post
ক্যাম্পাস লাইফ

নতুন ক্যাম্পাসে গেট টুগেদার করলো ডব্লিউইউএসটির নবগঠিত 'ব্রাজিলিয়ান স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন'

ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির নতুন ক্যাম্পাসে গেট টুগেদার ও মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠান করলো বিশ্ববিদ্যালয়ের নব গঠিত ব্রাজিলিয়ান স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। ডব্লিউইউএসটির অ্যালেকজান্দ্রিয়ার নতুন ক্যাম্পাসের ক্যাফেটেরিয়ায় হওয়া এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ ও প্রেডিসেন্ট ড. হাসান কারাবার্কসহ বিভিন্ন ফ্যাকাল্টির প্রফেসরগণ। নতুন এই ক্যাম্পাসে ব্রাজিলিয়ান শিক্ষার্থীদের নতুন এই সংগঠনকে স্বাগতম জানান প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক ও সিএফও ফারহানা হানিপ।এছাড়া শিক্ষা ও ক্যারিয়ার বিষয়ক নানা পরামর্শ রেখে শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান, স্কুল অব বিজনেসের পরিচালক ড. মার্ক এল রবিনসন, স্কুল অব আইটির ডিরেক্টর অ্যাপোসটোলস ইলিওপোলাস পল, অ্যাসিসটেন্ট ডিরেক্টর অব জেনারেল অ্যাডুকেশন ড. হোয়ান লি, মার্কেটিং ডিরেক্টর হোসে উর্তেগা এবং স্টুডেন্ট সাকসেস ও ক্যারিয়ার সার্ভিস ম্যানেজার রিচেল রোজ। করোনা মহামারির পরিবর্তী সতর্কতা  অনুযায়ী বিগত দু'বছর ডব্লিউইউএসটির ক্লাস হয়েছে অনলাাইন ও ইনপার্সন মিলিয়ে হাইব্রিড উপায়ে।  ফলে এই গেট টুগেদার উপলক্ষ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনেকেরই সরাসরি দেখা হয়েছে প্রথমবার।  তাও আবার সুবিশাল অত্যাধুনিক নতুন ক্যাম্পাসে। এমন পরিবেশে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে স্বদেশী সবাইকে এক সাথে পেয়ে ব্রাজিলিয়ান শিক্ষার্থীদের উচ্ছাস ছিলো চোখে পড়ার মত। এরপর শুরু গল্প আর মধ্যান্হ ভোজ পর্ব। আর এর মাঝে চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের উপস্থিতিতে আয়োজন পায় বাড়তি মাত্রা। শিক্ষার্থীরা ব্যস্ত হয়ে পড়েন চ্যান্সেলরের সাথে কুশল বিনিময় আর ছবি তোলাতে। আয়োাজনে ছিলো সারপ্রাইজ বার্থডে উইশ। কেক কেটে ডব্লিউইউএসটির ব্রাজিলিয়ান শিক্ষার্থী জুবানার জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান সকলে মিলে। আমন্ত্রিত শিক্ষার্থীরা ডব্লিউইউএসটির চ্যন্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ ও প্রেডিসেন্ট ড. হাসান কারাবার্ককে উচ্ছাসের সাথে ধন্যবাদ জানান এমন সুন্দর নতুন ক্যাম্পাসে তাদের শিক্ষাসহ নতুন কার্যক্রমের জন্য। আসছে বছরের প্রথম দিন থেকে ভার্জিনিয়ার আলেকজেন্দ্রিয়ার নতুন ক্যাম্পাসে শুরু হতে যাচ্ছে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির সকল কার্যক্রম। নতুন ক্যাম্পাসে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরুর আগে জন্য চলছে শেষ মুহূর্তের নানা রকম প্রস্তুতি।

post
ক্যাম্পাস লাইফ

ডব্লিউইউএসটিতে পড়তে আগ্রহী ওয়াশিংটন ও ডিসি মেট্রোপলিটনের হাই স্কুলের শিক্ষার্থীরা

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ও ডিসি মেট্রোপলিটন এলাকার হাইস্কুল গামী শিক্ষার্থীদেরকে কলেজের বিষয়ে আগ্রহ তৈরি করত এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করতে ১৮ অক্টোবর জর্জ মেসন বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়ে গেলো, 'আলক্যানজা কলেজ মেলা'র ২৩তম বার্ষিকী। হিস্পানিক হেরিটেজ মাসের অংশ হিসেবে ল্যাটিনক্স শিক্ষার্থীদের, মাধ্যমিক-পরবর্তী পরিকল্পনা সম্পর্কে, অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে এই মেলা আয়োজন করা হয়। যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলের ১৫০ টিরও বেশি কলেজ এই মেলায় অংশ নিয়েছে আর এতে উপস্থিত হয়েছিলো উচ্চ বিদ্যালয়ের পাঁচ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। মেলায় ডিউক, জেএমইউ, মেসন, উইলিয়াম এবং মেরি, হার্ভার্ড, প্রিন্সটনের মত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি গন উপস্থিত হয়েছিলেন। অন্যসব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের সাথে এই আয়োজনে অংশ নিয়েছে ভার্জিনিয়াস্থ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ডব্লিউইউএসটি)। শিক্ষার্থীদের মাঝে ডব্লিউইউএসটির সম্পর্কে সার্বিক তথ্য শেয়ার করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং ডিরেক্টর হোসে ওর্তেগা ও প্রতিনিধি অ্যাশলে। স্কলারশিপসহ সকল রকম সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে জানার পর শিক্ষার্থীদের মাঝে ডব্লিউইউএসটির সম্পর্কে বেশ আগ্রহ লক্ষ্য করা যায় বলে জানান, হোসে ওর্তেগা। তিনি উল্ল্যেখ করেন, মেলায় নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার হিসেবে স্ট্রাইভ স্ক্যান অ্যাপের ব্যবহার তার কাছে ইউনিক মনে হয়েছে। কিউআর কোড স্ক্যান করার মাধ্যমে মেলায় আসা আগ্রহী শিক্ষার্থীদের সকল তথ্য পাওয়া সম্ভব খুব সহজে। অদূর ভবিষ্যতে ডব্লিউইউএসটি এই প্রযুক্তি ব্যবহার করবে বলে জানান তিনি। মেলা চলাকালীন বিভিন্ন হাইস্কুলের কাউন্সেলরগণদের সাথে কথা হয়েছে ডব্লিউইউএসটির প্রতিনিধি দলের সাথে। কাউন্সিলরগণ তাদের শিক্ষার্থীদের জন্য ডব্লিউইউএসটির ক্যাম্পাস পরিদর্শন করার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেন। ডিসেম্বর ও জানুয়ারীতে তারা যেন ক্যাম্পাস পরিদর্শন করতে পারেন সেই বিষয়ে প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন হোসে ওর্তেগা। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টি ২০২১ সাল থেকে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি আমেরিকানের হাতে পরিচালিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ একটি বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে তথ্য-প্রযুক্তি, সাইবার সিকিউরিটি ও এমবিএ-বিবিএ কোর্সে বর্তমানে বিশ্বের ১২১ দেশের ১৫ শ'র বেশি শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে।

