সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। পুরো জেলাই এখন বন্যা কবলিত। অন্ততঃ তিন লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ২০ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে।এদিকে,গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে।
দিনে দিনে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খুলেছে সিলেট সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন ও সকল উপজেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, আগামী তিন দিন ভারি বৃষ্টির আশংকা রয়েছে। প্রায় তিন লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছে।
সিলেটে বন্যায় ঝুঁকিপূর্ণ বরইকান্দি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র রক্ষায় মঙ্গলবার রাত থেকে সেনাবাহিনী কাজ করছে।দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের আজকের সিলেট সেনানিবাস সফর বাতিল করা হয়েছে।
গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে,উজানের পাহাড়ি ঢল ও নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মৌলভীবাজার জেলার ৫ উপজেলার প্রায় ২০টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে কয়েক শতাধিক গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এছাড়া জেলার সাতটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করায় আশ্রয় কেন্দ্রে ছুটছে বন্যা কবলিত মানুষ। জেলা প্রশাসক জানান,আরও বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস থাকায় সব ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এছাড়া,টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। তলিয়ে গেছে সাত উপজেলার নিম্নাঞ্চল। একই সাথে পানি ঢুকেছে পৌর শহরেও। "বন্যা" এখন ভাটির জেলার ২৫ লাখ মানুষের কাছে আতংক হয়ে উঠেছে। কারণ বন্যায় পুরো জেলা তলিয়ে যায়। ভেসে যায় মানুষের সাজানো স্বপ্ন। জেলা প্রশাসক বলেন, বন্যা মোকাবিলার জন্য ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
