post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

নৌকার প্রার্থীদের জন্য ভোট প্রত্যাশা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এই নৌকা আপনাদের স্বাধীনতা দিয়েছে। এ নৌকাই পারবে মানুষকে উন্নত জীবন দিতে, শান্তি-সমৃদ্ধি দিতে। এই নৌকায় আপনারা ভোট দিয়েছিলেন বলেই আজকের বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ।মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নৌকায় ভোট দেবেন। ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। সেই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার পদক্ষেপ নেওয়ার জন্যই আজকের নির্বাচন। কাজেই এই নির্বাচনে ভোট দিয়ে আমাদের জয়যুক্ত করবেন। আপনার ভোট আপনি রক্ষা করবেন আর অগ্নিসন্ত্রাসী, জঙ্গিবাদী বিএনপি-জামায়াতকে উপযুক্ত জবাব দেবেন। ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না। আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে কেবল নিজে নয়, পরিবার-পরিজন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার মাধ্যমে বিএনপি-জামায়াতের অগ্নিসন্ত্রাসের উপযুক্ত জবাব দেওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি। ফরিদপুর, মাগুরা ও রাজবাড়ী জেলার নির্বাচনী আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘নৌকা মার্কার প্রার্থীদের আপনাদের দিয়ে গেলাম। তারা আপনাদের সেবা করবে, আসনবাসীর সেবা করবে। আপনারা তাদের নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

post
বাংলাদেশ

আমাদের ভোট চুরির প্রয়োজন হয় না: প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা মানুষের শিক্ষা, অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থানসহ সবকিছুর জন্য কাজ করে এবং মানুষের হৃদয় জয় করে তাদের ভোট পাই, আমাদের ভোট চুরির প্রয়োজন হয় না। কিন্তু যারা অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে... এটা আমার কথা না, হাইকোর্টের রায় আছে যে, বিএনপি অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে। যাদের ক্ষমতা দখল অবৈধ, তারাই ভোট চুরি করে। তারা ভোট চুরি ছাড়া জিততে পারে না। ২০০৮ সালের নির্বাচনে সেটি প্রমাণিত হয়েছে। সোমবার বিকেলে রাজধানীর কলাবাগান মাঠে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। বিএনপির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন তারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়, কেন নির্বাচন বানচাল করবে? আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই আজকে উন্নয়ন হয়েছে। ৭৫’-এর পর যারা ক্ষমতায় এসেছিল, তারা ক্ষমতায় এসেছিল অস্ত্র হাতে নিয়ে ও সংবিধান লঙ্ঘন করে... তারা মানুষের ভাগ্য গড়েনি। তিনি বলেন, তাদের আমলে ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ নিষিদ্ধ, জয় বাংলা স্লোগান নিষিদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি করা হয়। এমন একটা পরিবেশ সৃষ্টি করে মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের মুক্তিযোদ্ধা বলতেও ভয় পেতেন। সে সময় অনেকে লুকাতেন, ভয় পেতেন... তারা (বিএনপি) ঠিক সেই অবস্থায় বাংলাদেশকে নিয়ে গিয়েছিল। এছাড়া, তারা মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে জলাঞ্জলি দিয়ে দেয়। বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, পাশাপাশি এ দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের যে গতিটা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব করেছিলেন, সেটিও থেমে যায়। সেই যে ২৭৭ মার্কিন ডলার মাথাপিছু আয় জিয়ার আমলে ও এরশাদের আমলে... কোনো আমলেই সেই মাথা-পিছু আয় আর বৃদ্ধি পায়নি। বরং জিয়ার আমলে প্রতি বছর তা মাইনাস হতে থাকে। তারা বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য না গড়লেও ক্ষমতাসীনদের ভাগ্য গড়ে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান। এতে আরও বক্তব্য রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ঢাকা-১৩ আসনের নৌকার প্রার্থী জাহাঙ্গীর কবির নানক, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-৮ আসনের নৌকার প্রার্থী আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ঢাকা-১০ আসনের নৌকার প্রার্থী নায়ক ফেরদৌস আহমেদ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নুর তাপস।