post
ক্যাম্পাস লাইফ

চার মাসের ব্যবধানে বছরের দ্বিতীয় পিকনিক উৎসব করলো ডব্লিউইউএসটির শিক্ষার্থীরা

বছরের সবচেয়ে আনন্দমুখর একটি দিন যেন কাটালো ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থীরা। চার মাসের ব্যবধানে ১লা অক্টোবরের রবিবার বছরের দ্বিতীয় পিকনিকের আয়োজন করে ডব্লিউইউএসটির সু্ডেন্ট গর্ভামেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (এসজিএ)। চমৎকার আবহাওয়ায় ভার্জিনিয়ার রেস্টনের লেক ফেয়ারফ্যাক্সের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের মাঝে এদিন সবাই হেসে খেলে, গান গেয়ে আর মজাদার খাবার উপভোগের মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে দিনটি কাটিয়েছেন সকলে।যেখানে জড় হয়েছে ডব্লিউইউএসটিতে পড়া বিশ্বের ২৯ টি দেশের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের কলরবে মুখরিত হয়ে উঠেছিল পিকনিক স্পট। যাদের মধে অনেকেই ছিলেন একবারে নতুন। যারা কিনা সবেমাত্র ফল কোয়ার্টারে ভর্তি হয়েছেন। পরিবার পরিজন রেখে বিদেশের মাটিতে পড়তে আসা ছাত্রছাত্রীরা এমন উৎসব মুখর পরিবেশ পেয়ে আপ্লুত। তাদের চোখে মুখে ছিলো যেন এক রকম প্রশান্তি। অন্যদিকে পুরনো ছাত্রছাত্রীদের জন্যও দিনটি ছিলো আনন্দের। কারণ পরের দিন থেকে শুরু নতুন কোয়ার্টার।শুধু শিক্ষার্থীরা নয়, তাদের সাথে আসা পরিবারের মানুষজনও বেশ উপভোগ করেছেন দিনটি। বাচ্চারা ছুটে বেড়িয়েছে সারাক্ষণ। একদিকে চলছিল খাবার পরিবেশনের প্রস্তুতি, অন্যদিকে সবুজ ঘাসের প্রান্তরে সঙ্গে আনা বিছানা চাদর পেতে, চেয়ার সাজিয়ে অনেকে বসে গল্পে মেতে উঠেন। ছবি তোলা, ভিডিও করা, ফেসবুকে লাইভ করা নিয়ে অন্য দল মেতে রইলেন। লেকের ধারে ঘুরে বেড়িয়েছেন ছাত্রছাত্রীরা। কেউ কেউ মাছ ধরায় ব্যস্ত হয়ে পরেন। এসবের মাঝে ছিলো মজাদার খাবারের বিশাল আয়াজন। তৃপ্তি ভরে খেয়েছেন সকলে। পিকনিক প্রাণবন্ত হয়ে উঠার আরেকটি উপললক্ষ্য ছিলো মজার খেলাধুলা পর্ব। কাপে বল ফেলা আর কোমড়ে রিং ঘুরানোসহ বেশ কয়েকটি গেইমের আয়োজন ছিলো। স্বত:স্ফূর্তভাবে এতে অংশ নেন সকলে। মজার ছলে হলওে কঠিন প্রতিদ্বন্দিতা করেছেন সকলে। ডব্লিউইউএসটির প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক ও সিএফও ফারহানা হানিপ বিজয়ীদের হাতে প্রাইজমানি তুলে দেন । পিকনিকের সার্বিক আয়োজন নিয়ে সকলে এক বাক্যে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। পড়াশোনার ব্যস্ত জীবনের ফাঁকে সবাইকে আনন্দ উপলক্ষ্য এনে দিতে পেরে খুশি ডব্লিউইউএসটির প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারার্বাক ও সিএফও ফারহানা হানিপ। আর সবাইকে সুন্দর একটি দিন উপরহার দেয়ার জন্য যারা গত দুই সপ্তাহ কঠিন পরিশ্রম করেছেন তাদের মুখে লেগে ছিলো হাসি। তারা বলেন, প্রথমবারের তুলনায় এই আয়োজন ছিলো সব দিকে ছিলো অনেক গোছানো।ফেরার সময় শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার সুডেন্ট গর্ভামেন্ট অ্যাসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, যে সুন্দর দিন কাটালাম স্মৃতিতে অমলিন হয় থাকবে।

post
আন্তর্জাতিক

রেকর্ড পরিমাণ শিক্ষার্থী অ্যাডমিশন নিলো ডব্লিউইউএসটির ফল-২০২৩ কোয়ার্টারে

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ডব্লিউইউএসটি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ফল কোয়ার্টারে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন হয়ে গেলো গত ২৭ সেপ্টেম্বর। এতে অংশ নিয়েছেন প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী। বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশের ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করছেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে। তাদের মধ্যে নতুন সেমিস্টারে যোগ দিয়েছেন ২১৬ জন শিক্ষার্থী। ২ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে ২০২৩ এর ফল কোয়ার্টারের ক্লাস। ইনপার্সন ও অনলাইন মিলিয়ে হওয়া এবারের ওরিয়েন্টেশনে শিক্ষার্থীদের জন্য ছিলো নানা আয়োজন। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় র্কতৃপক্ষ ছাত্রছাত্রীদের সামনে ডব্লিউইউএসটির সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন। শিক্ষার্থীদের ধারনা দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান থেকে শুরু করে নানা সুযোগ সুবিধা ও নিয়ম নীতির বিষয়ে। নতুন ছাত্রছাত্রীদের সামনে তুলে ধরা হয় ডব্লিউইউএসটি কেন অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তুলনায় ব্যাতিক্রম। ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে পাশে থাকবে সে সব বিষয়ে আলোকপাত করেন ডব্লিউইউএসটির স্কুল অব বিজনেস এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মার্ক এল রবিনসন। শিক্ষার্থীদের সামনে তাদের পড়াশোনার নানা ধরন পরীক্ষার মান বন্টনের বিষয়গুলো বিস্তারিত তুলে ধরেন ড. অ্যাপোসটোলস পল। এই আয়োজনে আরও বক্তব্য রাখেন ডব্লিউইউএসটির মার্কেটিং ডিরেক্টর হোসে ওর্তেগা, স্টুডেন্ট সাকসেস এন্ড ক্যারিয়ার সার্ভিস ম্যানেজার রিচেল রোজ, আইটি ম্যানেজার কাজী বারী, স্টুডেন্ট গভর্নমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট সেলিন ইয়েগিত। ওরিয়েন্টেশনে নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য ছিলো মজার কুইজের আয়োজন। বিজয়ীদের মাঝে দেয়া হয় পুরস্কার।ওরিয়েন্টেশন শেষে ডব্লিউইউএসটির ক্যাম্পাস বিল্ডিংয়ের সামনে নতুন স্টুডেন্টদের সাথে গ্রুপ ফটোসেশন অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কর্মকর্তা। নতুন সহপাঠীরা একে অপরের সাথে পরিচয় পর্ব সেড়ে গল্পে মেতে উঠেন একেকজন। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টি ২০২১ সাল থেকে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি আমেরিকানের হাতে পরিচালিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ একটি বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে তথ্য-প্রযুক্তি, সাইবার সিকিউরিটি ও এমবিএ-বিবিএ কোর্সে বর্তমানে বিশ্বের ১২১ দেশের ১৫ শ'র বেশি শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে।

post
আন্তর্জাতিক

আইটিখাতে ভবিষ্যত প্রজন্ম গঠনে ডব্লিউইউএসটির দারুণ সম্ভাবনা দেখছেন সিনেটর পিটার্সেন

