post
বিনোদন

১৯ মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে পরীমণি অভিনীত সিনেমা ‘মা’

আগামী ১৯ মে পেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে হালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণি অভিনীত সিনেমা ‘মা’। গতকাল শনিবার রাজধানীর এক রেস্তোরাঁয় বেশ ঘটা করে সিনেমাটি মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হয়। সেখানে জানানো হয়, মা দিবস (১৪ মে) উপলক্ষে ‘মা’ ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে ১৯ মে। এসময় সিনেমার নির্মাতা অরণ্য আনোয়ার বলেন, ‘শুরু থেকেই আমি চেয়েছি সিনেমাটি মা দিবসেই মুক্তি পাক। পৃথিবীর সকল মায়ের প্রতি উৎসর্গ করে নির্মিত সিনেমাটি ১৯ মে মুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আজ থেকে সেই মুক্তির মিছিল শুরু হলো আমাদের। ’ সিনেমাটি প্রসঙ্গে পরীমণি বলেন, এই সিনেমার জার্নিটা সারা জীবনের স্মৃতি হয়ে থাকবে আমার। ‘মা’ যখন শুটিং করি, তখন চার মাসের রাজ্য (পরীর পুত্র) আমার পেটে ছিল। ওকে পেটে নিয়ে আমি মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি। আর এখন যখন সিনেমাটি মুক্তির মিছিলে, তখন রাজ্য আমার কোলে। এটা যে কতটা আনন্দের অনুভূতি, বোঝানো যাবে না। উল্লেখ্য, ‘মা’ সিনেমাটির বিভিন্ন চরিত্রে পরীমণি ছাড়াও আরো অভিনয় করেছেন আজাদ আবুল কালাম, ফারজানা ছবি, সাজু খাদেম, রেবেনা করিম জুঁই, শিল্পী সরকার অপু, সেতু, লাবণ্য চৌধুরী, শাহাদাত হোসেন।