post
বাংলাদেশ

ড. ইউনূস ঘুস দিয়ে শ্রমিক নেতাদের ম্যানেজ করার চেষ্টা করেছেন: তথ্যমন্ত্রী

শ্রমিকরা যখন আদালতে গেছেন, তখন আদালতের বাইরের দুজন শ্রমিক নেতাকে ছয় কোটি টাকা ঘুস দিয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘শরণার্থীর জবানবন্দি ১৯৭১’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি একথা জানান। তিনি বলেন, মালালা ইউসুফজাই ১২ না ১৪ বছর বয়সে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন। কখন আট বছরের ছেলেকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়, সেটির আশঙ্কাও লোকজন করছেন। ড. ইউনূস একজন নোবেলজয়ী, তার বিরুদ্ধে দেওয়া রায় নিয়ে আপনার মতামত কী, জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, পৃথিবীতে অনেক নোবেলজয়ী ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন। অনেকে অনেক জেলও খেটেছেন। ড. ইউনূসের প্রতি সম্মান রেখেই বলতে চাচ্ছি, তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে শ্রমিকের পাওনা বুঝিয়ে না দেওয়ার জন্য। তিনি শ্রমিকের পাওনা বুঝিয়ে দেননি বহু বছর ধরে। এরপর যখন শ্রমিকরা যখন আদালতে গেছেন, তখন আদালতের বাইরের দুজন শ্রমিক নেতাকে তিন কোটি, তিন কোটি ছয় কোটি টাকা ঘুস দিয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেছেন। ‘কিন্তু দুজন শ্রমিক নেতা টাকা পেলে তো হবে না, কারণ সাধারণ শ্রমিকরা তো কোনো টাকা পাননি। সে কারণে সাধারণ শ্রমিকরা মামলা করেছেন। সেই মামলার রায় হতে যাচ্ছে। এখন শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে নানান কথা হয়। শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে অনেক বন্ধু রাষ্ট্রগুলোও অনেক কথা বলেন।’ কাজেই নোবেলজয়ী যদি শ্রমিকদের পাওনা বুঝিয়ে না দেন, তাহলে কী তার বিরুদ্ধে মামলা হবে না, প্রশ্ন রেখে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আশা করি, বন্ধু রাষ্ট্রগুলোও এ নিয়ে কথা বলবে না। শ্রমিকের অধিকার ও পাওনা বুঝিয়ে না দেওয়ার কারণে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে মামলা হয়েছে।

post
সংবাদ

বিএনপিকে লালকার্ড দিয়ে চিরতরে বিদায় জানাতে হবে: ওবায়দুল কাদের

বিএনপি পালিয়ে গেছে দাবি করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ৭ তারিখে এদের (বিএনপি) চিরতরে লালকার্ড দিয়ে বিদায় জানাতে হবে।সোমবার বিকেলে কলাবাগান মাঠে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। কাদের বলেন, খেলা হবে? হবে খেলা? বিএনপি কোথায়? মাঠে আছে? পালিয়ে গেছে। লালকার্ড খেয়ে বাদ। ফাউল করে লালকার্ড খেয়েছে। ২৮ তারিখেই বাদ হয়ে গেছে। ২৮ তারিখে গভীর খাদে পড়ে গেছে বিএনপি। ফাইনাল খেলা ৭ জানুয়ারি। সেদিন এদের চিরতরে লালকার্ড দিয়ে বিদায় জানাতে হবে। বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার এ প্রিয় ভূমিতে লুটেরা, খুনি ষড়যন্ত্রকারী ও সন্ত্রাসীদের স্থান হবে না। জোরদার খেলা হবে। লুটপাট, আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে খেলা হবে। সাম্প্রদায়িকতা ও অবরোধের বিরুদ্ধে খেলা হবে। খেলতে হবে একসঙ্গে। তিনি বলেন, ৭ তারিখে জিতবে কারা? শেখ হাসিনার কর্মীরা। ৭ তারিখ ফাইনাল খেলা। তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিনের গাজায় যখন গণহত্যা চলে, এদেশের ইসলামপন্থিদের কোনো মিছিল দেখলাম না। বিএনপির কোনো মিছিল দেখলাম। বিএনপির মহাসচিব ও তারেকের কথোপকথনের উদ্বৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘ফখরুল বলেন- ফিলিস্তিনের পক্ষে সোচ্চার বক্তব্য রেখে আওয়ামী লীগ সভাপতি মাঠ নিয়ে নিলো। জবাবে তারেক বলে, রাখো আমার দরকার আমেরিকা-ইউক্রেন। তোমার ফিলিস্তিন রাখো।’

