post
টেক মেন্টর

বাংলাদেশ হবে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দেশ : পলক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে মেধা নির্ভর অর্থনীতির দেশ, ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দেশ।রবিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ বিজনেস সামিট অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।ট্রিলিয়ন ডলার জার্নি নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে আমাদের জিডিপি’র আকার ৮৬৮ বিলিয়ন ডলার। আমাদের লক্ষ্য এখন এক ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছা। এজন্য আমরা ২০২৫ সালের মধ্যে একটা স্টার্টআপ ইকো সিস্টেম গড়ে তুলবো। প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে ৫ হাজার স্টার্টআপ। এই স্টার্টআপগুলো ৩০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। এর মধ্যে গড়ে উঠবে ৫টি ইউনিকর্ণ।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যবসায় পরিবেশ তৈরির সুফল তুলে ধরে তিনি বলেন, বিকাশ এখন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়ালে চ্যাম্পিয়ন, সবার হাতেই এখন একটা করে মোবাইল আছে। বাংলাদেশে এখন সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ এসেছে। কোভিডে ই-কমার্স বাণিজ্যের লাইফলাইনে পরিণত হয়েছে। আমাদের এখন লক্ষ্য ইনোভেশন ইকো সিস্টেম গড়ে তোলা। কৃষি, পোশাক ও প্রবাসী আয়ই ছিলো এতোদিন আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। কিন্তু এখন শ্রমনির্ভর থেকে আমরা প্রযুক্তি নির্ভর হয়েছি। আমরা মনে করি, ওই সময়ের মধ্যে আমাদের উদ্ভাবক ও তরুণ উদ্যোক্তারা চাকরি না খুঁজে চাকরি দাতা হবে। সমস্যা না দেখে আরো সমস্যার সমাধানকারী তৈরি করবো। সবশেষে আমরা স্টার্টআপ ইকো সিস্টেম গড়ে তুলবো।পলক বলেন, গত ৫ বছরে ৭০ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা ৩০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। গত ৬ বছরে ২৫০০ স্টার্টআপ সাড়ে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। এই অংক মিলিয়ে নিলে ৭০ লাখ উদ্যোক্তার প্রত্যেকে গড়ে ৬ জনের চাকরি সৃষ্টি করেছে। কিন্তু একেকটি স্টার্টআপ ৬০০ জনের বেশি জব সৃষ্টি করেছে। তাই আমরা স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তুলে ২০৪১ সলের মধ্যে এই খাত থেকে ২০ শতাংশ জিডিপি আয়ে সক্ষম হবো। পলক বলেন, অবশ্যই আমাদের সরকার-ব্যবসায়ী এবং শিক্ষাবিদদের মধ্যে সমন্বয় থাকতে হবে। স্মার্ট বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতির সম্ভাবনার দুয়ার খোলার আলোচনায় শিক্ষাবদিদের অন্তর্ভূক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি ।

post
টেক মেন্টর

নাটোরের সিংড়ায় জাপানি শিক্ষা পদ্ধতি কুমন উদ্বোধন করলেন পলক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ২৮ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) নাটোরের সিংড়া দমদমা পাইলট স্কুল এ্যান্ড কলেজে তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তর ও ব্র্যাক কুমন লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে দেশের শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবগুলেতে জাপানি আফটার স্কুল শিক্ষা পদ্ধতি 'ব্রাক কুমন' এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পলক বলেন, আধুনিক শিক্ষায় দক্ষতা অর্জন ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘ব্র্যাক কুমন’ শিক্ষা পদ্ধতি বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।তিনি বলেন, পৃথিবীতে তিনটি সম্পদ আছে যা বিতরণ করলে ও অন্যের সাথে ভাগাভাগি করলে কমে যায়না বরং বৃদ্ধি পায় এবং তা হলো- ভালোবাসা, সম্মান ও জ্ঞান। তাই গণিত ও ইংরেজির ভীতি দূর করে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের মাধ্যমে আফটার স্কুল লার্নিং পদ্ধতি আগামী প্রজন্মকে আধুনিক শিক্ষায় দক্ষ করে তুলবে।প্রতিমন্ত্রী ২০৩১ সালের মধ্যে ৩৫ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবে কুমন পদ্ধতির শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা হবে জানিয়ে বলেন, ব্রাক কুমন পদ্ধতি শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি ‘লার্নিং ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের অনেক বেশি উৎসাহিত করবে। প্রতিভা বিকাশের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ স্মার্ট নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে কোমলমতি শিশুকিশোরদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন ব্র্যাক কুমন লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর লেডি সৈয়দা সারওয়াত আবেদ, তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোস্তফা কামাল, জেলা শিক্ষা অফিসার আক্তার হোসেন, নাটোরের সিংড়ার মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস, মনেরবন্ধু প্রতিষ্ঠাতা তৌহিদ শিরোপা, দমদমা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম, স্থানীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি অহিদুর রহমান, জাপান থেকে আগত কুমন বাংলাদেশের প্রকল্প পরিচালক কৈচি সান জেট্রো বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি উইজি আন্দো প্রমুখ।অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠার ১৬ তম বর্ষে ৬১ দেশে ২৪ হাজার সেন্টার আছে কুমনের।