post
বিনোদন

বাসায় শিক্ষক রেখে পড়াশোনা করছেন হিরো আলম

দেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে বহুল চর্চিত নাম হিরো আলম। তিনি যা করেন না কেন, পক্ষে-বিপক্ষে সুশীল সমাজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মন্তব্য পাওয়া যায়। সেটি আবার দেশজুড়ে আলোচনায় স্থান পায়।বরেণ্য নাট্যকার মামুনুর রশীদ কিছুদিন আগে হিরো আলমকে নিয়ে একটি মন্তব্য করেছিলেন। যেটি তোলপাড় সৃষ্টি করেছিল। শুধু তাই নয়, ‘টক অব দ্য কান্ট্রিতে’ পরিণত হয়েছিল। এর পরই হিরো আলম নিজেকে পরিবর্তন আনা শুরু করেন। সেই লক্ষ্যে বাসায় শিক্ষক রেখে পড়ালেখা শুরু করেছেন এ ইউটিউবার।হিরো আলম বলেন, সত্যি কথা বলতে— আমার বাসা উত্তরাঞ্চলের বগুড়া জেলা হওয়ায়, আমার জেলার আঞ্চলিকতার ভাষার টান থেকেই যায়। এই আঞ্চলিকতা পরিবর্তন করার জন্য আমাকে অনেকে পরামর্শ দিয়েছেন। তা ছাড়া আমার কিছু উচ্চারণে সমস্যা আছে, সবাই বলে হিরো আলম সবকিছু পরিবর্তন করতে পারে। এটিও পারবে। সে জন্য নিজেকে আমি পরিবর্তন করার চেষ্টা করছি। দেখি কতদূর পরিবর্তন হতে পারি। আমার কথা নিয়ে যেহেতু এত মানুষের প্রবলেম, সেটাই আগে ঠিক করব। এ ইউটিউবার আরও বলেন, সবাই পরামর্শ দিয়েছেন আমি যেন একটু পড়ালেখা করি এবং সুশিক্ষায় শিক্ষিত হন। সেই পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে একটু একটু করে আমার অফিসে শিক্ষক রেখে শেখার চেষ্টা করছি। অনেকে আমাকে উন্মুক্ত বিশ্ববিদালয়ে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সেটি তো আর আমার পক্ষে সম্ভব না । কারণ আমি নানা কাজে ব্যস্ত থাকি। আমাকে পরিবার চালানোর জন্য আয় করতে হয়। আমি বিশ্বাস করি আমার কিছু দুর্বলতা ছিল, সেগুলো পরিবর্তন করলে আর কোনো সমস্যা হবে না। আমাকে নিয়ে কেউ আর কথা বলতে পারবে না। কেউ রুচির দুর্ভিক্ষে পড়বে না। রুচির দুর্ভিক্ষ কাটাতে লেখাপড়ার দিকে মনোযোগ দিয়েছি। শিক্ষকের পরিচয় জানতে চাইলে হিরো আলম বলেন, সে শিক্ষকের পরিচয় এখন দিতে চাই না। সময় আসলে আমি বলে দেব। এখন আপাতত বলতে চাচ্ছিনা। সম্প্রতি হিরো আলমের চেহারা ও গেটাপে পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। সেটি কীভাবে হলো—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সবাই মনে করেছিল হিরো আলম বদলাতে পারবে না। আমি সেটিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি, পরিবর্তন করে দেখিয়ে দেব। ইতোমধ্যে অনেক পরিবর্তন করে ফেলেছি। আর যেটুকু সমস্যা আছে সেটুকু পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। তবে এটা তো একসঙ্গে সম্ভব না। একটু ধৈর্য নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছি। সম্প্রতি হিরো আলমকে ইঙ্গিত করে নাট্যকার মামুনুর রশীদ এক অনুষ্ঠানে বলেন, আমরা একটা রুচির দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়ে গেছি। সেখান থেকে হিরো আলমের মতো একটা লোকের উত্থান হয়েছে। যে উত্থান কুরুচি, কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতির উত্থান। এই উত্থান কীভাবে রোধ করা যাবে, এটা যেমন রাজনৈতিক সমস্যা, তেমনি আমাদের সাংস্কৃতিক সমস্যাও। পরে এমন বিরূপ মন্তব্যর পরিপ্রেক্ষিতে হিরো আলম লাইভে প্রচণ্ড অভিমান করেন। তাকে নিয়ে প্রচুর সমস্যা হলে দেশ থেকে তাড়িয়ে দিতে বলেন। আর না হলে তিনি আত্মহত্যা করবেন বলে হুমকি দেন। তিনি নিজেকে বদলে দিতে মামুনুর রশীদের কাছে অনুরোধও করেন।

