প্রতিবছরের মতো এবছরও উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো নিউজার্সি বাংলাদেশী কমিউনিটির বনভোজন। ঐতিহ্যের টানে,ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে, প্রবাসেও আমরা “হ্রদয়ে বাংলাদেশ স্লোগানে এ বছর বনভোজনের আয়োজন করেছে প্রবাসেও চট্টগ্রাম। বৃহস্পতিবার প্যানিংটনের রোসডেল পার্কে অনুষ্ঠিত এই বনভোজনে নিউজার্সির বসবাসরত নারী-পুরুষ-শিশু-কিশোররা দিনভর খোলা মাঠে খেলাধুলাসহ নানান আনন্দে মেতে ওঠেন। বর্ণাঢ্য এ আয়োজনে কমিউনিটি নেতৃবৃন্দসহ পেনসিলভানিয়ার বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি যোগ দেন।
বনভোজনের প্রবেশমুখে আয়োজকদের আন্তরিক আতিথেয়তায় সবাই মুগ্ধ হন। দীর্ঘদিন পর প্রবাসীরা একে অপরকে কাছে পেয়ে মেতে ওঠেন সুখ-দুঃখের আলাপনে। অনেকে ঘুরে ঘুরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেন। বিভিন্ন বয়সী ছেলে-মেয়েদের জন্য আয়োজন করা হয় খেলাধুলার। মহিলাদের জন্যও ছিল বিশেষ মিউজিক বালিশ খেলা ও অন্ধের হাঁড়ী ভাঙ্গার আয়োজন। বনভোজনের বিশেষ আকর্ষন ছিলো ঘরোয়া ক্যাটারিংয়ের সুস্বাদু রান্না। যেখানে খাবারের মেনুতে ছিল চিংরী দোপেয়াজা, শুটকী র্ভতা, সবজি সহ অন্যান্য খাবার। এর বাইরে ছিলো ঝাল মুরি ও আইসস্কিম ও চা।
প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীদের মনোজ্ঞ পরিবেশনা দর্শক-শ্রোতারা দারুণভাবে উপভোগ করেন। শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন জলি দাস ও মৃদুল ।
আয়োজক দিদার চৌধুরী বলেন, নিউজার্সির চট্টগ্রাম প্রবাসীরা একটি পরিবারের মত। ব্যাস্ত জীবনের ভিরে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ পরিবেশের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে হতে। সবার মাঝে একটি বন্ধন তৈরি ছিলো এই আয়োজনের লক্ষ্য। একসাথে কিছুটা সময় আনন্দে কাটানো যায় তার জন্য প্রতিবছরের মতো এবারো আয়োজন করা হয়েছে এই বনভোজনের।
বনভোজনের বিশেষ আকর্ষনীয় রেফেল ড্র । প্রথম পুরস্কার ছিলো ল্যাপটপ ও সোনার চেইনসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার। অনুষ্ঠানের শেষে খেলাধুলায় অংশগ্রহণকারি মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। ঘোষণা করা হয় রেফেল ড্রয়ে জয়ীদের নাম।
আয়োজকদের আন্তরিক আতিথেয়তায় সবাই মুগ্ধতা প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানিয়ে মুক্ত মন নিয়ে বাড়ি ফেরেন সবাই। ২০০৭ সালে শুরু হয়েছিল চট্ট্রগ্রাম প্রবাসীদের এই বনভোজনের আয়োজন। যেই ধারায় ১৫ বছর ধরে এই আয়োজন হয়ে আসছে নিয়মিত।
