যশোরের শার্শা উপজেলার আমড়াখালীর গ্রামের ফাতেমা খাতুন নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ I
সোমবার বিকালে ফাতেমা খাতুনের শশুর বাড়ির নিজ ঘরে ঝুলন্ত অবস্তায় লাশ উদ্ধার করে বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশ। ফাতেমা খাতুন বেনাপোলের পোড়াবাড়ী নারায়পুর গ্রামের শাহাবুদ্দিনের মেয়ে৷
স্থানীয়রা জানান,গত ৩ বছর আগে ফাতেমা খাতুনের সাথে সালাহউদ্দিনের বিয়ে হয়। সালাহউদ্দিন পেশায় একজন ট্রাক ড্রাইভার, বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য প্রাইয় নির্যাতন করে৷ মেয়ে সুখের জন্য ফাতেমার বাবা জায়গাজমি সর্বস্ব বিক্রি করে,জামাই সালাহউদ্দিনকে একটি কাভার্ডভ্যান ট্রাক কিনে দেয় ৷
এতেও থেমে থাকেনি সালাহউদ্দিন আরও যৌতুক পাওয়ার আসায়, ঘটনার দিন দুপুর পৌনে ২টার দিকে মৃত ফাতেমার সাথে স্বামী সালাহউদ্দিন এর বাক-বিতন্ডা হয়,এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সহায়তায় মারধর এবং গুরুতর শারিরীক নির্যাতন শেষে ফাতেমাকে ঘরে নিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখে এবং মৃত্যু নিশ্চিত জেনে ফাতেমার শশুর-জুলহাস,শাশুড়ী-ছালেহার,দেবর-সালমান হোসেন ও তার স্ত্রী সহ অন্যান্য হত্যাকারীরা পালিয়ে যায়৷
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই ফাতেমা খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে লাশ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা হাসপাতাল পাঠানো হয়ে জানান বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ সুমন ভক্ত।
