post
এনআরবি বিশ্ব

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

মহান ভাষা আন্দোলনের শহিদদের আত্মত্যাগকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘শহিদ দিবস’ এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়েছে। ঐতিহাসিক দিনটি স্মরণে দূতাবাস বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে জীবন উৎসর্গকারী সকল ভাষা বীরদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে দিনব্যাপী এক কর্মসূচি গ্রহণ করে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সন্ধ্যায় দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক, মার্কিন সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব মোহাম্মদ ইমরান এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব স্কট উরবম।রাষ্ট্রদূত ইমরান তাঁর বক্তব্যে মহান ভাষা আন্দোলনের শহিদ ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি মহান ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে বাঙালি জাতির ‘বাতিঘর’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ‘ভাষা সৈনিকদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত সমৃদ্ধ বাংলা ভাষা বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার উপযুক্ত কূটনৈতিক মাধ্যম হতে পারে। মহান ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিয়ে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। নতুন প্রজন্মকে সমৃদ্ধ বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে আরও জানার জন্য উৎসাহিত করতে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি অনুরোধ জানাই।’অনুষ্ঠানের সম্মানিত অতিথি স্কট উরবম বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ‘গত ৫০ বছরে তারা স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য খাতে বাংলাদেশে বিপুল পরিমান বিনিয়োগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র আগামী ৫০ বছর এবং এরপরেও বাংলাদেশের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব আরও দৃঢ় করতে আগ্রহী।’স্কট উরবম বলেন, ‘মাতৃভাষা দিবস শুধুমাত্র বাংলাদেশের জনগনের হৃদয়েই নয়, সমগ্র পৃথিবীর মানুষের হৃদয়েও বিশেষ স্থান করে নিয়েছে।’ তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে সেইসব বীরদের মহান আত্মত্যাগের কথাও উল্লেখ করেন যারা বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও বাংলা ভাষা রক্ষায় অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন।মার্কিন ভারপ্রাপ্ত উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আজ বাংলা পৃথিবীতে অন্যতম সর্বাধিক উচ্চারিত ভাষা হিসেবে স্থান করে নিয়েছে এবং এটি সারা বিশ্বে বাংলা ভাষার প্রভাব ও গুরুত্বের প্রমাণ বহন করে।’ পরে দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে একটি বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে দূতাবাস পরিবার, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ফরেন সার্ভিস ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা এবং ভারত, নেপাল, জাপান ও শ্রীলঙ্কার শিল্পীরা এবং একটি বাংলাদেশি সাংস্কৃতিক দল কবিতা আবৃত্তি, সঙ্গীত ও দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে উপস্থিত অতিথিদের মুগ্ধ করেন। পরে রাষ্ট্রদূত ইমরান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে দূতাবাস আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।