চারপাশে বিস্তীর্ণ পাহাড়ের সারি আর তুলোর মতো মেঘ,এরই মধ্যে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে নৈসর্গিক সাজেক। এক দশক আগেও সেখানে যেতেন কিছু হাতেগোণা পর্যটক। পাহাড়,ঝর্ণা এবং রহস্যময় গুহাসহ, বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র বাড়িয়ে দিয়েছে ওই এলাকার আকর্ষণ। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে পাহাড়ে অবকাঠামোগত উন্নয়ন,সড়ক যোগাযোগ,বিদ্যুৎ,মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং নিরাপত্তার কারণে পর্যটনের জনপ্রিয়তা দিনদিন বাড়ছে।
সাজেক শব্দটা মনে এলেই প্রকৃতিপ্রেমী মানুষজনের চোখের সামনে ভেসে ওঠে মেঘ ও পাহাড়ের মিতালীময় এক অপরূপ ছবি। প্রকৃতি এখানে ক্ষণে ক্ষণে তার রূপ বদলায়। চোখের পলকেই চারপাশে নিকষ কালো মেঘ জমে,হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয় কিংবা প্রচন্ড ঠান্ডা!
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাজানো গোছানো মনমুগ্ধকর এই পর্যটন স্পট যেনো স্বপ্নিল রাজ্য। এখানে মেঘমালার মিতালী দেখতে, যে কোনো মৌসুম ছাড়াই হাজার হাজার পর্যটক ভিড় করেন।
সাজেক ভ্যালী,আলুটিলা ও নীলগীরির মতো আরো পর্যটন স্পট বাড়ানো এবং ইকো ট্যুরিজমকে উৎসাহী করতে, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হচ্ছে, নতুন নতুন উদ্যোগ। এমনটা জানালেন,খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহীদুজ্জামান।
খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর বলেছেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় সার্বক্ষনিক কাজ করে যাচ্ছে সমন্বিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সাজেকের অবস্থান রাঙ্গামাটি জেলায় হলেও, খাগড়াছড়ি থেকে সেখানে যাতায়াত অনেক সুবিধাজনক।