post
বাংলাদেশ

লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি আরও ২ দিন বাড়াল বিএনপি

নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে গত ৫ দিন টানা গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করে আসছে বিএনপি। চলমান এ কর্মসূচি আরও ২ দিন পালন করবে দলটি।শনিবার দুপুরে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রিজভী বলেন, অবৈধ আওয়ামী সরকারের পদত্যাগ ও নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পুনঃপ্রতিষ্ঠার একদফা দাবিতে; নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে আগামীকাল রোববার (৩১ ডিসেম্বর) ও ১ জানুয়ারি (সোমবার) গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, সরকারের পদত্যাগের একদফার আন্দোলন এখন ত্বরান্বিত হচ্ছে। প্রতিটি জনগণ আমাদের কর্মসূচিতে সমর্থন দিচ্ছে। হাটে-মাঠে, খেতে-খামারে বাজারে-শপিং মলে জনগণকে আমরা লিফলেট দিয়েছি। তারা আমাদের কথা শুনেছেন এবং সমর্থন দিচ্ছেন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলন বাধাগ্রস্ত করতে সরকার ২০১৩-১৪-১৫ সালে যেভাবে ষড়যন্ত্র করেছে, সেটি আবারও করছে। পুলিশ হয়রানি করছে, গ্রেপ্তার করে মামলা দিচ্ছে। ক্ষমতা হারানোর ভয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে আওয়ামী লীগ ভয় পাচ্ছে। নির্বাচন সামনে রেখে নীলনকশার বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। দেশকে নিয়ে গভীর ও ভয়ানক চক্রান্ত চলছে।

post
বাংলাদেশ

বিএনপি আরও ভয়ংকর গুপ্ত হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে: ওবায়দুল কাদের

বিএনপি আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে নাশকতার দিকে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, খবর পাওয়া যাচ্ছে, লন্ডন থেকে বার্তা দেওয়া হচ্ছে, প্রয়োজনে গুপ্ত হত্যা চালাবে। তারা আরও ভয়ংকর গুপ্ত হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এসময় তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। শনিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। তিনি আরও বলেন, গত ডিসেম্বর থেকে বিএনপি যে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করেছিল, তারা স্বাভাবিক আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে, নাশকতার দিকে গেছে। এ নির্বাচনকে ঘিরে হয়তো দেখা যাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ নেতা বা প্রার্থীকে লাশ বানানোর চক্রান্ত আছে তাদের। বিএনপি খুবই ভয়াবহ পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সবকিছু ব্যর্থ হওয়ার পর তারা এখন লিফলেট বিতরণ করছে। এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে আরও ভয়ংকর কোনো হামলার। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, তারা লাশ বানিয়ে জনগণকে আতঙ্কিত করতে পারে, এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সতর্ক হতে হবে। নির্বাচনের আচরণবিধি সবাইকে মানতে হবে। আচরণবিধি লঙ্ঘন যারা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কমিশন ব্যবস্থা নেবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

