post
টেক মেন্টর

ইউআইটিএস বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াডের বুটক্যাম্প ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি এন্ড সায়েন্স (ইউআইটিএস) ক্যাম্পাসে ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াডের বুটক্যাম্প ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের জন্য তরুণ প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে দেশে চলছে ‘ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াড’। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, শিল্পকলা এবং গণিত বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যতিক্রমী ও উদ্ভাবনী প্রতিভাবান হিসেবে গড়ে তুলতে ২০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সের ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয় অলিম্পিয়াডের বুটক্যাম্প সেমিনার। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী এবং সেমিনার শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সহ ২৫০ জন এই ক্যাম্পে রেজিস্ট্রেশন করেছেন। অলিম্পিয়াড পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি পরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মাদ শাফায়েত হোসাইন। তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যলয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই এই ক্যাম্প হচ্ছে। ক্যাম্পে স্টেম শিক্ষার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি ক্যাম্পে নিজেদের নাম নিবন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি তারা কুইজ ও প্রজেক্ট প্রদর্শনীতেও অংশ নিবেন। সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু হাসান, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ কামরুল হাসান, ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ শাফায়েত হোসাইন, পরিচালক, আইকিএসি এবং ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াডের প্রধান সমন্বয়ক মোহাম্মাদ আবদুল হামিদ। সেমিনারে রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, সমন্বিত শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে এবং শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে। স্টিম শিক্ষা হচ্ছে তারই একটা ধারাবাহিকতা। ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সিরাজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, অন্য দেশগুলো যখন এগিয়ে যাচ্ছে, স্টিম শিক্ষা এবং ৪র্থ বিপ্লবের অগ্রগতির বিবেচনায় আমরা এখনো পিছিয়ে আছি। এগিয়ে যেতে হলে এখন গতি বাড়াতে হবে, আমাদের স্কীল ম্যানপাওয়ার বাড়াতে হবে। মন্ত্রণালয়ের এমন উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় প্রথমবারের দেশজুড়েই এই বুটক্যাম্প কার্যক্রম পরিচালনা করছে আইটেসারেক্ট টেকনোলজিস (iTesseract Technologies)। এই আয়োজন বিষয়ে ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াডের প্রধান সমন্বয়ক মোহাম্মাদ আব্দুল হামিদ জানান, শিক্ষার্থীদেরকে পরিচিত এবং প্রস্তুত করার জন্য তারা দেশজুড়েই বুটক্যাম্প করছেন। মাদ্রাসা, পলেটেকনিকসহ যে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহন করতে পারছেন এই ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াডে। এরইমধ্যে সাতটি বিভাগের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়সহ আড়াশ’র মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই বুটক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে বুটক্যাম্প হয়েছে এআইইউবি, আইইউবি ও রুয়েটসহ ৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে। আরো ২৫০ এর মতো প্রতিষ্ঠানে এই বুটক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু হাসান বলেন, আমাদের স্টুডেন্টরা সুযোগ পেলে অনেক কিছু করতে সক্ষম। এই স্টিম অলিম্পিয়াড বিশাল এক সুযোগ সবার জন্য। আর্টস ও ক্রাফটস বিষয়টি এখানে রাখার আইডিয়াটা হচ্ছে অসাধারণ আইডিয়া। তিনি মন্ত্রণালয় এবং আইটেসারেক্ট টেকনোলজিসকে ধন্যবাদ এমন এমন উদ্যোগের জন্য। মোট ছয়টি স্তরের শিক্ষার্থীরা এ ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াডে অংশ নিতে পারবে। স্তর গুলো হচ্ছে প্রথম-৫ম শ্রেনী, ৬ষ্ঠ-দশম শ্রেণী, কলেজ শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, পলিটেকনিক শিক্ষার্থী ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থী। 

post
টেক মেন্টর

শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্ডাস্ট্রিতে যা দরকার সেটা আমরা ক্লাসরুমে নিয়ে এসেছি : আবুবকর হানিপ

