post
এনআরবি সাফল্য

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ব্যবসায় অর্থনীতিতে সম্মানসূচক ডক্টরেট প্রদান

নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ব্যবসায় অর্থনীতিতে সম্মানসূচক ডক্টরেট দিয়েছে ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া। ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়ার চ্যান্সেলর, সেলাঙ্গরের সুলতান শরাফুদ্দিন ইদ্রিস শাহ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানের প্রথম অধিবেশনে তাকে এ সম্মানসূচক ডিগ্রি দেওয়া হয়। বুধবার (৩০ নভেম্বর) শুরু হওয়া ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া চারদিনের সমাবর্তন অনুষ্ঠান শেষ হয় ৩ ডিসেম্বর। এর আগে অধ্যাপক মুহম্মদ ইউনূস শান্তিতে নোবেল পুরস্কার, ইউনাইটেড স্টেটস প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম এবং কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল পুরস্কৃত করা সাত ব্যক্তির মধ্যে একজন, গান্ধী শান্তি পুরস্কারসহ ১০টি দেশের ব্যবসায়িক ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে পিটার্সবার্গ পুরস্কার লাভ করেছেন। মালয়েশিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা বারনামার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস একজন বাংলাদেশি ব্যাংকার, অর্থনীতিবিদ এবং সুশীল সমাজের নেতা, যিনি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের দুর্ভিক্ষ সংকটের পর গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা এবং দরিদ্র ব্যক্তিদের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসা শুরু করার জন্য ক্ষুদ্রঋণ প্রদানে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন।তাকে সম্মানসূচক ডিগ্রি দেওয়ার পর ইউপিএম স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক্স জানিয়েছে, অধ্যাপক মুহম্মদ ইউনূসকে ব্যবস্থাপনা, ব্যবসা এবং অর্থনীতির ক্ষেত্রে গবেষণা ও শিক্ষাদানে নেতৃত্বের বিকাশের জন্য তিন বছর মেয়াদে মন্ত্রী বেসার সেলাঙ্গর চেয়ার হোল্ডার হিসাবে নিযুক্ত করবে। অনুষ্ঠানের ভাষণে ডিন প্রফেসর ড. ব্যানি আরিফিন আমিন নুরদিন বলেন, মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সহযোগিতা ইউনূস সোশ্যাল বিজনেস ফ্রেমওয়ার্ক ভিত্তিক সামাজিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং কমিউনিটি প্রোগ্রামে ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়াকে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, বিশাল জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এমন একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিতে সামনে আমাদের স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা এবং শিল্প নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।

post
এনআরবি সাফল্য

পর্তুগালে বৈজ্ঞানিক পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী সোহেল মুর্শেদ

