post
বিনোদন

বুবলীকে সমর্থন করায় বর্ষাকে কটাক্ষ করলেন অপু বিশ্বাস

অপু বিশ্বাস ও বুবলীর 'ঠান্ডা যুদ্ধ' এমন একটি বিষয় যা ঢালিউড ও শাকিব খানের ভক্তরা ভালোই জানেন। যদিও তারা সরাসরি তাদের ফেসবুক স্ট্যাটাসে একে অপরের নাম দেয় না; তাদের কটু মন্তব্য এবং একে অপরের প্রতি পরোক্ষ খোঁচা যা তাদের দ্বন্দ্ব সোশ্যাল মিডিয়ায় বিখ্যাত করে তোলে। তবে এবার তাদের সোশ্যাল মিডিয়া যুদ্ধে টেনেছেন বিখ্যাত তারকা দম্পতি অনন্ত জলিল ও বর্ষা।গতকাল বর্ষা তার ছেলে শেহজাদ খান বীরের সঙ্গে বুবলির একটি ছবি পোস্ট করেন, যার ক্যাপশন ছিল " সুন্দর"। তারই প্রতিক্রিয়ায় অপু বিশ্বাস ৪ বছর আগের একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন "অনন্ত জলিলের মেয়ের হলুদ রাত" শিরোনামে একই ক্যাপশনে, "সুন্দর।" সৌভাগ্যবশত, নেটিজেনরা তাদের 'পরোক্ষ খোঁড়াখুঁড়ি' দেখেছেন এবং বর্ষার মন্তব্য বিভাগে অপু বিশ্বাসের পোস্টের স্ক্রিনশট পোস্ট করতে শুরু করেছেন।বর্ষার ওয়ালে একজন নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, "কেউ আপনার অহংকারী পোস্টের কথা চিন্তা করে না; আপনিই একমাত্র তার বিরোধিতা করেন, যখন বাকি বাংলাদেশ তাকে সমর্থন করে। 

post
বিনোদন

বাংলা শাস্ত্রীয় সঙ্গীতকে দেশে এবং বিদেশে প্রচারে ঢাকা ক্লাসিকস এর যাত্রা শুরু

বাংলা শাস্ত্রীয় সঙ্গীতকে দেশে এবং বিদেশে প্রচারে মিউজিক্যাল ফাউন্ডেশন চালু হয়েছে। দেশে ও বিদেশে পশ্চিমা শাস্ত্রীয়, জ্যাজ এবং ঐতিহ্যবাহী বাংলা সঙ্গীত প্রচারের জন্য ঢাকা ক্লাসিকস নামে একটি নতুন মিউজিক্যাল ফাউন্ডেশন আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছে। ফাউন্ডেশনটি একটি অলাভজনক সংস্থা যার লক্ষ্য স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক সঙ্গীতশিল্পীদের প্রতিভা প্রদর্শনের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা এবং বাংলাদেশের সঙ্গীতপ্রেমীদের মানসম্পন্ন পরিবেশনা প্রদান করা।ঢাকা ক্লাসিক, ওয়েস্টার্ন ক্লাসিক্যাল, জ্যাজ এবং বাংলা গানের ক্ষেত্রে সঙ্গীতজ্ঞদের তাদের প্রতিভা প্রদর্শনের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ফাউন্ডেশন এই বাদ্যযন্ত্রের ঘরানার সংরক্ষণ এবং প্রচার এবং সঙ্গীতশিল্পীদের জন্য তাদের নৈপুণ্যের বিকাশ ও উন্নতি করার সুযোগ তৈরি করার বিষয়ে উৎসাহী।