প্যালেস্টাইনের গাজা, সিরিয়া, ইয়েমেন, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ভারত, গায়ানাসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সংকটাপন্ন শিশুদের রক্ষায় সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গতকাল ভার্জিনিয়ার ফেয়ার ফ্যাক্সে অনুষ্ঠিত ‘হার্ট ইউনাইটেড: এ নাইট ফর অরফান্ড চিলড্রেন ইন ক্রাইসিস’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তারা এ আহ্বান জানান। হিউম্যান কনসার্ন ইউএসএ ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
হিউম্যান কনসার্ন ইউএসএ'র প্রধান নির্বাহী মাসুম মাহবুব তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, তার প্রতিষ্ঠান প্যালেস্টাইনের গাজায় জরুরি খাদ্য, বস্ত্র আর চিকিৎসা সহায়তায় ম্যাকগ্লোবালের এইচসিআই ক্লিনিকের সঙ্গে অংশীদারিত্বে প্রতিদিন আটশ রোগীর চিকিৎসা প্রদান করছে। এছাড়াও হিউম্যান কনসার্ন ইউএসএ সিরিয়া, ইয়েমেন, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ভারত ও গায়ানায় সাত হাজার শিশুকে খাবার, কাপড়, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও শিক্ষা প্রদান করে আসছে।
সামাজিক মাধ্যমে বিশ্বের অন্যতম প্রভাব বিস্তারকারী ইসলামী বক্তা মারিয়ম মাসুদ বলেন, রমজানে রোজা রেখে আমরা প্রকৃতপক্ষে চেতনা, সহানুভূতি এবং তৃপ্তি অর্জন করি। সচেতনতার জন্য আমরা যখন উপবাস করি তখন আমরা বুঝতে পারি যে দরিদ্র ও অভাবী মানুষরা প্রতিদিন খাবারসহ অন্যান্য সামান্য কিছু নিয়ে কেমন অনুভব করে। বিষয়টি আমাদের হৃদয়কে নরম করে। আমরা গরীব এবং এতিমদের প্রতি সহানুভূতি বোধ করি এবং আল্লাহ আমাদেরকে যে নিয়ামত দিয়েছেন তা থেকে আমরা তাদের দান করি।
তিনি বলেন, চেতনা ও করুণা লাভের মাধ্যমে আমরা আমাদের অন্তরে তৃপ্তি ও সুখ গড়ে তুলি। এতে আমাদের বিশ্বাস এবং সবকিছু ইতিবাচক দিকে যেতে শুরু করে। আমরা আরও ভালো কাজ করতে চাই যাতে আমরা আল্লাহকে খুশি করতে পারি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপর প্রভাব বিস্তারকারী বক্তা ইসরা চাকার বলেন, প্যালেস্টাইনের গাজায় চলমান গণহত্যার বিষয়টি আমাদের সবার জানা। এখানে উপস্থিত আমাদের সকলের হৃদয়-মন গাজার ভাই-বোন আর এতিমদের সাথেই রয়েছে। আমাদের ক্ষুদ্র সহায়তা গাজাসহ বিশ্বের সকল প্রান্তের এতিমদের জীবনে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিশা এনে দিতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
পরে প্রখ্যাত মানবতাবাদী রেপার ওমর অফেনডাম আরবি পদ্য ও সঙ্গীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ, সিরিয়া, প্যালেস্টাইনেরসহ বিভিন্ন দেশের শতাধিক আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত ছিলেন।