post
বিনোদন

দর্শক এভাবে আমাকে কখনো দেখেননি: মিথিলা

চলতি মাসেই কলকাতায় মুক্তি পাবে রাফিয়াত রশীদ মিথিলার ‘মায়া’। ঢাকা, কলকাতা মিলিয়ে মুক্তির অপেক্ষায় আছে তাঁর আরও চারটি সিনেমা। এ ছাড়া ঈদে তাঁকে চরকির সিরিজ ‘মাইসেলফ অ্যালেন স্বপন’-এও দেখা যাবে। উইলিয়াম শেক্‌সপিয়ারের ‘ম্যাকবেথ’-এর ছায়া অবলম্বনে তৈরি হয়েছে ‘মায়া’। ছবিটিতে মাহিরা থেকে মায়ারূপে হাজির হয়েছেন মিথিলা। কীভাবে? নিজেই সে গল্প শোনালেন মিথিলা, মাহিরা মুসলিম মেয়ে। জীবনের চলার পথে নানা ধরনের বাধার মুখে পড়ে। একটা সময় মায়া হয়ে ঘুরে দাঁড়ায়। গল্পে তিনটি আলাদা সময়, আলাদা রূপে মিথিলাকে দেখা যাবে। তা ছাড়া চরিত্রটির সংলাপে হিন্দির আধিক্য আছে। কাজটি তাঁর জন্য অতটা সহজ ছিল না। চরিত্রটির প্রস্তুতি নিয়ে মিথিলা বলেন, ‘পরিচালক তাঁর ভাবনাগুলো আমাকে বলেছেন, প্রস্তুতি আমি নিজে নিজে নিয়েছি। প্রায় দুই মাস প্রস্তুতি নিয়েছি। চরিত্রটি কীভাবে তাকাবে, কীভাবে কথা বলবে, হাঁটাচলা সবই অনুশীলন করেছি।’তিনি আরও বলেন, ‘একাধিক রূপ, বয়স ও অন্য ভাষা—এভাবে আমাকে আগে দর্শক কখনো দেখেননি। বলতে পারেন, সিনেমায় এটি আমার নতুন জন্ম।’অভিনেত্রী জানান, তিনটি চেহারার মধ্যে একটিতে তিনি ২০ থেকে ২২ বছরের মেয়ে, আরেকটিতে ৪০ বছরের, অন্যটিতে ৫৫ বছরের এক নারী। তিনটি বয়সের আলাদা চেহারা, কথা বলার ভঙ্গিও আলাদা। ছবিতে প্রায় ৭০ ভাগ সংলাপই হিন্দিতে দিতে হয়েছে। টানা শুটিং, পরপর তিনটি চরিত্রে কাজ করতে গিয়ে সমস্যা হয়নি? এ প্রশ্নের উত্তরে মিথিলা বলেন, ‘এটা তো মায়ার জার্নি। এ কারণে কিছুটা সুবিধা ছিল। দিন ভাগ করে করে চরিত্রগুলোর শুটিং হয়েছে। তা ছাড়া আমার নিজের একটা সুবিধা আছে, আমি যখনই যে চরিত্রের জন্য গেটআপ নিই, সঙ্গে সঙ্গে ওই চরিত্রের মধ্যে ঢুকে যেতে পারি। ভাষা নিয়েও তেমন সমস্যা হয়নি। হিন্দিটা আমি আগে থেকেই মোটামুটি পারি।’ভারতের জনপ্রিয় এফএম চ্যানেল রেডিও মিরচিতে প্রতি রোববার প্রচারিত হয় জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘সানডে সাসপেন্স’, যেখানে রোমাঞ্চধর্মী গল্প, উপন্যাসের বেতার নাট্যরূপ দেওয়া হয়। সেই অনুষ্ঠানে ‘মৌমাছির শোক’ নামের নাটকে কণ্ঠ দিয়েছেন মিথিলা। এই অঙ্গনে এটি তাঁর প্রথম কাজ।গত ২৬ ফেব্রুয়ারি দুই পর্বে প্রচারিত হয় নাটকটি। রেডিওতে কাজ নিয়ে মিথিলা বলেন, ‘সানডে সাসপেন্স অনুষ্ঠানটি দুই বাংলায়ই বেশ জনপ্রিয়। হঠাৎই আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হলো। কারণ, ওই নাটকে বাংলাদেশ থেকে আসা একটা মেয়ে চরিত্রের দরকার ছিল। আমিও রাজি হয়ে গেলাম। তা ছাড়া আগে রেডিওতে কাজ করিনি। সে অভিজ্ঞতাও নেওয়ার ইচ্ছা ছিল। প্রচারের পর দেখলাম, কলকাতা তো বটেই, বাংলাদেশেও প্রশংসা পাচ্ছি। কণ্ঠ দিয়ে অভিনয়ের ব্যাপারটি আমার ভালো লাগে। এ কারণে সিনেমার ডাবিং উপভোগ করি। কণ্ঠ দিয়ে চরিত্রটি নিয়ে খেলা যায়। অন্য রকমের মজা আছে।বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকে চাকরির সুবাদে মিথিলাকে কখনো উগান্ডা, কখনো তানজানিয়া, সুদান—ছুটতে হয় নানা দেশ। কলকাতার পরিচালক সৃজিতের সঙ্গে বিয়ের পর মিথিলার জীবনযাপনেও পরিবর্তন এসেছে।মেয়ে আইরাও কলকাতার একটি স্কুলে ভর্তি হয়েছে। তাই কাজের বাইরে বেশির ভাগ সময়ই এখন কলকাতায় থাকেন তিনি। কলকাতা ও ঢাকা দুই জায়গার কাজ নিয়েই এখন ব্যস্ত মিথিলা। এরই মধ্যে শেষ হয়েছে কলকাতার সিনেমা ‘নীতিশাস্ত্র ও মেঘলা’র শুটিং। ঢাকায় করেছেন ‘নুলিয়াছড়ির সোনার পাহাড়’ ও ‘কাজলরেখা’। ছবিগুলো মুক্তির অপেক্ষায় আছে। ঈদুল ফিতরে চরকিতে মুক্তি পাবে তাঁর সিরিজ ‘মাইসেলফ অ্যালেন স্বপন’। এটি নিয়েও দারুণ আশাবাদী মিথিলা, ‘এখন সবাই অ্যালেন স্বপন চরিত্রে নাসির উদ্দিন খানকে জানছেন। এখানে আমি শায়লা চরিত্রে অভিনয় করেছি। চরিত্রটা কী ধরনের, দর্শক এখনো তা জানতে পারেননি। মুক্তির পর চরিত্রটি দেখে দর্শক অবাক হতেই পারেন।’

