বর্তমান সরকারের নতুন বরাদ্দ পেয়ে হাসি ফুটেছে,কুমিল্লার সরকারি শিশু পরিবারের শিশুদের মুখে। পরিবার-পরিজন ছাড়া শিশুদের আশ্রয় স্থল এই শিশু পরিবার। এখানে লালন পালনের পাশাপাশি শিক্ষা ও প্রশিক্ষনের মাধ্যমে স্বাবলম্বি করে তোলা হয় এসব অসহায় শিশুদের। তাদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে শিশুরা।
১৯৭২ সালের পয়লা জুলাই কুমিল্লা মহানগরীর সংরাইশ এলাকায় ২ দশমিক ২৮ একর জমিতে সমাজ সেবা অধিদফতর নিয়ন্ত্রিত, এতিম ও দুস্থ বালিকা শিশুদের জন্য জেলার একমাত্র সরকারি শিশু সদন প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৮-১৯৮৯ অর্থ বছরে তা সরকারি শিশু পরিবার হিসেবে রূপান্তরিত করা হয়। বর্তমানে এর আসন সংখ্যা শতাধিক’।
বর্তমানে প্রতিজন শিশুর জন্য চার হাজার টাকা সরকারি বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্যে দুই বেলা খাবার,২ বেলা নাস্তা,শিক্ষা,প্রশিক্ষণ,পোষাক,চিকিৎসা এবং প্রসাধনী দেয়া হয় তাদের। আগে বরাদ্দ ছিলো মাসে একহাজার টাকা। যা দিয়ে বাচ্চাদের খরচ চালাতে হিমশীম খেতে হতো। বর্তমানে বরাদ্দ বৃদ্ধি করায় প্রতিষ্ঠানটি চালাতে সহজ হয়েছে।
সরকারি সাহায্য সহযোগীতার পাশাপাশি বেসরকারি ভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যাক্তি এগিয়ে এলে শিশু পরিবারটি আরো ভালোভাবে চলবে বলে মনে করেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
প্রতিষ্ঠানটির উপ তত্বাবধায়ক শরফুন্নাহার মনি জানায়,নতুন বরাদ্দ আসার পর প্রতিষ্ঠানটি চালানো সহজ হয়েছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি লাভসহ, এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ লাভ করার রেকর্ডও রয়েছে প্রতিষ্ঠানের শিশুদের।