মিট দ্য প্রেস ইভেন্টে ফাউন্ডেশনের ইতিহাস এবং লক্ষ্যগুলির উপর উপস্থাপনা করা হয়। সেই সাথে, কেলি টেলর এবং অতিথি শিল্পী নীল মুখার্জির সংগীত পরিবেশনা ছিল। ইভেন্টটিতে উপস্থিতদের প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার জন্য এবং ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ সম্পর্কে আরও জানতে একটি প্রশ্নোত্তর সেশন অন্তর্ভুক্ত ছিল। কূটনীতিক, প্রবাসী, সরকারী ও কর্পোরেট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, সমাজসেবী, সেলিব্রিটি, প্রভাবশালী এবং মিডিয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।ঢাকা ক্লাসিকস এমন ব্যক্তি ও সংস্থার অনুদান, স্পনসরশিপ এবং অবদানকে স্বাগত জানায় যারা সঙ্গীতের প্রতি তাদের আবেগ এবং এই গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গীতের প্রচার ও সংরক্ষণের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি শেয়ার করে। সমস্ত অবদান ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন উদ্যোগ এবং কর্মসূচির সমর্থনে যাবে।ফাউন্ডেশনের যোগাযোগ ও পাবলিক ইমেজ চেয়ার হিসেবে কাজ করা মিডিয়ার মুখপাত্র সানজানা বলেন, ঢাকা ক্লাসিকের জন্য আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি প্রেস এবং জনসাধারণের সাথে শেয়ার করতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমরা বিশ্বাস করি যে, পশ্চিমা শাস্ত্রীয়, জ্যাজ এবং বাংলা সঙ্গীত হল গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক সম্পদ যা উদযাপন করা উচিত এবং সংরক্ষণ করা উচিত।সঙ্গীত পরিচালক টেলর বলেন, আমরা এমন ব্যক্তি এবং সংস্থার সাথে কাজ করার জন্য উন্মুখ যারা আমাদের আবেগ এবং প্রতিশ্রুতি শেয়ার করে এই প্রচারের জন্য মিউজিক্যাল জেনারস। বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রচারের লক্ষ্যে, ফাউন্ডেশন উচ্চাকাঙ্ক্ষী সংগীতশিল্পী এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে শিখতে এবং তাদের দক্ষতা বিকাশের জন্য আবৃত্তি, মাস্টার ক্লাস এবং শিক্ষার সুযোগের আয়োজন করবে। ঢাকা ক্লাসিকস আসন্ন মাসগুলির জন্য পরিকল্পনা করা ইভেন্টগুলির একটি চিত্তাকর্ষক লাইন আপ রয়েছে।ঢাকা ক্লাসিকস দেশ-বিদেশে পশ্চিমা শাস্ত্রীয়, জ্যাজ এবং ঐতিহ্যবাহী বাংলা সঙ্গীত প্রচারের জন্য তাদের মিশনে যোগ দেওয়ার জন্য সবাইকে আমন্ত্রণ জানায়।