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পরিদর্শন করে গেলেন ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্স স্টেট সিনেটর জন চ্যাপম্যান পিটারসেন। সোমবার ডব্লিউইউএসটি পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপের নেতৃত্বে ডব্লিউইউএসটি ভবিষ্যত প্রজন্ম গঠনে যেভাবে এগিয়ে চলছে তা প্রশংসার দাবিদার। যে কোন প্রয়োজনে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে আসতে চান বলে জানান তিনি। এর আগে গত ১৮ জানুয়ারি ভার্জিনিয়া সিনেট অ্যাসেম্বলিতে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স টেকনোলজিকে বিশেষ রিকগনিশন দেন ভার্জিনিয়ার চল্লিশজন সেনেটর। সেই বিশেষ মুহুর্তের পর সিনেটর পিটারসেন এবার নিজেই পরিদর্শন করলেন তার নির্বাচনী এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় ডব্লিউইউএসটি। এসেই ক্যাম্পাস ঘুরে দেখেন পিটারসেন। বিভিন্ন কক্ষ ঘুরে সে সম্পর্কে ব্রিফিং নেন তিনি। পরে ডব্লিউইউএসটির হলরুমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক- কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে বসেন। প্রেসিডেন্ট হাসান কারাবার্কের পরিচালনায় উপস্থিত সবাই পরিচিত হন সিনেটর পিটারসনের সাথে। আধা ঘন্টার ওই মতবিনিময়ে সিনেটরের সামনে তুলে ধরা হয় ওয়াশিংটন ইউনিভাসির্টি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষাপদ্ধতি, নিজেদের বিশেষত্ব, বিশ্ববিদ্যালয়ের মিশন ও ভিশন। মার্কেটিং ডিরেক্টর হোসে উর্তেগার উপস্থাপনার পর পিটারসেন তার মন্তব্যে ডব্লিউইউএসটির দারুন সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যত যেদিকে হাটছে এই বিশ্ববিদ্যালয় সেই প্রজন্ম তৈরি করার লক্ষ্যেই কাজ করছে। প্রথম বাংলাদেশি আমেরিকান হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন সিনেটর চ্যাপম্যান পিটারসেন। এই মিশনে তিনি নিজেও সংযুক্ত হবার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বলেন, তার এলাকায় পরিচালিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোন প্রয়োজনে তিনি পাশে থাকতে চান। গত ২৫ বছর ধরে ডেমোক্রেটের একজন প্রতিনিধি হয়ে আমেরিকায় মুলধারায় রাজনীতি করে আসছেন পিটারসেন। সিনেট অ্যাসেম্বলির বিশেষ সম্মাননার পর তার এই পরিদর্শনে উচ্ছসিত চ্যান্সেরল ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যন্ড টেকনোলজির দায়িত্ব নেবার পর থেকে এমন কাউকে খুজছিলেন যার পরামর্শে আরও সঠিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়টি এগিয়ে যেতে পারবেন। এতোদিনে সেই মানুষটা মনে হয় তিনি পেয়ে গেছেন। যিনি নিজ আগ্রহে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। পরিদর্শনে আসার জন্য সিনেটর পিটারসনকে ধন্যবাদ জানান, ডব্লিউইউএসটির প্রধান অর্থকমর্কতা ফারহানা হানিপ।এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. জাফর পিরিম ও ড. শ্যান চো এবং স্কুল অব বিজনেস'র পরিচালক ড. মার্ক এল রবিনসন ছাড়াও ডব্লিউইউএসটির সব বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তাগণ। সিনেটর পিটারসেনের হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তুলে দেয়া হয় বিশেষ উপহার। এরপর নিজ আগ্রহে সবার সাথে ছবি তোলায় অংশ নেন সিনেটর। তার বর্তমান সিনেটর মেয়াদের শেষ কার্য দিবস আসছে ৩১ মার্চ। সেদিন রাতে একটি নৌশভোজের আয়োজন করতে যাচ্ছেন তিনি। সেই নৌশভোজে সবাইকে আমন্ত্রন জানিয়ে বিদায় নেন সিনেটর পিটারসেন। বলে যান, সময় পেলেই আবারও ছুটে আসবেন ডব্লিউইউএসটির ক্যাম্পাসে। 

post
শিক্ষা

লিটল বাংলাদেশে ডব্লিউইউএসটি ও পিপলএনটেকের সেমিনার অনুষ্ঠিত

'কেউ তার সন্তানকে শত টুকরো স্বর্ণ তুলে দেওয়ার চেয়ে স্কুলে পাঠানো শ্রেয়,' আফ্রিকান এই প্রবাদটি উল্লেখ করে তার বক্তব্য শুরু করেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর চ্যালেঞ্জ, সংগ্রাম ও সুযোগ, দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে যেভাবে পাবেন ছয় অঙ্ক আয়ের চাকরি এমন প্রতিপাদ্যে আয়োজিত একটি আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছিলেন তিনি। ড. হাসান জানান, ডব্লিউইউএসটি'র দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা সহজেই কর্মজগতে ঢুকতে পারে এবং নিজের ভবিষ্যত গড়ে তুলতে পারে। গত ৩০ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় এই আলোচনা সভা যৌথভাবে আয়োজন করে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ও পিপলএনটেক। লসএন্জেলসে লিটল বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করা হয়। এতে ভার্জিনিয়া থেকে অনলাইনে অংশ নিয়ে ড. হাসান কারাবার্ক বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম তিনটি দিক হচ্ছে এটি অ্যাফোর্ড্যাবল, অ্যাকসেসেবল ও অ্যাক্রেডিটেড। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ থেকে যুক্ত হয়ে অনলাইনে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য বদরুদ্দোজা মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ এই আলোচনা সভায় কি-নোট উপস্থাপন করেন। তিনি তুলে ধরেন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে এগিয়ে যাওয়ার পথে কিভাবে পাশে থেকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় তথা পিপলএনটেক। পিপলএনটেক এর গ্রাজুয়েটদের সাফল্যের একটি চিত্রও তুলে ধরেন আবুবকর হানিপ। অনুষ্ঠানে অনলাইনে অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশের সংসদসদস্য বদরুদ্দোজা মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বিশেষ সুবিধা নিয়ে লেখাপড়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার জন্য ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির তথা এর চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপের প্রশংসা করেন। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে কোলাবেরেশনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা বাংলাদেশে যাতে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়, সে ব্যাপারেও জোর দেন এই সংসদ সদস্য। বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলসে বাংলাদেশ কনসাল জেনারেলের কার্যালয়ের কমার্সিয়াল কাউন্সেলর এসএম খুরশিদ আলম। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির দক্ষতাভিত্তিক পাঠদান পদ্ধতির বিশেষ প্রশংসা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএফও এবং পিপলএনটেকের প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপ বলেন, ডব্লিউইউএসটি ও পিপলএনটেক পাশাপাশি থেকে কাজ করছে। শিক্ষার্থীরা পিপলএনটেক থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে উন্নত জীবনের পথ খুঁজে পাচ্ছে। ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ কর্মসূচিতে অনলাইন ও অফলাইনে অংশগ্রহণকারীদের সামনে তার জীবনের গল্পটি সংক্ষেপে তুলে ধরেন। এছাড়াও তিনি তুলে ধরেন পিপলএনটেকের অর্জিত সাফল্যের গল্প ও উদাহরণ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ক্যালিফোর্নিয়ার স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির পরিচিত মুখ ইঞ্জিনিয়ার জলিল খান, ড. ইউনুস রহিম, সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট আহিদুল আলম, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট মইনুল হক বাচ্চু প্রমুখ। বক্তারা সকলেই লসএঞ্জেলসে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ক্যাম্পাস স্থাপন তথা পিপলএনটেকের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আহ্বান জানান। পরে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। পরে সুস্বাদু নৈশভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়। 

post
বিশেষ প্রতিবেদন

অ্যাক্রেডিটেশন হারিয়েছে আসা কলেজ, নতুন ভর্তি বাতিল, বিভ্রান্তির জন্য লক্ষ ডলার জরিমানা

