বছরের সবচেয়ে আনন্দমুখর একটি দিন যেন কাটালো ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থীরা। চার মাসের ব্যবধানে ১লা অক্টোবরের রবিবার বছরের দ্বিতীয় পিকনিকের আয়োজন করে ডব্লিউইউএসটির সু্ডেন্ট গর্ভামেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (এসজিএ)। চমৎকার আবহাওয়ায় ভার্জিনিয়ার রেস্টনের লেক ফেয়ারফ্যাক্সের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের মাঝে এদিন সবাই হেসে খেলে, গান গেয়ে আর মজাদার খাবার উপভোগের মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে দিনটি কাটিয়েছেন সকলে।
যেখানে জড় হয়েছে ডব্লিউইউএসটিতে পড়া বিশ্বের ২৯ টি দেশের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের কলরবে মুখরিত হয়ে উঠেছিল পিকনিক স্পট। যাদের মধে অনেকেই ছিলেন একবারে নতুন। যারা কিনা সবেমাত্র ফল কোয়ার্টারে ভর্তি হয়েছেন। পরিবার পরিজন রেখে বিদেশের মাটিতে পড়তে আসা ছাত্রছাত্রীরা এমন উৎসব মুখর পরিবেশ পেয়ে আপ্লুত। তাদের চোখে মুখে ছিলো যেন এক রকম প্রশান্তি। অন্যদিকে পুরনো ছাত্রছাত্রীদের জন্যও দিনটি ছিলো আনন্দের। কারণ পরের দিন থেকে শুরু নতুন কোয়ার্টার।
শুধু শিক্ষার্থীরা নয়, তাদের সাথে আসা পরিবারের মানুষজনও বেশ উপভোগ করেছেন দিনটি। বাচ্চারা ছুটে বেড়িয়েছে সারাক্ষণ। একদিকে চলছিল খাবার পরিবেশনের প্রস্তুতি, অন্যদিকে সবুজ ঘাসের প্রান্তরে সঙ্গে আনা বিছানা চাদর পেতে, চেয়ার সাজিয়ে অনেকে বসে গল্পে মেতে উঠেন। ছবি তোলা, ভিডিও করা, ফেসবুকে লাইভ করা নিয়ে অন্য দল মেতে রইলেন। লেকের ধারে ঘুরে বেড়িয়েছেন ছাত্রছাত্রীরা। কেউ কেউ মাছ ধরায় ব্যস্ত হয়ে পরেন।
এসবের মাঝে ছিলো মজাদার খাবারের বিশাল আয়াজন। তৃপ্তি ভরে খেয়েছেন সকলে। পিকনিক প্রাণবন্ত হয়ে উঠার আরেকটি উপললক্ষ্য ছিলো মজার খেলাধুলা পর্ব। কাপে বল ফেলা আর কোমড়ে রিং ঘুরানোসহ বেশ কয়েকটি গেইমের আয়োজন ছিলো। স্বত:স্ফূর্তভাবে এতে অংশ নেন সকলে। মজার ছলে হলওে কঠিন প্রতিদ্বন্দিতা করেছেন সকলে। ডব্লিউইউএসটির প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক ও সিএফও ফারহানা হানিপ বিজয়ীদের হাতে প্রাইজমানি তুলে দেন ।
পিকনিকের সার্বিক আয়োজন নিয়ে সকলে এক বাক্যে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। পড়াশোনার ব্যস্ত জীবনের ফাঁকে সবাইকে আনন্দ উপলক্ষ্য এনে দিতে পেরে খুশি ডব্লিউইউএসটির প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারার্বাক ও সিএফও ফারহানা হানিপ। আর সবাইকে সুন্দর একটি দিন উপরহার দেয়ার জন্য যারা গত দুই সপ্তাহ কঠিন পরিশ্রম করেছেন তাদের মুখে লেগে ছিলো হাসি। তারা বলেন, প্রথমবারের তুলনায় এই আয়োজন ছিলো সব দিকে ছিলো অনেক গোছানো।
ফেরার সময় শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার সুডেন্ট গর্ভামেন্ট অ্যাসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, যে সুন্দর দিন কাটালাম স্মৃতিতে অমলিন হয় থাকবে।