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ও চেয়ারম্যান ও পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির প্রধান নির্বাহী ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপ বলেছেন, মূলত ইন্ডাস্ট্রিতে যা দরকার সেটা আমরা ক্লাসরুমে নিয়ে এসেছি যার ফলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হচ্ছে এবং আমেরিকার বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি থেকে আমাদের ইউনিভার্সিটিতে এসে ভর্তি হচ্ছে। শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল পাঁচ টায় রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব অডিটোরিয়ামে সারাদেশ থেকে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীদের ইন্ডাস্ট্রি স্কিল ফর গ্লোবাল ক্যারিয়ার এন্ড ওরিয়েন্টেশন অফ পলিটেকনিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্টের এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, 'আমাদের আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেকে প্রায় ৬৭ টি কোর্স রয়েছে, প্রতিটি কোর্সেই ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ হবে কিন্তু পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের জন্য এসব কোর্সগুলোতে খরচ হবে সাত থেকে আট হাজার টাকা কারণ এটা আমরা শুধুমাত্র পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের জন্য ছাড় দিয়েছি যাতে করে তারা দক্ষ হয়ে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারে এবং পরবর্তীতে দেশের সেবা করতে পারে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বলেন, আগামী তিন মাস তোমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ যদি তোমরা আগামী তিন মাস কঠোর পরিশ্রম করো এবং পিপলএনটেক থেকে এই কোর্সগুলো সম্পূর্ণ করতে পারো তাহলে তোমরা অবশ্যই সফল হতে পারবে। তিনি বলেন, আমরা একইভাবে প্রায় দশ হাজার বাংলাদেশিকে আমেরিকার মেইনস্ট্রিমে চাকরি দিতে পেরেছি। যারা সাধারণত প্রতিবছর ৫০ হাজার ডলার আয় করতে পারত, তারা এখন পিপলএনটেক থেকে ট্রেনিং করে আমেরিকার মেইন স্ট্রিমে চাকরি করছে এবং তারা এখন প্রতিবছর ১৫০ হাজার ডলার আয় করছে । এ সময় চ্যান্সেলর হানিপ যুক্তরাষ্ট্রে তার বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কেও পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের জানান।তিনি জানান ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি প্রতিটি ফ্যাকাল্টি মেম্বারের প্রায় চার থেকে ত্রিশ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে।এটা আমাদের জন্য অনেক বড় সফলতা এবং আমাদের ভার্সিটি থেকে বের হয়ে তারা আমেরিকার মেইনস্ট্রিমে জব করছে।তিনি বলেন, সাধারণত ইউনিভার্সিটি গুলোতে একাডেমিক বিষয়ে পড়াশোনা করানো হয়, কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে গেলে ইন্ডাস্ট্রি জ্ঞান দরকার হয়, দক্ষতার দরকার হয়, অভিজ্ঞতার দরকার হয়, সেটা যেহেতু ইউনিভার্সিটিগুলোতে শেখানো হয় না সেজন্য পরবর্তীতে আমাদের চাকরী পেতে সমস্যা হয়।আগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, "চেষ্টা করলে তুমি যেখানে যেতে চাও সেখানেই যেতে পারবে। তিনি বলেন এই বিশ্বায়নের যুগে পৃথিবীর যে কোন জায়গা থেকে তুমি যেকোনো দেশে কাজ করতে পারবে সেজন্য তোমাকে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।'অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর সদস্য ও টেকনোগ্রামের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ কে এম আহমেদুল ইসলাম বাবু, পিপলএনটেক পরিচালক সাথী বেগম ও পিপলএনটেকের এডভাইজার আবুল হোসেন মিয়া, পিপলএনটেকের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন, চীফ অপারেটিং অফিসার আব্দুল হামিদসহ প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

post
টেক মেন্টর

পাঁচ শতাধিক পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্ট ওরিয়েন্টেশন