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের এএসএ কলেজের (আসা কলেজ নামে বেশি পরিচিত) অ্যাক্রেডিটেশন বাতিল করা হয়েছে। অ্যাক্রেডিটর মিডল স্টেটস কমিশন অন হায়ার এডুকেশন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে এখানকার সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে।অ্যাডভান্সড সফটওয়্যার অ্যানালিসিস- এএসএ ১৯৮৫ সালে ম্যানহাটনে একটি ছোট্ট ক্লাসরুমে যাত্রা শুরু করে পরে বৃহৎ কলেজে রূপ নিলেও ব্যবসাভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি শেষ পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের অ্যাক্রেডিটেশন ধরে রাখতে ব্যর্থ হলো। অ্যাক্রেডিটর কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কলেজটি এখন থেকে ফেডারেল স্টুডেন্ট এইডের সুবিধা পাবেনা। অথচ এই শিক্ষার্থীদের ভর্তি থেকে প্রতিষ্ঠানটির মোট রেভিনিউর দুই-তৃতীয়াংশ আসতো বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ১১ নভেম্বর মিডল স্টেটের পাঠানো একটি চিঠিতে আসা কলেজকে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষ বলেছে, শর্তগুলো না মানতে পারলে আগামী ১ মার্চ ২০২৩ এর পর অ্যাক্রেডিটেশন আর থাকবে না। নিউইয়র্কের ম্যানহাটন ও ব্রুকলিনে আসা কলেজের দুটি ক্যাম্পাস রয়েছে। এছাড়া ফ্লোরিডার হিয়ালিতেও রয়েছে একটি ক্যাম্পাস। প্রতিষ্ঠানটি নার্সিং, হেলথ কেয়ার, ইনফরমেশন টেকনোলজি, বিজনেস ও ক্রিমানাল জাস্টিসে ডিগ্রি অফার করে আসছে। সূত্রের বরাতে খবরে বলা হয়েছে ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি ৫২ মিলিয়ন ডলার রেভিনিউ আয় করেছে যার মধ্যে ৩৩.৬ মিলিয়ন ডলারই ছিলো যুক্তরাষ্ট্রে ট্যাক্সপেয়ারদের অর্থ। যা স্টুডেন্ট গ্র্যান্ট ও লোনের মাধ্যমেই আসতো। সরকারের এই বিপুল অংকের অর্থ পাওয়ার পরেও আসা'য় নিয়ম নীতির বালাই ছিলো না। মুনাফালোভী প্রতিষ্ঠানটি মনকাড়া বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী সংগ্রহে ও অর্থ আয়ে ব্যস্ত ছিলো। নিউইয়র্কের সাবওয়েগুলোতে এমন বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের জন্য নিউইয়র্ক সিটি কর্তৃপক্ষ এবছর ১ লাখ ১২ হাজার ডলার জরিমানা করে এই প্রতিষ্ঠানকে। নিউইয়র্ক লিগ্যাল এসিস্ট্যান্স গ্রুপ তথা সাবওয়েতে ওঠা সাধারণ মানুষও এ বিষয়ে অভিযোগ আনে। যার পরিপ্রেক্ষিতে আসা কলেজ তার বিজ্ঞাপন তুলে নিতে বাধ্য হয়। এবং জরিমানা দেয়। মিডল স্টেটস অ্যাক্রেডিটর কমিশন বলেছে, আসা তার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে এবং তাদের কাছে কোনো কার্যকর টিচ-আউট প্ল্যানও নেই। কমিশনের তরফ থেকে আরও বলা হয়েছে, ডিপার্টমেন্ট অব এডুকেশন আসা কলেজকে তার পে-রোল বাধ্যবাধকতা মানতে ব্যর্থ হওয়ার কারলে এইচসিএম২ স্ট্যাটাস বাতিল করেছে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটি তার বন্দোবস্ত চুক্তির শর্তগুলো মানতে পারেনি। আরও খবর হচ্ছে, কমিশনকে না জানিয়ে কলেজটির ফ্লোরিডার ক্যাম্পাস এরই মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পুর্ব অনুমোদন ছাড়া এভাবে ক্যাম্পাস বন্ধ করে দেওয়া ও স্টেট কর্তৃপক্ষ থেকে লাইসেন্স নবায়ন না করাটিও অন্যায় বলে জানিয়েছে মিডল স্টেট। স্থানীয় সরকার এজেন্সিগুলোর তরফ থেকেও মিডল স্টেটের কাছে কলেজটির বিরুদ্ধে কনজুমার প্রোটেকশন আইনগুলো না মানার অভিযোগ এসেছে। এ অবস্থায় মিডল স্টেটস এরই মধ্যে আসা কলেজকে যথাযথ টিচ-আউট প্ল্যান দাখিল করতে বলেছে এবং তাদের অ্যাক্রেডিটেশন যে বাতিল করা হয়েছে তা সকল শিক্ষার্থীকে যথাযথভাবে জানিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এছাড়াও নতুন কোনো শিক্ষার্থী যাতে এই কলেজে আর ভর্তি করা না হয় সেই নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আরও গুরুতর বিষয় হচ্ছে এই কলেজের মালিক অ্যালেক্স শেগলের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ। যে কারণে তিন বছর আগে কলেজ বোর্ড তাকে সরিয়ে দেয়। এরপর গেলো বছর শেগল নিজেই স্কুল বোর্ড সদস্যদের অধিকাংশকে সরিয়ে দেন এবং ফের এর নিয়ন্ত্রণ নেন। গত ডিসেম্বর থেকে তিনি স্কুলের প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে আর নেই। তবে স্কুলের সত্ত্বাধিকারী হিসেবে রয়ে গেছেন। তবে, অবাক করার বিষয় হচ্ছে, বিষয়গুলো বেমালুম চেপে যাচ্ছে আসা কর্তৃপক্ষ। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আসা কলেজের ওয়েবসাইটে এই অ্যাক্রেডিটেশন বাতিল বিষয়ক কোনো তথ্যই দেওয়া হয়নি। বরং এতে এখনো ঝুলে রয়েছে অনেকগুলো নজরকাড়া ভর্তির বিজ্ঞাপন।