এর আগে সকালে বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এই গৌরবোজ্জ্বল দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান ও ডিফেন্স অ্যাটাচে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ শাহেদুল ইসলাম অংশ নেন।রাত ১২টা ১ মিনিটে দূতাবাসের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরানের নেতৃত্বে দূতাবাস প্রাঙ্গণে অবস্থিত শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং ‘প্রভাত ফেরি’ বের করার মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।দিনের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল দূতাবাস প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রদূত কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ প্রতিকৃর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পন, ভাষা শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন, তথ্যচিত্র  প্রর্দশন এবং বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন।এ উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করেন মিনিস্টার (ইকনোমিক) ড. মো. ফজলে রাব্বি, মিনিস্টার (পলিটিক্যাল) মোঃ রাশেদুজ্জামান এবং ফার্স্ট সেক্রেটারি অহিদুজ্জামান নূর।দিনব্যাপী অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান শামীমা ইয়াসমিন স্মৃতি, ফার্স্ট সেক্রেটারি (পাসপোর্ট এবং ভিসা উইং) মুহাম্মদ আব্দুল হাই মিলটন এবং ফার্স্ট সেক্রেটারি মো. আতাউর রহমান।

post
এনআরবি বিশ্ব

শপথ নিলো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই ফোরামের র্কাযকরী পরিষদ

ভাবগাম্ভীর্য আর আনন্দ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে গ্রেটার ওয়াশিংটন ডিসিস্থ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই ফোরাম ইনক ২০২৪-২৫ এর কার্যকরী পরিষদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ভার্জিনিয়ার এনানডেলস্থ ম্যাসন ডিস্ট্রিক্ট গভর্নমেন্ট সেন্টারে নয় সদস্যের এই কার্যকর কমিটির শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও ভয়েজ অব আমেরিকার সিনিয়র সাংবাদিক আনিস আহমেদ প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে শপথ বাক্য পাঠ করান।এবারের নির্বাচনে মাহসাদুল আলম রূপম সভাপতি ও সোহানা সোনালী সিদ্দিক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া নির্বাচিত অন্যান্যরা হলেন  কানিজ জাফরিন - সহ-সভাপতি, মোহাম্মদ জাভেদ চৌধুরী - সহ-সাধারণ সম্পাদক, ইসকাত আলম -অর্থ সম্পাদক, মিলড্রেড থমাস গনসালভেজ - প্রচার, প্রকাশনা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক। নির্বাহী সদস্যরা হলেন - সামসুল আনোয়ার জামাল, মোহাম্মদ বদরুল আলম ভূঁইয়া ও মীর নাজিউর রহমান নিক্সন।অনুষ্ঠানে উত্তরীয় পরিয়ে নতুন কমিটিকে বরণ ও পুরাতন কমিটিকে বিদায় জানানো হয়। এছাড়া, এই প্রথমবারের মত একটি সুন্দর নির্বাচন পরিচালনার জন্য ফোরামের পক্ষ থেকে তিন নির্বাচন কমিশনার - আনিস আহমেদ, মোহাম্মদ আলম ও ড. তারিক আজিমকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি বিশেষ সম্মাননা হিসেবে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।