দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের দাখিল করা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে তৃতীয় দিন ছিলো আজ। জেলায় জেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তারা নির্বাচনের যোগ্যদের প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করছেন, এছাড়া বিভিন্ন কারণে বাতিলও হয়েছে অনেকের মনোনয়নপত্র।সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের তৃতীয় দিনে,ঝালকাঠি-১ আসনে বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে আওয়ামী লীগে যোগ দেয়া আলোচিত প্রার্থী ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে রিটানিং কর্মকর্তা। এই আসনে নৌকার অন্য প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য বজলুল হক হারুনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
কক্সবাজার-১ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সালাহ উদ্দিন আহমদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। আসনটিতে মনোনয়ন বৈধ হয়েছে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম ও বর্তমান সংসদ সদস্য জাফর আলমসহ আরও ৬ প্রার্থীর।
বরিশালের ৬টি আসনে ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম।
খুলনার ৩টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থনকারী ভোটারদের স্বাক্ষর জাল করা, বিদ্যুৎ বিল বকেয়া, হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকা এবং ঋণ খেলাপির কারণে ১৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। দলীয় পরিচয় সংক্রান্ত কাগজপত্র যথাযথ না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে সিলেট-২ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য গণফোরাম প্রার্থী দাবিদার মোকাব্বির খানের। একই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য ইয়াহিয়া চৌধুরীর মনোনয়নপত্র প্রথমে স্থগিত করা হলেও পরে বৈধ ঘোষণা করা হয়।
খেলাপি ঋণের কারণে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে পাবনা-২ আসনে বিএনএম’র প্রার্থী সংগীত শিল্পী ডলি সায়ন্তনীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
রাজশাহী-১ আসনের স্বতন্ত্রপ্রার্থী চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির মনোনয়ন বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। সকালে যাচাই-বাছাই শেষে জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, মাহির যেসব ভোটারের নাম ও স্বাক্ষর দিয়েছেন সেগুলো যাচাই-বাছাই করে সঠিক পাওয়া যায়নি।
বগুড়ায় যাচাই-বাছাই শেষে আলোচিত ইউটিউবার আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমের মনোনয়ন বাতিল ঘোষনা করা হয়েছে।
পার্বত্য খাগড়াছড়িতে যাচাই-বাছাই শেষে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মিথিলা রোয়াজা, জাকের প্রার্থীর প্রার্থী মো. হোসেন ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী মো. মোস্তফাকে বৈধ প্রার্থী ঘোষণা করা হয়।