post
বিশেষ প্রতিবেদন

বিপুল উদ্দীপনা ও আনন্দ আয়োজনে সম্পন্ন ডব্লিউইউএসটি'র কনভোকেশন ২০২২

অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি- ডব্লিউইউএসটি'র কনভোকেশন ২০২২। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীকে তুলে দেওয়া হলো তাদের গ্রাজুয়েশন সনদ ও সম্মাননা। শনিবার (১৮ জুন) ভার্জিনিয়ার জর্জ সি. মার্শাল হাইস্কুল মিলনায়তনে সম্পন্ন হয় এই গ্রাজুয়েশন সেরিমনি। কালো গাউন মাথায় গ্রাজুয়েশন হ্যাট পরে সেরিমনির মূল আকর্ষণ হয়ে শিক্ষার্থীরা তাদের সনদ নিলেন, আনন্দ-উচ্ছ্বাসে ভরিয়ে তুললেন দিনটিকে। এতে প্রধান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্স কাউন্টির বোর্ড অব সুপারভাইজর এর চেয়ারম্যান জেফরি সি. ম্যাককে। কর্মসূচিটিকে স্রেফ সনদ বিতরণে সীমিত না রেখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আয়োজন করে একটি বিশেষ সেমিনারের। তাতে কি-নোট স্পিকার হিসেবে শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন ড. রায়ান সাদী, যুক্তরাষ্ট্রে সমহিমায় প্রতিষ্ঠিত একজন অনন্য বাংলাদেশি আমেরিকান চিকিৎসা-গবেষক। ক্যান্সারের সফল চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার করে তিনি কুড়িয়েছেন বিরল সম্মান। শিক্ষার্থীদের তিনি নিজের জীবনের সাফল্যের গল্পটি শোনান এবং তাদের উদ্ধুদ্ধ করেন ভবিষ্যতের পথ চলার নানা দিকনির্দেশনায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ, প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ বিতরণের পাশাপাশি তাদের বক্তৃতায় তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যত কর্মপন্থার কথা। অনুষ্ঠানে অভ্যাগত অতিথি হয়ে এসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে স্বীয় ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত অন্য আরও অনেক বাংলাদেশি-আমেরিকান। যারা এই গ্রাজুয়েশন-কনভোকেশনে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন। এদের মধ্যে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতিতে সফল বাংলাদেশি-আমেরিকান ডেমোক্র্যাট সিনেটর শেখ রহমান, যুক্তরাষ্ট্রে কূটনীতিতে সফল ব্যক্তিত্ব প্রথম মুসলিম বাংলাদেশি-আমেরিকান রাষ্ট্রদূত এম. ওসমান সিদ্দিক,  শিক্ষা ও গবেষণায় সফল ব্যক্তিত্ব আইট্রিপলই'র প্রেসিডেন্ট ড. সাইফুর রহমান ও মনমাউথ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এবং গ্লোবাল সোশ্যাল ওয়ার্ক এডুকেশন কমিশনের কো-চেয়ার ও কমিশনার ড. গোলাম এম. মাতবর, তথ্যপ্রযুক্তির সফল প্রবক্তা ও উদ্যোক্তা, ইউটিসি অ্যাসোসিয়েটস, কোডার্সট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও সিইও আজিজ আহমদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সিদ্দিক শেখ ও প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ফারহানা হানিপ। বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. জাফর পিরিম ও ড. শ্যান চো ছাড়াও শিক্ষকদের অনেকেই অংশ নেন এই কনভোকেশনে। দর্শক সারিতে অন্যান্য বিশিষ্টজনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের নাতি ডেভিড রিগবি। যিনি নিজেও একজন বিজ্ঞানী। মাস্টার অব দ্য সেরিমনি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস'র পরিচালক ড. মার্ক এল রবিনসন। সঞ্চালনায় ছিলেন ডব্লিউপিএলজি এবিসি- টেন'র সিনিয়র প্রডিউসার ও করেসপন্ডেন্ট ড. আনিভা জামান। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেফরি সি. ম্যাককে বলেন, বহুজাতির সম্মিলনই যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম শক্তি। তাদের অন্তর্ভূক্তিমূলক, সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার যে নীতিতে  যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত তারই একটি উদাহরণ এই ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি। এর শিক্ষার্থীরা বিশ্বের নানা দেশ থেকে এদেশে এসে তাদের উচ্চতর শিক্ষা নিচ্ছে, বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তির শিক্ষা গ্রহণ করছে, যা এই সময়ের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বলে বক্তৃতায় উল্লেখ করেন তিনি। জেফরি বলেন, ভার্জিনিয়ায় ৯০০০ টেকনোলজি কোম্পানি রয়েছে, এই শিক্ষার্থীরা তাদের পড়াশোনা শেষ করে এসব কোম্পানিতে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে যোগ দিতে পারবে, এটি সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। "আহা আমি নিজেও যদি পারতাম এমন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন বিষয়ে শিক্ষা নিতে," আক্ষেপের সুরে বলেন জেফরি সি. ম্যাককে। কি-নোট স্পিকার ড. রায়ান সাদী তার ব্যক্তি জীবনের গল্প দিয়ে শুরু করেন এবং একটি স্বপ্ন লালন করলে তা যে পূরণ হবেই সে কথাই শোনান শিক্ষার্থীদের। জীবনের প্রতিটি ক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্বে ব্যবহার করার কথা বলেন আর শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে অসীম সম্ভাবনা রয়েছে তা উল্লেখ করে প্রত্যেককে মানবতার শক্তিতে বলিয়ান হওয়ার আহ্বান জানান। আত্মপ্রত্যয়ী হতে বলেন আর পরিশুদ্ধ মনের অধিকারী হতে বলেন প্রতিটি শিক্ষার্থীকে। সবচেয়ে বেশি যেটি প্রয়োজন তা হচ্ছে নিজেকে জানা, প্রত্যেকে তাকে নিজেকে জানতে পারলে, নিজের সক্ষমতা, দক্ষতা ও যোগ্যতা জানলে এরপর আত্ন নিয়োজনেই যে কোনো অর্জন সম্ভব, বলেন ড. রায়ান সাদী। চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ তার বক্তৃতায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এখন যারা গ্রাজুয়েটেড হলেন তারা সকলেই গত বছরগুলোতে একটি কঠিন ও অনিশ্চিত সময়ের মধ্যে দিয়ে গেছেন। কিন্তু আমি দেখেছি শিক্ষার্থীদের অসীম শক্তি ও আত্মপ্রত্যয়। আর সে কারণেই তারা সফল হতে পেরেছেন। আর তারই পথ ধরে আজ তাদের সেই সাফল্যই আজ উদযাপিত হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য সাফল্যের একটি দৃঢ় ভিত রচনা করে দিয়েছে। এখন প্রত্যেকের মধ্যেই তৈরি হয়েছে অর্জনের সকল সম্ভাবনা। যা ভবিষ্যতের যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কাজ করবে, বলেন আবুবকর হানিপ।   এই গ্রাজুয়েটরা প্রত্যেকেই এখন ওয়াশিংটন সায়েন্স অ্যান্ট টেকনোলজি-ডব্লিউইউএসটি'র এলামনি এবং গোটা বিশ্বের কাছে এই বিশ্ববিদ্যালয়র প্রতিনিধি। তাদের প্রত্যেকের সাফল্যই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বাড়াবে। আর ভবিষ্যতে এই শিক্ষার্থীরা তাদের যে কোনো প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়কে পাশে পাবে, বলেন চ্যান্সেলর হানিপ। ড. হাসান কারাবার্ক বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীরা শিক্ষার পাশাপাশি যে অভিজ্ঞতা অর্জন করে সেটিই সবচেয়ে বড় কথা। অভিজ্ঞতার কোনো বিকল্প কিছু নেই। শিক্ষার্থীেদর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন সেটি অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করবেন। যা তাদের একই ধরণের উদ্যোগ নিতে উদ্যমী করে তুলবে।