ঢাকার বেইলি রোডে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে গ্রিনকোজি কটেজে অগ্নিকান্ডে ৪৬ জনের হতাহতের ঘটনায় সুষ্ঠ তদন্ত ও বিচার দাবী করে মঙ্গলবার ভোলায় শোক সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রেসক্লাবে মিলনায়তনে বেলা ১১ টায় সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন আয়োজিত শোক সভায় বক্তাগন এটিকে এটিকে একটি পরোক্ষ হত্যাকান্ড হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং এর সাথে জড়িত প্রত্যেকের উপযুক্ত বিচার দাবী করেন। শোক সভায় সুজন জেলা সভাপতি মোবাশির উল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, প্রবীন সাংবাদিক এম. এ তাহের, ভোলা নাজিউর রহমান কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাকসুদুর রহমান, কলেজ শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক কামরুল আহসান হিরন, সিপিবি জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গৈাতম সাহা, জেলা জাসদ এর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান, গ্রিনকোজি কটেজে নিহত দিদারুল হক জুনায়েদ এর বাবা মাইনুল হক হারন, স্কুল শিক্ষক আবু তাহের, জুনায়েদ এর মামা আব্দুল জলিল নান্টু, নারী নেত্রী বিলকিস জাহান প্রমুখ।
সভায় বক্তাগন বলেন, সরকারের সুশাসনের অভাবের কারনেই বার বার এ অগ্নিকান্ডে ঘটেছে। কোন অগ্নিকাণ্ডেরই সুষ্ঠ তদন্ত ও বিচার হয় নাই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সীমাহীন অনিয়মের কারনে এ রকম ঘটনা বারবার ঘটছে। সভায় বক্তাগন ভোলা জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার পাশে হোটেল রেস্তোরাঁর চুলা পথচারীদের চলাচলের পাশে থাকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বক্তাগন এরকম বিপদজনক স্থান চিহ্নিত করে এখনই ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জেলা প্রশাসকরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। শোকসভা শেষে নিহত ভোলার সন্তান দোলা, মাহি, জোনায়েদসহ সকল নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়। এরপর একটি শোক র্যালি প্রেসক্লাব থেকে শুরু করে কে-জাহান মার্কেটের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