নতুন সভাপতি মাহসাদুল আলম রূপম ফোরামের সদস্যদের মাঝে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিবাসী ছাত্রছাত্রীদের সহযোগিতা করা, চট্টগ্রাম  বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের সিইউ অ্যালামনাই এবং ইউএসএ-ভিত্তিক সকল সিইউ অ্যালামনাইদের সাথে যোগাযোগ জোরদার, রিসোর্স পয়েন্ট হিসেবে ফোরামের ওয়েবসাইট এবং ফেইসবুক পেইজ নতুন করে ডিজাইন করা, বছরব্যাপী প্রোগ্রাম ক্যালেন্ডার তৈরি, কমিউনিটি সার্ভিস প্রদান, পেশাগত উন্নয়নমূলক কর্মশালার আয়োজন ইত্যাদি কর্মসূচি তুলে ধরে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

দেশের উন্নয়নে প্রবাসীদেরই হাত বাড়িয়ে দিতে হবে: যুক্তরাষ্ট্রে প্রধান বিচারপতি

প্রবাসীরা যেন দেশকে ভুলে না যায়, দেশকে নিয়ে ভাবে, দেশের জন্য কাজ করে সেই অনুরোধ রেখেছেন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। ২৮ মার্চ বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় এক ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি।রাষ্ট্রীয় কাজে দশ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন প্রধান বিচারপতি। তার সাথে এই সফরে আসা অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ, ও নারী বিচারপতি ফাহমিদা কাদের এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মকবুল হাসান টিটু অংশ নেন এই আয়োজনে।প্রধান বিচারপতি বলেন, "প্রবাসীদের উচিত তাদের সন্তানদের কাছে দেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস তুলে ধরা। এই ইতিহাস ঐতিহ্য জানলে দেশের প্রতি তাদের একটা টান তৈরি হবে। যার ফলে আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে আসা বাবা-মায়ের শেকড়টা তারা কখনো ভুলতে পারবেনা।" তাই প্রবাসীদের দেশের বিষয়ে সন্তানদের নানাভাবে যুক্ত করার অনুরোধ রাখলেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও অংশ নেন ইফতার অনুষ্ঠানে। উপস্থিত ছিলেন ভয়েস অব আমেরিকার প্রখ্যাত সাংবাদিক রোকেয়া হায়দার, ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চেয়ারম্যান ও চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ ও পিপলএনটেকের প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপ।দেশের বিচার বিভাগের সব শীর্ষ ব্যক্তিদের একসাথে নিজের বাসায় অতিথি হিসেবে পেয়ে আপ্লুত সাবেক অ্যাটর্নি মোহাম্মদ আলমগির।তিনি বলেন," পুরো গ্রেটার ওয়াশিংটন বাসীর জন্য আজকের এই মুহুর্তটি গর্বের, যে আমরা বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে একসাথে আমাদের মাঝে পেয়েছি। তাদের এই আগমন উপলক্ষ্যে আশে পাশের অনেকগুলো সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছুটে এসেছেন। আমাদের প্রধান বিচারপতি সম্পর্কে দিনে দিনে যতই জানছি ততোই অবাক হচ্ছি। তেমনি আমাদের অ্যাটর্নি জেনারেল সম্পর্কে বলতে হয়, মেধা আর যোগ্যতার ভিত্তিতেই তিনি এমন সম্মানজনক দায়িত্ব পেয়েছেন" ঘরোয়া এই ইফতার অনুষ্ঠানের আয়োজনে সকলে যে উপস্থিত হয়েছেন তার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান অ্যাটর্নি মোহাম্মদ আলমগীর।  