এসময় শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রিপ্রাপ্ত হিসেবে ঘোষণা করেন ড. হাসান কারাবার্ক। সশরীরে উপস্থিত থাকতে না পারায় ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলোজির গ্রাজুয়েটদের এবং কর্তৃপক্ষকে শুভেচ্ছা জানান সেনেটর শেখ রহমান। এম. ওসমান সিদ্দিক শিক্ষার্থীদের দৃঢ়প্রত্যয়ী ও সাহসী হওয়ার উদ্দীপনা যোগান। এবং বলেন, জীবনের পথ চলায় সেটাই করবেন, যা আপনার হৃদয়ে লালিত। ড. সাইফুর রহমান বলেন, দেশ আপনার জন্য কি করতে পারবে সেটি যেমন জরুরি তেমনি আপনি দেশের জন্য কি করতে পারছেন সেটিও জরুরি। কারো কাছে সহায়তা প্রত্যাশার আগে তাকে কি সহায়তা করতে পারেন সেটি নিশ্চিত করতে হবে। একবিংশ শতাব্দীর জন্য উপযোগী উৎপাদনমুখী কর্মশক্তি তৈরিতে কাজ করছে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, এখানকার শিক্ষার্থীরা তাদের যাত্রা শুরুই করতে পারছে এই ভবিষ্যত কর্মশক্তিতে তাদের স্থান করে নিয়ে, এটা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার, বলেন অধ্যাপক ড. গোলাম এম মাতবর। তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি সক্ষমতার পাশাপাশি নৈতিকতা ও মূল্যবোধের ওপর জোর দেন। এবং বলেন, এসব কিছুর সমন্বয়েই কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব। সিদ্দিক শেখ এই বিশ্ববিদ্যালয় আপনাদের জন্য একটি সফল ভবিষ্যত অর্জনের পথ খুলে দিয়েছে। ভবিষ্যতের একটি সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আপনার বর্তমান শিক্ষার্থী হিসেবে গ্রাজুয়েটেড হলেন এটাই হতে পারে আপনাদের গর্বের বিষয়। শিক্ষার্থীদের প্রতি তিনি মনযোগী, সৎ ও বিনয়ী হওয়ার আহ্বান জানান। তথ্যপ্রযুক্তির দক্ষতাভিত্তিক একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করা প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীকে ভাগ্যবান বলে উল্লখ করেন আজিজ আহমদ। এই শিক্ষার মধ্য দিয়ে যে দক্ষতা অর্জিত হয়েছে সেটাই প্রতিটি শিক্ষার্থীকে বিশ্বের কর্মজগতের উপযোগী করে তুলবে। আর সময়ের প্রয়োজনগুলো সঙ্গে শিক্ষার্থীরা তাদের এই জ্ঞানকে যতটা সম্পৃক্ত করতে পারবে তাদের সাফল্যই তত বেশি আসবে, বলেন তিনি।  ফারহানা হানিপ তার বক্তৃতায় নতুন গ্রাজুয়েটদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আজ আপনাদেরই দিন। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনলোজি'র গ্রাজুয়েটরা এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই আয়না। এখানে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীরা একে অন্যের প্রতিবিম্ব হয়ে কাজ করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা দেশের নানা জাতির শিক্ষার্থীরা পড়তে আসে, তাদের উপস্থিতিতে প্রতিটি ক্লাসরুম যেনো জাতিসংঘের সম্মেলন কক্ষ হয়ে ওঠে। আর এই ডাইভার্সিটিই প্রকৃত সুযোগ ও সম্ভাবনা তৈরি করে, বলেন ফারহানা হানিপ। শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাইবার সিকিউরিটিতে মাস্টার্স সম্পন্ন করে সনদপ্রাপ্ত জোসেফাইন মিলি চুং। তিনি বলেন, একটি পূর্ণসময়ের চাকরি করে, শিশু সন্তান লালন পালন করেও আমি এই ডিগ্রি সম্পন্ন করতে পেরেছি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাদান পদ্ধতি এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি তাদের সর্বোচ্চ যত্ন ও গুরুত্ব আরোপের কারণে। অনলাইনে সাইবার সিকিউরিটি কোর্স সম্পন্ন করে এই ডিগ্রি নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এখন কাজ করছেন মিলি চুং। পরে একে একে শিক্ষার্থীদের মাঝে তাদের গ্রাজুয়েশন ডিগ্রির সনদ তুলে দেওয়া হয়। আর সবশেষে শিক্ষার্থীরা মেতে ওঠে ফটো সেশনে এবং তারই সঙ্গে আনন্দ বিনোদনে। শিক্ষার্থীদের অনেকেই এসেছিলেন তাদের পরিবার-পরিজন সাথে নিয়ে।দিনের পরের ভাগে সন্ধ্যায় অভ্যাগত অতিথিরা যোগ দেন কনভোকেশন ডিনারে। স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত এই ডিনারে অতিথিরা একজন বাংলাদেশি আমেরিকান হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার জন্য আবুবকর হানিপকে অভিনন্দিত করেন। বক্তাদের মধ্যে ছিলেন ভয়েস অব আমেরিকার বাংলা বিভাগের সাবেক প্রধান রোকেয়া হায়দার, ভয়েস অব আমেরিকার অপর বর্ষিয়ান সাংবাদিক সরকার কবিরউদ্দিন, এএবিজিএম'র সিইও আবদুল আলিম, ই-লার্নিংয়ে বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. বদরুল খান, সাংবাদিক উপস্থাপক কবিতা দেলাওয়ার, ভারতীয় সাংবাদিক রঘুবীর গোয়েল প্রমুখ। বক্তারা আবুবকর হানিপের  এই উদ্যোগকে পাহাড় সড়ানোর মতো একটি কাজ বলে উল্লেখ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সম্ভাবনার দিক তুলে ধরে এই যাত্রা অব্যহত রাখতে ইঞ্জি. আবুবকর হানিপকে উৎসাহ যোগান এবং তার ভিশন ও মিশনের প্রশংসা করেন তারা। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাপ্লায়েড রিসার্চ অ্যান্ড ফোটোনিক্স'র প্রেসিডেন্ট ড. আনিস রহমান, এএবিইএ সেন্ট্রাল এর চেয়ারম্যা ড. ফয়সল কাদের, বাংলাদেশের প্রাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ হোসেন, কপিন স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দিন, ক্রিকপয়েন্ট'র সিইও কাজী জামান, বাই'র সভাপতি সালেহ আহমেদ, ভারতীয় সাংবাদিক রঘুবীর গোয়েল, টার্কিস কমিউনিটি নেতা ও উদ্যোক্তা ড. ইউসুফ চেতিনকায়া,  ড. তার্গে পোলাদসহ কয়েকজন। সঙ্গীত ও উপাদেয় খাবারে এই সান্ধ্যভোজ হয়ে ওঠে আনন্দময়। গান গেয়ে শোনায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত নতুন প্রজন্মের শিল্পী নাফিসা নওশিন, আনিকা হোসাইন ও আনিসা হোসাইন।সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির নাম আইগ্লোবাল ইউনিভার্সিটি থেকে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি করা হয়েছে। গ্রাজুয়েটেডরা সকলেই ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে তাদের সনদপত্র পাবেন।২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে সফল বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ইঞ্জি. আবুবকর হানিপের ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রে কোনো বাংলাদেশি আমেরিকানের হাতে পরিচালিত প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে তথ্য-প্রযুক্তি, সাইবার সিকিউরিটি ও এমবিএ- বিবিএ কোর্সে বর্তমানে ছয় শতাধিক শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। বিশ্বের ১২১ দেশের শিক্ষার্থীরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে হয় সনদপ্রাপ্ত হয়েছেন নয়তো বর্তমানে অধ্যয়নরত রয়েছেন।