post
বিনোদন

বাংলাদেশে পাঠান সিনেমা নিয়ে খেপে গেলেন ঝন্টু

শর্ত সাপেক্ষে বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে হিন্দি সিনেমা আমদানির প্রশ্নে একমত হয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের প্রযোজক, প্রেক্ষাগৃহমালিক, পরিচালক, অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীদের ১৯টি সংগঠন। গত রোববার দুপুরে ১৯ সংগঠনের মোর্চা সম্মিলিত চলচ্চিত্র পরিষদ একটি চিঠি তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদের হাতে তুলে দিয়ে জানিয়েছে, শর্ত সাপেক্ষে হিন্দি সিনেমা আমদানির ব্যাপারে তাদের আপত্তি নেই। এর পরিপ্রেক্ষিতে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘আমরা আপনাদের প্রস্তাব অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করব। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরেও আনতে হবে। আপনারা যে আজ আসবেন, সেটিও তাঁকে জানিয়েছিলাম। আমরা এখন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারব।’বাংলাদেশে হিন্দি ছবি আমদানির বিষয়টি এখন সরকারের অনুমতির অপেক্ষায়। চলতি সপ্তাহেই অনুমতি মিললে ফেব্রুয়ারি মাসেই বাংলাদেশে মুক্তি পাবে ‘পাঠান’। তবে চলচ্চিত্রের প্রযোজক, প্রেক্ষাগৃহমালিক, পরিচালক, অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীদের ১৯টি সংগঠন হিন্দি সিনেমা আমদানির বিষয়ে একমত হলেও বিষয়টি নিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করলেন চিত্রনাট্যকার ও নির্মাতা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। হিন্দি সিনেমা আমদানি প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে একদল গণমাধ্যমকর্মীর সামনে খেপে গেলেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু সংবাদকর্মীদের বলেন, ‘আমরাই একমাত্র জাতি, ভাষার জন্য গুলি খেয়ে ভাষাকে প্রতিষ্ঠিত করেছি। বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর কোথাও এই নজির নেই। এ জন্য মাথা উঁচু করে আমরা কথা বলি। আমার দেশে উর্দু, হিন্দি ছবি চলবে কেন? আমাদের ওই সব কালচারের প্রয়োজন নেই।’বক্তব্যে ঝন্টু আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আমাদের প্রধানমন্ত্রী এ দেশে “পাঠান” চালাতে দেবেন না। বঙ্গবন্ধুকন্যা এই উর্দু, হিন্দি ছবি এ দেশে আসতে দেবেন না।’ উর্দু, হিন্দি ছবি এ দেশে চলা নিয়ে অতীতের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করে ঝন্টু বলেন, ‘অনেক দিন আগে এ দেশে যখন উর্দু–হিন্দি ছবি চলছিল, তখন আমরা চলচ্চিত্রের অনেকেই বঙ্গবন্ধুর কাছে গিয়েছিলাম। বলেছিলাম, এ দেশে উর্দু–হিন্দি ছবি চলুক, আমরা চাই না। বঙ্গবন্ধু তখন বলেছিলেন, “যা তাহলে চলবে না।’” বঙ্গবন্ধু এ কথাও বলেছিলেন, “‘তোরা কটি ছবি দিতে পারবি?” তখন আমরা বলেছিলাম, প্রতি সপ্তাহে একটা করে নতুন ছবি দিতে পারব। তখন তিনি দৃঢ় কণ্ঠে আমাদের বলে দিলেন, “যা হিন্দি চলবে না।”’তবে সিনেমা হলের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে গণমাধ্যমের কাছে এই নির্মাতা আরও বলেন, ‘সিনেমার অভাবে অনেক সিনেমা হলের মালিকেরা হল ভেঙে ফেলেছেন। তাঁদের ব্যবসা হচ্ছে না। কারণ, একটি হলে মাসে অনেক খরচ। কর্মচারীদের বেতন, ট্যাক্সসহ আনুষঙ্গিক খরচ বাদ দিয়ে এক-দেড় লাখ টাকা থাকে হলমালিকদের। কিন্তু হল ভেঙে যদি মার্কেট হয়, তাহলে কয়েক শ দোকান হবে সেখানে। আয়ও আসবে বেশি।’ এ সময় এক সংবাদকর্মী দেলোয়ার জাহান ঝন্টুকে প্রশ্ন করেন, তাহলে কি আপনারা সিনেমা দিতে ব্যর্থ হচ্ছেন? প্রশ্ন শুনেই খেপে যান ঝন্টু। উত্তেজিত হয়ে ওই সংবাদকর্মীকে তিনি বলেন, ‘তুমি তো আক্রমণাত্মক। তুমি অ্যাটাক করার জন্য প্রশ্ন করো। তুমি আর প্রশ্নই করবে না। এসব কথা বলো কেন তুমি? কেন ব্যর্থ হবো? ব্যর্থতার কী বুোঝো তুমি?’এরপর ওই সংবাদকর্মী তাঁকে জানান, তথ্যমন্ত্রী তো হিন্দি ছবির ব্যাপারে মত দিয়েছেন। এ কথা শুনে তিনি বলেন, ‘তথ্যমন্ত্রী যদি অনুমতি দেন, আমরা প্রতিবাদ করব। আমাদের কথা তাঁরা শুনবেন। না শুনলে বাঙালিরা মেনে নেবে না। এর বিরুদ্ধে কথা বলবে।’ ‘পাঠান’ ছবি নিয়ে যখন এফডিসিতে ১৯ সংগঠনের মিটিং হয়, তখনকার কথা উল্লেখ করে এই নির্মাতা বলেন, ‘একদিন ১৯ সংগঠনের মিটিং হচ্ছিল। আমাকে ডাকা হলো, গেলাম। জিজ্ঞাসা করলাম, কীসের মিটিং? তাঁরা বললেন, “পাঠান” এখানে আসুক আমরা চাচ্ছি।’ এ কথা শুনে বের হয়ে আসলাম। কারণ, আমি তর্ক এড়াতে চেয়েছি। আমি জানি, ওখানে আমি বেশি সাপোর্ট পাব না।’

post
বিনোদন

শাকিব খানের সঙ্গে সম্পর্ক জোড়া লাগছে অপুর !

