উচ্চ শিক্ষার জন্য পছন্দের তালিকার শীর্ষে বরাবরই রয়েছে যুক্তরাজ্য ও সুইজারল্যান্ড। উন্নত বিশ্বের এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার জন্য সরকারী অর্থায়নেও দেয়া হয় বিভিন্ন স্কলারশিপ। ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে টিউশন ফি মওকুফের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের আর্থিক সুবিধাও পাওয়া যায়। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও এসব স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারেন।
উচ্চ শিক্ষার জন্যে শিক্ষার্থীদের প্রথম পছন্দের নাম যুক্তরাজ্য। দেশটিতে ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিসের অর্থায়নে দেওয়া হচ্ছে ব্রিটিশ শেভেনিং স্কলারশিপ। স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামের জন্য এই স্কলারশিপটি টিউশন ফি, আবাসিক ভাতা এবং ওয়ার্কশপের জন্য অন্যান্য ভ্রমণ খরচ দিয়ে থাকে।
তবে, যুক্তরাজ্যের বাইরের শিক্ষার্থীদের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ণকালীন স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের জন্য গেটস কেমব্রিজ স্কলারশিপ দেওয়া হয়। এ স্কলারশিপটি টিউশন ফি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কম্পোজিশন ফি, বিমান ভাড়া ও ভিসা খরচও প্রদান করে তারা।
প্রাচীনতম স্কলারশিপ প্রোগ্রাম রোডসের মাধ্যমে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা স্নাতকোত্তর করার সুযোগ পাচ্ছেন। রোডস স্কলারশিপ বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় খরচ,ব্যক্তিগত উপবৃত্তি, স্বাস্থ্য বিমা এবং বিমান ভাড়া বহন করে।
এছাড়াও নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ দিচ্ছে ডেভেলপিং সলিউশন স্কলারশিপ। কমনওয়েলথের উন্নয়নশীল দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছর ১০৫টি বৃত্তি প্রদান করে থাকে এ প্রোগামটি ।
এদিকে বিশ্বের ১৮০ টিরও বেশি দেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক বিনিময় ও গবেষণা সহযোগিতা প্রচারের জন্য গভর্নমেন্ট অ্যাক্সিলেন্স স্কলারশিপ প্রদান করছে সুইজারল্যান্ড। এ বৃত্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা টিউশন ফি, মাসিক ভাতা, লোডিং ভাতা এবং স্বাস্থ্য বিমা পাবেন।
এছাড়াও সুইস গভর্নমেন্ট অ্যাক্সিলেন্স স্কলারশিপে ডক্টরাল গবেষণার জন্য পড়াশোনার সুযোগ দিচ্ছে অনন্য সৌন্দর্যের দেশ সুইজারল্যান্ড। এ স্কলারশিপে টিউশন ফি, মাসিক ভাতা, স্বাস্থ্যবিমাসহ নানা সুবিধা পান বিদেশী শিক্ষার্থীরা। তাই দেরি না করে বৃত্তিগুলো লুফে নিতে পারেন শিক্ষার্থীরা।