একেবারে দেশীয় আমেজের ইফতার আয়োজনের প্রশংসা করেন অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন। বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, " শত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দারুণ গতিতে বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে।" উদাহরণ হিসেবে বলেন, "ঢাকা বিমানবন্দরের সেবার মান অনেক বদলে গেছে। তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিশ্বের অন্যতম বিমানবন্দরে পরিণত হবে।" অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, "দেশে এতো উন্নয়নের পরও বহির বিশ্বে নানা রকম নেতিবাচক কথা হয়।" দেশের ভাবমূর্তি উজ্জলের জন্য ইতিবাচক বিষয়গুলো সবার সামনে প্রবাসীদের নিয়ে আসা  উচিত বলে মন্তব্য করেন অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন। আয়োজনের শেষ দিকে এবছরের ৩১ অগস্ট ও ১লা সেপ্টেম্বর দুই দিন ব্যাপী কনভেনশনে অংশ নেবার জন্য চিফ জাস্টিস ওবায়দুল হাসান ও অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিনকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পত্র তুলে দেন মোহাম্মদ আলমগির।২৭ মার্চ বুধবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি জন জি রবার্টসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে দেশটির প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো প্রধান বিচারপতির এটিই প্রথম বৈঠক। দুই দেশের বিচার বিভাগের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। এর ফলে দুই দেশের বিচার বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ। বাংলাদেশের যাবার জন্য আমন্ত্রণ জানালে তাতে ইতিবাচক সাড়া দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি। ৩১ মার্চ দশ দিনের সফর শেষে দেশে ফিরে যাবার কথা প্রধান বিচারপতির। তার এই সফরকালে এ পদে কার্যভার পালন করছেন আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম।

post
এনআরবি বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর উদযাপন, ফিলিস্তিনের মুসলমানদের জন্য শান্তি ও বিশ্ব মানবতার কল্যাণ কামনা

১০ এপ্রিল বুধবার অ্যামেরিকায় উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। মুসলমানদের সর্ববৃহৎ আনন্দ উদযাপন ঈদ-উল ফিতরে মসজিদে মসজিদে হয়েছে ঈদের জামায়াত। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ঈদের নামাজ আদায় করেন মুসলমানরা। সকলে দোয়া করেছেন মুসলিম বিশ্বের কল্যাণে।যুক্তরাষ্ট্রের ডিএমভি এরিয়ায় যথাযথ মর্যাদা ও আনন্দের সঙ্গে উদযাপিত হয়েছে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় উৎসব। ঈদ ঘিরে আনন্দে মেতে উঠে বিভিন্ন বাঙালি অধ্যুষিত এলাকাগুলো। ভার্জিনিয়ার অল ডুলাস এরিয়া মুসলিম সুসাইটি, অ্যাডামস সেন্টারে প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাড়ে নয়টায়। সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত তিনটি ঈদ জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি জামায়াতে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি অংশ নেন। যাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিরাও ছিলেন। ঈদের এই বিশেষ দিনে অ্যাডাম সেন্টার ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছেন একজন। নবাগত এই মুসলিম ভাইকে ঈদ মোবারকের মাধ্যমে স্বাগত জানিয়েছেন সবাই। মুসলিম কমিউনিটির প্রতি ঈদের শুভেচ্ছা বার্তা পৌছে দিতে অ্যাডাম সেন্টার উপস্থিত হয়েছিলেন দুজন হাইজ অব ডেলিগেটস। নামাজ শেষে ফিলিস্তিনের মুসলমানদের জন্য শান্তি ও বিশ্ব মানবতার কল্যাণে পরম করুণাময়ের অনুগ্রহ কামনা করা হয়। একইভাবে ভার্জিনিয়া, ম্যারিল্যান্ড ও ওয়াশিংটন ডিসির বিভিন্ন মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজে পরিবার-পরিজনসহ শিশু কিশোররা অংশগ্রহণ করেন। নামাজ শেষে সবাই নিজেদের মধ্যে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন। ওয়াশিংটন মেট্রো, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, মিশিগান, নিউজার্সি, পেনসিলভেনিয়া, টেক্সাস, লসএঞ্জেলেস, ফিনিক্স, বস্টন, কানেকটিকাট, ওহাইয়ো, শিকাগোতে যথাযথ মর্যাদায় ঈদ উদযাপিত হয়েছে। নিউ ইয়র্কের সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয় জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে। নিউ ইয়র্কের ব্রঙ্কসের বিভিন্ন স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া এলমহার্স্টে মসজিদ আল তৌফিক, বাংলাদেশ মুসলিম সেন্টার, আল আমান মসজিদ, মসজিদ মারজান, বেলাল মসজিদ, ব্রুকলীন ইসলামিক সেন্টার, পার্কচেস্টার জামে মসজিদে বড় আকারের একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশ ও বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ফার্স্ট লেইডি জিল বাইডেন। বুধবার এক বিবৃতিতে এই শুভেচ্ছা জানান তারা। বিবৃতিতে বিশ্ব শান্তি ও মানবিক মর্যাদার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। একই সঙ্গে যুদ্ধ ও দারিদ্রহীন একটি বিশ্ব গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রেসিডেন্ট। এছাড়া ঈদের মাঝেও দুর্দশাগ্রস্ত গাজাবাসীর প্রতি বিশেষ সহমর্মিতা জানান জো বাইডেন। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অ্যামেরিকায় বাংলাদেশি কমিউনিটি সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, মূলধারার রাজনীতিবিদরা। ঈদে মুসলিম কমিউনিটির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বার্তা দিয়েছেন, কংগ্রেসম্যান, ডিস্ট্রিক্ট এটর্নি, অ্যাসেম্বলিম্যানসহ দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধিরা। এছাড়া ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও নিউ ইয়র্কে, দেশটির কনসাল জেনারেল। বুধবার মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উদযাপিত হয়েছে ঈদুল-ফিতর। সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, তুর্কিয়ে, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বেশিরভাগ মুসলিম দেশে একই দিনে উদযাপিত হয়েছে ঈদ। ঈদ জামাত শেষে সারা বিশ্বের জন্য শান্তি কামনায় দোয়া করেন মুসল্লিরা।

post
এনআরবি বিশ্ব

হোয়াইট হাউসে বেজে উঠলো বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত

ইউএসএ সংবাদদাতাঅবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, গত ১৯ এপ্রিল হোয়াইট হাউজের সামনে একদল প্রবাসীকে দেখতে পেয়েই বেজে উঠলো বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। মূল গেটের সামনে ক্যাসেটে গানটি শোনার সাথে সকলে থমকে দাঁড়ালেন কিছুক্ষণের জন্যে। হৃদয় উজার করে এবং প্রাণ ভরে নিজেরাও গাইলেন ৩০ লাখ বাঙালির তাজা রক্ত আর আড়াই লক্ষাধিক মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’। সেখানে লাল-সবুজের পতাকা দৃশ্যমান না হলেও প্রতিটি বাঙালির হৃদয়পটে ভেসে উঠেছিল তা। গোটাবিশ্বের পরিস্থিতির আলোকে করণীয় নির্দ্ধারণকারি অর্থাৎ কখনো কোন দেশ গণতান্ত্রিক অথবা মানবাধিকার সংকটে নিপতিত হলে যুক্তরাষ্ট্র ঝাপিয়ে পড়ে সে সব দেশের কর্তৃত্ববাদি শাসকের বিরুদ্ধে। আবার মিত্র দেশ আক্রান্ত হলেও সৈন্য পাঠানো হয় দেশটিকে রক্ষার্থে। এসব কারণে বিশ্বের কাছে মোড়ল হিসেবেও পরিচিত এই হোয়াইট হাউজের অধিকর্তা। তবে সব সময়েই যে