কারিগরি ও কর্ম উপযোগী শিক্ষায় দেশের শিল্প উন্নয়নের জন্য কারিগরি জ্ঞানে শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ কর্মী তৈরিতে বাংলাদেশের স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেক চালু করেছে পলিটেকনিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্ট।শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল পাঁচ টায় রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব অডিটোরিয়ামে সারাদেশ থেকে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীদের ইন্ডাস্ট্রি স্কিল ফর গ্লোবাল ক্যারিয়ার এন্ড ওরিয়েন্টেশন অফ পলিটেকনিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্টের এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশনের সদস্য ড. প্রফেসর সাজ্জাদ হোসাইন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড.সাজ্জাদ হোসেন বলেন, 'একটি দেশকে সমৃদ্ধ করতে হলে পলিটেকনিক শিক্ষার বিকল্প নেই। পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো 'হ্যান্ডস অন ট্রেইন' অর্থাৎ হাতে কলমে শিক্ষা। পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীরা কখনো বেকার থাকেনা। তিনি বলেন, 'পিপলএনটেক একটি পরিবার, পরিবারের উপর বিশ্বাস রাখতে হবে, কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। চাকরীর পিছনে ঘুরতে হবে না, বরং চাকরিই তোমাদের পেছনে ঘুরবে। শুধু প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম। আমাদের দেশে কমিউনিকেশন স্কিল খুব কম, তোমাদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষ হতে হবে, ভাষায় দক্ষ ব্যক্তির চাকরির অভাব হয়না, নিজেও চাকরি দিতে পারবে তবে তাকে নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস বাড়াতে হবে।'তিনি বলেন, 'আমরা জাতি হিসাবে গর্বিত, আমরা একটি পরিবার, আমরা কোন দেশের ক্ষতি করিনা,আমরা উন্নত জাতি, আমরা গবেষক জাতি,আমরা শিক্ষায় ও উন্নত, আমাদের শিক্ষা মানবিকতার শিক্ষা দেয়, আমাদের শিক্ষা মানুষ তৈরি করার সাথে সাথে মেশিন তৈরি করেনা, মেশিনের সাথে সাথে আমরা মানবিকতার শিক্ষা দেই।'পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, 'নিজেকে গড়ে তুলতে কোন বৈষম্য নেই। যেটি প্রয়োজন সেটি হলো দক্ষতা। নিজের দক্ষতা দিয়ে নিজেকে তৈরি করতে হবে, এই লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন আগমী ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরি করতে হবে। সেই স্মার্ট বাংলাদেশ আমাদেরই তৈরি করতে হবে।'এসময় তিনি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পেছনে পিপলএনটেক প্রতিষ্ঠাতা আবু বকর হানিপের সাথে কাটানো শৈশবের স্মৃতিচারণ করেন।অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে পিপলএনটেক প্রতিষ্ঠাতা ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ও চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপ বলেন, সাধারণত ইউনিভার্সিটি গুলোতে একাডেমিক বিষয়ে পড়াশোনা করানো হয়, কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে গেলে ইন্ডাস্ট্রি জ্ঞান দরকার হয়, দক্ষতার দরকার হয়, অভিজ্ঞতার দরকার হয়, সেটা যেহেতু ইউভার্সিটিগুলোতে শেখানো হয় না সেজন্য পরবর্তীতে আমাদের চাকরী পেতে সমস্যা হয়।তিনি বলেন, 'আমাদের আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেকে প্রায় ৬৭ টি কোর্স রয়েছে, প্রতিটি কোর্সেই ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ হবে কিন্তু পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের জন্য এসব কোর্সগুলোতে খরচ হবে সাত থেকে আট হাজার টাকা কারণ এটা আমরা শুধুমাত্র পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের জন্য ছাড় দিয়েছি যাতে করে তারা দক্ষ হয়ে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারে এবং পরবর্তীতে দেশের সেবা করতে পারে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বলেন, আগামী তিন মাস তোমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ যদি তোমরা আগামী তিন মাস কঠোর পরিশ্রম করো এবং পিপলএনটেক থেকে এই কোর্সগুলো সম্পূর্ণ করতে পারো তাহলে তোমরা অবশ্যই সফল হতে পারবে। তিনি বলেন, আমরা একইভাবে প্রায় দশ হাজার বাংলাদেশিকে আমেরিকার মেইনস্ট্রিমে চাকরি দিতে পেরেছি। যারা সাধারণত প্রতিবছর ৫০ হাজার ডলার আয় করতে পারত, তারা এখন পিপলএনটেক থেকে ট্রেনিং করে আমেরিকার মেইন স্ট্রিমে চাকরি করছে এবং তারা এখন প্রতিবছর ১৫০ হাজার ডলার আয় করছে । এ সময় চ্যান্সেলর হানিপ যুক্তরাষ্ট্রে তার বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কেও পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের জানান।তিনি জানান ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি প্রতিটি ফ্যাকাল্টি মেম্বারের প্রায় চার থেকে ত্রিশ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে।তিনি বলেন, মূলত ইন্ডাস্ট্রিতে যা দরকার সেটা আমরা ক্লাসরুমে নিয়ে এসেছি যার ফলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হচ্ছে এবং আমেরিকার বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি থেকে আমাদের ইউনিভার্সিটিতে এসে ভর্তি হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় সফলতা এবং আমাদের ভার্সিটি থেকে বের হয়ে তারা আমেরিকার মেইনস্ট্রিমে জব করছে।আগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, "চেষ্টা করলে তুমি যেখানে যেতে চাও সেখানেই যেতে পারবে। তিনি বলেন এই বিশ্বায়নের যুগে পৃথিবীর যে কোন জায়গা থেকে তুমি যেকোনো দেশে কাজ করতে পারবে সেজন্য তোমাকে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।'অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর সদস্য ও টেকনোগ্রামের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ কে এম আহমেদুল ইসলাম বাবু, পিপলএনটেক পরিচালক সাথী বেগম ও পিপলএনটেকের এডভাইজার আবুল হোসেন মিয়া, পিপলএনটেকের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন, চীফ অপারেটিং অফিসার আব্দুল হামিদসহ প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