post
বিনোদন

এবার শর্টফিল্মে সাকিব আল হাসান

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। ক্রিকেটের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন জগতেও তার পদচারণা বহুদিন আগে থেকেই। সম্প্রতি একটি শর্টফিল্মে অভিনয় করেছেন তিনি। এপ্রিলের মাঝামাঝি এ সিনেমাটি প্রকাশ হবে বলে জানা গেছে।নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জানিয়েছেন, এই রমজানে শর্টফিল্মটির মাধ্যমে মানুষের জন্য নতুন বার্তা দিবেন সাকিব। প্রতিষ্ঠানটি এক বার্তায় জানিয়েছে, সাকিব আল হাসান তার সাফল্য ও পরিশ্রমী স্বভাবের জন্য পরিচিত। বিশ্বের এক নম্বর অলরাউন্ডার হিসেবে শীর্ষস্থান অর্জন কিংবা ব্যক্তিগত জীবনে একজন দায়িত্বশীল মানুষ, সব ক্ষেত্রেই সাকিব একজন চ্যাম্পিয়ন এবং সবার জন্য অনুপ্রেরণার এক উৎস। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে সম্ভবত এটাই প্রতিফলন থাকছে। তবে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে এর নাম কিংবা গল্প সম্পর্কে বিস্তাারিত জানানো হয়নি।

post
বিনোদন

জীবনের শেষ কয়েকটি ইচ্ছার কথা জানালেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী

জীবনের বেশ কয়েকটি ইচ্ছার কথার জানিয়েছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। সেই তালিকায় আছে— মারা যাওয়ার পর তার লাশ যেন কাউকে দেখতে দেওয়া না হয়, দশর্কদের কাছে থাকা ছবি ডিলিট করাসহ বেশ কয়েকটি বিষয়। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের ‘১৩টি প্রশ্ন’ শিরোনামের আয়োজনে এমন ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন এই চিত্রনায়িকা। উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয় প্রশ্ন রাখেন— ক্যামেরার সামনে শেষ কথা হলে সেটি কী বলতে চান? এমন প্রশ্নে মৌসুমী বলেছেন, ‘প্রথমত আমি বলব— আমি যদি মরে যাই, আমার সব ভুলের জন্য ক্ষমা চাই সবার কাছে। ক্ষমা করে দিবেন। আমার কয়েকটি ইচ্ছে আছে, একটি হলো— আমি মারা যাবার পর আমার লাশ যেন কাউকে দেখতে দেওয়া না হয়। যেন খুব সিক্রেটলি কবর দেওয়া হয়। জানাজা হবে। কিন্তু আমি চাই না আমাকে আর কেউ দেখুক।’ মৃত্যুর আগে হজে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়ে মৌসুমী বলেন, ‘আমি মারা যাবার আগে বড় হজ করতে চাই। আমি যেন হজ করতে পারি, সে জন্য সবাই দোয়া করবেন।’ ওই প্রশ্নের উত্তরে মৌসুমী আরও বলেন, ‘আমি মারা যাবার পর টিভিতে ধুমধাড়াক্কা ছবি এবং দশর্কদের কাছে অনেক ছবি রয়ে গেছে, সেগুলো ডিলিট করে দিবেন। তবে ছবি যদি সংগ্রহ করতে হয়, তা হলে মৌসুমী আর্কাইভে আলাদাভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। সেখানে সবাই আমার সব কিছু জমা দিয়ে দিবেন। যদি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমার কোনো কাজ মনে হয় আর্কাইভে রাখলে ভালো হবে বা গবেষণার কাজে আসবে, তবে সে উদ্দেশ্যই ছবিগুলো সংরক্ষণ হবে। অবশ্যই বাছাইকৃত ছবিগুলো জমা দেওয়া হবে। এ ছাড়া অন্য সব কিছু ডিলিট করে দিলে ভালো হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ ছাড়া আমার কিছু উদ্দেশ্য রয়েছে। যেমন আমার কিছু সাংগঠনিকভাবে মৌসুমী ওয়েলফেয়ারের মাধ্যমে যেসব কাজ করার উদ্দেশ্য রয়েছে, আমার সব ভক্তকে অনুরোধ করব, এটাকে সবসময় সচল রাখার জন্য।’