প্রত্যাশিত রেজাল্ট যুক্তরাষ্ট্রের ঘরে এসেছে তা ঠিক নয়। কখনো কখনো নাজুক পরিস্থিতিতেও নিপতিত হতে হয়, লজ্জাজনক পরাজয়ের গ্লানি সইতে হয়েছে। ভিয়েতনাম যুদ্ধ, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে যাবার ঘটনাবলি এখনো সচেতন আমেরিকানদের পীড়া দেয়। গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার গণহত্যা পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের নগ্ন অবস্থানের রেজাল্ট আসছে নভেম্বরের নির্বাচনে কিছুটা হলেও পড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমন একটি ভবনের ভেতরে থেকে কীভাবে এতসব সিদ্ধান্ত দেয়া হয়, কোথায় বসে সিদ্ধান্তে উপনীত হোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, মাঝেমধ্যে অতিথি আপ্যায়নের ঘটনাও কোন টেবিলে ঘটে, কোথায় ঘুমান প্রেসিডেন্ট, ফার্স্টলেডি, কীভাবে অবলোকন করা হয় গোটাবিশ্বের পরিস্থিতি ইত্যাদি নিয়ে খোদ আমেরিকানদের মধেও কৌতুহলের শেষ নেই। কারণ, ইচ্ছা করলেই এই হাউসের ভেতরে প্রবেশাধিকার মেলে না। এই ভবনের বাসিন্দা ছাড়া সকলকেই সিকিউরিটি পয়েন্ট অতিক্রম করতে হয়। ব্যাক গ্রাউন্ড চেক করা হয় পরিদর্শণ/পরিভ্রমণে আগ্রহীদের। এরপর অন্তত: তিনটি চেক পয়েন্ট পাড়ি দিয়ে ভেতরে ঢুকতে হয়। প্রতিটি চলার পথ, কক্ষ, ডাইনিং রুম, সিনেমা হল, গসিপ রুম, ব্রিফিং রুম সর্বত্র মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। অর্থাৎ কোনকিছুই লুকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। নিরাপত্তা প্রহরিদের দৃষ্টি এড়িয়ে ভিডিও করাও সম্ভব হয় না। তবে আইফোনের সুবাদে (ফ্লাশ ঝলসে উঠবে না) সবকিছুর ছবি সংগ্রহ করার অনুমতি দেয়া হয় দর্শনার্থী অথবা ভ্রমণকারিকে। ভবনটি তন্ন তন্ন করে অবলোকনের আগ পর্যন্ত থাকা কৌতুহল একেবারেই চুপসে যায় ৩০/৪০ মিনিট পরিভ্রমণের পর। কারণ, সবকিছুই স্বাভাবিক, চিরচেনা। বিছানা, ডাইনিং টেবিল, অতিথি কক্ষ, ব্রিফিং রুম-সবকিছু একই রকমের। মিটিং রুমেও কোন বিশেষ বৈশিষ্ট নেই। গোটাবিশ্বের কেন্দ্রবিন্দু এই হোয়াইট হাউজ পরিভ্রমণের সুযোগ হয়েছিল ১৯ এপ্রিল শুক্রবার। ৩৮ জনের একটি টিমে সকলেই ছিলাম বাংলাদেশী আমেরিকান। নেতৃত্ব দেন ম্যারিল্যান্ড স্টেট ডেমক্র্যাটিক পার্টির নির্বাহী সদস্য এবং এএপিআই লিডারশিপ কাউন্সিলের মেম্বার আনিস আহমেদ। তিনি মাঝেমধ্যেই প্রবাসীদের জন্যে এমন আয়োজনে নেতৃত্ব দেন বিধায় চলতি পথে সকলকে নিজ ভাষায় জানিয়ে দেন কক্ষগুলোর ইতিহাস-ঐতিহ্য। অর্থাৎ গাইডেন ভ’মিকায় অবতীর্ণ হোন তিনি। কোথায় দাঁড়িয়ে ছবি উঠানো সম্ভব সেটিও তারই ইশারায় ঘটেছে। ধীওে চলার অবকাশ নেই, কিংবা কোথাও অকারণে সময়ক্ষেপণেরও সুযোগ নেই। সক্রিয় থাকতে হয় সারাক্ষণ। কারণ, সময় বেধে দেয়া হয়েছে। উচ্চস্বরে, এমনকি ফোনে কথা বলাও মানা। তবে বোবা হয়ে চলতে হয় না। হোয়াইট হাউস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দাপ্তরিক বাসভবন। ওয়াশিংটন ডি.