ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে আছেন প্রায় দেড়কোটি প্রবাসী বাংলাদেশী। যাদের শ্রমে-ঘামে শক্তিশালী হচ্ছে দেশের অর্থনীতির চাকা। তাইতো এই অভিবাসীদেরকে বলা হয় রেমিট্যান্স যোদ্ধা। তবে বৈদেশিক মুদ্রার প্রাণশক্তি এ সংগ্রামীরা খোদ নিজ দেশেই হচ্ছেন নানাভাবে হয়রানীর শিকার। ভূক্তভোগীরা বলছেন, সকল ক্ষেত্রেই অধিকার বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। আর স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও এমন ঘটনাকে হতাশাজনক মনে করছেন প্রবাসীরা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, জীবিকার তাগিদে বিভিন্ন দেশে বসবাস করছেন প্রায় দেড় কোটি বাংলাদেশী। প্রবাসে থেকেও দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তারা রাখছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। তবে বৈদেশিক মুদ্রার প্রাণশক্তি এই রেমিট্যান্স যোদ্ধারা নিজ দেশেই হচ্ছেন হয়রানীর শিকার। কেউ আবার নিকট স্বজনের থেকেও পাচ্ছেন প্রতারণার তিক্ত স্বাদ।
এদিকে প্রবাসীদের আইনী সমাধানের ক্ষেত্রেও হয়রানীর শিকার হতে হয় বলে জানান লেবানন প্রবাসী মশিউর রহমান টিটু।
তবে স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় পরেও সাধারণ নাগরীকদের অধিকার না থাকাকে,কলঙ্কের মনে করছেন বাংলাদেশ মাইগ্রেশন ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট ও সিনিয়র সাংবাদিক খায়রুজ্জামান কামাল। প্রবাসীদেরকে রেমিট্যান্স যোদ্ধা বলা হলেও তারা সেই মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলেও মনে করছেন সৌদি আরব প্রবাসী ব্যবসায়ী এস কে আহমেদ আলীসহ অনেক বাংলাদেশী।
