মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের দুটি আন্তর্জাতিক টার্মিনালে প্রায় ২০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী পৌঁছেছেন, যারা দেশটিতে প্রবেশ করতে পারেননি। তারা অবস্থান করছেন বিমানবন্দরের ফ্লোরে। এতে দুর্ভোগ বাড়ছে কর্মী ও নিয়োগকর্তাদের। নিজেদের কর্মী শনাক্তে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে নিয়োগকর্তাদের। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে কর্মীদের।
এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক রুসলিন জুসোহ। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশিসহ যেসব বিদেশি কর্মী মালয়েশিয়ার বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছে তাদের সবাইকে নিয়োগকর্তা যাচাই-বাছাই, স্বাস্থ্যগত পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিভিন্ন পর্যালোচনা শেষে তাদের দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করা হবে। সাধারণত মালয়েশিয়ায় প্রতিদিন ৫০০ থেকে ১ হাজার বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করে থাকে। কিন্তু সম্প্রতি দেখা গেছে এই সংখ্যা আড়াই হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজারে পৌঁছেছে। এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলো মালয়েশিয়া ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছে। এদিকে বিদেশি কর্মীরা যেন মালয়েশিয়ায় এসে কোনো ধরনের ভোগান্তিতে না পড়েন সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মহাপরিচালক রুসলিন জুসোহ। মালয়েশিয়ায় ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়া ব্যক্তিদের শুক্রবার ৩১ মে'র মধ্যে প্রবেশের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে মালয়েশিয়ার সরকার। এমন নিয়ম শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, বাংলাদেশসহ আরও ১৫টি সোর্স কান্ট্রির কর্মীদের জন্যও।