post
বিনোদন

মামুনুর রশীদের মন্তব্যে হিরো আলমের কৌশলী জবাব

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত হিরো আলমকে নিয়ে সম্প্রতি কড়া সমালোচনা করেছেন নাট্যজন মামুনুর রশীদ। রুচির দুর্ভিক্ষে হিরো আলমের উত্থান হয়েছে বলে মন্তব্য করেন এই নাট্যকার, অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক। যার বিরুদ্ধে এই কথা সেই হিরো আলম কি আর চুপ করে থাকবেন? থাকেননি অবশেষে মুখ খুলেছেন হিরো আলম। সোমবার রাতে ফেসবুক লাইভে এসে আলোচিত-সমালোচিত ইউটিউবার হিরো আলম বলেছেন, ‘হিরো আলমকে মেরে ফেলে দেন। মেরে না ফেলে দিলে কেউ থামাতে পারবেন না। আমি আমার যোগ্যতায় আলম থেকে আজ হিরো আলম। মামুনুর রশীদ স্যার, আপনি আমাকে তৈরি করুন। আমাকে তৈরি করবে কে। আমাকে কেউ তৈরি করবে না। তাহলে রুচির পরিবর্তনও হবে না।’ রবিবার সংবাদমাধ্যমে ‘রুচির দুর্ভিক্ষে হিরো আলমের উত্থান: মামুনুর রশীদ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর বিষয়টি ভাইরাল হয় ফেসবুকসহ নানা মাধ্যমে। অভিনয় শিল্পী সংঘের একটি অনুষ্ঠানে মামুনুর রশিদ বলেন, ‘আমরা একটা রুচির দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়ে গেছি। সেখান থেকে হিরো আলমের মতো একটা লোকের উত্থান হয়েছে। যে উত্থান কুরুচি, কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতির উত্থান। এই উত্থান কীভাবে রোধ করা যাবে, এটা যেমন রাজনৈতিক সমস্যা, তেমনি আমাদের সাংস্কৃতিক সমস্যাও।’ ফেসবুক লাইভে হিরো আলম বলেন, ‘তাদের মতো এত বড় মানুষ আমাকে নিয়ে কথা বলেছেন। এটা আমার জন্য সৌভাগ্য। মানুষের রুচি নাকি নষ্ট হয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমি নাকি ১৮ কোটি লোকের রুচি নষ্ট করেছি। আপনারা কেন আমাকে সাপোর্ট করেন, রুচি নষ্ট করেন।’ এই ইউটিউবার বলেন, ‘স্যার আপনি আমাকে নিয়ে যে কথাবার্তা বলেছেন, অনেক আর্টিস্ট আপনার হাতে তৈরি। অনেক লোক আপনার হাতে তৈরি। স্যার আপনি ইচ্ছে করলে কিন্তু আমাকে তৈরি করতে পারতেন। কিন্তু করেন না।’ তিনি আরও বলেন, ‘হিরো আলমের জন্য বাংলাদেশ নাকি নষ্ট হচ্ছে। যখন নাটকে গালিগালাজ করে, তখন কি আপনাদের রুচি নষ্ট হয় না।’ হিরো আলম বলেন, ‘আমার কী অপরাধ, কেন আমার লেখাপড়া নাই, চেহারা নাই? আপনার ছেলে যদি হতাম আমি। এভাবে বলতে পারতেন কেউ। হিরো আলমের মামা খালু নাই, ওয়েট নাই। অনেক এমপি দেখছি- সমাজের, দেশের, মানুষের কথা বলে না। নিজেরা ব্যস্ত।’ হিরো আলম বলেন, ‘আজ আমার জন্য কে দায়ী। আরে ভাই, আপনার আমাকে নিয়ে কথা কেন বলেন। কেন ভাই। একদিন এমন লাইভ করে পৃথিবী থেকে চলে যাব। আপনার রুচি নিয়ে থাকেন। আমি যদি আত্মহত্যা করি, এর জন্য দায়ী থাকবেন আপনারা। মানুষ আত্মহত্যা কখন করে জানেন? সবকিছুতে টর্চারিং করতেছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘হিরো আলমের কাজগুলো দেখেন, রুচি আছে কিনা। কত রুচি সম্পন্ন গান উপহার, নাটক বানাতে পারি। এতে আমার কী করণীয়।’ হিরো আলম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে বলব, আপনি আমাকে জেলে দেন। আমাকে সাহায্য করেন কেউ? করেন, করেন না। আমাকে ধিক্কার দেওয়া বন্ধ করুন। আপনারা বড় বড় কথাবার্তা বলেন। রুচি চেঞ্জ করতে পারেন না কেন।’ তিনি বলেন, ‘আমি কি অপরাধ করেছি। আমি যদি রুচি নষ্ট করে থাকি, টিকটক দেখেন তো; কেন তাদের বন্ধ করতে পারতেছেন না। অন্যদের নিয়ে কথাবার্তা বলেন না। এসবের জন্য আমি যদি আত্মহত্যা করি; এর জন্য দায়ী থাকবেন রুচিসম্পন্ন মানুষেরা। অন্যদের মতো আমি তো এই রুচি নিয়ে আসি নাই।’ 

