post
আন্তর্জাতিক

তীব্র শীতে আফগানিস্তানে মৃতের সংখ্যা ১৬৬ ছাড়িয়েছে

আফগানিস্তানে ভয়াবহ ঠান্ডার কারণে এ পর্যন্ত ১৬৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (২৮ জানুয়ারি) দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করে। ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশটিতে এমনিতেই চরম খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। ত্রাণসংকটে পড়ে বিপর্যস্ত আফগানদের জনজীবন। আফগানিস্তানে গত ১০ জানুয়ারি থেকে তাপমাত্রা মাইনাস ৩৩ ডিগ্রিতে নেমে গেছে। ভয়াবহ তুষারপাত আর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছে দেশটির সাধারণ মানুষ।সহায়তাকারী সংস্থাগুলো ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে আগেই বিপদের শঙ্কা করেছিল। তারা জানায়, দেশটিতে ৩ কোটি ৮০ লাখ মানুষের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি ক্ষুধার্ত এবং ৪০ লাখ শিশু অপুষ্টিতে ভুগছে।দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় শনিবার জানায়, গত সপ্তাহে মৃতের সংখ্যা ৮৮ জন ছিল। সেই সংখ্যা এখন ১৬৬। দেশের ৩৪ টি প্রদেশের ২৪ টিতে মানুষের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আব্দুল রহমান জাহিদ এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, বন্যা, বাড়ি গরম করার জন্য গ্যাস হিটার ব্যবহার, আগুন লাগা ও গ্যাস লিকেজের কারণে এসব মানুষের মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দেশটিতে মারা গেছে প্রায় ৭০ হাজার গবাদিপশু।আরও পড়ুন - তীব্র শীতে আফগানিস্তানে ৭৮ জনের মৃত্যুবিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, এ সপ্তাহে উত্তর-পূর্ব বাদাখশান প্রদেশের একটি গ্রামেই শ্বাসকষ্টে ১৭ জন মারা গেছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ত্রাণ সহায়তার কাজ ব্যাহত হচ্ছে।মার্কিন সেনাদের আফগানিস্তান ত্যাগ ও সশস্ত্র গোষ্ঠী তালেবানের ক্ষমতা গ্রহণের পর দ্বিতীয় শীতকাল পার করছে আফগানরা। আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ ঠান্ডার কারণে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। এক টুইটে তিনি লেখেন, প্রকৃতির ওপর কারও হাত নেই। তবে ঠান্ডায় এমন প্রাণহানি কষ্টের বিষয়। তিনি আরও বলেন, এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তাদের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সর্বোচ্চ সাহায্য করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাণহানি রোধে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। দেশটির অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অনেকটাই নির্ভর করছে তালেবানের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পাওয়ার ওপর। যদিও অর্থনীতির চাকা পুনরায় সচল করতে বারবার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তালেবান নেতারা।

post
বাংলাদেশ

ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় আসছেন মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালয়েশিয়ার নব নিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইল ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ঢাকা সফরে আসছেন। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর এটাই হতে যাচ্ছে তার প্রথম বিদেশ সফর। মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার দেশটির নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইলের সঙ্গে বৃহস্পতিবার সৌজন্য বৈঠক করেন। বৈঠকে তারা বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন তার আসন্ন বাংলাদেশ সফর ঘিরে আলোচনা করেন। হাইকমিশনার বাংলাদেশে তার এই গুরুত্বপূর্ণ সফরকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। এছাড়া তারা স্বল্প সময়ে ও স্বল্প ব্যয়ে আরও অধিকসংখ্যক বাংলাদেশি জনশক্তি নিয়োগের ক্ষেত্রে দুপক্ষের আন্তরিক প্রচেষ্টার বিষয়ে মতবিনিময় করেন। হাইকমিশনার মালয়েশিয়ায় বসবাসরত অ-নথিভুক্ত বাংলাদেশিদের যাতে রিক্যালিব্রেশনের আওতায় সহজ প্রক্রিয়ায় বৈধতা দেওয়া হয়, তার জন্য মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন। প্রত্যুত্তরে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি সহানভূতির সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন।

post
এনআরবি সাফল্য

যুক্তরাষ্ট্রে বাণিজ্য মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশি ১০টি প্রতিষ্ঠান

