যুদ্ধে অর্থ ব্যয় না করে, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় খরচ করলে, বিশ্ব রক্ষা পেত বলে মন্তব্য করেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত, ন্যাপ এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে, তিনি এসব কথা বলেন। একই সঙ্গে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বিলীন হওয়ার শঙ্কা জানিয়ে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে, বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর অর্থনীতি ও সার্বিক উন্নয়ন হুমকিতে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
এবার বিশ্ব ধরিত্রী দিবস পালনের দিনটি এলো এমন এক সময়,যখন বাংলাদেশের মতো নাতিশীতোষ্ণ দেশটি ভুগছে মরুভূমির তপ্ত-দাহে। আবার মরুভূমির দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত ডুবেছে অস্বাভাবিক ঝড়-বৃষ্টির জমে থাকা পানিতে।
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের এমন দগদগে উদাহরণ যখন বিশ্ববাসীর সামনে,তখনই ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হলো চারদিনের জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা বা ন্যাপ প্রদর্শনী। যার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জানান,বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান দশমিক ৪৮ শতাংশের কম। অথচ জলবায়ু পরিবর্তনে এই দেশটিকেই ভুগতে হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। বৈশ্বিক উষ্ণায়নে দেশের ১২ থেকে ১৭ শতাংশ বিলিন হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়ে, উন্নত দেশগুলোকে জলবায়ু তহবিলের কথা মনে করিয়ে দেন শেখ হাসিনা।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি সুন্দর পৃথিবী দিতে, সমন্বিত ভাবে কাজ করতে হবে সব দেশকেই। সে লক্ষে বিশ্ব নেতাদের উদ্দেশ্যে ছয়টি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরে, বিশ্ব জুড়ে যুদ্ধ বন্ধের আবেদন ছিলো শেখ হাসিনার কণ্ঠে।
একই সঙ্গে কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখতে ধনি দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান সরকার প্রধান।