সাবেক স্বামী চিত্রনায়ক শাকিব খানের সঙ্গে সম্পর্কের বরফ ধীরে ধীরে গলছে বলে জানালেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। শাকিব খানের পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন অপু। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার মধ্যে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অপু বিশ্বাস জানালেন, শাকিব খানের সঙ্গে এখন প্রায়ই তাঁর কথাবার্তা হয়। ব্যক্তিগত ব্যাপারের পাশাপাশি কাজ নিয়েও পরামর্শ পান তাঁর কাছে।অপু বলেন, ‘আমরা দুজন মিলেই জয়কে স্কুল থেকে আনা-নেওয়া করি। কখনো আমি রেখে আসি, শাকিব নিয়ে আসে। শাকিব রেখে আসে, আমি নিয়ে আসি। তা ছাড়া শাকিব আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার বা মিডিয়াতে কাজের ব্যাপারেও মাঝেমধ্যে পরামর্শ দেয়।’ভালোবেসে বিয়ের পর ঢালিউডের আলোচিত জুটির সংসারে পুত্রসন্তান আব্রাহাম খান জয় আসে, ছেলের বয়স যখন দুই বছর তখন বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন শাকিব ও অপু। সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেন তাঁরা। বিচ্ছেদের ছয় বছরের মাথায় অপু বিশ্বাসের উপলব্ধি হয়েছে, আবেগের বশবর্তী হয়ে সেসব বলেছিলেন। তিনি তাঁদের কাছে ক্ষমা চান।অপু বিশ্বাসের এমন উপলব্ধি প্রকাশ্যে আসার পর ইন্ডাস্ট্রিতে কানাঘুষা চলছে, বিচ্ছেদ ভুলে আবার এক ছাদের নিচে আসছেন এ জুটি? বিষয়টি জানতে চাইলে অপু বিশ্বাস বললেন, ‘সেটা এখন বলব না, সময় বলে দেবে। আগে কী করছে না করছে, সেটা আমি জানি না, শাকিবের এখন অনেক পরিবর্তন লক্ষ করেছি। সন্তান, পরিবার-পরিজনের প্রতি দারুণ আবেগ কাজ করে তার। শাকিব একজন ভালো মনের মানুষ।’ আব্রাহাম খান জয় বেশির ভাগ সময়ই শাকিব খানের গুলশানের বাসায় দাদা-দাদির কাছে থাকে। সেই সুবাদে অপু বিশ্বাসের শাকিবের বাসায় যাতায়াত বেড়েছে। অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আমার তো মা-বাবা নেই। শ্বশুর-শাশুড়িই এখন আমার মা-বাবা। তো বাবা-মায়ের বাসায় যাব না কেন? প্রায়ই যাওয়া হয় সেখানে। তাঁরা আমাকে একেবারেই মেয়ের আদরে দেখেন। আমাকে খুব ভালোবাসেন তাঁরা। আমার মা মারা যাওয়ার পর কাছের মানুষদের সঙ্গে মিলেমিশে থাকার বিষয়টি আমি নিজ থেকে বেশি অনুভব করেছি। এতে তাঁদের সঙ্গে সম্পর্কটা আরও গাঢ় হয়েছে আমার।’অপু বলেন, ‘কয়েক দিন আগে আমি শাশুড়ির কাছে ফোন করে ইলিশ মাছ খেতে চেয়েছিলাম। মা বললেন, “ঠিক আছে আমি রান্না করছি। একটু পর ফোন করে জানাও সঙ্গে কী দিয়ে রান্না করব।” এর পর আমি ফোন রেখে ভুলে গেছি। হঠাৎই শাশুড়ির ফোন। ধমকের স্বরে বললেন, “এই মেয়ে, তুমি কী দিয়ে ইলিশ খাবে, জানাতে বললাম, দেরি করছ কেন?” এই হলে আমার শাশুড়ি। সত্য কথা বলি, আমার জীবনে ভুলভ্রান্তি হতে পারে, কিন্তু আমি একটা পর্যায়ে এসে বুঝেছি, তাঁরা কতটা ভালো মনের মানুষ। এখন কতটা আমাকে ভালোবাসেন তাঁরা।’ শাকিবের ছোট বোন মনির সঙ্গেও অপুর মান-অভিমান ভেঙে আবার দুজনের বন্ধুর সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। অপু বিশ্বাস বলেন, ‘সে আমাকে খুব ভালোবাসত, আমিও। কিন্তু মাঝে আমার আর শাকিবের ঘটনার কারণে সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। এখন আমাদের সেই পুরোনো সম্পর্ক ফিরেছে। মনি আমার কাছে ঠিক বন্ধুর মতোই। মনি তো জানে আমি কী খেতে পছন্দ করি। মাঝেমধ্যে মনি সেই আইটেমের খাবার রান্না করে আমাকে ডেকে নেয়।’

post
বিনোদন

উপহারের গাড়ি নিতে গিয়ে জরিমানা গুনলেন হিরো আলম!

