বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও জাঁকজমকের মধ্য দিয়ে বার্ষিক বনভোজন করলো নাঙ্গলকোট সোসাইটি ইউএসএ সংগঠন। ২৭ আগষ্ট রকল্যান্ড লেক স্টেস পার্কে নিউইয়র্ক ও এর আশেপাশে থাকা নাঙ্গল কোটবাসীদের মিলন মেলায় পরিণত হয় এই বনভোজন।
দিনব্যাপী ছিলো চমকপ্রদ নানা আয়োজন। পরিবার ও বন্ধুবান্ধব মিলে দারুন উপভোগ করেন পুরো দিনটি। নারীদের জন্য চামচে মার্বেল ব্যালেন্স করা, বালিশ খেলা, পুরুষদের জন্য মোরগের লড়াই, বস্তা রেস, কাপল এ্যাগ থ্রো, ফুটবল খেলাসহ মজাদার নানা ইভেন্ট ছিলো পিকনিকে। বিজয়ীদের পাশাপাশি অংশগ্রহনকারী সকলের হাতে তুলে দেয়া হয় পুরস্কার। সেই সাথে ছিলো র্যাফেল ড্রয়ের আকর্ষনীয় ইভেন্ট। যেখানে প্রথম পুরস্কার ছিলো নিউইয়র্ক টু নাঙ্গল কোটের ভ্রমন টিকিট। বাকি পুরস্কারগুলোও ছিলো বেশ আকর্ষনীয়।
সেখানে প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার নাঙ্গল কোটের উপজেলা চ্যায়ারম্যান মো: সামছূদ্দিন কালু। বিশেষ অতিথী ছিলেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। ব্যস্ততার কারণে যদিও শেষ মুহুর্তে তিনি সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেননি তার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ডা.সফি চৌধুরী ,ডিরেক্টর পিপল এন্ড টেক।তবে বিশেষ অতিথী হিসেবে এদিন উপস্থিত ছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাত ভিত্তিক বিন সাদ ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কনট্রাকটিং কম্পানীর সিইও উমর ফারুক মানিক। বিভিন্ন খেলায় বিজয়ীসহ অংশগ্রহনকারী সবার হাতে পুরস্কার তুলে দেন আগত অতিথীগণ।
আর পিকনিকের অন্যতম আকর্ষণ ছিলো খাবারের আয়োজন। দেশীয় এতিহ্যবাহী খাবারের পাশাপাশি ছিলো আরও হরেক রকমের খাবাারের বাহার। আর সবকিছুর মতো মধ্যাহ্ণ ভোজও উপভোগ করেছেন সকলে।
নাঙ্গল কোট সোসাইসিট ইউএসএ সংগঠনের প্রেসিডেন্ট প্রৌকশলী মনির রহমান বলেন সবাইকে এক ছাতার নীচে এনে সর্ম্পকের একটা ব্রীজ তৈরিই ছিলো এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
আয়োজনের আহবায়ক ছিলেন আবুল কালাম ভূইয়া ও সদস্য সচিব ইউএস বাংলা গ্রোসারির স্বত্তাধিকার শাহ আলম। এছাড়াও পুরো আয়োজনকে সফল করে তুলতে কাজ করেছেন অনেকে তারা হলেন কজী আনাম, কামাল হোসেন, জাকের হোসাইন মজুমদার, হাজী আব্দুল মান্নান, শাহ আলম হাজী আলী আক্কাস, মোহাম্মদ আলী আক্কাস, মোহাম্মদ আলী, আব্দুল লতিফ, শাহজান সিরাজ।
আনন্দময় এক দিন কাটিয়ে হাসিমুখে বাড়ি ফেরেন সবাই।
