সিলেটে দুদিন বৃষ্টি না হওয়ায় কমেছে পাহাড়ি ঢল। ফলে বিভিন্ন এলাকা থেকে পানি নামতে শুরু করায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আশা করা হচ্ছে। একই সময়ে আশারবাণী শুনিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী, বলেছেন,সিলেট অঞ্চলের মানুষকে বন্যা কবল থেকে সহনশীল পর্যায়ে নিয়ে আসতে পদক্ষেপ নেয়া হবে। এদিকে,সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর বৃষ্টির মাত্রা কম হলেও ভোগান্তি কমেনি পানিবন্দী মানুষের।
বৃহস্পতিবার সকালে এক পশলা বৃষ্টির পর শুক্রবার বৃষ্টি হয়নি সিলেটে।ফলে মহানগরীর শাহজালাল উপশহরসহ অন্যান্য এলাকা থেকে পানি নেমে যাচ্ছে। এতে আশার আলো দেখছে, বন্যা কবলিত মানুষ।
অন্যদিকে সকল নদীর পানি এখনও বইছে বিপদসীমার উপর দিয়ে। জেলা প্রশাসন আগামী দুদিন ভারি বৃষ্টির আশংকা করছে।আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছে প্রায় ২৯ হাজার মানুষ। বাড়িঘরে এখনও জলমগ্ন থাকায় কেউ ঘরে ফিরতে পারছেন না। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে শুকনো খাবারের পাশাপাশি খিচুরি দেয়া হচ্ছে।
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক সকালে বন্যা কবলিত সিলেট মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নে জানান, সিলেট ও সুনামগঞ্জের মানুষকে বন্যার কবল থেকে সহনশীল পর্যায়ে নিয়ে আসতে সুরমা ও কুশিয়ার নদী খনন করা হবে।
এদিকে,সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর বৃষ্টির মাত্রা কম হলেও ভোগান্তি কমেনি পানিবন্দী মানুষের।শুক্রবার সকালে জগন্নাথপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, জগন্নাথপুরের পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উপজেলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতোমধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছেন ২০হাজার মানুষ। আশ্রয়কেন্দ্রসহ বন্যাকবলিতদের জন্য রান্না করা ও শুকনা খাবারসহ বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হচ্ছে।
