ভারতবিরোধী পোস্টে ‘লাভ রিঅ্যাক্ট’ দিয়েছিলেন। এই ‘অপরাধে’ দেশে পাঠিয়ে দেয়া হলো বাংলাদেশি এক ছাত্রীকে। এমন অভিযোগে শিরোনামে উঠে এসেছে আসামের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এনআইটি)।
ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, বাংলাদেশি ওই তরুণী এনআইটি শিলচরে ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের শিক্ষার্থী। সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ভারতবিরোধী পোস্টে ‘লাভ রিঅ্যাক্ট’ দিয়ে সমর্থন জানান তিনি। এর পরেই সোমবার তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
অবশ্য স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা নুমাল মাহাট্টের দাবি, বহিষ্কার করা হয়নি, বরং বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পরেই দেশে পাঠানো হয়েছে ওই ছাত্রীকে।
পোস্টদাতা ওই সাবেক ছাত্রের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে একটি সংগঠন। সংগঠনের মুখপাত্র শুভাশিস চৌধুরী জানিয়েছেন, ভারতবিরোধী পোস্টটিতে প্রতিষ্ঠানের এক ছাত্রীর লাভ রিঅ্যাক্ট তাদের নজরে আসে। কর্তৃপক্ষকে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পোস্টে ছাত্রীর সমর্থনের বিষয়টি চোখে পড়ার পরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এনআইটি’র পরিস্থিতি।
শুভাশিস চৌধুরীর দাবি, এরপর নিজেই কর্তৃপক্ষের কাছে দেশে ফিরে যাওয়ার আর্জি জানান ওই ছাত্রী।
সরকারি সূত্র বলছে, এই মুহূর্তে এনআইটি শিলচরে পড়াশোনা করেন ৭০ জন বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রী। তাদের সঙ্গে পুলিশের তরফে যোগাযোগ করা হয়েছে। ভারতবিরোধী কোনো কর্মসূচিতে সমর্থন ও মতপ্রকাশ করতে নিষেধ করা হয়েছে তাদের।
