খেলা

এশিয়া ও বিশ্বকাপে সাকিবই অধিনায়ক

post-img

জল্পনা-কল্পনা শেষ। আসন্ন এশিয়া কাপ ও ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য সাকিব আল হাসানকেই অধিনায়কের দায়িত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এটি নিশ্চিত করেছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। এর আগে গত বছর টি-টোয়েন্টি ও টেস্টেও অধিনায়কত্ব পান সাকিব। সবমিলিয়ে তিন ফরম্যাটেই টাইগারদের অধিনায়ক এখন এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

গত ৩রা আগস্ট ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেন তামিম ইকবাল। এরপর থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিবে কে? অবশেষে ৮ দিন পর উত্তর মিললো। এর মধ্যে একই প্রশ্নে কখনও সাকিব, কখনও বর্তমান সহ অধিনায়ক ও ৫টি ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দেওয়া লিটন কুমার দাস বা মেহেদী হাসান মিরাজের নামও শোনা গেছে। যদিও অভিজ্ঞতা, পারফর্মেন্স, গ্রহণযোগ্যতা, সবমিলিয়ে বাকিদের তুলনায় সাকিবই এগিয়ে ছিলেন। শেষ পর্যন্ত এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের হাতেই অধিনায়কত্বের গুরুদায়িত্ব দিলো দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

যদিও তামিম অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর পরবর্তী অধিনায়ক হিসেবে সাকিবকেই ‘অবধারিত’ পছন্দ বলেছিলেন বিসিবি সভাপতি পাপন। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে সাকিবকে নেতৃত্বে পাওয়া যাবে কিনা সেটা নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত সাকিবকেই বেছে নেয়া হলো।

এ নিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বকাপে অধিনায়কত্ব করবেন সাকিব। এর আগে ঘরের মাঠে ২০১১’র বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। ২০১৫ সালে দুটি ও ২০১৭ সালে একটি ওয়ানডে ম্যাচে তিনি নেতৃত্ব দিলেও সেটা ছিল নিয়মিত অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার অনুপস্থিতিতে। ২০০৯ সালে প্রথম ওয়ানডে অধিনায়কত্ব করেন সাকিব আল হাসান। মাশরাফি বিন মুর্তজার চোটে এই সিরিজে অধিনায়কত্ব পান তিনি।

এখন পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত, খণ্ডকালীন সবমিলিয়ে ৫০ ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সাকিব। যেখানে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে ২৩ ম্যাচে আর হেরেছে ২৬ ম্যাচে। বাকি ১ ম্যাচ পরিত্যক্ত। অধিনায়ক হিসেবে সাকিবের সাফল্যের হার ৪৬%। ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, এরপর ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব ছিল তার। সর্বশেষ ২০১৭ সালে এ সংস্করণে অধিনায়কত্ব করেছিলেন এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

অধিনায়ক হিসেবে ৫০ ম্যাচে সাকিবের পারফর্মেন্সও উজ্জ্বল। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে পারার দক্ষতা তাকে আলাদা করেছে বাকিদের থেকে। অধিনায়ক সাকিবের ৪৮ ইনিংসে ব্যাট হাতে রান ৩৫.৯৭ গড়ে ১৫৪৭, স্ট্রাইক রেট ৮৭.৩০। এ সময় এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সেঞ্চুরি করেছেন ৩টি আর ফিফটি ৯টি। বল হাতে ৪৯ ইনিংসে সাকিবের শিকার ৬৮ উইকেট। ইকোনোমি ৪.৩৩ আর ইনিংসে ৪ উইকেট নিয়েছেন ৩ বার। সেরা বোলিং ফিগার ৩৩ রানে ৪ উইকেট।

সম্পর্কিত খবর

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.