post
টেক মেন্টর

পিপলএনটেকে সিসিএনএ এর নতুন ব্যাচ শুরু শুক্রবার

পিপলএনটেকে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সিসিএনএ এর নতুন ব্যাচ। সিসিএনএ হলো সিসকো সার্টিফাইড নেটওয়ার্ক এসোসিয়েট।সিসকো কম্পানি এই সিসিএনএ কোর্সটি চালু করে।এই কোর্সটি করা থাকলে ধরে নেওয়া হয় যে আপনি আইটিতে অথবা নেটওয়ার্কিং এ নিয়ে কাজ করতে পারবেন। এই কোর্সটি আইটিতে ক্যারিয়ার করতে আগ্রহী যে কেউ করতে পারেন। ২৫ আগষ্ট শুক্রবার বাংলাদেশের স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটি তে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট থেকে শুরু হয়ে প্রতিদিন চলবে সন্ধা ৬.৩০ পর্যন্ত। প্রতিষ্ঠানটির প্রশিক্ষকরা বলছেন, এই কোর্সটি করার মাধ্যমে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে আইএসপি, মোবাইল কোম্পানি, ব্যাংক, এয়ারলাইন, ট্রাভেল এজেন্সি, শেয়ার মার্কেট, মাল্টিন্যাশনাল ও ন্যাশনাল কোম্পানি, বায়িং হাউজে অর্থাৎ যেখানে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক আর ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয় সেখানেই রয়েছে চাকরির সুযোগ। দিনে দিনে এই চাকরির বাজারটি আরো বড় হচ্ছে। রিয়েল লাইফে কাজ করার জন্য Cisco এর অফিসিয়াল সিলেবাসই যথেষ্ট না, এর বাইরেও আপনাকে অনেক কিছু বিষয়ে জানতে হবে যা মূলত ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যাবহার করে যেমন:  ➡️Routing Protocol BGP  ➡️IP Telephony System  ➡️ASA Next Gen Firewall  ➡️Project base Automation সহ আরও অনেক কিছু। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে এই ঠিকানায়: 01799 446655 01611 446699 পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটি ১৫১/৭, গুডলাক সেন্টার(৭ম ও ৮ম তলা), পান্থপথ সিগন্যাল, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২০৫ ভিজিট করুনঃ https://www.peoplentech.com.bd