পর্তুগালে বৈজ্ঞানিক পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী অধ্যাপক এস এম সোহেল মুর্শেদ। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, নেভাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (এয়ারক্রাফ্ট) ওপর ব্যতিক্রমধর্মী অসামান্য বৈজ্ঞানিক অবদানের জন্য লিসবন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০২২ সালের এ বৈজ্ঞানিক সম্মাননা লাভ করেন। পর্তুগালের লিসবন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউটো সুপিরিয়র টেকনিকোর (আইএসটি) মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক এস এম সোহেল মুর্শেদ। তিনি রচেস্টার ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (আরআইটি), নিউ ইয়র্ক এবং ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি, ধানবাদ), ভারতের ভিজিটিং অধ্যাপক ছিলেন। তিনি সিঙ্গাপুরের নানয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি এবং ইউএসএ ইউনিভার্সিটি অফ সেন্ট্রাল ফ্লোরিডায় (ইউসিএফ) পোস্টডক্টরাল গবেষক হিসেবেও কাজ করেছেন।অধ্যাপক মুর্শেদ বিশ্বের শীর্ষ ২% বিজ্ঞানীদের (ক্যারিয়ার এবং ২০২১ ইমপ্যাক্ট লিস্টের একক বছর উভয়ই) তালিকাভুক্ত হয়েছেন, যা স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ১০ ​​অক্টোবর, ২০২২-এ প্রকাশিত হয়েছিল। একক বছরের (২০২১) তালিকায় ২ লাখ ৪ হাজার ৯ জন বিজ্ঞানীদের মধ্যে তার অবস্থান ১৬ হাজার ৮০তম। এছাড়া তিনি ২০২১ সালের তালিকায় পর্তুগালের ৭৬৩ তালিকাভুক্ত বিজ্ঞানীদের মধ্যে ৪৫তম স্থানে রয়েছেন। ১২টি বই এবং ৩৫টি বই-অধ্যায় ছাড়াও তিনি এ পর্যন্ত শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক জার্নাল এবং সম্মেলনে ২০০টিরও বেশি বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা লেখক এবং সহ-লেখক হিসেবে কাজ করেছেন। ওয়েব অব সায়েন্স (প্রয়োজনীয় বিজ্ঞান সূচক) দ্বারা তার বেশ কয়েকটি গবেষণাপত্র হাইলি উদ্ধৃত পেপার হিসাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। তিনি নিয়মিতভাবে ইউরোপীয় কমিশন এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশের তহবিল সংস্থার জন্য বিশেষজ্ঞ মূল্যায়নকারী হিসেবে কাজ করছেন। এই অধ্যাপক ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের মতো অনেক আন্তর্জাতিক পিএইচডি থিসিসের পাশাপাশি "নেচার"-এর মতো শীর্ষ-স্তরের কিছুসহ প্রায় ৪০টি আন্তর্জাতিক জার্নালের জন্য এক্সটারনাল পর্যালোচনাকারী হিসেবে কাজ করেন।অসামান্য কৃতিত্বের বিষয়ে এই গুণী বিজ্ঞানী বলেন, অর্জন আমার কাছে মুখ্য বিষয় নয়, আমি শুধু আমার কাজ করে যাচ্ছি। মানবতার কল্যাণে তিনি নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞানের উদ্ভাবনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। যাতে পরবর্তী প্রজন্ম একটি সুন্দর বাসযোগ্য পৃথিবী পেতে পারে। সোহেল মুর্শেদ নড়াইল জেলার মাইজপাড়া হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করেন। পরে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে যথাক্রমে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি এবং এমইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করেন। এছাড়া সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি (এনটিইউ) থেকে মেকানিক্যাল ও অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি অর্জন করেন। পর্তুগালে তিনি ২০১০ সাল থেকে পরিবারসহ বসবাস করছেন।

post
এনআরবি সাফল্য

বাংলাদেশে ঘানার 'অনারারি কনসাল' নিযুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ ইব্রাহিম দাউদ

বাংলাদেশে ঘানার 'অনারারি কনসাল' হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন ইব্রাহিম দাউদ মামুন (ইমরান)। সোমবার (২৮ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রাচার প্রধান এম আমানুল হক বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাকে নিযুক্তির চূড়ান্ত পত্র প্রদান করেন। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ঘানার 'অনারারি কনসাল' নিযুক্ত হওয়ায় দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।ইব্রাহিম দাউদ মামুন ঢাকার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। তিনি পেশায় একজন খ্যাতিমান ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি এবং তিনি বিলাল ট্রেডিং লিমিটেডের পরিচালক এবং একই সাথে কাই বাংলাদেশ এ্যালুমিনিয়াম লিমিটেড, এ্যালটেক এ্যালুমিনিয়াম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, স্টীলটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, পেপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, গারদা শিল্ড সিকিউরিটি সার্ভিস, প্রিন্স ইলেক্ট্রিক্যাল, প্যারাগন এক্সপোর্ট লিমিটেড এবং কাইরোজ ফুটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান। এছাড়াও তিনি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের সদস্য।  

post
এনআরবি সাফল্য

মালয়েশিয়ায় ‘ইন্ডাস্ট্রি অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

