যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ও ডিসি মেট্রোপলিটন এলাকার হাইস্কুল গামী শিক্ষার্থীদেরকে কলেজের বিষয়ে আগ্রহ তৈরি করত এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করতে ১৮ অক্টোবর জর্জ মেসন বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়ে গেলো, 'আলক্যানজা কলেজ মেলা'র ২৩তম বার্ষিকী। হিস্পানিক হেরিটেজ মাসের অংশ হিসেবে ল্যাটিনক্স শিক্ষার্থীদের, মাধ্যমিক-পরবর্তী পরিকল্পনা সম্পর্কে, অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে এই মেলা আয়োজন করা হয়।
যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলের ১৫০ টিরও বেশি কলেজ এই মেলায় অংশ নিয়েছে আর এতে উপস্থিত হয়েছিলো উচ্চ বিদ্যালয়ের পাঁচ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। মেলায় ডিউক, জেএমইউ, মেসন, উইলিয়াম এবং মেরি, হার্ভার্ড, প্রিন্সটনের মত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি গন উপস্থিত হয়েছিলেন। অন্যসব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের সাথে এই আয়োজনে অংশ নিয়েছে ভার্জিনিয়াস্থ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ডব্লিউইউএসটি)। শিক্ষার্থীদের মাঝে ডব্লিউইউএসটির সম্পর্কে সার্বিক তথ্য শেয়ার করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং ডিরেক্টর হোসে ওর্তেগা ও প্রতিনিধি অ্যাশলে।
স্কলারশিপসহ সকল রকম সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে জানার পর শিক্ষার্থীদের মাঝে ডব্লিউইউএসটির সম্পর্কে বেশ আগ্রহ লক্ষ্য করা যায় বলে জানান, হোসে ওর্তেগা। তিনি উল্ল্যেখ করেন, মেলায় নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার হিসেবে স্ট্রাইভ স্ক্যান অ্যাপের ব্যবহার তার কাছে ইউনিক মনে হয়েছে। কিউআর কোড স্ক্যান করার মাধ্যমে মেলায় আসা আগ্রহী শিক্ষার্থীদের সকল তথ্য পাওয়া সম্ভব খুব সহজে। অদূর ভবিষ্যতে ডব্লিউইউএসটি এই প্রযুক্তি ব্যবহার করবে বলে জানান তিনি।
মেলা চলাকালীন বিভিন্ন হাইস্কুলের কাউন্সেলরগণদের সাথে কথা হয়েছে ডব্লিউইউএসটির প্রতিনিধি দলের সাথে। কাউন্সিলরগণ তাদের শিক্ষার্থীদের জন্য ডব্লিউইউএসটির ক্যাম্পাস পরিদর্শন করার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেন। ডিসেম্বর ও জানুয়ারীতে তারা যেন ক্যাম্পাস পরিদর্শন করতে পারেন সেই বিষয়ে প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন হোসে ওর্তেগা।
২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টি ২০২১ সাল থেকে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি আমেরিকানের হাতে পরিচালিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ একটি বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে তথ্য-প্রযুক্তি, সাইবার সিকিউরিটি ও এমবিএ-বিবিএ কোর্সে বর্তমানে বিশ্বের ১২১ দেশের ১৫ শ'র বেশি শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে।
