পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার মালয়েশিয়া কর্মী নেওয়া বন্ধ হয়ে যায় ৩১ মে রাত ১২ টায়। এরপর থেকে আর কোন কর্মী যেতে পারেনি দেশটিতে। দীর্ঘসময় বিমানবন্দরে বসে থেকেও শেষ পর্যন্ত ফিরে যেতে হয় তাদের। রোববার এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী। তিনি বলেন, মালয়েশিয়া সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়ে দেশটিতে ১৬ হাজার ৯৭০ জন কর্মী যেতে পারেনি। মন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের যেতে না পারার কারণ খুঁজে বের করতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ছয় সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছে। যারা এর সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এঘটনার সাথে চার সাংসদ জড়িত রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, এমপি হোক আর যেই হোক তার বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা নেয়া হবে। মালয়েশিয়ার শ্রমমাজার শিগগিরই খোলার বিষয়ে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী জানান, বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। নির্ধারিত সময়ে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণে ব্যর্থ রিক্রুটিং এজেন্সি চিহ্নিতকরণ, কমিটির নিকট মালয়েশিয়া গমন করতে পারেনি এমন কেউ অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
