বাংলাদেশের রাজনীতিতে সাম্প্রতিক বছর গুলোতে জোট নির্বাচনের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। দল ভাঙ্গনেরও অভিযোগ উঠছে বিভিন্ন বড় বড় দলগুলোর বিরুদ্ধে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘদিন নিরুত্তাপ থাকার পর সাম্প্রতিককালে আবার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ সৃষ্টি হয়েছে বিএনপিকে ভাঙ্গা না-ভাঙ্গা নিয়ে।
দলে ভাঙন ধরানোর জন্য আবারও চেষ্টা চলছে—বিএনপি এমন অভিযোগ করলেও জবাবে সরকার বলছে, এমন কোনো চেষ্টা তাঁদের নেই। এ নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের নেতাদের মধ্যে বাকযুদ্ধ যেমন চলছে, তেমনি একে অপরকে ঘায়েল করার চেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে রাজনীতির বিশ্লেষনী মাঠে।সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতে ইসলামীকে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট থেকে বিচ্ছিন্ন করতে সরকারের চেষ্টার মধ্যে এখন বিএনপিকে ভাঙতে সরকার তৎপর বলে অভিযোগ উঠছে।অবশ্য বিষয়টি আরো স্পষ্ট হয়েছে বিএনপির একসময়ের দীর্ঘস্থায়ী শরিক, অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তা জেনারেল সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিমের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক জোট যুক্তফ্রন্টের আত্মপ্রকাশের পরে।
এ বিষয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদীন ফারুক বলেছেন, দল, ভেঙ্গে জোট ভেঙ্গে জনগনের যৌক্তিক দাবীকে ম্লান করা যাবে না। দলটির আরেক শীর্ষ নেতা বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবদীন বলেছেন, বিভিন্ন স্থানে জোর জবরদস্তি করে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর অনেক নেতাকে চাপে ফেলে দলছুট করানো হচ্ছে।
তবে ভিন্ন কথা বলছেন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও তথ্য মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি দাবী করছেন, কাউকেই নির্বাচনে আসার জন্য জোর করা হচ্ছে, দল ছাড়ানোর প্রশ্নই তো নাই।