হবিগঞ্জে উপহারের গাড়ি নিতে এসে নিজের গাড়ির জরিমানা গুনলেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ তাকে আড়াই হাজার টাকা জরিমানা করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাঈনুল ইসলাম।ওসি বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন হিরো আলম। মহাসড়কে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার সামনে তার গাড়িটি আটক করে জরিমানা করা হয়। পরে মামলা দিয়ে গাড়িটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এরআগে ফেসবুক লাইভে এসে হিরো আলমকে গাড়ি উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন হবিগঞ্জের এক শিক্ষক। প্রথম দিকে বিষয়টি গুরুত্ব দেননি হিরো আলম। এমনকি যোগাযোগও করেননি। কয়েকদিন পর আবার আক্ষেপ প্রকাশ করে ভিডিও শেয়ার করেন এম মোখলিছুর রহমান নামের ওই শিক্ষক। এরপর যোগাযোগ করেন হিরো আলম। অবশেষে মঙ্গলবার নিজে গাড়ি চালিয়ে উপহারের গাড়িটি আনতে হবিগঞ্জে যান তিনি। এ সময় দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানোয় জরিমানা গুনতে হয় তাকে।।

post
বিনোদন

মুক্তি পেল হোলি আর্টিজানের ঘটনা নিয়ে নির্মিত সিনেমা ‘ফারাজ’

ঢাকার হলি আর্টিজানে সংগঠিত নৃশংস হামলার ঘটনা নিয়ে ফারাজ নামে সিনেমা তৈরি করেছেন মুম্বাইয়ের হংসল মেহতা। ভারত ও বাংলাদেশে আলোচনার জন্ম দেওয়া সিনেমাটি ভারতের ১০০ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে ৩ ফেব্রুয়ারি ।প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান টি সিরিজ এর এক বিবৃতিতে হংসল মেহতা জানান, তরুণেরা কীভাবে সহিংসতায় জড়িয়ে পড়েন, তা আবিষ্কারের চেষ্টা করেছেন সিনেমায়। সেই সঙ্গে সহিংসতার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে অসম সাহস ও মানবতার প্রয়োজন, সে বিষয়েও তুলে ধরা হয়েছে সিনেমায়। সিনেমা টি প্রযোজনা করছেন অনুভব সিনহা ও ভূষণ কুমার। অনুভব সিনহা বলেন, ‘ফারাজ এমন একটি গল্প, যা বলা খুব প্রয়োজন। ‘পাঠান’–এর দাপটের মধ্যেই মুক্তি পাবে ‘ফারাজ’। তবে এ নিয়ে কোনো চাপে নেই পরিচালক। কারণ, বক্স অফিসের লাভ থেকে তিনি ভালো ছবি নির্মাণে বিশ্বাসী। আর ‘ফারাজ’–এ মানবিকতা, বন্ধুত্ব আর অহিংসার গল্প বলেছেন হংসল মেহেতা। মুম্বাইয়ের টি-সিরিজের দপ্তরে গত বুধবার ফারাজ সিনেমার মুক্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। হংসল মেহেতা ছাড়াও তাতে হাজির ছিলেন ছবির দুই মূল অভিনয়শিল্পী—জাহান কাপুর ও আদিত্য রাওয়াল। ঢাকার হোলি আর্টিজানের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা নিয়ে হিন্দি সিনেমা ‘ফারাজ’ ভারতজুড়ে ১০০ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি।এর আগে দিল্লি হাইকোর্ট ছবিটির মুক্তি স্থগিত চেয়ে করা আবেদন বাতিল করে দেয়াহয়। ফারাজ’–এর প্রযোজক আরেক বলিউড নির্মাতা অনুভব সিনহা। ছবিটির মুক্তির আগে তিনি টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেন, ‘এটি একটি বিশেষ সিনেমা, আমরা চাই ভারতজুড়ে যত বেশি সম্ভব মানুষ সিনেমাটি দেখুক।’  ছবিটি দেখতে দর্শককে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘“ফারাজ” এমন একটি গল্প, যা বড় পর্দায় উপভোগ করতে হবে, আমরা চেয়েছি নির্বাচিত হলগুলোতে ছবিটি জাঁকজমকভাবে মুক্তি দিতে। হংসল ‘ফারাজ’ ছবির জন্য বেছে নিয়েছেন নতুন দুই মুখ—কারিনা কাপুরের চাচাতো ভাই জাহান কাপুরকে দেখা যাবে ফারাজ হোসেনের চরিত্রে, পরেশ রাওয়ালের ছেলে আদিত্য রাওয়াল ছবিটির মাধ্যমে বলিউডে পা রাখতে চলেছেন।‘ফারাজ’ ছবির অন্যান্য চরিত্রে আছেন আমির আলী, জুহি বব্বর, শচিন লালওয়ানি, পলক লালওয়ানি, রেশম সাহানিসহ আরও অনেকে।  কিছুদিন আগে কাপুর পরিবারের জন্য ‘ফারাজ’-এর এক বিশেষ প্রদর্শনী রাখা হয়েছিল। এদিন কাপুর খানদান থেকে কারিনা, নীতু কাপুর, রণবীর কাপুর, সাইফ আলী খান, আলিয়া, জাহানের বাবা কুনাল কাপুর আর মা শীনা সিপ্পিসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। ‘ফারাজ’-এর চরিত্রে জাহান সবার হৃদয় ছুঁয়ে গেছেন। এদিন কাপুর পরিবার রীতিমতো আবেগে ভেসেছিল।