post
বিনোদন

কাঠগড়ায় সাকিব খানকে যা বললেন বিচারক

টেলিভিশনে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ায় অভিযোগে প্রযোজক রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। সোমবার (২৭ মার্চ) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে এর বিচারক জুলফিকার হায়াতে উপস্থিত হন শাকিব খান। এরপর জবানবন্দি দিতে কাঠগড়ায় উঠেন। এসময় বিচারক বলেন, সময় মতো আসতে হবে। আগের দিনই বলে দেওয়া হয়েছে কখন আসতে হবে।তখন শাকিব খান বলেন, জ্বি স্যার। এরপর বিচারক বলেন, এটা তো আপনার আইনজীবী ভালো জানার কথা। এরপর তিনি জবানবন্দি দিতে শপথ পাঠ করেন। জবানবন্দিতে শাকিব খান বলেন, রহমত উল্লাহ টেলিভিশনে আমার নামে মিথ্যা বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি হঠাৎ আসেন, হঠাৎ বক্তব্য দিয়ে পালিয়ে যান। তিনি বলেছেন, অস্ট্রেলিয়া থেকে আমি দুবার পালিয়ে এসেছি। অথচ অস্ট্রেলিয়ায় আমার বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো অভিযোগ নেই। আমার নামে কোনো মামলাও হয়নি।এরপর বিচারক বললেন, ঠিক আছে আপনি সই করে যাবেন। আদেশ পরে দেওয়া হবে। এরপর শাকিব খান সই করে আদালত থেকে বের হয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর বিচারক মামলার আদেশ দিলেন। আগামী ৬ জুন পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন।এ বিষয় শাকিব খানের আইনজীবী খায়রুল হাসান বলেন, টেলিভিশনে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ায় রহমত উল্লাহ বিরুদ্ধে মামলা করেছি। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন।এর আগে বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাতুল রাকিবের আদালতে চাঁদাবাজি ও হত্যার হুমকির অভিযোগ এনে রহমত উল্লাহ বিরুদ্ধে মামলা করেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ পরে আসামি রহমত উল্লাহকে আগামী ২৬ এপ্রিল আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছেন। এরপর শাকিব খান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রহমত উল্লার বিরুদ্ধে মামলা করতে সাইবার ট্রাইব্যুনালে আসেন। বিচারক তাকে সোমবার (২৭ মার্চ) সকালে আদালতে আসতে বলেন। দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে আদালতে আসলে বিচারক তাকে বলেন, সময় মতো আদালতে আসতে হবে। জবাবে শাকিব খান বলেন, জ্বি স্যার।

post
বিনোদন

সাইবার ট্রাইব্যুনালে চিত্রনায়ক শাকিব খান

রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে এবার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করতে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে গেছেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ‘চাঁদা দাবি ও হত্যার হুমকি’ দেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়েরের পর ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াতের আদালতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করতে যান তিনি। বিচারক মামলা ফাইলিংয়ের সময় চলে যাওয়ায় শাকিব খানের আইনজীবীকে আগামী সোমবার আসতে বলেন। শাকিব খানের আইনজীবী তানভীর আহমেদ তনু সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে চাঁদা দাবি ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনে রহমত উল্লাহ নামে এক প্রযোজকের বিরুদ্ধে মামলা করেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরফাতুল রাকিবের আদালতে তিনি এ মামলা করেন। এ সময় আদালত তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন। একইসঙ্গে রহমত উল্লাহকে আগামী ২৬ এপ্রিল আদালতে হাজির হওয়ার সমন জারি করেছেন আদালত। মামলা করতে এ দিন বেলা ১১টা ১৩ মিনিটে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থিত হন শাকিব খান।