post
টেক মেন্টর

অনলাইন প্রতারণা: ইনস্টাগ্রামে চাকরির বিজ্ঞাপনে প্রায় ১৪ লাখ টাকা খোয়ালেন তরুণী

বিশ্বজুড়ে ডিজিটাল নির্ভরতা বাড়ানোর সাথে সাথে সাইবার অপরাধের হারও সমান পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। প্রতিদিন নতুন নতুন কায়দায় সাইবার অপরাধের খবর আসছে গণমাধ্যমে। সম্প্রতি ভারতের মেঙ্গালুরু শহরে তেমনি এক ঘটনা ঘটেছে। একটি লোভনীয় চাকরির বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে এক তরুণী হারিয়েছেন প্রায় ১৪ লাখ টাকা। সফটওয়্যার কোম্পানিতে কর্মরত ওই তরুণী ইনস্টাগ্রামে একটি চাকরির বিজ্ঞাপন দেখেন যাতে বলা হয়েছিল, ‘আপনি উপার্জন করতে পারেন’। বিজ্ঞাপনে দেওয়া লিংকে ক্লিক করে তিনি একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে যোগাযোগ করেন যেখানে তাকে টেলিগ্রাম অ্যাপে কিছু ব্যক্তিকে মেসেজ করতে বলা হয়। বিনিয়োগের পরামর্শ হিসেবে তাকে জানানো হয় যে, যা বিনিয়োগ করবেন, তার চেয়ে ৩০ শতাংশ বেশি ফেরত পাবেন। প্রথমে সাত হাজার রুপি পাঠিয়ে তিনি প্রতিশ্রুত ৯ হাজার ১০০ রুপি ফেরত পেয়ে যান। তবে, দ্বিতীয় সময়ে ২০ হাজার রুপি পাঠানোর পর কোনো টাকা ফেরত আসে না। তখন তাকে জানানো হয় একাউন্ন ব্লক থাকায় তিনি টাকা পাচ্ছেন না। শেষমেশ তিনি আরও ১০ লাখ ৫০ হাজার ৫২৫ রুপি পাঠান কিন্তু টাকা ফেরত আসে না। টাকার হিসেবে যা ১৩ লাখ ৮৩ হাজার টাকা। এরপর যখন ওপাশ থেকে কোন সাড়া পাচ্ছেন না তখন তিনি বুঝতে পারেন পতারনার শিকার হয়েছে। তারপর তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। সাইবার সুরক্ষা বিশেষজ্ঞরা সতর্কতা চেষ্টা করছেন যে, পার্টটাইম চাকরিতে বড় আয়ের লোভ দেখিয়ে স্ক্যামাররা যুবপ্রজন্মকে ফাঁদে ফেলতে চেষ্টা করছে। অচেনা লিংকে ক্লিক করা অথবা অচেনা ব্যক্তিকে টাকা পাঠানোর আগে সতর্ক হওয়ার জন্য সবাইকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

post
টেক মেন্টর

পিপলএনটেকে ১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্ট ক্লাস শুরু

বাংলাদেশের বিভিন্ন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট হতে বাস্তবসম্মত শিক্ষা গ্রহনের লক্ষ্যে পিপলএনটেক লিমিটেডে শিক্ষার্থীরা তাদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্টের যাত্রা শুরু করেছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আইটি ইন্সটিটিউট ‘পিপলএনটেক’ রাজধানী ঢাকার গ্রীণরোডে (গুডলাক সেন্টার, ১৫১/৭ গ্রীণরোড) সম্প্রসারণ করেছে সকল কার্যক্রম।এই ধারাবাহিকতায় পিপলএনটেকে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের ৩ মাস মেয়াদী ‘স্কিল ডেভেলপমেন্ট’র কর্মসূচি তথা ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্টের উদ্বোধনী ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়।রবিবার (২০ই আগষ্ট ) রাজধানীর গ্রীনরোড পান্থপথে পিপলএনটেক লিমিটেডের কার্যালয়ে সকাল থেকে সারাদেশের ৬৪টি জেলার বিভিন্ন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের পর্যায়ক্রমে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্টের প্রায় ১৫টি কোর্সের উদ্বোধনী ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়।পিপলএনটেকে আগত সকল শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানান প্রতিষ্ঠানটির চীফ অপারেটিং অফিসার আব্দুল হামিদ। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন," পিপলএনটেক এমন একটি আইটি প্রতিষ্ঠান যারা শুধু কোর্স করানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, কোর্স শেষে তাদের চাকরি নিয়ে চিন্তা করতে হয় না'।প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, 'আপনারা কোর্স শেষ করে নিজেকে অভিজ্ঞ হিসেবে গড়ে তুলুন, অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের চাকরির ব্যবস্থা আমরাই করে দিবো'।এসময় উপস্থিত ছিলেন নেটওয়ার্কিং এন্ড সার্ভার শাখার হেড অফ ফ্যাকল্টি কাজী মাহমুদুল হক, পিপলএনটেক লিমিটেডের ব্যাবস্থাপক, এইচআর-এডমিন ফাতেমা তুজ জোহরা, সহকারি ব্যবস্থাপক অপারেশন শেখ আহমেদ, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডেপুটি ম্যানেজার নজরুল ইসলাম, সিনিয়র প্রোগ্রামার ও ফ্যাকল্টি হাফিজুর রহমান সহ অনেকে।