মালয়েশিয়ার মাহসা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬১তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অন্যতম সেরা সম্মাননা ‘ইন্ডাস্ট্রি অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হাফেজ বশির ইবনে জাফর।শিক্ষাজীবনে ভালো ফলাফল, এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটিসে ভালো পারফরমেন্স, ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের সফল নেতৃত্বদান এবং আগামীর সম্ভাবনাময় তারুণ্য বিবেচনায় ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইনফরমেশান টেকনোলজি অনুষদের সেরা শিক্ষার্থী হিসেবে তাকে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতি বছর তাদের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ফ্যাকাল্টি থেকে সেরা শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত করে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে থাকে। শনিবার (২৬ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বলরুম হলে আয়োজিত এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাহসা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো চ্যান্সেলর এবং চেয়ারম্যান ইয়ং বারহরমাত সিনেটর প্রফেসর তানশ্রি ড. মুহাম্মদ হানিফা বিন আবদুল্লাহ। অন্যান্য অতিথির মধ্যে চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. দাতো ইসহাক বিন আবদুল রাজাক, ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. দাতো ইকরাম শাহ বিন ইসমাইল, প্রফেসর ড. দাতো শাহরিল বিন হানিফা, জিম্বাবুয়ের রাষ্ট্রদূত সুবার্তো যাকাতা, সিমেট্রি ইঞ্জিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রি'র ডিরেক্টর মি. চংসহ সকল ফ্যাকাল্টির ডিন ও অধ্যাপকরা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে মাসা ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ কাউন্সিল নির্বাচনে ২০২০ ও ২০২১ সালে পরপর দুইবার ভিপি নির্বাচিত হয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেন বাংলাদেশি এই শিক্ষার্থী। বশির ইবনে জাফর বলেন, ‘আজ আমি উৎফুল্ল। মালয়েশিয়ায় এসেই আমি সংকল্প করেছি আমাকে একজন শিক্ষার্থী হিসেবে সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছতে হবে। বিশেষ করে গ্র্যাজুয়েশন শেষে আমি যেন এই অ্যাওয়ার্ডটি লাভ করতে পারি সেই চিন্তা ছিল এবং আলহামদুলিল্লাহ্‌ আজ আমি সফল।’ ২০১৮ সালে রাজধানীর দনিয়া কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে স্কলারশিপে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান এই শিক্ষার্থী। মালয়েশিয়া যাওয়ার এক বছরের মধ্যেই তিনি তার মেধার সাক্ষর রাখতে শুরু করেন।বিশ্বের ৫১টি দেশের শিক্ষার্থীদের হারিয়ে প্রথমবারের মতো ২০২০ সালে সেখানকার ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। আমন্ত্রণ পান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মুহাম্মদের একটি লিডারশিপ কনফারেন্সে। পরবর্তী বছর আবারও ভিপি নির্বাচিত হয়ে রেকর্ড গড়েন এই শিক্ষার্থী। একাডেমিক জীবনে বশির বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এক বছর। মাহসা ইসলামিক ক্লাবের যাকাওয়া ব্যুরো প্রধান হিসেবেও কাজ করেছেন এক সেশনে। ২০২২ সালে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন বিএসওএম’র সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়ে প্রবাসী শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণেও কাজ করছেন বশির ইবনে জাফর।

