নিউ আমেরিকান ডেমোক্রেটিক ক্লাব, ইয়ুথ এবং ওমেন্স ফোরামের ১১তম মিট অ্যান্ড গ্রিট অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো নিউইয়র্কে।
এতে সম্মাননা জানানো হয় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে অবদান রেখে আসা বিশিষ্টজনদের। যার মধ্যে অন্যতম ছিলেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ।
এটি ছিলো নিউ আমেরিকান ডেমাক্র্যাটিক ক্লাব ইনক এর ১১তম বার্ষিক ডিনার ও মিট এন্ড গ্রিট।
কুইন্সের গুলশান টেরাসে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানটি আয়োজনে আরও অংশীদার ছিল নিউ আমেরিকান ইয়ুথ ফোরাম অব নিউইয়র্ক ও নিউ আমেরিকান ওম্যানস ফোরাম অব নিউইয়র্ক।
মূল ধারার রাজনীতির সাথে বাংলাদেশের সাথে যোগসূত্র তৈরি করতে প্রতিবছর এই মিলনমেলার আয়োজন করে আসছে নিউ আমেরিকান ডেমোক্রেটিক ক্লাব।
জনাকীর্ন এ অনুষ্ঠানে সিটি কন্ট্রোলার ব্রাড ল্যান্ডারসহ সিটি ও স্টেটের দু'ডজন জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডেমোক্র্যাটিক ক্লাব এর প্রতিষ্ঠাতা মোর্শেদ আলম। মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন আহনাফ আলম।
যুক্তরাষ্ট্রে স্ব স্ব ক্ষেত্রে অসামন্য অবদান রাখায় এই আয়োজন সম্মাননা জানানো হয়। কয়েকজন বাংলাদেশী আমেরিকানদের। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ও পিপলএনটেকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপকে এতে তুলে দেওয়া হয় আউটস্ট্যান্ডিংঅ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড। এছাড়া কংগ্রেস ওয়েইমেনের পক্ষ থেকে স্পেশাল কংগ্রেশনাল রিকোগনেশন দেয়া হয়েছে তাকে।
তথ্য প্রযুক্তি ও শিক্ষাখাতে কমিনিটিতে অসাধারণ ভূমিকা রাখায় আবুবকর হানিপকে এই স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।
বক্তৃতা ও অ্যাওয়ার্ডস সিরেমনির ফাকে ফাকে চলে নাচ ও গানের পারফরম্যান্স।
সবশেষে শুরু হয় ডিনার নাইট। এই মিট অ্যান্ড গ্রিট আয়োজনে প্রতিবছরই দেশী খাবারের বিশাল সমাহার থাকে। এবারও তার ব্যাতিক্রম ছিলো না।
একই রাতে কুইন্স প্যালেসে ছিলো শো টাইম মিউজিক্যাল পিঠা উৎসব-২০২৩। নাচ গান আর পিঠা খাওয়ার উৎসবে উপস্থিত ছিলেন কয়েকশো দর্শক।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপ।
এসময় বক্তৃতায় ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বলেন, তার প্রতিষ্ঠিত পিপলএনটেকের মাধ্যমে গত ১৭ বছরে ৮ হাজার মানুষ আইটি জগতের ছয় অংকের বেতনের চাকুরি নিয়ে নিজেদের সফল ক্যারিয়ার গড়েছে।
সিংক
সম্প্রতি তার দ্বারা পরিচালিত ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির সাফল্যের কথা টেনে ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ থেকে পাচ শতাধিক ছাত্রছাত্রী পড়তে এসেছে। যার মধ্যে অনেকেই স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে আসার সুযোগ পেয়েছেন।
পিঠা উৎসেবর আয়োজনে ছিলো ভাপা, চিতই পিঠা, দুধচিতই, ছিট পিঠা, দুধকুলি, ক্ষীরকুলি, তিলকুলি, পাটিসাপটাসহ বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী প্রায় সব রকম পিঠার সমাহার।