post
টেক মেন্টর

আইসিটি বিভাগ হতে ১৬টি সফটওয়্যার তৈরি করা হচ্ছে - পলক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, বাংলা দিয়ে আমরা যেন বিশ্বের প্রযুক্তিকে প্রভাবিত করতে পারি সেজন্য প্রযুক্তির উন্নয়ন, বাংলার বিশ্বায়ন’ স্লোগান নিয়ে আইসিটি বিভাগ হতে ১৬টি সফটওয়্যার বা টুলস তৈরি করা হচ্ছে।প্রতিমন্ত্রী বুধবার বিকেলে ২১শে বই মেলায় এশরার লতিফ এর ইতিহাস-আশ্রিত ডকুফিকশন নক্ষত্র-নুপুর বই এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী প্রযুক্তি মাধ্যমে সময় কাটানোর অনেক মাধ্যম বা সুযোগ থাকলেও বই পড়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। বই পড়ার মাধ্যমে মানুষের কল্পনা জগৎ প্রশস্ত হয়। তিনি বলেন ভবিষ্যৎ তরুণ প্রজন্মকে অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল প্রজম্ম হিসেবে গড়ে তুলতে সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার কোন বিকল্প নেই।বিদেশী ভাষা বা সংস্কৃতির আগ্রাসন থেকে প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের প্রভাবিত না হওয়ার পরামর্শ দেন। যাতে বাংলাকে প্রযুক্তি সমৃদ্ধ করা যায় এবং আমরা বিদেশি ভাষা ও সংস্কৃতির আগ্রাসনে যেন প্রভাবিত না হই।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপন্যাসটির লেখক এরশার লতিফ ও অন্য প্রকাশনীর কর্ণধার মাজহারুল ইসলাম। পরে তিনি নক্ষত্র নুপুর বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

post
টেক মেন্টর

সর্ববৃহৎ তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনী ‘বেসিস সফটএক্সপো ২০২৩' শুরু

