান উদ্যোক্তা ইঞ্জিনিয়ার আবুববর হানিপের প্রতিষ্ঠিত ওয়াশিংটন ইউনিভাসির্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজিতে আয়োজিত “বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের ভূমিকা” শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। তথ্য প্রযুক্তিতে অভিজ্ঞ প্রবাসীদের সংগঠন “বাংলাদেশি আমেরিকান আইটি প্রফেশনালস অর্গানাইজেশন্স -বাইটপো” এই সেমিনারের আয়োজন করে। বাইটপোর প্রেসিডেন্ট শামসুদ্দিন মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের প্রাক্তন চেয়ারম্যান অধ্যাপক আমির মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন। অধ্যাপক নাসরুল্লাহ তার প্রবন্ধে বলেন, প্রবাসীদের অবদানের মূল ক্ষেত্রগুলো হচ্ছে বিনিয়োগ, নেটওয়ার্কিং এবং অর্জিত জ্ঞান বিনিময়। সেক্ষেত্রে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং জনশক্তি, কর্মসংস্থান এবং প্রশিক্ষণ ব্যুরোসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ প্রবাসীদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে। তবে বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতা করার ক্ষেত্রে একই পেশার লোকজনের সাথে সংযুক্ত হওয়ার উপায় সম্পর্কিত তথ্যে ঘাটতি রয়েছে। প্রফেসর নাসরুল্লাহ বলেন, প্রথম ধাপ হিসেবে অন্যান্য দেশের মত ইন্টারনেটভিত্তিক একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে তার মাধ্যমে অর্জিত নলেজ ট্রান্সফার তথা জ্ঞানের বিনিময় করা যেতে পারে। এই নেটওয়ার্কের লক্ষ্য হবে প্রবাসে কর্মরত ও বসবাসকারী অত্যন্ত দক্ষ বিজ্ঞানী, পেশাজীবী, উদ্যোক্তা বাংলাদেশীদের একটি নিবন্ধনের আওতায় আনা এবং বাংলাদেশে কাজের সুযোগের উপর আপডেটেড তথ্য দেওয়া। এক্ষেত্রে বাইটপোর মত সংগঠনগুলো সরকারের সাথে কাজ করতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক ও বাংলাদেশ সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রীপরিষদ সচিব মোহাম্মদ সাফিউল আলম বলেন, এ বিষয়টি সত্য যে দেশের আমলা ও পেশীশক্তিধারীদের মানসিকতার কারণে প্রবাসীরা দেশে গিয়ে ফলপ্রসূ কিছু করতে পারেনা। একারণে অনেক প্রবাসীরা দেশে কিছু করতে গিয়ে ফিরে এসেছে। নিউইয়র্ক ও হিউস্টোনে বসবাসরত পেশা ও ব্যবসায় সফল তার দু’জন বন্ধুর উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, তারা উভয়েই দেশে কিছু করতে গিয়ে কাষ্টমস, ইনকাম ট্যাক্স, ল্যান্ড অফিস, গ্যাসের অফিসে বিভিন্ন বাঁধার সম্মুখীন হয়ে হতাশ হয়ে ফিরে এসেছেন! সফিউল আলম বলেন, দেশের বিভিন্ন সেক্টরে সেবা প্রদানকারীদের মানসিকতা অনুকূলে নয়। তারা আপনাদের সাহায্যের জন্য হাত বাড়াবেনা। তারা চাইবে আপনাকে আটকিয়ে কিভাবে কিছু আদায় করা যায়। তিনি আরও বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালেই বলেছিলেন - আমাদের কৃষক-শ্রমিকরা দুর্নীতি করেনা, আমাদের মত শিক্ষিত লোকেরাই দুর্নীতি করে। এটা এখনও সত্য। আমাদের এই দুর্নীতির কারণে আমরা এগুতে পারিনা। তারপরও দেশের প্রতি অঙ্গীকারের কারণে আমাদের কিছু করার মানসিকতা নিয়েই এগুতে হবে। তিনি প্রযুক্তি সেক্টরে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ঝুঁকি এড়াতে বেপজার মত সরকারি প্রতিষ্ঠানকে বেছে নেয়ার জন্য প্রবাসীদের পরামর্শ দেন। ভার্জিনিয়া টেক এর ইলেকট্রিক্যাল ও কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক এবং দি ইন্সটিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. সাইফুর রহমান বলেন, শুধু সরকারের দিকে না তাকিয়ে আমাদের উদ্দেশ্য হলো বাইটপোর মত সংগঠনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করে অপরকে সুযোগ করে দেয়া। তিনি বলেন, কতিপয় শিক্ষক আমেরিকায় বসে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে শিক্ষা দিচ্ছেন। একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করে এই সংখ্যা আরও বাড়ানো যেতে পারে। সর্বোপরি আমরা প্রত্যেকে পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকি না কেন একজন প্রবাসী হিসেবে আমরা স্ব-স্ব ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারি। ভয়েস অব আমেরিকা বাংলা বিভাগের প্রাক্তন প্রধান রোকেয়া হায়দার বলেন, আমাদের শেকড় বাংলাদেশ, এর বিপুল জনগোষ্ঠী আমাদের সম্পদ। এই সম্পদকে দক্ষ করে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ। শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশের মতো আমাদের দেশেও বিভিন্ন জায়গায় আইটি হাব গড়ে তুলতে দেশে শিক্ষার্থীদের আইটি শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। নিউ জার্সির মনমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব সোস্যাল ওয়ার্ক বিভাগের অধ্যাপক এবং আমেরিকান ইন্সটিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ এর প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম এম মাদবর বলেন, বৈশ্বিক উন্নয়নে কতিপয় লোকের উন্নয়ন হচ্ছে, কিন্তু সাধারণ জনগোষ্ঠী লাভবান হতে পারছেনা। আর্থিক প্রবৃদ্ধি হলেও সামাজিক সমস্যা বেড়েই চলেছে। আর তাই এই ব্যাপক জনগোষ্ঠী ও সামাজিক সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশের উন্নয়নে তথ্য প্রযুক্তি, বায়োটেক, ফার্মা টেক, রিয়েল স্টেট, হেল্থ এন্ড এডুকেশন, ট্যুরিজমের মত ক্ষেত্রগুলোতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মনোযোগ দিতে পারেন। মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক এবং আমেরিকান এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশী ইঞ্জিনিয়ার্স এন্ড আর্কিটেক্ট (আবিয়ার) প্রেসিডেন্ট ড. ফয়সাল কাদের বলেন, বাংলাদেশে অনেক মেধাবী থাকলেও তাদের সুযোগের অভাব রয়েছে। আমাদের বৃহৎ এনটিটি ব্যবহার করে তাদের প্রশিক্ষণ দিতে পারি। আমাদের এনটিটি ব্যবহার করে আউট সোর্সিংয়ের ব্যবস্থা করতে পারি। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং দুর্ণীতিকে প্রধান সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে মেরিল্যান্ডের জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি ও ইউএস এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সীর বিজ্ঞানী ড. মিজানুর রহমান বলেন, প্রথমেই আমাদের দুর্নীতি সমূলে দূর এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করতে হবে যেখানে নৈতিকতা আর গণতন্ত্রের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তিনি সাইন্স ডিপ্লোমেসিকে প্রাতিষ্ঠনিক রূপদানের উপরও গুরুত্বারোপ করেন। বিশ্বব্যাংক কর্মকর্তা অ্যান্থনী পিউস গোমেজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারের অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন বিশ্বব্যাংকের পরামর্শক ড. আনোয়ার করিম, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ডিপার্টমেন্ট অব ট্রান্সপোর্টেশন এর পিই ট্রান্সপোর্টেশন স্পেশালিস্ট প্রফেসর ড. নজরুল ইসলাম, ভার্জিনিয়ার জর্জ মেসন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি প্রফেসর ড. আমিনুর রহমান, মেরিল্যান্ডের মন্টগোমারী কলেজের বায়োলজি বিভাগের অ্যাডজাঙ্কট প্রফেসর ড. সোয়েব চৌধুরী, রেডিও টুডে’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর রফিকুল হক, সাংবাদিক শাহিদ মোবাশ্বের, বাইটপোর ভাইস প্রেসিডেন্ট ইউএস কাস্টমস এন্ড বর্ডার প্রোটেকশ এর সোলিউশন আর্কিটেক্ট আইটি বিশেষজ্ঞ সাইফুল্লাহ খালেদ, বাইটপোর পরিচালক ও ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সিনিয়র আইটি কনসালটেন্ট শ্যাম রিয়া প্রমুখ। 