post
টেক মেন্টর

পিপলএনটেক প্রেসিডেন্টের সাথে সাক্ষাৎ ডব্লিউইউএসটিতে যেতে চাওয়া শিক্ষার্থীদের

ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ও পিপলএনটেক প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপের সাথে সাক্ষাৎ করলেন যুক্তরাষ্ট্রে গমনেচ্ছু শিক্ষার্থীরা। শনিবার ১৯ আগষ্ট বেলা ১১ টায় পিপলএনটেক বাংলাদেশ ক্যাম্পাসে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজিতে উচ্চ শিক্ষা অর্জনের জন্য ভর্তির যোগ্যতা, ভর্তির জন্য সুযোগ - সুবিধা , টিউশন ফি, থাকা ও খাওয়া খরচ, ও অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা করা হয়। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ফারহানা হানিপ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শিক্ষার জন্য আমরা বিশেষ করে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ দিয়েছি আপনাদের এই সুযোগ গ্রহন করা উচিত।শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষার জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন যাবেন এমন প্রশ্নের জবাবে ফারহানা হানিপ বলেন, 'পিপলএনটেক ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি এই দুইটি প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা ব্যবস্থাকে কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা হিসাবে গড়ে তুলতে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে।বাংলাদেশীদের জীবনমান উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে দীর্ঘ দেড় যুগ আগে আমারা এপার্টমেন্টের বেইসমেন্টে আইটি চাকুরী পাওয়ার জন্য যে শিক্ষা পদ্ধতি চালু করেছিলাম তা এখন বাংলাদেশ কমিউনিটির গন্ডি পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কমিউনিটির কাছে পৌছে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশীদেরকে অড জব থেকে বের করে আইটি শিক্ষায় শিক্ষিত করে আইটিতে চাকুরীর ব্যবস্থা করার যে স্বপ্ন ছিল, তার সফল বাস্তবায়ন হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন । তিনি বলেন প্রায় আট হাজারেরও অধিক শিক্ষার্থীর আইটি জবের ব্যবস্থা করে পিপলএনটেক বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রর অন্যতম একটি সেরা আইটি ট্রেনিং সেন্টারে পরিনত হয়েছে'।তিনি আরো বলেন,' যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশীদেরকে উন্নতির চরম শিখরে পৌছানোর জন্য পিপলএনটেক এর পাশাপাশি ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজিও বর্তমানে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন চার বছরের ডিগ্রি নিয়ে যাতে করে বসে থাকতে না হয় তার জন্য ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজি এবং পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির কর্মকর্তাবৃন্দ কাজ করে যাচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির ছাত্রছাত্রীদের জন্য ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজির বিভিন্ন্ কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা রয়েছে বলেও তিনি জানান'।অনুষ্ঠানে এসময় উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন, চীফ অপারেটিং অফিসার আব্দুল হামিদ, ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ প্রতিনিধি মাছুমা ভুঞা ফারহা।

post
টেক মেন্টর

বহুল প্রতীক্ষিত 'ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াড' এর যাত্রা শুরু ২৩ জুলাই

