চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে হত্যার শিকার ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের মরদেহের এখনো সন্ধান মেলেনি। ফলে তার সংসদীয় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা।
সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, সংসদের অনুমতি ছাড়া কোনো সংসদ সদস্য ৯০ কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে কিংবা কোনো সংসদ সদস্য মারা গেলে স্পিকার সংশ্লিষ্ট আসনটি শূন্য ঘোষণা করেন। কোনো আসন শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের পর কমিশনেরও ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আনোয়ারুল আজীম আনারের মরদেহের সন্ধান না মেলা পর্যন্ত ওই আসনটি শূন্য করার বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না। এ নিয়ে কিছুটা দ্বিধা-দ্বন্দ্বও তৈরি রয়েছে।
গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ব্যক্তিগত সফরে ভারতে যান আনোয়ারুল আজীম আনার। ১৭ মে থেকে পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। পরদিন তার নিখোঁজের বিষয়ে উত্তর কলকাতার বরানগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন আনারের সেখানকার বন্ধু গোপাল বিশ্বাস। এরপর ১৯ মে সংসদ সদস্যের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন ঢাকায় গোয়েন্দা সংস্থা ডিবি কার্যালয়ে গিয়ে বাবার নিখোঁজের অভিযোগ দেন।
গত বুধবার (২২ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে কলকাতার একটি ফ্ল্যাটে এমপি আনার খুন হওয়ার খবর প্রকাশ করা হয়। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ১৩ মে রাতে কলকাতার একটি ফ্ল্যাটে খুন হন আনোয়ারুল আজীম।