post
এনআরবি সাফল্য

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অর্থনীতিবিদ ড. মুশফিক মুবারকের বড় অর্জন

বিশ্বের দেশে দেশে মেধা ও মননশীলতায় আলো ছড়াচ্ছেন বহু বাংলাদেশি। উজ্জ্বল করছেন বাংলাদেশের নাম। এবার সেই তালিকায় যোগ হলেন আরও একজন। তিনি আর কেউ নন, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অর্থনীতিবিদ ড. আহমেদ মুশফিক মুবারক।যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ইয়েল ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির এ অধ্যাপক দেশটির অন্যতম প্রভাবশালী গণমাধ্যম ভক্স-এর বাছাই করা বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৫০ ব্যক্তির তালিকা ‘ফিউচার পারফেক্ট ৫০’-এ স্থান করে নিয়েছেন।বিশ্বে হাজারও বিজ্ঞানী, চিন্তাবিদ, পণ্ডিত, লেখক ও অধিকারকর্মী রয়েছেন। এর মধ্যে যারা ভবিষ্যৎকে আরও ভালোভাবে গড়ে তুলতে নিজেদের মেধা ও মননকে কাজে লাগাচ্ছেন, তাদের মধ্য থেকে সেরাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ভক্স। সেই সেরাদের তালিকাতেই উঠে এসেছেন তরুণ অর্থনীতিবিদ মুশফিক মোবারক।‘বৈশ্বিক ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও ন্যায়বিচারহীনতার বিরুদ্ধে লড়াই’ ক্যাটাগরিতে সম্মান দেয়া হয়েছে মুশফিক মুবারককে। তিনি দেখিয়েছেন, সরকার ও বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) গৃহীত পদক্ষেপ মানুষের জীবনকে ভালো ও মন্দের দিকে টেনে নেয়। বিষয়টি সহজ মনে হলেও বিশ বছর ধরে হাতে-কলমে এ বিষয়ে গবেষণা করে যাচ্ছেন মুশফিক। উন্মোচন করেছেন অঞ্চল বা মানুষভেদে ভিন্ন ভিন্ন দিক। মুশফিকের জন্ম ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কাকরাইলে। বেড়ে উঠেছেন ঢাকার কলাবাগানে। শিক্ষাজীবনের শুরুতে অল্প সময়ের জন্য ঢাকার সানবিমস স্কুলে গিয়েছিলেন।এরপর সেখান থেকে চলে যান মোহাম্মদপুরের সেইন্ট জোসেফ স্কুলে। ভর্তি হন নবম শ্রেণিতে। সেখান থেকে তাকে ভারতের তামিলনাড়ুর একটি বোর্ডিং স্কুলে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এরপর সেখান থেকে উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে।যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাকালেস্টার কলেজ থেকে ১৯৯৯ সালে গণিত ও অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন মুশফিক। এতে চার বছরের জায়গায় তার সময় লাগে মাত্র তিন বছর। ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি করেন তিনি। পেশাগত জীবনে প্রথমে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হয়ে কাজ করেন মুশফিক।এরপর ২০০২ সালে তিনি ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডোতে শিক্ষকতা শুরু করেন। চার বছর পর ইয়েল ইউনিভার্সিটিতে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। এর মধ্যে আরও বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষকতার প্রস্তাব পেলেও ইয়েল ইউনিভার্সিটিতেই স্থায়ীভাবে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ২০১৫ সালে এখানেই পূর্ণ অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।