যুক্তরাষ্ট্রে ‘টেস্কওয়ার্ল্ড ইউএসএ/এপারেল সোর্সিং ইউএসএ-২০২৩’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী বাণিজ্য মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশি ১০টি প্রতিষ্ঠান। বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিউইয়র্কে এই মেলা অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ গার্মেন্টস বাইং হাউস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হোসেনের নেতৃত্বে সংগঠনটি একটি বিশেষ বাংলাদেশি প্যাভিলিয়নসহ এই বাণিজ্য মেলায় অংশ নেবে। বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রায় সব ধরনের পণ্য অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে প্যাভিলিয়নে ক্রেতাদের কাছে উপস্থাপন করা হবে। সূত্র জানায়, ২২টি দেশের মোট ৩২৪ প্রতিষ্ঠান এ মেলায় অংশ নেবে। চীন, তাইওয়ান ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্যাভিলিয়ন থাকবে এ মেলায়। চীনের ১৭৫টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে এ মেলায়। বাংলাদেশের যেসব কম্পানি নিউইয়র্ক মেলায় অংশ নেবে সেগুলো হলো— আরজিন্স প্রডিউসার লি., হাম-মীম ডেনিম, পাওনিয়ার ডেনিম, ম্যাস্ক উইল বিডি, পেঙ্গনু গ্রুপ, ভেরো স্টাইল, টোটাল এ্যাপারেল, এনটুএন সোর্সিং। এসব কম্পানি বাংলাদেশ গার্মেন্ট বাইং হাউস অ্যাসোসিয়েশনের আওতায় মেলায় অংশ নেবে। তা ছাড়া ঢাকা ফারইস্ট এবং উইকিটেক্স বিডি (ইন্টারলিংক ড্রেসেস) সরাসরি মেলায় অংশ নেবে। সূত্র : বাসস

post
বাংলাদেশ

'তিন ধরনের ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনীতি'

বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনীতি তিন ঝুঁকিতে রয়েছে। এগুলো হচ্ছে-অব্যাহতভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়া, ডলারের বিপরীতে টাকার মানে নিম্নমুখীর প্রবণতা ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়-ব্যয়ের মধ্যে ঘাটতি। এসব কারণে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ বাড়ছে। যা অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে বড় ধরনের আঘাত করে যাচ্ছে।এ কারণে সরকারের সার্বিক ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। বাড়তি ব্যয় মেটাতে বেড়েছে সরকারের ঋণনির্ভরতা। বৈদেশিক মুদ্রা আয়, রাজস্ব বাড়ানো ও ভর্তুকি কমানোর মাধ্যমেই এই চাপ কমানো সম্ভব। বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) এক পর্যবেক্ষণে এসব তথ্য উঠে এসেছে। বাংলাদেশের সঙ্গে আইএমএফের ঋণ আলোচনা চূড়ান্ত করার জন্য গত ১৪ জানুয়ারি বাংলাদেশে আসেন সংস্থাটির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) অ্যান্তইনেত এম সায়েহ। তিনি ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকা সফর করেন। ওই সময় বাংলাদেশের অর্থনীতির সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে আইএমএফ একটি পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে সরকারকে একটি প্রতিবেদন দিয়েছে। ওই প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এতে ঋণ পাওয়ার ব্যাপারে আইএমএফের অ্যাকশন প্ল্যানও তুলে ধরা হয়েছে। এগুলো বাস্তবায়ন ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে। এই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অর্থনীতির বেশ কিছু ইতিবাচক দিক তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ পরিস্থিতি এখনো স্বস্তিদায়ক। তবে স্বল্পমেয়াদি ঋণ গ্রহণের প্রবণতা কমানোর ওপর জোর দিয়েছে সংস্থাটি। তারা বলেছে, এ ধরনের ঋণের কারণে ঝুঁকি বাড়বে। অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলায় আইএমএফের কাছ থেকে বাংলাদেশ ৪৫০ কোটি ডলারের ঋণ পাচ্ছে। আগামী ৩০ জানুয়ারি ঋণ প্রস্তাব আইএমএফের নির্বাহী বোর্ডের সভায় অনুমোদন হতে পারে। এটি হলে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে ঋণের প্রথম কিস্তির অর্থ পাওয়া যেতে পারে। আইএমএফের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বাড়ায় আমদানি ব্যয়ও বেড়েছে বেশিমাত্রায়। এর বিপরীতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় কমেছে। বৈশ্বিক অস্থিরতায় সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের (এফডিআই) প্রবাহ কমে গেছে। এতে আমদানি ব্যয়ের প্রবল চাপে রিজার্ভ কমে যাচ্ছে। অব্যাহতভাবে রিজার্ভ কমে যাওয়াটা অর্থনীতির জন্য শঙ্কার কারণ। রিজার্ভ কমে গেলে বাজারে ডলারের চাপও বাড়বে। এতে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাবে। যা এশিয়ার প্রায় সব দেশেই হচ্ছে। টাকার মান কমে গেলে সব খাতেই সরকারের ব্যয় বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে বাড়বে আমদানি ব্যয় ও পণ্যমূল্য। যা মূল্যস্ফীতির হারকে আরও উসকে দেবে। যা পুরো অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনাকে চাপে ফেলতে পারে। আমদানি ব্যয়সহ অন্যান্য খাতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় যেভাবে বাড়ছে, সেভাবে আয় বাড়ছে না। এতে সার্বিক বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি বেড়ে যাচ্ছে। এ ঘাটতি কমাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে অর্থনীতিতে যে সংকটের সৃষ্টি হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে সরকারকে দুদিক থেকে আয় বাড়াতে হবে। বৈদেশিক খাতে ভারসাম্য রক্ষায় বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়াতে হবে। এজন্য রপ্তানিবহুমুখীকরণ ও রেমিট্যান্স ব্যাংকিং চ্যানেলে পাঠানোর বিষয়ে প্রবাসীদের উৎসাহিত করতে হবে। অভ্যন্তরীণভাবে ব্যয় বাড়িয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় খাতে ভর্তুকি কমাতে হবে। তাহলে দুই খাতেই ভারসাম্য রক্ষা করে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনাকে শৃঙ্খলার মধ্যে রাখা সম্ভব হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সংকট মোকাবিলায় রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে সব ধরনের বিলাসী পণ্য আমদানি কমানো হয়েছে। অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের আমদানিও কমে গেছে। মূল্যস্ফীতির অব্যাহত ঊর্ধ্বগতিতে মানুষের আয় কমেছে ও সরকারি সংস্থাগুলোর ব্যয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে সব ধরনের জ্বালানির দাম বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় করতে তেল, গ্যাস আমদানি কমানো হয়েছে। এতে বিদ্যুৎসহ সব ধরনের জ্বালানির ঘাটতি হয়েছে। যা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সংকুচিত করেছে। একই সঙ্গে মুদ্রানীতিতে কঠোরতা আরোপ করায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও কমেছে। এতে চাহিদা যেমন কমছে, তেমনি ক্রয়ক্ষমতাও কমছে। এতে মূল্যস্ফীতির হার নিম্নমুখী হলেও সরকারের মাত্রাতিরিক্ত ঋণ গ্রহণ এর ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে আরও বলা হয়, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। তবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গত বছরের চেয়ে বাড়বে। আগামী অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি সম্ভাব্য গতিতে ফিরবে বলে প্রতিবেদনে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। এতে বলা হয়, বৈশ্বিক পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাবের কারণে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পণ্যের সরবরাহ খাতে নতুন করে সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে সার্বিকভাবে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির ঝুঁকি রয়েই গেছে। এছাড়া মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক (এফআরবি) তাদের নীতি সুদের হার যেভাবে বাড়িয়ে যাচ্ছে তাতেও বাংলাদেশে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। কারণ এতে ডলারের দাম আরও বাড়বে। একই সঙ্গে বাড়বে সংকটও।প্রতিবেদনে বলা হয়, আইএমএফ থেকে বাংলাদেশ ঋণ পাচ্ছে। এতে সরকারের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনার চাপে কিছুটা স্বস্তি মিলবে। এর সঙ্গে সমন্বয় রেখে সরকারকে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো ও বৈদেশিক মুদ্রা আয় বৃদ্ধি করতে হবে। পাশাপাশি ভর্তুকি কমাতে হবে। তাহলে সরকার সুফল পাবে। এসব উদ্যোগের ফলে বৈশ্বিক মন্দার নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় জাল ভিসা তৈরি ও অবৈধ শ্রমিক সরবরাহকারী ৫ বাংলাদেশি আটক