‘ওয়েলকাম টু স্মার্টভার্স’ স্লোগানকে সামনে রেখে ২৩ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে শুরু হলো দেশের সর্ববৃহৎ তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনী ‘বেসিস সফটএক্সপো ২০২৩’। বেসিস সফটএক্সপোর উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ৪ দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীতে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশের সক্ষমতা, সম্ভাবনা ও উদ্ভাবনকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা হবে। সম্পূর্ণ বেসরকারি উদ্যোগে আয়োজিত এবারের প্রদর্শনী রাজধানীর পূর্বাচলে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, 'প্রতিদিনই আমাদের সফটওয়্যার নির্ভরশীলতা বাড়ছে। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সফটওয়্যারের কোনো বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে বেসিসের সদস্যরা সবচেয়ে বেশি অবদান রাখবে বলে আশা করি। তিনি আরও বলেন, ই-ফাইলিং, প্রশ্নোত্তর পর্বসহ জাতীয় সংসদের ডিজিটালাইজেশনে কাজ করেছে বেসিস। ২০৪১ সাল নাগাদ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট সোসাইটি, স্মার্ট ইকোনমি ও স্মার্ট গভর্নমেন্ট নামে চারটি স্তম্ভ নির্ধারণ করা হয়েছে, সেক্ষেত্রেও বেসিস অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে।বিশেষ অতিথি মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাংলাদেশের প্রথম প্রোগ্রামার হানিফ উদ্দিন মিয়ার কোডিং থেকে বাংলাদেশের সফটওয়্যার খাতের যাত্রা। এখন এই খাত বহুগুন সমৃদ্ধ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে রফতানি বিকেন্দ্রীকরণের কথা জানিয়েছেন। এক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি খাতই একমাত্র খাত যেখানে শুধুমাত্র মেধার মাধ্যমে শতভাগ ভ্যালুয়েশন সম্ভব। আমাদেরকে দুটি জায়গায় কাজ করতে হবে, একটি হলো মেধাসম্পদ সংরক্ষণ ও আরেকটি হলো শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন। ২০২৪ সাল পর্যন্ত তথ্যপ্রযুক্তি খাত যে করমুক্ত সুবিধা ভোগ করছে সেটির সময় বৃদ্ধির জন্য বেসিসসহ আইসিটি খাতের ৫টি সংগঠনকে এখনই পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আইসিটি এখন অন্যতম শিল্প খাত হয়ে উঠেছে। ২০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাত থেকে বর্তমানে ১.৪ বিলিয়ন ডলার রফতানি হচ্ছে, ২০২৫ সাল নাগাদ সেটি ৫ বিলিয়ন ডলারের উন্নীত করতে সরকারি ও বেসিস যৌথভাবে কাজ করছে। রফতানি উৎসাহিত করতে ১০ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে। দেশের সাড়ে চার হাজার ইউনিয়নে ফিক্সড ব্রডব্যান্ড সংযোগ প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।পলক বলেন, এক লাখ ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েটদের প্রশিক্ষণ ও মেন্টরশিপের মাধ্যমে উদ্যোক্তা হওয়ার প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। প্রবলেম সলভার তৈরিতে প্রাথমিক থেকেই কোডিং শেখানো হচ্ছে। বেসিস সদস্যদের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বিদেশের প্রয়োজন মেটাতে এআই ও মাইক্রোচিপ তৈরির কাজ করছে। এখন রোবটিক্স ও সাইবার সিকিউরিটিতে নজর দিতে বেসিস সদস্যদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান। বেসিস সভাপতি রাসেল টি আহমেদ বলেন, “এবারের বেসিস সফটএক্সপো দেশের এ যাবৎকালের সর্ববৃহৎ তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনী। সম্পূর্ণ বেসরকারি খাতের উদ্যোগে এমন বৃহৎ পরিসরে কোনো তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনী এর আগে অনুষ্ঠিত হয়নি। আমাদের এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে স্থানীয় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতার পাশাপাশি সম্ভাবনাকে তুলে ধরা।