নানা প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। যে কারনে দেশে বিদেশে নির্বাচনের অবাধ সুস্ঠু ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিতের বিষয়ে চলছে নানা আলোচনা। আসছেন বিভিন্ন বিদেশী সংস্থার নেতৃবৃন্দ। মার্কিন নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল, ইইউ’র প্রাথমিক দলের পরে এবার আবার এলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধি দল।
আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ)প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বিকেল ৩টায় বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশন । বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ অন্য চার কমিশনার উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে ইইউর পক্ষে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের অ্যাম্বাসেডর চার্লস হোয়াইটলি। দলে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডেপুটি হেড অব মিশন ব্রেন্ড স্পাইনার, সংস্থাটির পলিটিক্যাল অফিসার সেবাস্তিয়ান রিগার ব্রাউন, সুইডেনের অ্যাম্বাসেডর আলেকজান্ডার বার্গ ফন লিন্দ্রে, ডেনমার্কের অ্যাম্বাসেডর ক্রিস্টিয়ান ব্রিক্স মুলার, স্পেনের অ্যাম্বাসেডর ফ্রান্সিসকো ডি আসিস বেনিতেজ সালাস, ইতালির অ্যাম্বাসেডর আন্তোনিও অ্যালেসান্দ্রো, কিংডম অব নেদারল্যান্ডসের অ্যাম্বাসেডর ইরমা ফেন ডুয়েরেন, ফ্রান্সের ডেপুটি হেড অব মিশন গুইলাম অড্রেম ডে কারড্রেল ও জার্মান অ্যাম্বাসির এক প্রতিনিধি ।
বৈঠক শেষে ইইউ প্রতিনিধি দলের প্রধান চার্লস হোয়াইটলি বলেন, শান্তিপূর্ন ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন। তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও তার টিম খোলামেলা আলোচনায় অংশ নিয়েছেন। নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে জেনেছি। আমরা আশাকরি গণতান্ত্রিক, গ্রহণযোগ্য ও অংগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে। পুরো বিশ্বও এটি দেখতে চায়।
আর বৈঠক শেষে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, নির্বাচন ফ্রি-ফেয়ার, পিসফুল এবং ক্রেডিবল যাতে হয়— সেটি নিশ্চিত করতে কমিশন সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে ইউরোপিয় ইউনিয়ন প্রতিনিধিদলকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে যদি কোনো মতবিরোধ থাকে, বিভেদ-বিভাজন থাকে সেখানে কোনভাবেই হস্তক্ষেপ করতে পারে না কমিশন।
হাবিবুল আউয়াল বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন করতে কমিশন সাংবিধানিকভাবে বাধ্য। এটা আমরা খুব স্পষ্ট করা হয়েছে। তিনি আশা করেন, সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার বিষয়টি তারা বুঝতে পেরেছেন।##