সির ১৬০০ পেনসিলভেনিয়া এভিনিউয়ে অবস্থিত এই বাসভবনটি ১৭৯২ থেকে ১৮০০ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। জন অ্যাডামসের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সকল প্রেসিডেন্টই এই বাসভবনে ছিলেন। এই ভবনের স্থাপতি ছিলেন জেমস হোবান, তিনি আয়ারল্যান্ডের নাগরিক। পুরো ভবনটি মূলত তিনটি আলাদা ভাগে বিভক্ত-ওয়েস্ট উইং, ইস্ট উইং ও এক্সিকিউটিভ রেসিডেন্স। ভবনের মোট আয়তন প্রায় ৫৫ হাজার বর্গফুট। চারতলা এই ভবনে রয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর। তার মধ্যে অন্যতম হলো প্রেসিডেন্টস রুম, ওভাল অফিস ও কেবিনেট রুম। আগে প্রেসিডেন্টস রুমে সেক্রেটারি দপ্তর ও প্রেসিডেন্টের দপ্তর ছিল। বর্তমানে এই কক্ষ ডাইনিং রুম বা খাবার ঘর হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ওভাল অফিসটি বর্তমানে প্রেসিডেন্টের প্রধান দপ্তর। ডিম্বাকৃতির এই কক্ষের জানালাগুলো বুলেটপ্রুফ কাঁচ দিয়ে তৈরি। কক্ষটির অন্দরসজ্জা ও আসবাব প্রেসিডেন্টের পছন্দ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়। কেবিনেট রুমে প্রেসিডেন্ট তাঁর মন্ত্রীসভার সঙ্গে বৈঠক করেন। হোয়াইট হাউসের রীতি অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট সব সময় টেবিলের মাঝখানে বসেন। গ্রাউন্ড ফ্লোরে আছে সিচুয়েশন রুম। ৫ হাজার বর্গফুটের এই ঘরে প্রেসিডেন্ট আসেন সমস্যার মুখোমুখি হলে। এখানে তিনি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে শলাপরামর্শ করেন। সিচুয়েশন রুম চালান ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের কর্মীরা। হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিং রুম। এখান থেকে সংবাদমাধ্যমের সামনে কথা বলেন প্রেসিডেন্ট। হোয়াইট হাউস চত্বরের কেন্দ্রীয় ভবন হলো এক্সিকিউটিভ রেসিডেন্স। এটি মূলত ওয়েস্ট ও ইস্ট উইংয়ের মাঝখানে অবস্থিত। এই ভবনে আছে সবুজ, নীল ও লাল কক্ষ। এসব কক্ষের জানালার পর্দা, মেঝের কার্পেটসহ গৃহসজ্জার সামগ্রীর রং কক্ষের নাম অনুসারে হয়ে থাকে। এক্সিকিউটিভ রেসিডেন্সের পুবদিকে দ্বিতল ভবনটি হলো ইস্ট উইং। ভবনের দ্বিতীয় তলায় আছে ফার্স্ট লেডির দপ্তর। এ ছাড়া এই ভবনে আছে একটি পারিবারিক থিয়েটার হল, যেখানে প্রেসিডেন্ট ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা দিনের যেকোনো সময় নিজেদের পছন্দের সিনেমা উপভোগ করতে পারেন। এক্সিকিউটিভ রেসিডেন্সের ফার্স্ট ফ্লোরে আছে ক্রস হল। এটি হোয়াইট হাউসের সবচেয়ে প্রশস্ত হলওয়ে। ক্রস হল স্টেট ডাইনিং রুম এবং ইস্ট রুমের সঙ্গে এক্সিকিউটিভ রেসিডেন্সের সংযোগ স্থাপন করেছে। অনেকেই হয়ত ভাবেন বাড়িটার নাম হোয়াইট হাউস কেন? কারণ, ১৮১২ সালে সংঘঠিত হয় ইংল্যান্ড-আমেরিকা যুদ্ধ। যুদ্ধ চলাকালে ১৮১৪ সালের ২৪ আগস্ট ব্রিটিশ সেনাবাহিনী হোয়াইট হাউস জ্বালিয়ে দেয়। এরপর বিল্ডিংয়ের ছোট একটি অংশ শুধু অবশিষ্ট ছিল। বিল্ডিংটির বিভিন্ন জায়গায় তখন আগুন ও ধোঁয়ার দাগ ঢাকতে এর দেয়ালে সাদা রং দেওয়া হয়। সেই থেকে মূলত একে ‘হোয়াইট হাউস’ বলা শুরু হয়। হোয়াইট হাউসের মোট রুমের সংখ্যা ১৩২ টি। বাংলাদেশী আমেরিকানদের এই টিমে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক লাবলু আনসার, বিশ্ববাংলা টোয়েন্টিফোর টিভির চেয়ারপার্সন আলিম খান আকাশ এবং ব্যবস্থাপনা সম্পাদক নুরুন্নাহার নিশা খান, আলভি খান, স্নেহা খান, আলিসা খান, সাফিন চৌধুরী, আসমা চৌধুরী, শামীন চৌধুরী, সারাহ চৌধুরী, ওমর চৌধুরী, হাসিনা পারভিন, তাসমিয়া দিয়া, সাফকাত চৌধুরী, নাফিজা আহমেদ, সুজাত হোসেন, লোকমান খান, শাহানা সুলতানা, তারেক মেহেদী, নাবিল আহমেদ, সাঈদ হারুন, রফিকুল আলম, ফরিদা পারভিন, কাজী ইসলাম, জাকির চৌধরী, মাহমুদা ইসলাম, সৈয়দ জুনায়েদ, কারাবি চৌধরী, মিজানুর রহমান, রাহেলা সুইটি, নূরজাহান খাতুন, নাসিমা আহমেদ, মোহাম্মদ খান, ডা. নুরুল চৌধুরী, লোকমান খিয়ানি প্রমুখ।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.