তিনি আরও বলেন, 'ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে স্থানীয় তথ্যপ্রযুক্তি খাতের নিরলস অবদানের কারণেই। সরকার ২০২৫ সাল নাগাদ ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমাদেরকে চ্যালেঞ্জ দিয়েছে। আমরা মনে করি, সরকার, ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার সমন্বয় ঘটলে আমরা ২০৩১ সাল নাগাদ ২০ বিলিয়ন ডলার রফতানি আয় করতে পারবো। ধারাবাহিকভাবে স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে অগ্রসর হতে পারবো।”বেসিস সফটএক্সপো ২০২৩-এর আহ্বায়ক ও বেসিসের সহ-সভাপতি (প্রশাসন) আবু দাউদ খান জানান, “বিশ্ব এখন চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের দ্বারপ্রান্তে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, মেটার্ভার্সসহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির যেই অগ্রযাত্রা চলমান সেই যাত্রায় বাংলাদেশকেও এগিয়ে নিতে হবে। তারই ধারাবাহিকতায় এবারের মেলার স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে ‘ওয়েলকাম টু দ্য স্মার্টভার্স’। আগ্রহীরা বেসিস সফটএক্সপোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (https://softexpo.com.bd/) থেকে বিনামূল্যে নিবন্ধন করে প্রদর্শনীতে অংশ নিতে পারবেন। এবারের আয়োজনে ব্যবসা সম্প্রসারণ কিংবা নতুন উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বিজনেস লিডারস মিট ও সমাপনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানের আট শতাধিক পদস্থ কর্মকর্তা অংশ নেবেন । এছাড়া বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে অ্যাম্বেসেডর নাইট, মন্ত্রীদের অংশগ্রহণে মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্স, তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ জনবল ও চাকরির খোঁজ দিতে আইটি জব ফেয়ার এবং ক্যারিয়ার ক্যাম্প, বিটুবি ম্যাচমেকিং সেশন, ফ্রিল্যান্সিং কনফারেন্স, স্টার্টআপ কনফারেন্স, ডেভেলপার্স কনফারেন্স, উইমেন ইন আইটি প্রোগ্রাম, জাপান ডে’সহ নানা আয়োজন থাকছে। এছাড়াও বেসিস সফটএক্সপোতে অনুষ্ঠিত হবে অন্তত ১৮টি সেমিনার ও গোলটেবিল বৈঠক। আয়োজকরা জানান, সফটএক্সপো উপলক্ষে ইতিমধ্যেই দেশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়েছে। দর্শনার্থীরা যাতে সহজেই বেসিস সফটএক্সপোতে যাতায়াত করতে পারেন সেজন্য বিশেষ শাটল বাস সেবার ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া রয়েছে গেমিং জোন, বিজনেস লাউঞ্জ, ফুড কোর্ট ও কনসার্ট। আশা করা হচ্ছে, সফটএক্সপোতে সরকারি বেসরকারি নীতি নির্ধারক, প্রায় ২০০ জন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বক্তা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, দেশের বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীবৃন্দ, বিদেশী প্রতিনিধি দল, দেশি-বিদেশি তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারকারী এবং আগ্রহী তরুণ-তরুণীসহ ৩ লক্ষাধিক দর্শণার্থী পরিদর্শন করবেন ।এবারের বেসিস সফটএক্সপোর প্ল্যাটিনাম স্পন্সর আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড, গোল্ড স্পন্সর হুয়াওয়ে, সিলভার স্পন্সর হিসেবে রয়েছে রবি, পাঠাও এবং ফাইবার অ্যাট হোম। এছাড়া ফাইভজি পার্টনার হিসেবে রয়েছে গ্রামীণফোন। আইসিটি বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল (আইবিপিসি) এর সহযোগিতায় আয়োজিত এবারের বেসিস সফটএক্সপোর পেমেন্ট পার্টনার হিসেবে বিকাশ, ইন্টারনেট পার্টনার হিসেবে আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেড এবং অ্যাসোসিয়েট পার্টনার হিসেবে রয়েছে দারাজ, বিডিজবস ডটকম ও ই-কুরিয়ার।রাজধানীর পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শন কেন্দ্রে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০ থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত চলবে এই প্রদর্শনী। এতে থাকছে ২০৪টি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের প্যাভিলিয়ন। বিভিন্ন সেমিনারে অংশ নেবেন ২শ’ তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ।