post
টেক মেন্টর

২৪ মে শুরু হচ্ছে পিপলএনটেকের নতুন কোর্স, ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন

সফট লার্নিংয়ের মাধ্যমে আইটি খাতে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে তৈরি হতে পিপলএনটেক-কেই বেছে নেন অনেকে। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াভিত্তিক এই আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক ব্যাচকে প্রশিক্ষিত করে চলেছে। ২০০৫ সাল থেকে পরিচালিত হয়ে আসে পিপলএনটেক আইটি জগতে পা ফেলা মানুষের কাছে একটি আস্থার নাম। তারই ধারাবাহিকতায় এই গ্রীস্মে শুরু হচ্ছে নতুন ব্যাচের প্রশিক্ষণ। যার ওরিয়েন্টেশন হয়ে গেলো গত বুধবার (১৮ মে)। আর ২৪ মে থেকে শুরু হচ্ছে চারমাসের এই কোর্স।যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক কেন্দ্র থেকে শুরু হচ্ছে এই কোর্স। অনলাইনে অংশ নিতে পারছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্য তথা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে।  সেলেনিয়াম'র মাধ্যমে সফটওয়্যার টেস্টিং এর দক্ষতা বাড়ানোর উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে এবারের কোর্সে। কোর্সের ওরিয়েন্টেশনে সেসব কথাই জানালেন পিপলএনটেক কর্তৃপক্ষ।  তিন ঘণ্টাব্যাপী এই ওরিয়েন্টেশনে সার্বক্ষণিক থেকে নতুন প্রশিক্ষণার্থীদের নানাবিধ পরামর্শ ও উদ্দীপনামূলক বক্তব্য রাখেন পিপলএনটেকের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও আবুবকর হানিপ। তিনি বলেন, পিপলএনটেক শুধু একটি ইনস্টটিটিউট নয় একটি পরিবার। যেখান থেকে শুরু হয় জীবনের নতুন গল্প। নিউইয়র্ক কার্যালয় থেকে এই কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। এই ইনস্টটিটিউট গত সতেরো বছর ধরে কিভাবে যুক্তরাষ্ট্র এবং এর বাইরে বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে সেসব উদাহরণ তুলে ধরেন আবুবকর হানিপ। পিপলএনটেক শুরু থেকে এখন পযর্ন্ত কেন সবার থেকে আলাদা কিভাবে প্রতিটি শিক্ষার্থী ক্যারিয়ার উন্নয়নে কি ভূমিকা রাখে তা নতুন শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থাপন করেন।আবু বকর হানিপ আরও বলেন, কর্মজগতে সক্ষম ও দক্ষ কর্মশক্তি সরবরাহে একটি জনপ্রিয় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এই পিপলএনটেক। তথ্য প্রযুক্তির সময়োপযোগী নতুন নতুন বিষয়ে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করে প্রতিষ্ঠানটি। পিপলএনটেকের শিক্ষা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে যারা ড্রিম জব অ্যাচিভ করেছেনে তাদের বর্তমান অবস্থার কথাও চেয়ারম্যান উপস্থাপন করেন তার আলোচনায়।পিপলএনটেকের প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপ অংশ নেন ভার্জিনিয়া কার্যালয় থেকে। প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন তিনি। তিনি বলেন, পিপলএনটেক স্রেফ কোনো প্রশিক্ষণ নয়, এটি একটি সেবার নাম। নতুন প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতি সর্বোচ্চ একাগ্রতায় কোর্স সম্পন্ন করার আহ্বান জানান তিনি।   ওরিয়েন্টেশনে পিপলএনটেকের সার্বিক অবস্থা মিশন ও ভিশনের উপর একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন বিজনেস ডেভলপমেন্ট এক্সিকিউটিভ কোয়াদ্র উইলসন। কোর্সের আওতায় প্রশিক্ষণার্থীরা কোর্স শেষে যাতে তাদের রিজ্যুমি তৈরি করতে পারেন, যা তাদের কাজ পেতে সহায়ক হবে, সে বিষয়ে সম্পূর্ণ সহযোগিতা দেয় পিপলএনটেক। তার জন্য কিভাবে কি করতে হবে পুরো প্রক্রিয়াটি উপস্থাপন করেন পিপলএনটেকের সিনিয়র টেকনিক্যাল রিক্রুটার আইজা আহমেদ। নতুন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন নির্দেশনা দেন পিপলএনটেকের ইন্সট্রাক্টর শুভাশীষ দেবনাথ। অরিয়েন্টেশনের এক পর্যায়ে কথা বলেন এখান থেকে প্রশিক্ষণ শেষ করে সফটওয়ার ইন্ডাস্ট্রিতে ড্রিম জব পাওয়া নেপালের মেয়ে শিলা। তিনি কিভাবে পিপলএনটেক তার জীবন বদলে দিয়েছে, আমেরিকান স্বপ্নপূরণে সহায়তা করেছে তা তুলে ধরেন। পিপলএনটেকের প্রশিক্ষণ পদ্ধতিই হচ্ছে, কর্মস্থলের রেপ্লিকা তৈরি করে সেভাবেই প্রশিক্ষণার্থীদের শেখানো। ফলে এখান থেকে শেখার পর কাউকে আর ফ্রেশার হিসেবে চাকরি নিতে হয় না। সরাসরি দক্ষ কর্মীর চাকরি পেয়ে যান পিপলএনটেকের প্রশিক্ষণার্থীরা। তবে তার জন্য প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ১৬ সপ্তাহ টানা কঠোর অনুশীলনের মধ্যে থাকতে হবে, মানতে হবে বেশ কিছু নিয়ম কানুন। সেই নির্দেশনা গুলো অরিয়েন্টেশনে জানান ইনস্ট্রাকট্রর জয়নাল আবেদীন এবং নর্দাইন কেচেলি। ওরিয়েন্টেশনের শেষ ভাগে ছিলো প্রশ্ন ও উত্তর পর্ব। তাতে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন চেয়ারম্যান ও সিইও আবুবকর হানিপ।স্টেট কাউন্সিল অব হায়ার এডুকেশন ফর ভার্জিনিয়া (এসসিএইচইভি) এবং নিউইয়র্কের ব্যুরো অব প্রপ্রাইটারি স্কুল সুপারভিশন-বিপিএসএস দ্বারা অনুমোদিত এই পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি। ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পিপলএনটেক গত সতের বছর যাবৎ যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি কানাডা, ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সফটওয়্যার টেস্টিংয়ের উপর শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেবা দিয়ে আসছে। ভার্জিনিয়া ও নিউইয়র্ক ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সি ও পেনসিলভ্যানিয়াতে রয়েছে পিপলএনটেকের কার্যালয়। এছাড়া ভারতের হরিয়ানায় ও বাংলাদেশের ঢাকায় রয়েছে পিপলএনটেকের কার্যালয়।  

post
শিক্ষা

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণার গল্প শোনালেন আবুবকর হানিপ

