বাংলাদেশে অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচনের দাবীতে দীর্ঘ আন্দোলনে আছে বিএনপি ও সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো। বিদেশী বিভিন্ন মহলের চেষ্টায় বরফ গলছে না রাজনীতির নির্বাচন কেন্দ্রিক মতদ্বৈততা জটের। সাধারণ মানুষ একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন চায়। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, পরিস্থিতি দিন দিন আরেকটি একতরফা নির্বাচন হওয়ার পথে যাচ্ছে। নির্বাচন হয়তো হয়ে যাবে, কিন্তু এরপর কী হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকে।
আজ শনিবার সকালে ‘সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের পরিবেশ: প্রত্যাশা, বাস্তবতা ও করণীয়’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় সভাপতির বক্তব্যে সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের ভোটারদের অধিকাংশেরই প্রতিনিধিত্ব করে বড় দলগুলো। অথচ এখন সামনে একটা ইউনিক নির্বাচন দেখতে পাচ্ছি। যেমন খুশি তেমন নির্বাচন আরকি। যা ঘোরতর সংকটে ফেলতে পারে বলে শংকা প্রকাশ করেছেন তিনি।
দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের ব্যানারে ‘ভোটার সচেতনতা ও নাগরিক সক্রিয়তা কার্যক্রম, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের পরিবেশ: প্রত্যাশা, বাস্তবতা ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকের বক্তৃতায় সুশাসনের জন নাগরিক-সুজনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারের বলেন, একতরফা নির্বাচনের হাত থেকে দেশ রক্ষায় রাজনৈতিক দলগুলোর সমঝোতার বিকল্প নেই।
এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, দলগুলোর মাঝে আলোচনার অভাবেই রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট হয়েছে।আর নির্বাচন পর্যবেক্ষণ গ্রুপ ‘ব্রতী’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ বলেন, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন না হলে তা জনগুরুত্ব হারাবে। তাই নির্বাচনে গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিতে সব পক্ষের অংশগ্রহণ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন শারমিন মুরশিদ।##