post
টেক মেন্টর

ফেসবুক ব্যবহারে এখন প্রতিমাসে লাগবে ১২৫০ টাকা

নতুন নিয়ম করতে যাচ্ছে ফেসবুক। এখন থেকে জনপ্রিয় এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি চালাতে হলে প্রতিমাসে পরিশোধ করতে হবে ১১ দশমিক ৯৯ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ হাজার ২৫০ টাকারও বেশি। খবর বিবিসির।তবে এ টাকা পরিশোধ করতে হবে ‘ব্লু টিক ভেরিফিকেশন’ সুবিধা নেওয়া ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলো। এদিকে আইফোন ব্যবহারকারীদের বেলায় এ খরচ আরেকটু বেশি। তাদের পরিশোধ করতে হবে ১৪ দশমিক ৯৯ ডলার। এ সপ্তাহে প্রথম এটি চালু করা হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডে।মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, এই পদক্ষেপের ফলে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপের নিরাপত্তা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে।এর আগে টুইটারের মালিক ইলন মাস্কও গত বছরের নভেম্বরে অর্থের বিনিময়ে ব্লু ব্যাজ পাওয়ার ব্যবস্থা চালু করেন।মেটার এই সাবস্ক্রিপশন সেবা এখনো পর্যন্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি। তবে যে কোন ব্যক্তি অর্থ দিয়ে ভেরিফিকেশন ব্যাজ পেতে পারেন।যাদের খ্যাতি বা পরিচিতি আছে তাদের প্রোফাইলে ব্যাজ বা ‘ব্লু টিক’ দেয়া হয় একাউন্টটি যে আসল তা বোঝানোর জন্য।মেটা তাদের ওয়েবসাইটে এক পোস্টে জানিয়েছে, যারা অর্থের বিনিময়ে সাবস্ক্রাইবার হবেন, তাদের ব্লু ব্যাজ দেয়া হবে এবং সেই সঙ্গে তাদের পোস্ট অনেক বেশি মানুষ দেখতে পাবেন। কেউ যেন তাদের নামে ভুয়া একাউন্ট করতে না পারেন, সেই সুরক্ষা পাবেন এবং তারা অনেক সহজে গ্রাহক সেবা পাবেন।মেটা আরও জানিয়েছে, আগে থেকে যেসব ভেরিফায়েড একাউন্ট আছে, এই পরিবর্তনের কোন প্রভাব তাদের ওপর পড়বে না। তবে মেটা বলেছে, যারা অর্থের বিনিময়ে ভেরিফায়েড একাউন্ট করেছেন, ফলোয়ার কম হলেও তাদের পোস্ট অনেক বেশি দেখা যাবে।এজে/

post
টেক মেন্টর

আজকের তরুণ-তরুণী ভবিষতের স্মার্ট বাংলাদেশের কর্ণধার : পলক

তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী অ্যাড. জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আমাদের আজকের তরুণ-তরুণী ভবিষতের স্মার্ট বাংলাদেশের কর্ণধার। একুশের চেতনায় দেশের তরুণ-তরুণীদের জাগ্রত হতে হবে। একুশ মানে মাথা নত না করা। একুশ মানে নিজের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হওয়া। এ জন্য আমাদের একুশের চেতনায় জাগ্রত হতে হবে।শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে সিংড়া গোল-ই-আফরোজ সরকারি কলেজ মাঠে আইসিটি চাকরি উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন তিনি।প্রতিমন্ত্রী জানান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪৮ সালে মাতৃভাষা বাংলার দাবিতে ছাত্র আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রফিক, জব্বার, বরকতসহ অসংখ্য তাজা প্রাণের বিনিময়ে আমরা মায়ের ভাষার মর্যাদা পেয়েছি। বঙ্গবন্ধু বলতেন সোনার বাংলা গড়তে হলে, সোনার মানুষ চাই। একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে সোনার বাংলা গড়তে হলে দেশের মানুষকে আদর্শ মানুষ হতে হবে। আমাদের কর্মঠ ও মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে।পলক বলেন, মাননীয় জননেত্রী শেখ হাসিনা চলনবিলের কাদামাটি থেকে তুলে নিয়ে আমাকে সিলিকন ভ্যালি পর্যন্ত কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছেন। তোমরা যদি কঠোর পরিশ্রম কর। তোমাদের লক্ষ্য যদি ঠিক রাখো, তাহলে অবশ্যই জীবনে সফল হবে এবং সারাবিশ্বকে জয় করতে পারবে। প্রধানমন্ত্রী অসংখ্যক কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন। আমাদের সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কাজ করতে হবে।তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ ৩৭ বছর সিংড়ায় বিদ্যুৎ, রাস্তাঘাট, অবকাঠামোসহ সবক্ষেত্রে পিছিয়ে ছিল। গত ১৪ বছরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সিংড়ার মানুষকে অসংখ্যক উন্নয়ন উপহার দিয়েছেন। সিংড়ায় আজ বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হয়েছে। গ্রামকে সড়কে সংযুক্ত করেছেন। ইন্টারনেটের সংযোগ দিয়ে ১২টি ইউনিয়নে ডিজিটাল এলাকায় রুপান্তিত করেছেন। আজ সিংড়ায় বসে ই-কর্মাস উদ্যোক্তারা বিভিন্ন দেশে ব্যবসা করছেন। সরকার, দেশের সমাজব্যবস্থা, মানুষসহ সবক্ষেত্রে স্মাট দেশ গড়ে তুলতে কাজ করা হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে স্মার্ট দেশ হিসেবে গড়ে তোলার।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. সামসুল আরেফিন, সিংড়া পৌর মেয়র মো. জান্নাতুল ফেরদৌস প্রমুখ।জানা গেছে, সিংড়া উপজেলার ৮০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাড়ে ৩ হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। শিক্ষার্থীরা উৎসবে ২০টি তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের স্টলে জীবন বৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। যোগ্যতা অনুযায়ী তারা চাকুরী পাবেন। উৎসবে চাকুরী সহায়ক তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক ৫টি সেশন থাকছে।প্রথম সেশনে ‘স্মার্ট চাকুরীর মাধ্যমে স্মার্ট সিংড়া’ সেশনে আফসানা ইয়াসমিন, শিবলী সাদিকসহ ৫জন সফল উদ্যোক্তা তাদের সফলতার গল্প শোনান। অনুষ্ঠানে র‌্যাফেল ড্র এর মাধ্যমে আকর্ষনীয় পুরস্কার দেওয়া হয়।