post
এনআরবি সাফল্য

মালদ্বীপে শীর্ষ ব্যবসায়ীর পুরস্কার পেলেন আরও এক বাংলাদেশি

মালদ্বীপের ১০০ শীর্ষস্থানীয় কোম্পানির মধ্যে আবারও স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশি নাগরিক আহমেদ মোক্তাকির প্রতিষ্ঠান ‘মিয়াঞ্জ ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপ’। মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) মালদ্বীপের ক্রসরোড মাল্টিআইল্যান্ড রিসোর্টে এক অনুষ্ঠানে ‘গোল্ড হান্ড্রেড গালা অ্যাওয়ার্ড’ তুলে দেওয়া হয় মোত্তাকির হাতে। এর আগে ২০২১ সালে একই পুরস্কার পেয়েছিল তার প্রতিষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফয়সাল নাসিম। তিনি ব্যবসায়ীদের প্রশংসা করেন। পরে গোল্ড গালা অ্যাওয়ার্ড পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ, ভারতীয় হাইকমিশনার ও শ্রীলঙ্কার ডেপুটি হাইকমিশনার।আহমেদ মোক্তাকি একজন বাংলাদেশি। তার দেশের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরের মিয়াবাড়ি। মালদ্বীপে তার কর্মজীবন শুরু হয় সরকারি স্কুলে শিক্ষকতা দিয়ে। এরপর তিনি সেখানে ব্যবসা শুরু করেন। আজ তিনি দেশটিতে একজন বাংলাদেশি উদ্যোক্তা। তিনি মিয়াঞ্জ ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। তার প্রতিষ্ঠান মালদ্বীপে বাংলাদেশি খাদ্য ও কৃষিপণ্যের বড় আমদানিকারকের খ্যাতি পেয়েছে।

post
এনআরবি সাফল্য

পেনসিলভেনিয়া স্টেট ও সিটির তালিকায় প্রভাবশালী ১০০ নারী নেত্রীর একজন নীনা আহমেদ

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া স্টেটে সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ মহিলার অন্যতম একজন হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি আমেরিকান ড. নীনা আহমেদ। ফিলাডেলফিয়া সিটিসহ পেনসিলভেনিয়া স্টেট পার্লামেন্টের দীর্ঘ পর্যবেক্ষণে এই ১০০ জন মহিলা নেতার তালিকা করা হয়েছে। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, অলাভজনক সংস্থার নেতা, মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত নেতা, শিক্ষাবিদ এবং বিভিন্ন শেণী-পেশার প্রতিনিধিত্বকারি নেতাদের মধ্য থেকে সেরা মহিলাগণের এই তালিকা ২৮ নভেম্বর প্রকাশ করেছে স্টেট ও সিটি প্রশাসন। ড. নীনার এই সম্মান প্রাপ্তির জন্যে অভিনন্দন জানিয়েছে ‘বাংলাদেশি আমেরিকান কমিউনিটি ফোরাম অব পেনসিলভেনিয়া’র নেতৃবৃন্দ।উত্তর আমেরিকায় বাংলা ভাষার সর্বাধিক জনপ্রিয় ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’র পক্ষ থেকেও প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে ড. নীনার প্রতি। ড. নীনা দীর্ঘ ৩৫ বছরের অধিক সময় যাবত অভিবাসী সমাজের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে কাজ করছেন। তৃণমূলে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ড. নীনা প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উপদেষ্টা পরিষদের একজন হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ছাড়াও ফিলাডেলফিয়া সিটির ডেপুটি মেয়র হিসেবেও প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছেন। ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেন্স-পেনসিলভেনিয়া চ্যাপ্টারের প্রধান, ফিলাডেলফিয়া সিটির সপ্তম ওয়ার্ডের কমিটিওম্যান, পেনসিলভেনিয়া ডেমক্র্যাটিক পার্টির স্টেট কমিটির সদস্য হিসেবে এশিয়ান আমেরিকান অ্যান্ড প্যাসিফিক আইল্যান্ড ককাসের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। ব্যক্তি জীবনে বিজ্ঞানী হয়েও ড. নীনা মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করেছেন। পেনসিলভেনিয়াস্থ রিয়েল এস্টেট ডেভেলপমেন্ট এবং ফাইন্যান্সিং সংস্থা ‘জেএনএ ক্যাপিটলের অন্যতম মালিক ড. নীনা ডেমক্র্যাটিক পার্টির একজন নিবেদিত সংগঠক হিসেবে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সুনজরে রয়েছেন। প্রথম প্রজন্মের বাংলাদেশি আমেরিকান হিসেবে নিজের কর্মের মাধ্যমে বহুজাতিক এ সমাজে বিশেষ স্থানে অধিষ্ঠিত হবার বিরল গৌরব অর্জনের অনুভূতি প্রকাশকালে ড. নীনা আহমেদ বলেন, আমি নিজেকে গভীরভাবে সম্মানিত বোধ করছি, বিশেষ করে এই ধরনের ট্রেলব্লেজারদের সাথে আমার নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য। একজন তরুণ অভিবাসী হিসেবে এদেশে এসে আমি কখনো ভাবিনি যে, আমি এমনভাবে স্বীকৃত ও সম্মানিত হব। এজন্য কম্যুনিটির সকলের কাছে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন যারা তাকে এতটুকু পথ আসতে সাহায্য করেছেন।

