বাংলাদেশ

দেশের বিভিন্ন অঞ্চল হানাদার মুক্ত দিবস আজ

post-img

১৯৭১সালের এই দিনে সম্মুখ যুদ্ধের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত কোরে বিজয় ছিনিয়ে আনে বাংলার দামাল ছেলেরা।পরে লাল-সবুজের পতাকা উড়িয়ে,শত্রুমুক্ত ঘোষণা করেন মুক্তিযোদ্ধারা।


আজ বরিশাল মুক্ত দিবস।১৯৭১ সালের এই দিনে বরিশাল শহর কেন্দ্রীক বিভিন্ন সড়ক মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে চলে এলে, পাকবাহিনী,দালাল ও রাজাকাররা বরিশাল ত্যাগ করে। দিবসটি উপলক্ষে জেলা,মহানগর ও সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের উদ্যোগে আনন্দ র‌্যালি বের করা হয়। পরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।


মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা হানাদার মুক্ত দিবস আজ।৫জন কমান্ডারের নেতৃত্বে,কালকিনি উপজেলার সিডিখান, এনায়েতনগর, সমিতিরহাট ছাড়াও সীমান্তবর্তী ৩টিস্থানে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নিয়ে পাকবাহিনীকে পরাস্ত করেন,মুক্তিযোদ্ধারা ।  


চাঁদপুরে,মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র প্রতিরোধে ৭ ডিসেম্বর পালিয়ে যায়,পাকসেনারা। ৮ডিসেম্বর বিএলএফ বাহিনী প্রধান রবিউল আউয়াল কিরণ স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।


৪ ডিসেম্বর কমলগঞ্জ উপজেলা শত্রুমুক্ত হওয়ার পর, মুক্তি ও মিত্রবাহিনীর যৌথ আক্রমণে, একের পর এক এলাকা শত্রুমুক্ত হতে থাকে।পরে ৮ডিসেম্বর মৌলভীবাজার মুক্ত এলাকা ঘোষণা করে ওড়ানো হয় স্বাধীন বাংলার পতাকা।


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলাকে হানাদারমুক্ত করার পর, মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনী চারপাশে শক্ত অবস্থান নেয়।এতে পাকবাহিনী পিছু হটতে থাকে।পরে ৮ডিসেম্বর বিনাযুদ্ধে মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর সদস্যরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে ঢুকে জেলাকে মুক্ত ঘোষণা করে।মুক্ত দিবস উপলক্ষে আজ নানা কর্মসূচী পালন করা হয়েছে।


একাত্তুরের এই দিনে পাক বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত হয় কুমিল্লা। সকালে টাউন হলের মুক্তমঞ্চে জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন,জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান বাবলু ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মাদ মুশফিকুর রহমানরসহ অনেকে।

সম্পর্কিত খবর

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.