এনআরবি সাফল্য

মিশরে এই প্রথম শুরু হলো বাংলাদেশি রেস্টুরেন্টের নতুন পদযাত্রা

post-img

এলামী মোঃ কাউসার,কায়রো, মিশর

স্বাধীনতার পর থেকে মিশরের সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষীয় সম্পর্ক থাকলেও এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার অর্থনৈতিকভাবে মিশর প্রবাসীদের কাছ থেকে তেমন কোন সফলতা নিয়ে আসতে পারিনি। তবে বিগত কয়েক বছর ধরে মিশরে প্রবাসীদের যে সফলতা দেখা দিয়েছে তাতে খুব বেশি দেরি নয় যে সরকার অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে না সেটা হয়তো বা খুব নিকটবর্তী।

আপনারা হয়তো বা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে জেনে থাকবেন, মিশর প্রবাসীরা বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রবাসে বাংলাদেশীদের মুখ উজ্জ্বল কর আসছে। তার মধ্যেই আশার বাণী ছড়িয়েছে কুড়িগ্রাম জেলার কচাকাটা থানার মোল্লাপাড়া গ্রামের মৃত একরামুল হকের ছেলে আলতামাস মাহমুদ রিফা। বিগত তিন বছর হলো মিশরে আসার পরেই সে বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্মসহ নিজের ইউটিউব চ্যানেলে সর্বদাই ব্যস্ত থাকতো। হঠাৎ তার মাথায় উত্তোক্তা হওয়ার স্বপ্ন জাগে! স্বপ্ন দেখা বাকি তবে সেটা বাস্তবে রূপ দিতে দেরি হয়নি তার। তাই তো সে মিশরের কায়রোতে যেখানে বাংলাদেশী ও ভারতীয় ছাত্রদের অনেক আনাগোনা সেখানে কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে প্রথম ইন্দো বাংলা রেস্টুরেন্টের মাধ্যমে প্রথম বাংলা খাবারের হোটেলের মুখ দেখল প্রবাসী বাংলাদেশীরা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা। আশ্চর্যজনক বিষয় হলো খাবার হোটেল উদ্বোধনের প্রথম দিনেই সেখানে ছিল উপচে পড়া ভিড় এবং খাবারের মান এবং মূল্য সকলের ভেতরে থাকার কারণে প্রথম দিনেই দুইটা পর্যন্ত বিক্রয় হতে থাকে। আলতামাস মাহমুদ আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক "ল" ডিপার্টমেন্টের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

সে ছাত্রবস্তাতেই তার এই উদ্যোক্তা হওয়ার খবরটা ছড়িয়ে পড়লে সকলেরই মনে এক আনন্দের হিল্লোল বয়ে যায় তার দেখাদেখি অনেকেই স্বপ্নবুনতে শুরু করেছে যে পড়াশোনার পাশাপাশি বিদেশের মাটিতে কিছু করা যায় কিনা। আলতামাস মাহমুদ এনআরবিসি টিভি প্রতিনিধিকে জানান যে, "আমরা পড়াশোনার পাশাপাশি কিছু করতে চাই তবে বাংলাদেশ সরকার যদি আমাদের মাধ্যমে অথবা যে সমস্ত প্রবাসীরা এখানে বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য করতে ইচ্ছুক তাদের জন্য যদি কাজের অনুমতি পত্রের (ওয়ার্ক পারমিট) ব্যবস্থা করে দিতে পারে যেটা নাকি ২০১৬ সালের পরে বাতিল হয়ে গেছে বাংলাদেশীদের জন্য সেটা আবার চালু হলে আমরা প্রবাসীরা যারা ব্যবসা-বাণিজ্য করতে ইচ্ছুক তারা অনেক উপকৃত হতাম।"

এদিকে প্রবাসী কমিউনিটিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বর্গগণ মনে করেন যে অনেকদিন পর আমরা প্রবাসে হয়তোবা বাংলা খাবারের স্বাদ পাব তবে এটা চালু হওয়ায় আমরা অনেক খুশি হয়েছি, তবে প্রতিষ্ঠানটি যাতে স্থায়িত্ব হয় এতে করে প্রতিষ্ঠানটির স্বতাধিকারী যিনি তিনি যেমন লাভবান হবেন ঠিক তেমনি ভাবে প্রবাসী বাংলাদেশীরা ও অনেকভাবে উপকৃত হবে।

সম্পর্কিত খবর

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.