দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান। এসময় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছি। সে যেই হোক দুর্নীতি করলে কারও রক্ষা নেই। যারাই দুর্নীতি করবে আমরা ধরবো। বাংলাদেশ কখনো পিছিয়ে পড়েনি, এগিয়ে যাচ্ছে। দেশ পিছিয়ে যাবে না, যে যতই চেষ্টা করুক দেশকে ধ্বংস করতে পারবে না। এ স্বপ্নযাত্রার আকাঙ্ক্ষা পূরণ করবে এ দেশের মানুষ।
বিরোধী দলের নেতা কালো টাকা সাদা করেছেন কি না তা দেখতে হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কালো টাকা সাদা, এটা কালো টাকা সাদা নয়। এখন সব জিনিসের দাম বেড়েছে। ঢাকায় এক কাঠা জমি আছে সে কয়েক কোটি টাকার মালিক। এভাবে অনেক সময় কিছু করতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ চলে আসে। সেটা তারা বাজেটে দেখাতে পারে না, আয়কর দিতে পারে না। আয়কর দিয়ে যাতে মূল জনগোষ্ঠীতে ফিরে আসে। এ ধরনের কার্যক্রম যাতে না করে সেজন্য মাঝে মাঝে এ ধরনের সুযোগ দেওয়া হয়। এ সুযোগ খালেদা জিয়া নিয়েছিলেন, ড. কামাল হোসেনসহ আরও অনেকেই নিয়েছিলেন। তারা কিন্তু ২০০৬, ৭, ৮ বা পরে সুযোগ নিয়ে টাকা সাদা করেছিলেন। জেনারেল এরশাদ সাহেবও মনে হয় করেছেন। খোঁজ নিতে হবে। তিনি না করলেও কেউ না কেউ করেছেন। আমাদের বিরোধীদলীয় নেতা করছেন কি না সেটা দেখতে হবে।
বিরোধীদলীয় নেতা জিএম কাদেরের বক্তব্যের জবাবে সরকারপ্রধান বলেন, টেন্ডারের শুভঙ্করের ফাঁকির কথা তিনি বলেছেন। টেন্ডার না দিয়ে কাজ দেওয়া। তিনি তো মন্ত্রী ছিলেন টেন্ডার না দিয়ে কাজ করে, কাজের মাধ্যমে কিছু উপার্জন করার বিষয় মনে হয় তিনি নিজেই রপ্ত করেছেন। আমাদের সুচিন্তিত কৌশল এবং গণমানুষের শক্তিকে যুগপথ ধারণ করে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ব। এই বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ একধাপ এগিয়ে যাবে।