মালয়েশিয়ায় জাল ভিসা তৈরি ও অবৈধভাবে শ্রমিক সরবরাহকারী ৫ বাংলাদেশিসহ একটি সিন্ডিকেটের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। গত বৃহস্পতিবার সেলাঙ্গর রাজ্যের ক্লাং এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার ২৭ জানুয়ারি রাজধানী পুত্রযায়ায় সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে জানান ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক খাইরুল জাইমি দাউদ। তবে গ্রেপ্তারকৃতদের বিস্তারিত পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ৫ বাংলাদেশির সঙ্গে স্থানীয় এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খাইরুল জাইমি দাউদ জানান, 'মূল হোতা ২ বাংলাদেশির নেতৃত্বে সিন্ডিকেট ভুয়া অস্থায়ী কর্মসংস্থান ভিজিট পাস (পিএলকেএস) ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিদেশী কর্মী সরবরাহ করে আসছিল। গত ৮ মাস ধরে এভাবে প্রায় ৮ লাখ ৮০ হাজার রিঙ্গিত আয় করেছে বাংলাদেশি ও স্থানীয়দের সমন্বয়ে গঠিত সিন্ডিকেটটি।' ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক বলেন, 'সিন্ডিকেটের টার্গেট ছিল বিদেশি শ্রমিক। যাদের কোনো বৈধ পাস বা ভ্রমণ নথি নেই। সিন্ডিকেটটি বিদেশীদের (পিএলকেএস) স্টিকার পাওয়ার জন্য প্রত্যেকের কাছে ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার রিঙ্গিত চার্জ করত।'

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বৈধকরণ প্রক্রিয়া শুরু

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসী শ্রমিকদের বৈধকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দেড় হাজার রিঙ্গিত দিয়ে এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন অবৈধ হয়ে পড়া প্রবাসীরা। শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম চলবে পুরো বছর। তবে কালো তালিকাভুক্তরা রিক্যালিব্রেশন বৈধতার প্রোগ্রামে অংশ নিতে পারবেন না। ইমিগ্রেশন বিভাগের এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এর আগে গত ১০ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ম্যান পাওয়ার রিক্যালিব্রেশন প্রোগ্রামের (এমআরপি) জন্য বিশেষভাবে অবৈধ অভিবাসীদের রিক্যালিব্রেশন প্ল্যান দুই দশমিক শূন্য (আইআইআরপি) বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেন। ওইদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল অনথিভুক্ত বিদেশি শ্রমিকদের বৈধকরণের রিক্যালিব্রেশন প্রোগ্রামের ঘোষণা দেন।পরে গত ১৮ জানুয়ারি দেশটির ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক খায়রুল জাইমি দাউদ এক বিবৃতিতে ‘লেবার রিক্যালিব্রেশন প্রোগ্রাম (আরটিকে) দুই দশমিক শূন্য এর মাধ্যমে বিদেশি কর্মীদের বৈধতা দেওয়ার ঘোষণা দেন।ওই ঘোষণার আলোকে শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে আরটিকে দুই দশমিক শূন্য এর মাধ্যমে বিদেশি কর্মী নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহজ প্রক্রিয়ায় বৈধ করার আশ্বাস

মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার। ২৫ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন, মিনিস্টার শ্রম মো. নাজমুছ সাদাত সেলিম, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা কমডোর মো. হাসান তারিক মন্ডল ও কাউন্সিলর রাজনৈতিক ফারহানা আহমেদ চৌধুরী। এছাড়া মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক খায়রুল জাইমি দাউদসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রলালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা বৈঠকে ছিলেন।বৈঠকে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বাংলাদেশ সফরকে ঘিরে তার আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেন। হাই কমিশনার বাংলাদেশে তার এই গুরুত্বপূর্ণ সফরকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং সফরটির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।এছাড়াও, স্বল্প সময়ে এবং স্বল্প ব্যয়ে আরও বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি জনশক্তি নিয়োগের ক্ষেত্রে দু’পক্ষের আন্তরিক প্রচেষ্টার বিষয়ে মতবিনিময় করেন।হাই কমিশনার মালয়েশিয়ায় বসবাসরত অনথিভুক্ত বাংলাদেশিদের যেন রিক্যালিব্রেশনের আওতায় সহজ প্রক্রিয়ায় বৈধ করা হয় সে বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন। প্রত্যুত্তরে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি সহানভূতির সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন।মালয়েশিয়ার নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সফর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর তার প্রথম বিদেশ সফর বিধায় সফরটি দু’দেশের জন্যই তাৎপর্যপূর্ণ।

post
এনআরবি সাফল্য

তুরস্কে বাংলাদেশি স্টুডেন্টস কমিউনিটির কমিটিতে সভাপতি ফাতিমা

এক যুগ ধরে তুরস্কে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশি স্টুডেন্টস ইন তুর্কিয়ের (অ্যাবাস্ট) নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি হয়েছেন আঙ্কারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের পিএইচডি গবেষক মোবাশ্বেরা জাহান ফাতিমা। এছাড়া ১০০ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ও সিটি অ্যাম্বাসেডর কমিটিতে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে সাধারণ সম্পাদক ও মেহেদী হাসানকে সাংগঠনিক সম্পাদক ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন এ কমিটি আগামী এক বছর দায়িত্ব পালন করবেন।চট্টগ্রামের মেয়ে মোবাশ্বেরা জাহান ফাতিমা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। মোবাশ্বেরা তুরস্কের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা সংস্থার ফেলো হিসেবে আছেন। এর আগে তিনি তুরস্কের মাইগ্রেশন রিসার্চ ফাউন্ডেশনে গবেষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তুরস্ক সরকারের বৃত্তি নিয়ে আঙ্কারার গাজী ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে দ্বিতীয় মাস্টার্স করেছেন। এছাড়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অব ডিবেটের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ তুরস্ক সরকারের প্রেস্টিজিয়াস বৃত্তি প্রকল্পের অধীনে স্নাতক সম্পন্ন করে দেশটির দুজজে ইউনিভার্সিটিতে ইন্ট্যারন্যাশনাল ট্রেড অ্যান্ড ফিনান্স বিভাগে স্নাতকোত্তরে অধ্যয়ন করছেন। সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান তুর্কীয়ে বুরসলারি স্কলারশিপের অধীনে ডিপার্টমেন্টে প্রথম হওয়ার কৃতিত্ব নিয়ে স্নাতক সম্পন্ন করে মারমারা বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং বিভাগে স্নাতকোত্তর করছেন।

