৬ আগস্ট রবিবার মধ্যরাতে ঢাকায় আসে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ট্রফি। ৭ থেকে ৯ আগস্ট এই তিনদিন বাংলাদেশে ছিলো ট্রফিটি। তিন দিনের সফরে তিনটি ভিন্ন তিনটি জায়গায় প্রদর্শনী হয়েছে ট্রফিটি।
৭ আগষ্ট সোমবার বিকেল চারটায় পদ্মা সেতুর মাওয়া পয়েন্টে ১ নম্বর পিলারের পাশে রাখা হয়। সেখানে আইসিসির আনুষ্ঠানিক ফটোসেশনের পর সংবাদমাধ্যমকে ছবি তোলার সুযোগ দেওয়া হয়। তারপর সেখান থেকে নিয়ে হোটেলে রাখা হয় ট্রফিটি।
পরদিন মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রদর্শন করা হয় ট্রফি। যেখানে জাতীয় দল, নারী দল, বর্তমান ও প্রাক্তন ক্রিকেটার, ক্রিকেট কর্মকর্তা এবং সংগঠক এবং ক্রীড়া সাংবাদিকদের ট্রফির সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ করে দেয়া হয়।
শেষের দিন বুধবার ঢাকার পান্থপথের বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সে সর্বসাধারণের জন্য ট্রফি প্রদর্শন করা হয়। সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয় বিশ্বকাপ ট্রফি। একটা নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে ছবি তুলেছেন ভক্তরা। এ জন্য লাগেনি কোনো টিকিট।
বেশি সংখ্যক মানুষকে ট্রফি দেখা ও ছবি তোলার সুযোগ করে দিতেই বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সে ট্রফি প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানায় বিসিবি।
গত ২৭ জুন ওয়ানডে বিশ্বকাপের ট্রফি ভূপৃষ্ঠ থেকে এক লাখ ২০ হাজার ফুট উচ্চতায় মহাশূন্যে উন্মোচন করে নামানো হয় ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। এরপর নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানসহ বেশ কয়েকটি দেশে ভ্রমণ করেছে ট্রফিটি। বাংলাদেশ থেকে এটি যাবে কুয়েতে। সব মিলিয়ে এবার ১৮টি দেশে ঘুরবে ট্রফিটি।
আসছে ৫ অক্টোবর আহমেদাবাদ নরেন্দ্র মোদী ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গত বিশ্বকাপের দুই ফাইনালিস্ট ইংল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে এবারের আসর।