post
টেক মেন্টর

রাজধানীতে পিপলএনটেকের মাধ্যমে ক্যারিয়ার গঠন শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশের স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটি এবং ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির একটি ক্লাব আয়োজিত 'কিভাবে তথ্য প্রযুক্তিতে ক্যারিয়ার গড়বেন' শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারী ( রবিবার) রাজধানীর ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির হল রুমে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক প্রশিক্ষক দ্বারা শিক্ষার্থীদের  পরামর্শ প্রদান করা হয়। পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির ওয়েব ডিজাইনার ও ফ্যাকল্টি ইমতিয়াজ আহমেদ মিলন একজন শিক্ষার্থী কিভাবে ওয়েব ডিজাইন, ওয়েবসাইট তৈরি করবেন এসব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আলোচনা করেন।এছাড়াও পিপলএনটেকে আইটি জগতের সকল বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান সম্পর্কিত তথ্য দেন পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির কর্মকর্তারা।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির চেয়ারম্যান ও ফাউন্ডার প্রফেসর ড. সাহিদা রফিক, মূল বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন। অনুষ্ঠানে মাশরুল হোসাইন খান বলেন, পিপলএনটেক দীর্ঘ ১৮ বছর বছর ধরে আইটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, জব প্লেসমেন্ট, স্কিল ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট সহ অন্যান্য বিষয় অত্যন্ত সফলতার সাথে সেবা প্রদান করে আসছে। এছাড়াও আমাদের আমেরিকার মাটিতে প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে যার নাম ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি। ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির কোন শিক্ষার্থী যদি উচ্চ শিক্ষার জন্য ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজিতে যেতে চায় তারা ৫০% স্কলারশিপ পাবে। উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বর্তমান যুগের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। আইটি ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে দক্ষতা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে দক্ষ জনশক্তিতে রুপান্তরিত করতে হবে। এবং পিপলএনটেক শিক্ষার্থীদের সঠিক আইটি ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে তাদের দক্ষ করে গড়ে তোলে এবং পরবর্তীতে তাদের চাকুরী পেতেও সহযোগিতা করে থাকে। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে আমরা ৮০০০ শিক্ষার্থীদের জব দিয়েছি। তিনি আরও বলেন, এছাড়া পিপলএনটেক এর পাশাপাশি ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, 'এপর্যন্ত পাঁচ শত’র বেশী বাংলাদেশি শিক্ষার্থী স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে আমেরিকায় গিয়েছেন এবং তারা ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটিতে বিভিন্ন প্রোগ্রামে পড়াশোনা করছে। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির জব প্লেসমেন্ট ও সিনিয়র এসইও এক্সিকিউটিভ ফরহাদ হোসেন নূর, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিটেন্ট ম্যানেজার নজরুল ইসলাম সহ আরো অনেকে। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পিপলএনটেক বিজনেস ডেভেলপমেন্ট কর্মকর্তা নুরুন্নবী সরকার।