মূলত উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ হিসেবে পরিবেশগত বিষয় নিয়ে কাজ করা মুশফিক তার নিজ দেশ বাংলাদেশ ছাড়াও পাকিস্তান, নেপাল, সিয়েরা লিওন ও ইন্দোনেশিয়ায় চলমান বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্পের কাজ করছেন।ইকোনোমেট্রিকা, সায়েন্স, আমেরিকান ইকোনমিক রিভিউ, রিভিউ অব ইকোনমিক স্টাডিজ, দ্য আমেরিকান পলিটিক্যাল সায়েন্স রিভিউ ও নেচারের মতো বিখ্যাত জার্নালে প্রকাশ হয়েছে তার গবেষণা। গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৭ সালে তিনি লাভ করেন কার্নেগি ফেলোশিপ।ভক্সের প্রতিবেদনমতে, বায়ুদূষণ থেকে শুরু করে স্যানিটেশনের মতো অনেক বিষয় নিয়েই গবেষণা রয়েছে মুশফিক মুবারকের। কিন্তু সবচেয়ে বিখ্যাত কাজ মৌসুমি অভিবাসন বিষয়ে।গবেষণায় দেখা যায়, গ্রামীণ নিম্নবিত্তদের কর্মহীন মৌসুমে যদি সাময়িকভাবে শহরে গিয়ে কাজ করার জন্য অর্থ দেয়া যায়, তাহলে সার্বিকভাবে তাদের পারিবারিক আয় বাড়ে। এ গবেষণার ওপর ভর করে নেয়া হয় নতুন উদ্যোগ ‘নো লিন সিজন’।যারা সাময়িক কাজের জন্য শহরে যেতে চাইত, তাদের অর্থসহায়তা দেয়া হতো এর মাধ্যমে। কিন্তু লাখ লাখ মানুষের দরজায় এই উদ্যোগ পৌঁছে যাওয়ার পর দেখা গেল উল্লেখযোগ্য তেমন ফল আসছে না। ফলে ২০১৯ সালেই বন্ধ হয়ে যায় ‘নো লিন সিজন’ প্রকল্প।এখানেই স্পষ্ট হয় মুশফিক মুবারকের অনুসিদ্ধান্ত। একটি পদক্ষেপ কোনো একটি অঞ্চলে কার্যকরভাবে না-ও চলতে পারে। তবে অন্য কোনো নীতির যথাযথ প্রয়োগে আসতে পারে সাফল্য। যেখানে ভূমিকা রাখতে পারে সরকার ও অন্যান্য নীতিনির্ধারণী সংস্থা। ইয়েল রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ অন ইনোভেশন অ্যান্ড স্কেলে (ওয়াই-আরআইএসই) মুবারকের গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুই ছিল, নীতিনির্ধারণের যথাযথ ভূমিকা।ওয়াই-আরআইএসআই ক্ষুদ্রঋণ, শরণার্থী ও শিশু উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে। ফলে গবেষণা করতে গিয়ে মুবারকের অনুসিদ্ধান্তের বাস্তবতা দেখা যায়। অর্থাৎ, সরকারের নীতিগত পরিবর্তন লাখো মানুষের জীবনের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে।মুবারক দাবি করেছিলেন, বিশ্ব ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। দুটি গ্রামে একটি প্রোগ্রাম সফল। তার মানে এই নয় যে, তা জাতীয় পর্যায়ে সফল হবে। বাংলাদেশে একটা প্রোগ্রাম কাজ করছে মানে এমন নয় যে, কেনিয়ায়ও ভালো কাজ করবে।মুশফিকের আরেকটা গবেষণা হলো ‘স্পিললাভার এফেক্টস’ অর্থাৎ যারা কোনো প্রোগ্রাম থেকে সেবা গ্রহণ করেনি, তাদের ওপর ওই প্রোগ্রামের ইতিবাচক কিংবা নেতিবাচক ফলাফল। মূলত টয়লেট সম্প্রসারণে সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে গবেষণাটি হয়েছে।এ ধরনের সহায়তার মাধ্যমে জীবাণুর বিস্তার রোধ হয়। যার উপকার কেবল সেবা গ্রহণকারীরাই পায়নি। যারা ভর্তুকি গ্রহণ করেনি, তারাও জীবাণুমুক্ত জীবনের নিশ্চয়তা পেয়েছে। ফলাফলের সূচক ছিল দরিদ্র ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা।নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত আয়ের দেশে মহামারির প্রতিক্রিয়া ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণ নিয়ে এখন মুবারক কাজ করছেন। পৃথিবী নিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করছেন মুশফিক মুবারক।তার গবেষণা অর্থনৈতিক বৃদ্ধিতে বিভিন্ন নীতি গ্রহণে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দেবে। এমন কর্মমুখর জীবন ও তার সফল গবেষণা ভক্সের পরিভাষায় ‘পারফেক্ট ফিউচার’ গড়ার কারিগরদের তালিকার পরিপূরক হওয়ারই যোগ্য।  

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.