শেরপুর জেলায় প্রায় ১৭ লাখ মানুষের বাস। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জেলার পাঁচটি উপজেলাতেও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার হয়েছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। শেরপুর-ময়মনসিংহ-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়ক ও শেরপুর-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের সংস্কার এবং সেতু নির্মাণে পাল্টে গেছে এই অঞ্চলের কৃষি ও শিক্ষা ব্যবস্থার চিত্র। উন্নয়ন হয়েছে চরাঞ্চলের অর্থনীতির। শেরপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের এখন ১৮ থেকে ৩৪ ফুট প্রশস্ত করা হয়েছে। আগে বর্ষা মৌসুম এলেই পানিতে ডুবে থাকতো শেরপুর-জামালপুর মহাসড়কের ডাইভারশন। কিন্তু বর্তমানে পাল্টে গেছে সেই চিত্র। পোড়াদহ সেতু ও শিমুলতলী সেতু নির্মাণ হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থায় যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা। এতে উন্নতি হয়েছে চরাঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থার।
পরপর দুটি সেতু হওয়ায় এখন শিক্ষার্থীদেরও যাতায়াতে আর ভোগান্তি পোহাতে হয় না।বর্তমান সরকারের আমলে শেরপুর জেলার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে; এতে এ অঞ্চলের মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন হবে বলে জানালেন শেরপুর ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার।
শেরপুর-ময়মনসিংহ-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কের সংস্কার কাজে ব্যয় হয়েছে আট'শ কোটি টাকা এমনটা জানালেন,শেরপুরের সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান।