post
টেক মেন্টর

ডেভঅপস, সেলেনিয়ামের দুটি কোর্স শুরু করছে পিপলএনটেক

২০২৩ সালে আইটি প্রশিক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ সব কোর্স নিয়ে আসছে পিপলএনটেক। যুক্তরাষ্ট্রে আইটি খাতে দক্ষ জনশক্তি সরবরাহে প্রায় দুই দশক ধরে কাজ করে আসা প্রতিষ্ঠানটি জানুয়ারিতে শুরু করছে সেলেনিয়াম কোর্স। এছাড়া ফেব্রুয়ারিতে শুরু হবে ডেভঅপস কোর্স। উভয় কোর্সই পরিচালিত হবে পিপলএনটেকের ভার্জিনিয়া ক্যাম্পাস থেকে।এরই মধ্যে দুটি কোর্সে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ১৪ জানুয়ারি শুরু হবে সেলেনিয়াম কোর্স। যা প্রতি সপ্তাহান্তে শনিবার ও রবিবারগুলোতে চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টায় শুরু হয়ে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ক্লাস নেবেন সেলেনিয়ামের দক্ষ প্রশিক্ষকরা। ১৪টি মডিউলে ভাগ করে পুরো প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়াটি শেষ করা হবে, জানাচ্ছিলেন পিপলএনটেকের কর্মকর্তারা। তারা বলেন, পিপলএনটেক প্রশিক্ষণরুমে কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করে প্রশিক্ষণার্থীদের তৈরি করা হয়। এতে প্রশিক্ষণার্থীরা চার মাস ধরে ক্লাসরুমে সৃষ্ট ওয়ার্কপ্লেস এনভায়রনমেন্টে কাজ করেন। আর তার মধ্য দিয়ে তারা প্রশিক্ষণ শেষে নিজেদের এতটাই দক্ষ করে তুলতে পারেন যে কর্মজগতে ঢুকতে তাদের বেগ পেতে হয় না। কেবল তা-ই নয়, এই প্রশিক্ষণার্থীরা নিজেদের এতটাই দক্ষ করে তুলতে পারেন যে তারা মধ্যম থেকে উচ্চ পর্যায়ের কাজের জন্য প্রস্তুত হয়ে যান। এবং সরাসরি সিক্স ডিজিট কিংবা তারও বেশি বেতনের কাজ পেয়ে যান। সেলেনিয়াম কোর্সের ওরিয়েন্টেশন হবে আগামী ৭ জানুয়ারি এবং ডেভঅপস কোর্সের ওরিয়েন্টেশন আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি। যার জন্য রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। কেবল সেলেনিয়ামই নয় ২০২৩ এর ফেব্রুয়ারি পিপলএনটেক শুরু করতে যাচ্ছে ডেভঅপস কোর্সটি। ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া এই কোর্সের ক্লাস হবে প্রতি শনি ও রবিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। কোর্স দুটিতে অংশ নিতে যোগাযোগ করুন: ফোন: +1 (855) 562-7448ই-মেইল: [email protected]বিস্তারিত জানতে ব্রাউজ করুন: www.piit.us

post
টেক মেন্টর

পিপলএনটেকে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো পোস্ট গ্রাজুয়েশন অন নেটওয়ার্ক সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেশনের অরিয়েন্টেশন ক্লাশ