post
বাংলাদেশ

মোড়লরা অন্যায় করলে ম্যানেজ করার ক্ষমতা আছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সিলেট-১ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশ-আফগানিস্তানের মতো কোনো দেশ না যে, মোড়লরা যা ইচ্ছা তাই এখানে করতে পারবেন। তিনি বলেন, কেউ যদি অন্যায়ভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো আচরণ করে তা ম্যানেজ করার সক্ষমতা বাংলাদেশের হয়েছে। শুক্রবার সকালে সিলেটে তার নির্বাচনি প্রচারণা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সকালে নগরীর উপশহর এলাকায় দলের নেতাকর্মী আর সমর্থকদের নিয়ে লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু করেন মোমেন। এরপর তেরো রতন ও গোটাটিকর শিল্প এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেন ও ভোট চান তিনি। উপশহর এলাকায় প্রচারণা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় এক প্রশ্নের জবাবে মোমেন বলেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র বিশ্বাস করে বলেই একটি অবাধ সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছে। এ সময় বিএনপির অসহযোগ আন্দোলনকে দুঃখজনক মন্তব্য করে মোমেন বলেন, ‘তারা (বিএনপি) মনে করছে নির্বাচনে আসলে ভোট পাবে না; কিন্তু বিএনপি ভুল পথে চলছে। আল্লাহ তাদের হেদায়েত দান করুক।’ নির্বাচনের পর কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞায় পড়তে পারে কিনা বাংলাদেশ- এমন প্রশ্নের জবাবে মোমেন বলেন, এগুলো করে কোনো কোনো মোড়ল দেশ। আমরা সেজন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চারটিখানি দেশ না, ১৭০ মিলিয়ন মানুষের দেশ। পৃথিবীর মধ্যে ৩৩তম অর্থনীতির দেশ। ছোট কোনো দেশ যেমন আফগানিস্তান ২৯ মিলিয়ন মানুষের দেশ; ওখানে উলটা-পালটা করতে পারে তারা। বাংলাদেশ সেই অবস্থায় নেই। আগে এক সময় তাদের ওপর নির্ভরশীল ছিলাম। এখন বাংলাদেশ যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী, আমাদের অর্থনীতি অনেক সবল। সুতরাং কোনো হুমকি-ধমকি দিয়ে কাজ হবে না। অনেক দিন ধরেই হুমকি-ধমকি দিচ্ছে, কী কাজ হয়েছে? যদি কোনো ধরনের অপকর্ম করতে চায়, তা ম্যানেজ করার সক্ষমতা বাংলাদেশের আছে।  

post
বাংলাদেশ

বিএনপি ফাউল করে লাল কার্ড খেয়ে পালিয়ে গেছে: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, খেলা হবে, খেলা হবে। বিএনপি কোথায়? কার সঙ্গে খেলবো? আমরা এখনো খেলবার জন্য প্রস্তুত। বিএনপি ফাউল করে লাল কার্ড খেয়ে পালিয়ে গেছে।শুক্রবার বিকেলে বরিশালে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। কাদের বলেন, তাদের এক দফা আন্দোলন ভুয়া। বিএনপির আন্দোলনই ভুয়া। বঙ্গবন্ধুর কন্যা বসে আছেন। বিজয়ের লাল সবুজ পতাকা হাতে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা বিজয়ে পৌঁছবো। তিনি বলেন, কীর্তনখোলা, শেরে বাংলার দেশ, আজকের বরিশালে শেখ হাসিনার দুর্জয় গাথা। নির্বাচনী ইস্তেহারে শেখ হাসিনা ছাড়া কেউ পূরণ করতে পারে না। আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পান না শেখ হাসিনা। তার সঙ্গে রয়েছেন সহযোদ্ধা শেখ রেহানা। শেখ হাসিনা কারো কাছে মাথা নত করে না। খেলা হবে ৭ জানুয়ারি। বিপুল ভোটে জয় হবে। আবার দেখা হবে কীর্তনখোলার তীরে। এর আগে দুপুর ১টায় ঢাকা থেকে সড়ক পথে বরিশালে এসে পৌঁছান তিনি। সেখানে পৌঁছে তিনি বরিশাল সার্কিট হাউজে যান। কিছু সময় বিশ্রাম শেষে বিকেলে নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত হন তিনি।