আবুবকর হানিপের নিজের গল্পটাই অনুপ্রেরণার এবং পথ দেখানোর গল্প। আর সে কারণে তিনি যে কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলে তার গল্পটাই সকলে শুনতে চান। আর শোনাতে চান আবুবকর হানিপ নিজেও। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি- ডব্লিউইউএসটির (পূর্বনাম আইগ্লোবাল ইউনিভার্সিটি) প্রতিষ্ঠাতা ও চ্যান্সেলর, পিপলএনটেক'র প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও, এনআরবিকানেক্ট টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সফল বাংলাদেশি আমেরিকান এই ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ।গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বাংলাদেশি ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএ'র উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ উৎসবে তিনি বক্তব্য রাখছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের চ্যালেঞ্জ, সংগ্রাম ও সুযোগ নিয়ে আলোচনা ছিলো অনুষ্ঠানের মূল্য প্রতিপাদ্য। আবুবকর হানিপ ছিলেন এই আয়োজনের কিনোট স্পিকার।নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত হয়েছিলেন সে আয়োজনে। অভ্যাগতদের মধ্যে ছিলেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশি জনপ্রতিনিধি, কমিউনিটিতে প্রতিষ্ঠিত পেশাজীবী ও ব্যক্তিত্বরা। অনুষ্ঠানটির স্পন্সর ছিলো ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি- ডব্লিউইউএসটি এবং পিপলএনটেক।পিপলএনটেকের কার্যালয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ছিলেন নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশি এবং অন্য দেশের যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী শিক্ষার্থী- প্রশিক্ষণার্থীরা। সেখানেই আবুবকর হানিপ তার নিজের জীবনের গল্পটি শোনাচ্ছিলেন। উপস্থাপনায় তিনি জানাচ্ছিলেন, কি করে এখানকার বাংলাদেশি ডায়াসপোরার মধ্যে একটি স্বপ্ন বুনে দিতে সক্ষম হয়েছেন। যার পথ ধরে এখানে প্রতিটি পরিবারে একসময় একজন করে ছিলেন ইয়ালো ক্যাব চালক; যা এখন ধীরে ধীরে প্রতি পরিবারে একজন করে আইটি প্রফেশনালে পরিবর্তিত হচ্ছে। এবং সে প্রক্রিয়ায় একটি বড় অবদান রেখে চলেছে তারই প্রতিষ্ঠিত পিপলএনটেক। যে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অন্তত ৭০০০ বাংলাদেশি আজ আইটি প্রশিক্ষিত হয়ে চাকরির বাজারে ড্রিম জব করছে। যার প্রায় সবগুলোই সিক্সডিজিট প্লাস এর চাকরি।  আবুবকর হানিপ জানান, তার পরিচালনায় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি- ডব্লিউইউএসটি-ও একটি দক্ষতানির্ভর শিক্ষা পদ্ধতি নিয়ে এগুচ্ছে যা এখানকার সকল শিক্ষার্থীদের একটি ডিগ্রির পাশাপাশি সময়ের সবচেয়ে আগুয়ান ও চাহিদাসম্পন্ন বিষয়গুলোতে দক্ষ করেই যুক্তরাষ্ট্রের কর্মবাজারে এগিয়ে দেবে। এতে করে এখানকার প্রতিটি শিক্ষার্থী সেই একই রকম সিক্সডিজিট আর্নার হতে পারবে তাদের শিক্ষাপরবর্তী কর্মজীবনের শুরু থেকেই।শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আবুবকর হানিপ বলেন, ছাত্রাবস্থায় তারা যেনো এদেশের কোনো হাতছানিতে না ভুলে স্টুডেন্ট স্ট্যাটাসটি অক্ষুণ্ন রাখেন এবং যথাযথভাবে তাদের ডিগ্রিটি সম্পন্ন করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে এটাই কিন্তু শিক্ষার্থীদের প্রধান চুক্তি। এদেশে শিক্ষা ভিসা নিয়ে যারা আসেন তাদের শিক্ষা শেষে রয়েছে অবারিত সুযোগ। তবে তা কোনোভাবেই শিক্ষা সম্পন্ন করার আগে প্রযোজ্য নয়।আমেরিকান ড্রিম সম্পন্ন করার একটি চমৎকার পথ এদেশে রয়েছে। ওপিটি, সিপিটি স্ট্যাটাসের পাশাপাশি এইচওয়ানবি স্ট্যাটাসের সুযোগ এবং তার পথ ধরেই গ্রিন কার্ড ও স্থায়ী বসবাসের সুযোগটি আসে। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সে পথেই চলতে হবে। অন্য কোনো শর্টকাট কিংবা অবৈধতার পথ বেছে নিলে তা পরিনামে ভালো কিছু বয়ে আনে না, উল্লেখ করেন কি-নোট স্পিকার আবুবকর হানিপ। তিনি আরও বলেন,, "নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মজগতকে যতটা বুঝতে পারি, যুক্তরাষ্ট্র এখন দক্ষ মানুষের দেশ। এখানে দক্ষদের সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। আর সেই সম্ভাবনা থেকেই ডব্লিউইউএসটি তার শিক্ষার্থীদের দক্ষ করেই কর্মজগতে পাঠানোর প্রয়াস নিয়েছে। এবং শিগগিরই এই ঘোষণায় যাচ্ছে যে- নো জব নো ট্যুইশন। অর্থাৎ ডব্লিউইউএসটির গ্রাজুয়েটরা চাকরিবাজারে সুযোগ না পেলে তাদের ট্যুইশান ফি-ই ফেরত দেবে বিশ্ববিদ্যালয়।"  বিষয়গুলো যখন বলছিলেন একজন প্রত্যয়ী আবুবকর হানিপ, উপস্থিত দর্শকরা তা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শুনছিলেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন থার্টিসিক্সথ অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্টএর অ্যাসেম্বলি সদস্য জোহরান কে মামদানি, নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলর সিডি ২৫ শেখর কৃষ্ণাণ, নিউইয়র্ক ট্যাক্সি ওয়ার্কার্স অ্যালায়েন্সের নির্বাহী পরিচালক ভৈরবী দেশাই, নিউইয়র্ক ডেমোক্রেটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার এট লার্জ মঈন চৌধুরী, বাংলাদেশি আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোহাম্মদ এন মজুমদার, বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য মফিজুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, অরগানাইজিয় সোসাইটি অ্যাট ডিআরইউএম-এর পরিচালক কাজি ফৌজিয়া, অ্যাস্টোরিয়া সোসাইটি ইউএসএ'র সাধারণ সম্পাদক মো. জায়েদ উদ্দিন, বাংলাদেশি কমিউনিটি লিডার জামাল হক প্রমুখ। এরা সকলেই অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে উপদেশমূলক বক্তব্য রাখেন।তারা তাদের বক্তৃতায় বলেন, আবুবকর হানিপ নিজেই এখন নিজের পরিচয় এবং তিনিই এখন প্রবাসী বাংলাদেশিদের অন্যতম অনুপ্রেরণা। তার নেতৃত্বে একটি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে, যা প্রতিটি মানুষের গর্ব, উল্লেখ করেন বক্তারা।  দুটি পর্বে বিভক্ত এই অনুষ্ঠানে অ্যাসোসিয়েশনে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। পরে প্রথম প্যানেল আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ভিসার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এশিয়ান অ্যামেরিকান লিগ্যাল ডিফেন্স অ্যান্ড এডুকেশন ফান্ড এর সিনিয়র স্টাফ এটর্নি স্টেইলি মার্ক।দ্বিতীয় প্যানেল আলোচনায় একজন শিক্ষার্থী তার শিক্ষা জীবনের সংগ্রাম এবং পরে আমেরিকান ড্রিম অর্জনে তার সাফল্যের গল্প তুলে ধরেন। এই পর্বে আলো জনা করেন আরও দুইজন শিক্ষার্থী যারা পিপলএনটেক থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নেওয়ার পরে যে সফলতার পথ মাড়িয়ে চলেছেন তা নতুন শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরেন।     সবশেষে ঈদ উৎসবে মজাদার সব ঈদের খাবার পরিবেশন করা হয় অতিথিদের মধ্যে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.