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এর তত্ত্বাবধানে পোষ্ট গ্রাজুয়েশন অন নেটওয়ার্ক সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেশন এর ৬ষ্ট ব্যাচের অরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়েছে।২০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার রাজধানীর পান্থপথ গুডলাক সেন্টারের পিপলএনটেক ক্লাসরুমে এ অরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়।কোর্সটি পরিচালনা করবেন ইন্ডাস্ট্রিতে নেটওয়ার্কিং সেক্টর নিয়ে দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞ মেন্টর কাজী মাহমুদুল হক। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির তত্ত্বাবধায়নে ১ বছর মেয়াদী পোষ্ট গ্রাজুয়েশন অন নেটওয়ার্ক সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেশন কোর্সটির অরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে এ উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন, চীফ অপারেটিং অফিসার আব্দুল হামিদ, সহকারী ব্যবস্থাপক (অপারেশন) শেখ আহমেদ ও পিপলএনটেকের কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সাথে কুশল বিনিময় শেষে কোর্সের খুঁটিনাটি বিষয়ে এবং ক্যারিয়ার ডেভলপমেন্ট বিষয়ে পরামর্শ দেয়া হয়।কোর্সটির রেজিস্ট্রেশন লিঙ্কঃ https://forms.gle/mXuR1FkRp8Xp6iSS8বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন –01799 44665501611 446699১৫১/৭, গুডলাক সেন্টার(৭ম ও ৮ম তলা), পান্থপথ সিগন্যাল, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২০৫ভিজিট করুনঃ https://www.peoplentech.com.bdনিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের সাথে থাকুনঃ- YouTube: youtube.com/channel/UCFsCGU6vp4LApX1wzf0dpUQ- Facebook Page: https://facebook.com/peoplentech/

post
টেক মেন্টর

পিপলএনটেকের সহযোগিতায় নোয়াখালীতে কম্পিউটার ল্যাব উদ্বোধন

পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির সহযোগিতায় নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের শামসুন্নাহার উচ্চ বিদ্যালয়ে জহির উদ্দিন কম্পিউটার ল্যাব উদ্বোধন করা হয়েছে।শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের শামসুন্নাহার উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে এ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন, চীফ অপারেটিং অফিসার আব্দুল হামিদ, যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিভার্সিটি অফ মারিল্যান্ড গ্লোবাল ক্যাম্পাসের ইকোনোমিক্স এন্ড ফাইনান্স প্রফেসর ড. ফাইজুল ইসলাম । অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. ফাইজুল ইসলাম বলেন, 'তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা আইসিটির মাধ্যমে উন্নত জীবন যাপন, মানব কল্যাণ, সম্পর্ক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করা সম্ভব। আইটি শিক্ষার মাধ্যমে পৃথিবীকে একটি বিশ্বগ্রাম বা গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত করা যায়। বিশ্বকে জানা এবং নিজেদের দোরগোড়ায় আনা শুধু আইসিটি কে জানা এবং আইসিটি শিক্ষা লাভের মাধ্যমেই সম্ভব। এ লক্ষ্যকে বাস্তবায়নের জন্য তিনি তার দাদার নামকরণে কম্পিউটার ল্যাবটি স্থাপন করেন। যেখানে গ্রামের সকল শিক্ষার্থীরা স্কুলে গিয়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিতে পারবে। আর এই সকল প্রশিক্ষণে অনলাইনের মাধ্যমে কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে ঢাকায় অবস্থিত পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটি প্রতিষ্ঠান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন বলেন, 'আমরা ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ও পিপলএনটেকের যৌথ আয়োজনে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ প্রদান শুরু করতে যাচ্ছি, এটির মূলত যে উদ্দেশ্য তা হল গ্রাম বা মফস্বলে থাকা যে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রশিক্ষণ থেকে বঞ্চিত থাকে তাদের প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেওয়া। এই প্রশিক্ষণ আমরা স্কলারশিপের মাধ্যমে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে বিনামূল্যে প্রদানের ব্যবস্থা করব যাতে করে শিক্ষার্থীরা আইটি জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে আর্থস্বাবলম্বী হতে পারে। তিনি আরো বলেন আমাদের এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি পাইলট প্রকল্প। ভবিষ্যতে দেশের ৬৪ টি জেলায় এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির চীফ অপারেটিং অফিসার আব্দুল হামিদ, 'তিনি বলেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ল্যাবে আমাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নোয়াখালীর মাধ্যমে যাত্রা শুরু করলো, ভবিষ্যতে সারাদেশে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির সহকারী ব্যবস্থাপক (অপারেশন) শেখ আহমেদ, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতার পরিবার বর্গ।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.