বাংলাদেশের আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে যাওয়া সারা দেশে প্রার্থীদের জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধতা পেয়েছেন ১৯৮৫ জন প্রার্থী। আর অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে ৭৩১ জন প্রার্থীকে। এক পার্সেন্ট ভোটারের সমর্থন আদায় সংক্রান্ত নিয়মের কারনে অধিকাংশের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে বলে অভিযোগ প্রার্থীদের।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে আপিল করতে আসা অবৈধ ঘোষিত প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।প্রার্থীদের অভিযোগ, বাংলাদেশ সংবিধানে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগের কথা বলা হলেও নির্বাচন কমিশন স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে এক শতাংশ ভোটারের সমর্থনের স্বাক্ষরিত আবেদন জমা দিতে বলেছে। এতে ভোটের আগেই ভোটারের সমর্থন ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। যা বাংলাদেশ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও মন্তব্য অনেকের।অনেক প্রার্থী বলছেন, এক শতাংশের বেশি ভোটারের সমর্থনের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হলেও তা জেলা নির্বাচন কমিশন পুলিশ ও প্রশাসন দিয়ে যাচাই-বাছাই করায় অনেকে ভয় পেয়েছেন। স্বাক্ষর করা অনেকে কর্মজীবী হওয়ায় যাচাই-বাছাই করতে গিয়ে তাদের পায়নি জেলা নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্টরা।
এবিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, যারা প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন তাদের করা আপীলগুলো যাচাই বাছাই শেষে পুরোকমিশন বসে সিদ্ধান্ত নিবে। যা আগামী ১০ ডিসেম্বর চুড়ান্ত করা হবে।
এদিকে,স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে ভোটারের স্বাক্ষরের বিধান চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী এ রিট দায়ের করেন। যাতে, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।
আগামীকাল বুধবার ৬ ডিসেম্বর বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটি উপস্থাপন করা হবে।
