প্রায় এক যুগ ধরে খালে জমে থাকা কচুরিপানা ও আবর্জনার স্তুপ অপসারণ কোরে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করেছে, যশোরের অভয়নগর উপজেলা প্রশাসন। তারা বলছে,সরকারি খাল দখলমুক্ত ও খালের পানিপ্রবাহ ঠিক রাখতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আর স্থানীয়রা বলছেন,জলাবদ্ধতা নিরসনে উপকৃত হচ্ছে,এ অঞ্চলের মানুষ।
যশোরের অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম আবু নওশাদের আহবানে, উপজেলার সুন্দলী ইউনিয়নের সুন্দলী খালে,এলাকার নারী-পুরুষ,শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্কাউট,গ্রাম পুলিশ,এনজিও কর্মী,সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী,ফায়ার সার্ভিস,স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকসহ, প্রায় তিনশ মানুষ খালে জমে থাকা কচুরিপানা ও আবর্জনার স্তুপ অপসারণ কাজে অংশ নেয়।
ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে,প্রথমে সুন্দলী বাজার সংলগ্ন একটি সেতুর দু’পাশে জমে থাকা দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে,কচুরিপানা ও আবর্জনার স্তুপ অপসারণ শুরু করে। সরকারি খাল দখলমুক্ত ও জলাবদ্ধতা নিরসনে উপজেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।কচুরিপানা অপসারণ করে পানিপ্রবাহ ঠিক রাখতে পারলে, আগামী মৌসুমে প্রায় এক হাজার হেক্টর বোরো ধান বেশি হবে।এমন প্রত্যাশার কথা জানান,যশোরের অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম আবু নওশাদ।খাল অপসারণসহ পরিবেশ দুষনমুক্ত রাখতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে,এমন চাওয়া সব মহলের।
