পার্বত্য জেলার জুমের খেত থেকে শুরু করে সড়ক-অবকাঠামো নির্মাণ সর্বত্র চলছে চাঁদাবাজি। এক হিসেব মতে,পাহাড়ের ৬ টা সশস্ত্র সংগঠন বছরে আনুমানিক ৫ থেকে ৬ শ’ কোটি টাকা চাঁদা আদায় করছে। সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চাঁদাবজি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখার পরও প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজির আতঙ্কে আছেন পর্যটকরা।
চাঁদাবাজি সবখানে হচ্ছে, শুধু পার্বত্য চট্টগ্রাম নয়। তবে যেকোনো চাঁদাবাজি ও অপতৎপরতা রোধে অন্যান্য জায়গার মত এখানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎপরতায় পাল্টে গেছে এর কৌশল। সেনাবাহিনীর প্রচেষ্টাই আজ পর্যন্ত শান্তি চুক্তিতে ব্যাঘাত ঘটে এমন কোন ঘটনা ঘটেনি। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটছে, তবে সেটা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিষ্ক্রিয় করার চেষ্টা চালাচ্ছেন।
অপরাধ হচ্ছে এবং অপরাধকে রোধ করার সক্ষমতা বাংলাদেশ পুলিশে রয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত বলে জানান খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর।
স্থানীয়রা বলছেন, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও চট্টগ্রাম এরিয়ার সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য অঞ্চলে আঞ্চলিক দলগুলোর চাঁদাবাজি বন্ধে নানা ভূমিকা পালন করে আসছে। অভিযোগ রয়েছে এসব চাঁদার টাকা পাহাড়ের সংগঠনগুলো তাদের সশস্ত্র কর্মকান্ডে ব্যয় করছে।