post
বাংলাদেশ

বিএনপি একটি সন্ত্রাসী দল: শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি একটি সন্ত্রাসী দল। তারা সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ করে মানুষকে অত্যাচার করছে। সাধারণ মানুষকে অত্যাচার করে তাদের নিজেদের ভাগ্য গড়েছে। নিজেদের ভাগ্য গড়তেই তারা ক্ষমতায় যেতে চায়।শুক্রবার নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, ডিসেম্বর আমাদের বিজয়ের মাস। জাতির পিতার নেতৃত্বে এ মাসে আমরা বিজয় অর্জন করেছি। জানুয়ারি জাতীয় নির্বাচন। সেই লক্ষ্যে এখানে উপস্থিত হয়েছি। জাতির পিতা এ দেশের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তারা শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হত্যা করেছিল। বাংলাদেশের মানুষ এক সময় খুদা-দরিদ্রতায় ভুগছে। সেখান থেকে দেশকে মুক্ত দেশ করেছি। আওয়ামী লীগ সরকারই দেশকে দরিদ্রতা মুক্ত করেছে। দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছি। তিনি আরও বলেন, বিএনপি আমাকে ২০০৭-২০০৮ পর্যন্ত গ্ৰেফতার করে রেখেছে। আমাকে আটকে রেখে দেশের উন্নয়নে বাধার সৃষ্টি করতে চেয়েছে, কিন্তু পারেনি। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি। আগে যে মানুষ এক বেলা খেতে পারতো তারা এখন তিন বেলা খেতে পারছে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি নির্বাচন চায় না। আপনারা ৭ তারিখ সকাল ৮টায় গিয়ে নৌকায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন। নৌকায় ভোট দিলে দেশের উন্নয়ন হয়। এ নৌকা নূহ নবীর আমল থেকে মানুষকে রক্ষা করে আসছে।

post
বাংলাদেশ

বিএনপি নির্বাচনে বিশ্বাস করে না: প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভোটারদের অংশগ্রহণেই নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়ে যাবে। সন্ত্রাসী দল বিএনপি নির্বাচনে বিশ্বাস করে না। তাদের দ্বারা কোনো কল্যাণ হবে না দেশে। এসময়ে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে অনেক চক্রান্ত হচ্ছে। তাই নির্বাচনী পরিবেশটা যাতে সুন্দর থাকে, উৎসবমুখর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয় সেদিকে সবাই খেয়াল রাখবেন। বৃহস্পতিবার ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে ছয়টি জেলার নির্বাচনী জনসভায় ভার্চুয়ালি ভাষণকালে এসব কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, একমাত্র আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই কেবল দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে পারবে। এবারের নির্বাচন নিয়ে জাতীয়-আন্তর্জাতিকভাবে অনেক চক্রান্ত হচ্ছে। তাই নির্বাচনী পরিবেশটা যাতে সুন্দর থাকে, উৎসবমুখর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়; সেই দিকে সবাই খেয়াল রাখবেন। বিএনপি সন্ত্রাসী, জামায়াত যুদ্ধাপরাধীদের দল। এরা নির্বাচনে না এলে সেই ভোট অংশগ্রহণমূলক হবে না, এটা আমরা বিশ্বাস করি না।’এসময় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার সব প্রার্থীকে পড়ে নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন দলের প্রধান। তিনি বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার পড়ে নেবেন এবং সেই অনুযায়ী ভোট চাইবেন। শেখ হাসিনা বলেন, ৭৫ এর পর অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধ করার জন্য জনগণের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছিল জিয়াউর রহমান। তখন স্বাধীনতাবিরোধীদের সমন্বয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিপরীত ধারায় চলতে থাকে দেশ।তিনি বলেন, গ্যাস বিক্রির চক্রান্ত করে ক্ষমতায় এসে মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলে বিএনপি। নির্বাচনবিরোধী কাজ করে চলেছে বিএনপি। মা-শিশুকে এমনভাবে হত্যা সহ্য করা যায় না। এরা সবসময় নির্বাচন বানচালের তালে থাকে। কিন্তু নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা সম্ভব হয় না, এটাই বাস্তবতা।মানুষ ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেছিল বলেই দেশের উন্নয়ন করা সম্ভব হচ্ছে বলে জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে, আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করে উন্নত-সমৃদ্ধ জীবনের ধারা অব্যাহত রাখুন যাতে দেশকে আরও এগিয়ে নেওয়া যায়। দলের নির্বাচনী ইশতেহার সব প্রার্থী পড়ে নেবেন এবং সেই অনুযায়ী ভোট চাইবেন। অনেক চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র আছে এবারের নির্বাচন নিয়ে। বিএনপি-জামায়াতের কাজই হলো মানুষ পোড়ানো আর নির্বাচন ধ্বংস করা।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.