post
বিনোদন

ভাষার মাসে শুভমুক্তি পেল ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের জীবনের ওপর কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের উপন্যাস ‘ভালোবাসা প্রীতিলতা’ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’ ভাষার মাসে শুভমুক্তি পেয়েছে।পহেলা ফেব্রুয়ারি বুধবার রাজধানীর বসুন্ধরা স্টার সিনেপ্লেক্সের প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি শুভমুক্তি পায়। সিনেমাটির শুভমুক্তি অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ।চলচ্চিত্রটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ২০১৯-২০ অর্থবছরের অনুদানে নির্মিত হয়েছে।চলচিত্রটি প্রদশর্নের পূর্বে সিনেমার পরিচালক, প্রযোজক, কলাকুশলী ও অভিনেতাদের ধন্যবাদ জানান তথ্যমন্ত্রী। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন অবলম্বনে নির্মিত সিনেমাটি দর্শকদের হলে এসে দেখার অনুরোধ জানান মন্ত্রী। এর আগে, গত বছরের ২৫ নভেম্বর মুক্তির তারিখ নির্ধারণ করা হলেও শেষ মুহূর্তে কিছু কারিগরি সংকট দেখা দেয়ায় ছবিটির মুক্তির তারিখ পিছিয়ে যায়। ২৪ জানুয়ারি সিনেমাটির নির্মাতা এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে এ সিনেমাটি। সিনেমাটি নিয়ে নির্মাতা প্রদীপ ঘোষ বলেন, ‘আমরা দেশের বিভিন্ন সিনেপ্লেক্স ও সিনেমা হলে সিনেমাটির প্রদর্শনীর ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়ে ফেলেছি। তিনি আরও বলেন, ‘অন্য সিনেপ্লেক্সগুলোতেও আমরা শিক্ষার্থীদের হাফ পাসের ব্যাপারে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। এছাড়া শুভমুক্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মুঞ্জুরী কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড সাজ্জাদ হোসেন সহ সিনেমাটির প্রযোজক, পরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গণ, ও বিভিন্ন অভিনেতা অভিনেত্রী, কলাকুশলী গণ। প্রসঙ্গত, প্রীতিলতা চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। তার বিপরীতে বিপ্লবী রামকৃষ্ণের চরিত্রে দেখা যাবে মনোজ প্রামাণিককে। এদিকে টিভি নাটকে অভিনয় করেই তারকাখ্যাতি পেয়েছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। পরবর্তী সময়ে সিনেমায় অভিনয় করেও প্রশংসিত হয়েছেন। তার অভিনয়গুণে এখন দেশ কিংবা দেশের বাইরে রয়েছে জনপ্রিয়তা। মাঝে ব্যক্তিগত ব্যস্ততা থাকায় শুটিং থেকে দূরে ছিলেন। এখন আবার ধীরে ধীরে শুটিংয়ে ফিরছেন তিনি।

post
বিনোদন

রাজের সাথে সংসার নিয়ে যা বললেন পরীমনি

কয়েক দিন আগে ঢালিউড তারকা পরীমনি আর শরিফুল রাজের বিচ্ছেদের বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনায় ছিল। রাজের বাড়ি ছেড়ে চলেও গিয়েছিলেন পরীমনি। কিন্তু এখন আবার সব কিছু ঠিক হয়ে গেছে। স্বামী রাজের সঙ্গে তিনি এখন সুখে সংসার করছেন।বিয়ের এক বছর পর পরীমনি জানালেন, শরিফুল রাজের জন্য ভালোবাসা বেড়েই চলেছে তার। পরীমনি অভিনীত নতুন সিনেমা ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে। সিনেমা মুক্তি উপলক্ষ্যে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে ছুটে যাচ্ছেন তিনি। একই সঙ্গে ছবিটির ব্যাপারে দর্শকের আগ্রহ বাড়াতে কথা বলছেন বিভিন্ন গণমাধ্যমেও। এক গণমাধ্যম সাক্ষাৎকারে পরীমনি তার আর রাজের ভালোবাসা, সন্তান রাজ্যের বিষয়ে নানান কথা বলেন। রাজকে নিয়ে পরী জানান, সম্পর্ক যতদূর, যতদিন যায় ভালোবাসাও বেড়ে যায়, মান-অভিমান হয়, বন্ধুত্ব বাড়ে, শেয়ারিং বাড়ে। দুজনের বন্ধুত্বের জোরেই এখনো অবধি সম্পর্ক টিকে আছে বলেও জানান পরীমনি। জীবনের নানা চড়াই-উতরাই পার করে যতটা আলোচিত হয়েছেন, তেমনি সমালোচিতও কম হননি পরীমনি। চলচ্চিত্রে অভিনয় করবেন, এমনটি কখনো ভাবেননি বলেও জানান পরী। গণমাধ্যমে পরী আরও বলেন, নাটকে কাজ করছিলাম। তা নিয়েই সন্তুষ্ট ছিলাম। নাটকে কাজ করতে গিয়ে চম্পা ম্যাডামের সঙ্গে পরিচয় হয়। নাটকের শুটিংয়ের ফাঁকে প্রায়ই তিনি আমাকে চলচ্চিত্রের নায়িকা হওয়ার কথা বলতেন। অনেক উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিতেন। প্রতিনিয়ত তার বলা কথাগুলো আমাকে নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন দেখায়। আমিও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠি। এভাবেই একদিন পরিচালক শাহ আলম মণ্ডল আমাকে তার ছবিতে অভিনয়ের জন্য নির্বাচিত করেন। এর পর ২০১৫ সালে 'ভালোবাসা সীমাহীন' ছবি মুক্তির মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক ঘটে পরীমনির। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে ‘গুণিন’ সিনেমার শুটিংয়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান পরী ও রাজ। গত বছরের ২২ জানুয়ারি পারিবারিক আয়োজনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন তারা। যদিও তাদের প্রকৃত বিয়ে হয়েছিল ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর। তবে বিবাহবার্ষিকী হিসেবে ২২ জানুয়ারিকেই বেছে নিলেন।

post
বিনোদন

রাজ-পরীর সংসারে ভাঙ্গনের সুর!

ঢাকাই সিনেমার রোমান্টিক দম্পতি রাজ-পরী। একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বেশ সুখেই দিন কাটছিল তাদের। তবে বছর শেষে হঠাৎ সংসার ভাঙার খবর জানালেন চিত্রনায়িকা পরীমণি।শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে নায়িকার ব্যক্তিগত আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, হ্যাপি থার্টিফার্স্ট এভরিওয়ান! আমি আজ রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম এবং নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে।পরীমণি আরও লেখেন, জীবনে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার থেকে জরুরী আর কিছুই নেই।এ বিষয়ে সত্যতা যাচাইয়ে রাজ-পরীকে ফোন দেওয়া হলেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি। বারবার রিং হলেও ফোনের ওপাশ থেকে কেউ রিসিভ করেননি।এদিকে পরীর এমন স্ট্যাটাসে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন নেটিজেনরা। ঘণ্টা না পেরুতেই প্রায় পাঁচ হাজার প্রতিক্রিয়া জমা পড়েছে। এছাড়াও পাঁচ শতাধিক নেটিজেন পরীর স্ট্যাটাসটি শেয়ার করেছেন।প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৭ অক্টোবর গোপনে বিয়ে করেন রাজ-পরী। চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি তারা ঘোষণা দেন, তাদের ঘরে সন্তান আসছে। গত ১০ আগস্ট এই দম্পতির ঘর আলো করে এসেছে একমাত্র সন্তান শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য।

post
বিনোদন

নিউইয়র্কে গান-কবিতা-অভিনয়-আলোচনায় হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ

নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হলো ‘পঞ্চম হুমায়ূন আহমেদ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্মেলন’। ১১ ডিসেম্বর নিউইয়র্ক সিটির জ্যামাইকায় একটি পাবলিক স্কুলে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের আয়োজন করে ‘শোটাইম মিউজিক’। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রবাসের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও কবি বেলাল বেগ।এ সময় বেলাল বেগ বলেন, মানুষকে আকর্ষণ করার অসম্ভব এক ক্ষমতা নিয়ে জন্মেছিলেন লেখক হুমায়ূন আহমেদ, যিনি ছিলেন একজন জাদুকর। তার লেখায়, তার ব্যক্তিত্বে, সর্বোপরি তার কাজে তিনি অনন্তকাল বেঁচে থাকবেন। অপর বক্তারা বলেন, লেখক হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিকদের অন্যতম। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার, গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। অন্য দিকে তিনি আধুনিক বাংলা বৈজ্ঞানিক কল্প-কাহিনীর পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। তার বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত। মিসির আলি এবং হিমু তার সৃষ্ট অন্যতম দুটি জনপ্রিয় চরিত্র। প্রবাসে বসবাসরত কবি ও লেখকদের প্রকাশিত বই সমূহ প্রদর্শন করা হয় এ সম্মেলনে। বই বিনিময়, প্রদর্শন ও বিক্রয় অনুষ্ঠান সকলে উপভোগ করেছেন। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে ছিল চিত্রাঙ্কন, গানে গানে হুমায়ূন, মুক্ত আলোচনা: লেখকের ভাবনায় হুমায়ূন, হুমায়ূন সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বদেশ প্রেম, আবৃত্তি, আমার আছে জল, হুমায়ূন স্মৃতিচারণ এবং গল্পে গল্পে হুমায়ূুন। সম্মেলনে নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যাঞ্জলি শিল্পী গোষ্ঠী। সঙ্গীত পরিবেশন করেন জনপ্রিয় শিল্পী এস আই টুটুল এবং সেলিম চৌধুরী, সেলিম ইব্রাহীমসহ অনেকে। সমবেত সংগীত পরিচালনায় ছিলেন-চন্দন চৌধুরী। এতে অংশ নেন হুমায়ূন ভক্ত সকলে। চিত্রাঙ্কন পরিচালনায় ফারজিন রাকীবা ও আবু সাঈদ রতন, সহযোগিতায় ছিলেন ড. হাফসা সিদ্দীকা, আলমা ফেরদৌসী লিয়া, খালেদ সরফুদ্দীন, সুমন শামসুদ্দীন ও শিবলী সাদিক। মুক্ত আলোচনা পর্বে লেখকের ভাবনায় হুমায়ূন, পরিচালনায় ছিলেন রওশন হাসান ও শারমিন রেজা ইভা। এ পর্বে অংশ নেন প্রবাসে বসবাসরত কবি ও লেখকবৃন্দ। হুমায়ূুন সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বদেশ প্রেম,পরিচালনায় ছিলেন মোশাররফ হোসাইন। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বেলাল বেগ, অধ্যাপিকা হোসনে আরা, তমিজউদ্দীন লোদী, ফকির ইলিয়াস, ফাহিম রেজা নূর ও ড. মহসিন আলী। ‘আমার আছে জল’ নিয়ে আলোচনা পর্ব পরিচালনায় ছিলেন জি এইচ আরজু ও সাবিনা নিরু। অংশ নেন কবি তমিজউদ্দিন লোদী, শামস আল মমিন, সোনিয়া কাদের, আনোয়ার সেলিম, লায়লা ফারজানা। কবিতা আবৃত্তি করেন আনোয়ারুল লাভলু, নজরুল কবির, নাশ নাসরিন, আহসান হাবিব, পিংকি চৌধুরী ও নীলুফার যারীন ও সিনহা মনসুর। হুমায়ুন আহমেদের রচনা নিয়ে স্মৃতিচারণ পর্বের পরিচালনায় ছিলেন ছন্দা সুলতান। অংশগ্রহনে: আবু রায়হান, রওশন হাসান, এ বি এম সালেহ উদ্দিন। নৃত্যাঞ্জলি পরিচালনায় ছিলেন চন্দ্রা ব্যানার্জী ও তার দল। ‘গল্পে গল্পে হুমায়ূন’ পর্বটি পরিচালনায় ছিলেন মনজুর কাদের ও শিশুরা। হুমায়ূন স্মৃতিচারণ পর্ব পরিচালনায় ছিলেন এ বি এম সালেহ উদ্দিন। অংশগ্রহণে ছিলেন বেলাল বেগ, শারমিন রেজা ইভা, শামীম শাহেদ। আগামী জুনের ৩-৪ তারিখ দু’দিনব্যাপী আরও বর্ধিত পরিসরে হুমায়ূন আহমেদ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা করেন হোস্ট সংগঠন ‘শোটাইম মিউজিক’র স্বত্বাধিকারী আলমগীর খান আলম।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.