post
এনআরবি সাফল্য

জাতিসংঘ শান্তি পদক পেলেন বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা

মালিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশ ফর্মড পুলিশ ইউনিট-২ (রোটেশন-৪) এর ১৪০ জন সদস্যকে জাতিসংঘ শান্তি পদক পরিয়ে দেন মালির জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের পুলিশপ্রধান পুলিশ কমিশনার জেনারেল বেটিনা প্যাট্রিসিয়া বুগানি।এ উপলক্ষ্যে সোমবার ব্যানএফপিইউ-২ কর্তৃক আয়োজিত মেডেল প্যারেড ও শান্তি পদক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় তার সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন মিনুস্মা হেড কোয়ার্টার্সের এফপিইউ কোঅর্ডিনেটর হাম্মানজাবু স্যামুয়েল, তিন্বুক্তো রিজিওয়েনর রিজিওনাল কমান্ডার সানাও দিওফ, রিজিওনাল আ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার, ডেপুটি সেক্টর কমান্ডার কর্নেল জাবেদ আসলাম ও মিলিটারি কন্টিনজেন্টের কমান্ডাররা। এ ছাড়া স্থানীয় প্রশাসন, মেয়র ও জনপ্রতিনিধিসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি তার ডেলিগেশন টিমসহ রাজধানী বামাকো থেকে ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দূরে মিনুসমা গুন্দাম ক্যাম্পের হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন। ব্যানএফপিইউ-২ এর কমান্ডার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান প্রধান অতিথিকে হেলিপ্যাডে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ও মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে প্যারেড গ্রাউন্ডে নিয়ে আসেন। সেখানে প্যারেড কমান্ডার ব্যানএফপিইউ ২-এর অপারেশনস্ অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আমিনুর রহমানের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল সশস্ত্র সালাম ও বর্ণিল প্যারেড প্রদর্শন করেন। মনোমুগ্ধকর প্যারেড প্রদর্শনী শেষে বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টের ১৪০ জন পুলিশ সদস্যকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক প্রদান করা হয়। মালিতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মিনুসমা ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পদক দেওয়া হয়।প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে প্রতিকূল পরিবেশেও অত্যন্ত সুনামের সহিত শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজ পরিচালনা করে স্থানীয় জনগণের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে উল্লেখ করে ব্যানএফপিইউ ২-এর অপারেশনাল কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম যেমন ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন, বিনামূল্যে ওষুধ, চিকিৎসাসামগ্রী বিতরণ, স্কুলে শিক্ষাসামগ্রী ও মসজিদে উপহারসামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন মানবিক সহায়তা কার্যক্রম গ্রহণের ভূয়সী প্রশংসা করেন।তিনি শান্তিরক্ষা মিশনে নারী সদস্যদের অংশগ্রহণ ও তাদের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বেরও প্রশংসা করেন। ব্যানএফপিইউ-২ (রোটেশন-৪)-এর কমান্ডার (পুলিশ সুপার) মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার সঙ্গে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন। তিনি মিনুসমা কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। বক্তব্য শেষে তিনি মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। পরে বৃক্ষরোপণ ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ব্যানএফপিইউ ২-এর কমান্ডার প্রধান অতিথিসহ অন্য সব অতিথিদের শুভেচ্ছা স্মারক ও উপহার দেন।

post
এনআরবি সাফল্য

মালদ্বীপে বিশেষ সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশি হাইকমিশনার