post
বিনোদন

সাকিবকে বাঁচাতে পাশে দাঁড়িয়েছে অপু-বুবলী

ঢাকায় সিনেমার তুমুল জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খানের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ তুলেছেন রহমত উল্লাহ নামে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী এক প্রযোজক। তা নিয়ে কদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। তবে বিভিন্নভাবে সেই অভিযোগ থেকে শাকিবকে বাঁচাতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছেন তার দুই স্ত্রী অপু বিশ্বাস ও বুবলী। ইতোমধ্যে অপু সাবেক স্ত্রী হলেও বুবলী সাবেক না বর্তমান সেটা এখনো ক্লিয়ার না। তবে এই দুই চিত্রনায়িকাই শাকিবের দুই সন্তান জয় ও বীরের মা। তাই তো তাদের সন্তানদের বাবাকে অভিযোগ থেকে বাঁচাতে উঠে পড়ে লেগেছেন তারা। শাকিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পরপরই রহমত উল্লাহর সঙ্গে মীমাংসার উদ্যোগ নেন অপু। অপুর উদ্যোগের ওই প্রযোজকের সঙ্গে ঢাকার একটি রেস্তোরাঁয় বৈঠকে বসেছিলেন শাকিব। তবে অপুর এমন পদক্ষেপের পর পিছিয়ে নেই বুবলীও। নানাভাবে সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে তৎপরতা চালাচ্ছেন এই নায়িকা। সবশেষ সোমবার শাকিবকে নিয়ে দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন বুবলী। সেখানে ওই অভিযোগের বিরুদ্ধে নানা প্রশ্ন ও যুক্তি তুলে ধরেন তিনি। উল্লেখ্য, গত বুধবার (১৫ মার্চ) শাকিবের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ নিয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিচালক, শিল্পী সমিতি ও ক্যামেরাম্যান সমিতি বরাবর লিখিত আবেদন জানান অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী প্রযোজক রহমত উল্লাহ। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে এর বিপরীতে ওই প্রযোজকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে শনিবার (১৮ মার্চ) গুলশান মডেল থানায় গিয়েছিলেন এই চিত্রনায়ক। তবে সেই মামলা নেয়নি থানা। এরপর রোববার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) শরণাপন্ন হন তিনি।

post
বিনোদন

শাকিব খানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ 'মিথ্যা ও বানোয়াট' : বুবলি

চিত্রনায়ক শাকিব খানের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ায় ‘অপারেশন অগ্নিপথ’এর শুটিংয়ে শিডিউল ফাঁসানো ও সহ-নারী প্রযোজককে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ তুলেন রহমত উল্লাহ নামের একজন। তবে এসব অভিযোগকে শুরু থেকেই ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ বলে এসেছেন শাকিব খান। রহমত উল্লাহ ওই ছবির প্রযোজক নন, তার সঙ্গে কোনো চুক্তি হয়নি- এমনটাও বলে এসেছেন শাকিব। পরে ওই প্রযোজকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে সম্প্রতি থানা পুলিশের শরণাপন্ন হয়েছেন শাকিব খান। চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী স্বামীর বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ আনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উষ্মা প্রকাশ করেন। সেইসঙ্গে তিনি বেশকিছু বিষয় নিয়ে যৌক্তিক প্রশ্ন রাখেন। অভিযোগকারীর উদ্দেশে বুবলী প্রশ্ন রেখে বলেন, শুটিং চলাকালীন এতো এতো অভিযাগ যখন টের পেয়েছিলো উনারা, তাহলে কেনো তখন তাকে (শাকিব) বাদ দেয়া হলো না? সমিতিগুলোতে অভিযোগ করা হলো না? দু-পক্ষের কথা শোনা হলো না? ২০১৬ সালের অস্ট্রেলিয়ায় ‘অপারেশন অগ্নিপথ’ শুটিং এর পর ২০১৮ সালে শাকিব খান তার ‘সুপার হিরো’ নামের আরেকটি সিনেমার শুটিং সম্মানের সঙ্গে প্রায় ২০ দিনে অস্ট্রেলিয়া থেকে শেষ করে আসেন। উনি যদি কোনো ব্যাপারে গিল্টি থাকতেন তাহলে তো অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ তাকে তখন শুটিং এর অনুমতিই দিতেন না, শাকিব খান নিজেও অস্ট্রেলিয়া যেতেন না।’ বুবলী মনে করেন, দেশে হোক বা বিদেশে! যে কেউ যে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ করতেই পারে, খাতায় নাম উঠতেই পারে, কিন্তু আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। বুবলী বলেন, কয়েক বছর ধরে দেখছি, একটা চক্র কিছুদিন পর পরই শাকিব খানকে নিয়ে ওঠেপড়ে লাগে। নানা চক্রান্তে মেতে ওঠে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.