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ও আইটেসারেক্ট টেকনোলজিসের আয়োজনে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াড ২০২৩।২৩শে জুলাই (রবিবার) দুপুর ৩ টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াডের উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. দিপু মনি।বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, শিল্পকলা এবং গণিত (STEAM)-এ শিক্ষার্থীদের ব্যতিক্রমী প্রতিভা প্রদর্শনের জন্য এই জমকালো অনুষ্ঠানটি সারা বাংলাদেশের ছয়টি স্তরের শিক্ষার্থীদের একত্রিত করবে। অনুষ্ঠানটি থাকছে সবার জন্য উন্মুক্ত।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী এবং ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াডের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ড. দীপু মনি এমপি। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াডের আহ্বায়ক ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. সাজ্জাদ হোসেন। ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াডের প্রধান সমন্বয়ক মোহাম্মদ আবদুল হামিদ বলেন, “অলিম্পিয়াডটি একটি যাত্রার সূচনা করবে যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা এবং বিভিন্ন STEAM বিষয়ে সহযোগিতামূলক দক্ষতা প্রদর্শন করার সুযোগ তৈরী করবে। এই প্ল্যাটফর্মটি শুধুমাত্র একাডেমিক উৎকর্ষকে উৎসাহিত করে না বরং প্রতিযোগিতা, সৃজনশীলতা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বৃদ্ধির চেতনাকেও উৎসাহিত করে।“তিনি আরো বলেন, ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াডের লক্ষ্য বাংলাদেশের সবচেয়ে উজ্জ্বল মনদের চিহ্নিত করা এবং লালন করা, তাদের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, কলা এবং গণিতের ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জনের এবং ইতিবাচক প্রভাব ফেলার ও চর্চা করার সুযোগ প্রদান করা। দেশের স্টিম শিক্ষার ভবিষ্যত গঠনে এই প্রোগ্রামটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করছি।ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াড ২০২৩ তরুণ প্রতিভার একটি অসাধারণ উদযাপন এবং উদ্ভাবন ও বুদ্ধিবৃত্তিক বৃদ্ধির সংস্কৃতি গড়ে তোলার জন্য জাতির প্রতিশ্রুতির প্রমাণ হিসেবে থাকবে।স্টিম প্রতিভা লালন করার জন্য তাদের বিশাল দক্ষতা এবং উৎসর্গ নিঃসন্দেহে অংশগ্রহণকারীদের অনুপ্রাণিত করবে এবং ইভেন্টে তাৎপর্য যোগ করবে।বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন ও রেজিস্ট্রেশন করুন https://nationalsteamolympiad.com

post
টেক মেন্টর

পিপলএনটেকের সাথে 'সম্ভব ও ইজিটাল টেকনোলজি'র সমঝোতা স্মারক সই

বাংলাদেশের স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটি এর সাথে 'সম্ভব টেকনোলজি'র সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে ।মঙ্গলবার (৩০ মে) পিপলএনটেকের বাংলাদেশ অফিসে এ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন পিপলএনটেকের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন।শিক্ষাজীবনে বিভিন্ন মেয়াদী কোর্স শেষ করেও চাকরির বাজারে ঢুকতে না পেরে হতাশাগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর নির্ভরযোগ্য বাংলাদেশের স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান 'পিপলএনটেক'। এসময় মাশরুল হোসাইন খান লিওন বলেন, ' পিপলএনটেক দীর্ঘ ১৮ বছর বছর ধরে আইটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, জব প্লেসমেন্ট, স্কিল ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট সহ অন্যান্য বিষয় অত্যন্ত সফলতার সাথে সেবা প্রদান করে আসছে। তিনি আরো বলেন, আইটি ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে দক্ষতা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে দক্ষ জনশক্তিতে রুপান্তরিত করে ভবিষ্যতে চাকরি জীবনে নিশ্চয়তাস্বরুপ সম্ভব টেকনোলজির সাথে এমওইউ চুক্তি স্বাক্ষরিত করা হয়। এর আগে ১৮ মে পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি এবং ইজিটাল টেকনোলজি লিমিটেডের মধ্যে একটি বিশেষ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ওই চুক্তিতে পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটির শিক্ষার্থীদের জব প্লেসমেন্টের বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা হয়। উক্ত সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন, ম্যানেজার- এইচ আর হাবিবুল বাশার, ইজিটাল টেকনোলজি লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. নওশিদ আলম সায়েম, এসইও ও ফ্যাকল্টি অফ ডিজিটাল মার্কেটিং ফরহাদ হাসান। পিপলএনটেক একটি আইটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, যা যুক্তরাষ্ট্র তথা উত্তর আমেরিকায় দুই দশক ধরে আইটি দক্ষতা বৃদ্ধিতে সুনামের সাথে কাজ করে আসছে। এরই মধ্যে পিপলএনটেক বিভিন্ন শাখায় প্রশিক্ষণ দিয়ে আইটি কর্মবাজারে ৮০০০ এর বেশি কর্মশক্তি সরবরাহ করেছে। যারা মধ্যম থেকে উচ্চ পর্যায়ের দায়িত্ব পালন করার দক্ষতা নিয়েই অনেক শিক্ষার্থী কর্মজগতে ঢুকছেন।