এদিন গিয়াসউদ্দিন ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অডিটোরিয়ামে সকাল, দুপুর, বিকেল ও রাতে চারটি অধিবেশনে এমআইসি’র সমাবর্তনটি অনুষ্ঠিত হয়। সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করেন কলেজের বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠাতা প্রবাসী শিক্ষা উদ্যোক্তা আহমেদ মোত্তাকি। অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মালদ্বীপের শিক্ষামন্ত্রী ডা. ইব্রাহিম হাসান।অনুষ্ঠানে এমআইসি কলেজের শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। সনদ প্রদান শেষে কলেজ কর্মীদের পথচলায় অনুপ্রেরণা ও সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনার এস এম আবুল কালাম আজাদকে বিশেষ সম্মাননা স্বীকৃতি পুরস্কার দেয়া হয়। এ ছাড়া এমআই ইন্টারন্যাশনাল কলেজ কৃষি ফ্যাকাল্টি হিসেবে আড্ডু শহরে স্কুল অব এগ্রিকালচারের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম পরামর্শ ও অনন্য অবদানের জন্য শাইখ সিরাজকে বিশেষ স্বীকৃতি পুরস্কার দেয়া হয়। আহমেদ মোত্তাকির বাড়ি বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামে। গত ৩০ বছর যাবত মালদ্বীপে বসবাস করেছেন তিনি। প্রবাস জীবনে শুরুতে মালদ্বীপের সরকারি স্কুলে শিক্ষকতা দিয়ে শুরু করলেও এখন তিনি একজন বাংলাদেশি শিক্ষা উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তার মালিকানার মিয়াঞ্জ ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপ মালদ্বীপে বাংলাদেশি খাদ্য ও কৃষিপণ্যের বড় আমদানিকারক খ্যাতি পেয়েছে।

post
এনআরবি সাফল্য

পেনসিলভেনিয়া স্টেটে প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় বাংলাদেশি ড. নীনা