post
শিক্ষা

বিদেশি শিক্ষার্থীদের সুবিধা কমানোর পরিকল্পনা যুক্তরাজ্যের

বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আবারও নিয়ম পরিবর্তন করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব বিদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতে যান তারা পড়াশোনা শেষে দেশটিতে চাকরি খোঁজার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় পান। তাদের দেওয়া হয় নতুন ভিসা। এ ভিসার মাধ্যমে ব্যাচেলর এবং মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের ২ বছর এবং পিএইচডি করতে আসা শিক্ষার্থীদের ৩ বছরের সময় দেওয়া হয়।তবে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুয়েলা ব্রাভারম্যান এই সময়টি কমিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। আর এ নিয়ে এখন দেশটির শিক্ষা বিভাগের সঙ্গে সুয়েলার কিছুটা দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস বুধবার (২৫ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। দ্য টাইমস জানিয়েছে, ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ মন্ত্রী সুয়েলা ব্রাভারম্যান প্রস্তাব দিয়েছেন, পড়াশোনা শেষে যারা যুক্তরাজ্যে থাকতে চান তাদের দক্ষতাসম্পন্ন চাকরি খুঁজে নিতে হবে। আর নয় ছয় মাস পর নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে। সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, মূলত অখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে শর্ট কোর্স করতে আসা শিক্ষার্থীরা এ ভিসা সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করছেন। এ কারণে এখন নিজেদের নীতি পরিবর্তন করার পরিকল্পনা করছে সরকার। এছাড়া এটি অভিবাসনে ‘পেছনের পথ’ হিসেবে অনেকে ব্যবহার করছেন বলেও জানিয়েছেন এক সরকারি কর্মকর্তা।তবে যুক্তরাজ্যের শিক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, পড়াশোনা শেষে কাজ পাওয়ার জন্য যে দুই বছরের ভিসা দেওয়া হয় সেটি ব্রিটেনের অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বি দেশেও রয়েছে। তাদের দাবি, সরকার যদি এমন সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে বিদেশি শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্যে আসার আগ্রহ হারাবেন। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল পরিসংখ্যান অফিসের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতীয় শিক্ষার্থীরা এ ভিসার সুবিধা সবচেয়ে বেশি গ্রহণ করেন। এখন পর্যন্ত যত জনকে এ ভিসা দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে ৪১ শতাংশই ভারতীয়। এদিকে প্রায় এক মাস আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক দেশটির শিক্ষা বিভাগকে নির্দেশনা দেন, তারা যেন যুক্তরাজ্যে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমানোর ব্যবস্থা করেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. আরিফুল ইসলাম আরিফ (৫০) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। রবিবার সন্ধ্যায় সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ শহরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।আরিফুল ইসলামের বাড়ি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম হাটিলা গ্রামে। তার বাবার নাম মোবারক হোসেন। প্রতিবেশী প্রবাসীদের সূত্রে জানা যায়, রোববার মাগরিবের নামাজ পড়ে নিজ বাসায় ফেরার পথে রাস্তা পার হতে গিয়ে দ্রুতগামী গাড়ির ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। মরদেহ স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন রিয়াদ শহরে চাকরি করতেন। সেখানে আরিফ হাজি নামে পরিচিত ছিলেন। তার ইকামা (কাজের অনুমতিপত্র) না থাকায় মরদেহ দেশে আনতে জটিলতা হতে পারে বলে জানিয়েছেন পরিবার।সরকারের সহায়তা চেয়ে আরিফুলের ছেলে আকরাম মামুন বলেন, '১ মাস আগে বাবার ইকামার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনি সেখানে অবৈধভাবে ছিলেন। এর মধ্যে তিনি ইকামার জন্য কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। কিন্তু তার আগেই সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান।' তিনি আরও বলেন, 'ইকামার মেয়াদ না থাকায় বাবার মরদেহ দেশে আনা অনেকটা অসম্ভব। সম্ভব না হলে সেখানেই বাবাকে দাফন করা হবে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.