post
টেক মেন্টর

পিপলএনটেকের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউসুফ খানের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

বাংলাদেশের স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেকের যাত্রা শুরু ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠানটির প্রয়াত উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক লায়ন মো: ইউসুফ খানের হাত ধরে।মো: ইউসুফ খানের স্বপ্ন ছিল কেরানীগঞ্জ উপজেলার শাক্তা ইউনিয়নসহ সারাদেশের সকল গ্রাম অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে আইটিতে স্কিল ডেভেলপমেন্ট অর্থাৎ আইটি বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তুলে তাদেরকে দেশের মূলধারায় ফিরিয়ে আনা। শিক্ষাজীবনে বিভিন্ন মেয়াদী কোর্স শেষ করেও চাকরির বাজারে ঢুকতে না পেরে হতাশাগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান 'পিপলএনটেক'। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আইটি ইনস্টিটিউট 'পিপলএনটেক' রাজধানী ঢাকার গ্রিন রোডে (গুডলাক সেন্টার, ১৫১/৭ গ্রিন রোড) সম্প্রসারণ করে সব কার্যক্রম। কোভিড-১৯ মহামারি করোনা ভাইরাসের সময়ে যখন বিশ্ব অর্থনীতির ভীত নাড়িয়ে দেয়, বাংলাদেশে বহু আইটি প্রতিষ্ঠান যখন নিজেদের ব্যবসা গুটিয়ে নেয় তখনও প্রয়াত ইউসুফ খানের অদম্য সাহসিকতায় টিকিয়ে থাকে পিপলএনটেক। তার লালিত পিপলএনটেক সফলতার সাথে আইটি খাতে সফল হলেও সৃষ্টিকর্তার ডাকে সাড়া দিয়ে গত ২০২১ সালের ২৬ মার্চ তিনি পরলোকগমন করেন।  ২৫ শে মার্চ( শনিবার ) দ্বিতীয় রমজান পিপলএনটেকের অফিস রুমে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে পিপলএনটেক পরিবার।ইউসুফ খানের রেখে যাওয়া পিপলএনটেক তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটি থেকে ট্রেনিং নিয়ে এখন পর্যন্ত ১০ হাজার বাংলাদেশিকে বিভিন্ন স্কলারশিপের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করে প্রায় ৭ হাজার বাংলাদেশিকে আমেরিকার মেইন স্টিমে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে ।রাজনৈতিক জীবনে লায়ন মো: ইউসুফ খান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অর্থ ও পরিকল্পনা উপকমিটির সদস্য হিসেবে দুই দুইবার দায়িত্ব পালন করেন, এছাড়াও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিস (বেসিস) এর স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য এবং ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর স্ট্যান্ডিং কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান পদেও দায়িত্বে ছিলেন।ইফতার ও দোয়ার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন, সিওও আব্দুল হামিদ, প্রয়াত লায়ন মো ইউসুফ খানের ছেলে কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিষয়ে অধ্যয়নরত মো: ভুবন খান।দোয়া ও ইফতার মাহফিল শেষে ইউসুফ খানের পরিবারের সদস্যদের পিপলএনটেকের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.