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া স্টেটে সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ নারীর অন্যতম একজন হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি আমেরিকান ড. নীনা আহমেদ। ফিলাডেলফিয়া সিটি সহ পেনসিলভেনিয়া স্টেট পার্লামেন্টের দীর্ঘ পর্যবেক্ষণে এই ১০০ জন নারী নেতার তালিকা করা হয়েছে। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, অলাভজনক সংস্থার নেতা, মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত নেতা, শিক্ষাবিদ এবং বিভিন্ন শেণী-পেশার প্রতিনিধিত্বকারি নেতাদের মধ্য থেকে সেরা নারীদের এই তালিকা ২৮ নভেম্বর প্রকাশ করেছে স্টেট ও সিটি প্রশাসন। ড. নীনার এই সম্মান প্রাপ্তির জন্য অভিনন্দন জানিয়েছে ‘বাংলাদেশি আমেরিকান কমিউনিটি ফোরাম অব পেনসিলভেনিয়া’র নেতৃবৃন্দ। উত্তর আমেরিকায় বাংলা ভাষার সর্বাধিক জনপ্রিয় ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’র পক্ষ থেকেও প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে ড. নীনার প্রতি। ড. নীনা দীর্ঘ ৩৫ বছরের অধিক সময় যাবত অভিবাসী সমাজের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে কাজ করছেন। তৃণমূলে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ড. নীনা প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উপদেষ্টা পরিষদের একজন হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ছাড়াও ফিলাডেলফিয়া সিটির ডেপুটি মেয়র হিসেবেও প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছেন। ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেন্স-পেনসিলভেনিয়া চ্যাপ্টারের প্রধান, ফিলাডেলফিয়া সিটির সপ্তম ওয়ার্ডের কমিটিওম্যান, পেনসিলভেনিয়া ডেমক্র্যাটিক পার্টির স্টেট কমিটির সদস্য হিসেবে এশিয়ান আমেরিকান এ্যান্ড প্যাসিফিক আইল্যান্ড ককাসের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। ব্যক্তিজীবনে বিজ্ঞানী হয়েও ড. নীনা মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করেছেন। পেনসিলভেনিয়াস্থ রিয়েল এস্টেট ডেভেলপমেন্ট এবং ফাইন্যান্সিং সংস্থা ‘জেএনএ ক্যাপিটলের অন্যতম মালিক ড. নীনা ডেমক্র্যাটিক পার্টির একজন নিবেদিত সংগঠক হিসেবে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সুনজরে রয়েছেন। প্রথম প্রজন্মের বাংলাদেশি আমেরিকান হিসেবে নিজের কর্মের মাধ্যমে বহুজাতিক এ সমাজে বিশেষ স্থানে অধিষ্ঠিত হবার বিরল গৌরব অর্জনের অনুভূতি প্রকাশকালে ড. নীনা আহমেদ বলেন, আমি নিজেকে গভীরভাবে সম্মানিত বোধ করছি, বিশেষ করে এই ধরনের ট্রেলব্লেজারদের সাথে আমার নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য। একজন তরুণ অভিবাসী হিসেবে এদেশে এসে আমি কখনো ভাবিনি যে, আমি এমনভাবে স্বীকৃত ও সম্মানিত হব। এজন্য কম্যুনিটির সকলের কাছে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন যারা তাকে এতটুকু পথ আসতে সাহায্য করেছেন।

post
এনআরবি সাফল্য

২২ বছরেই ব্যারিস্টার হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফারহানা

ব্রিটেনে আইন পেশায় ব্রিটিশ বাংলাদেশিরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে আসছে। ২০১৭ সালে ব্রিটেনের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যারিস্টার আখলাকুর রহমান চৌধুরী কিউসি হাইকোর্টে বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। আর ২০২১ সালে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারী হিসেবে কিউসি নিযুক্ত হয়েছিলেন ব্যারিস্টার সুলতানা তফাদার। এবার সর্বকনিষ্ঠ ব্রিটিশ বাংলাদেশি হিসেবে ব্যারিস্টার ডিগ্রি অর্জন করলেন ফারহানা আহমদ। তার স্বপ্ন ব্রিটেনের হাইকোর্টে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হিসেবে প্রধান বিচারপতি হিসেবে কাজ করার। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফারহানা আহমদ গত ২৪ নভেম্বর মাত্র ২২ বছর বয়সে বিশ্বখ্যাত অনারেবল সোসাইটি অব লিংকন্স ইন্ থেকে ব্যারিস্টার হন। ব্রিটেনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যারিস্টারদের মধ্যে ফারহানাই সর্বকনিষ্ঠ। বার-এট-ল করার পাশাপাশি মাস্টার অব লজ (এলএলএম) এ অত্যন্ত কৃতিত্বের সঙ্গে সম্পন্ন করেন ফারহানা। ছোটবেলা থেকে প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব ও প্রখর মেধাবী ফারহানা আহমদ গত বছর বিশ্বখ্যাত লন্ডন ইউনিভার্সিটির স্বনামধন্য দ্য সিটি ল স্কুল থেকে এলএলবিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়েছিলেন। এমন ভালো ফলাফল এর আগেও ইউনিভার্সিটির অনেক ছেলে-মেয়ে করেছে। তবে ফারহানা প্রথম হওয়ার সঙ্গে কয়েকটি সাবজেক্টে তিনি তার ইউনিভার্সিটির ল ডিপার্টমেন্টের অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে সর্বোচ্চ মার্কস পেয়েছিল। শিক্ষা জীবনে কোনো একটি বছর বা সেশন গ্যাপ না দিয়েই এলএলএম এবং বার-এট-ল’তে অসামান্য ফলাফল করেছেন ব্যারিস্টার ফারহানা আহমদ। এলএলএম-এর ডিসার্টেশন তথা থিসিসে-এ ফারহানা পেয়েছেন ৭৫ শতাংশ মার্কস। বার-এট-ল’র ক্রিমিলাল লিটিগেশনে পেয়েছেন ৭৫ শতাংশ মার্কস এবং জুডিসিয়াল রিভিউ মডিউলে পেয়েছেন ৭৭ শতাংশ মার্কস। এছাড়া ব্যারিস্টার ডিগ্রি অর্জন করেন ৫ হাজার পাউন্ড স্কলারশিপ নিয়ে। লন্ডনে জন্ম নেওয়া ব্যারিস্টার ফারহানা আহমদের পৈত্রিক নিবাস বাংলাদেশের সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের বাহাড়া দুবাগ গ্রামে। তিনি বিলেতের প্রতিথযশা আইনজীবী, প্যাকটিসিং ব্যারিস্টার, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ও নিউহ্যাম কাউন্সিলের সাবেক কাউন্সিলর এবং টানা তিন টার্মের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার নাজির আহমদ ও কবি সালমা আহমদের দ্বিতীয় সন্তান। ২৩ বছর আগে ১৯৯৯ সালে ব্যারিস্টার ফারহানা আহমদের পিতা ব্যারিস্টার নাজির আহমদও বার-এট-ল’র ফলাফলে শীর্ষস্থান লাভ করে অনারেবল সোসাইটি অব লিংকন্স ইন্ থেকে ব্যারিস্টার হয়েছিলেন। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে ব্যারিস্টার ফারহানা আহমদ দ্বিতীয়। তার বড় বোন তাসনিয়া আহমদ গত বছর ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টমিনস্টর থেকে সেকেন্ড ক্লাস ফার্স্ট ডিভিশন পেয়ে এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রী লাভ করে শিক্ষকতা পেশায় যাচ্ছেন। তার ছোট বোন তাহমিনা আহমদ লন্ডন ইউনিভার্সিটির কুইন মেরীতে বিএসসি (অনার্স) ম্যানেজমেন্টের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। ফারহানার ছোট ভাই এহসান আহমদ এ বছর জিসিএসই’তে অসাধারণ ফলাফল করে এখন দেশ সেরা সিক্সথ ফর্ম ব্রাম্পটন ম্যানর একাডেমিতে এ লেভেলে পড়াশোনা করছে। তার আরেক ছোট ভাই হাসান মুর্শেদ আহমদও ব্রাম্পটন ম্যানর একাডেমিতে ইয়ার সেভেনের ছাত্র। এই অসাধারণ সাফল্য লাভের প্রাক্কালে এক প্রতিক্রিয়ায় ব্যারিস্টার ফারহানা আহমদ বলেন, প্রথমেই শ্রদ্ধাবনত চিত্তে শুকরিয়া জানাচ্ছি মহান আল্লাহ পাকের প্রতি। এরপর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমার শ্রদ্ধেয় পিতা-মাতা ও শিক্ষক মন্ডলীর প্রতি যাদের সাপোর্ট, সহায়তা ও গাইডেন্স আমাকে এ পর্যন্ত আসতে সহযোগিতা করেছে। আমি আলোকিত সমাজ ও কমিউনিটি বিনির্মাণে, আইনের শাষণ প্রতিষ্ঠায় ও সুবিচার নিশ্চিতকরণে ভূমিকা রাখতে চাই।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.