post
সংবাদ

লেখক সাংবাদিক দিলারা হাশেম আর নেই

লেখক সাংবাদিক দিলারা হাশেম আর নেই। শনিবার (১৯ মার্চ) বিকেলে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে তিনি মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ভয়েস অব আমেরিকার সাবেক প্রধান ও দিলারা হাশেমের এক সময়য়ের সহকর্মী রোকেয়া হায়দারের বরাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিউইয়র্ক প্রবাসী ভয়েস অব আমেরিকার অপর সাবেক সাংবাদিক আকবর হায়দর কিরণ। দিলারা হাশেম বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক। তিনি ১৯৩৬ সালের ২১ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। তার প্রথম উপন্যাস ‘ঘর মন জানালা’ ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং ১৯৭৩ সালে চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়। ১৯৭৬ সাল থেকে তিনি ভয়েস অফ আমেরিকার বাংলা বিভাগে কাজ করে ২০১১ সালে অবসর নেন। দিলারা হাশেমের রচিত অন্য উন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে- একদা এবং অনন্ত, স্তব্ধতার কানে কানে, আমলকীর মৌ, বাদামী বিকেলের গল্প, কাকতালীয়, মুরাল, শঙ্খ করাত, অনুক্ত পদাবলী, সদর অন্দর, সেতু, মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাসগুলো। তার গল্পগ্রন্থগুলো হচ্ছে- হলদে পাখির কান্না, সিন্ধু পারের কান্না, নায়ক। তার একমাত্র কাব্যগ্রন্থের নাম ফেরারি। সাহিত্যক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ১৯৭৬ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ বহু পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হন।

post
সংবাদ

আজ পবিত্র শবে বরাত

আজ হিজরি বছরের ১৪ই শাবান। পবিত্র শবে বরাত। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় আজ দিবাগত রাতে মহান আল্লাহর রহমত কামনায় ‘নফল ইবাদত-বন্দেগীর’ মধ্যদিয়ে পবিত্র শবে বরাত পালন করবেন।হিজরি বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত সৌভাগ্যের রজনী। মহিমান্বিত এ রাতে মহান রাব্বুল আলামিন তাঁর বান্দাদের ভাগ্য নির্ধারণ করেন। ধর্মপ্রাণ মুসল্লীরা এ রাতে মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজগারসহ বিভিন্ন ইবাদত বন্দেগী করেন। শবে বরাত উপলক্ষে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বাণীতে বলেন, ‘মানুষের ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তির জন্য ইসলামের সুমহান আদর্শ আমাদের পাথেয়। শবেবরাতের এই পবিত্র রজনিতে আমরা সর্বশক্তিমান আল্লাহর দরবারে অশেষ রহমত ও বরকত কামনার পাশাপাশি দেশের অব্যাহত অগ্রগতি, কল্যাণ এবং মুসলিম উন্মাহর বৃহত্তর ঐক্যের প্রার্থনা জানাই। সৌভাগ্যমন্ডিত পবিত্র শবেবরাতের পূর্ণ ফজিলত আমাদের ওপর বর্ষিত হোক।’ পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে পবিত্র শবেবরাতের মহাত্মে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানব কল্যাণ ও দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। অপরদিকে পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে আজ শুক্রবার বাদ মাগরিব ও বাদ এশায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে “পবিত্র শবেবরাত এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য” শীর্ষক ওয়াজ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। কোভিড-১৯ প্রতিরোধে সকল ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

post
সংবাদ

মুজিববর্ষে প্রকাশিত গ্রন্থসমূহের মোড়ক উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিববর্ষে প্রকাশিত গ্রন্থসমূহের মোড়ক উন্মোচন করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বইগুলোর মোড়ক উন্মোচন করেন তিনি। প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী গণভবন প্রান্ত থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন। এছাড়া একই অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্ধু স্কলার’ বৃত্তি প্রদান এবং ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কুইজ’ প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল নাসের চৌধুরী শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও সম্পাদনায় একটি স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ করা হয়। এটি ইতিহাসে আকরগ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হবে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গল্প, প্রবন্ধ, কবিতার মোট ১১টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। মোট ৪টি স্মরণিকা সম্পাদিত হয়েছে।” তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, “শিগগিরই এই গ্রন্থগুলো পাঠকের সামনে সহজলভ্য হবে। বৈশ্বিক মহামারির পরও এতগুলো বই প্রকাশ করতে পেরে আমরা গর্বিত।”

post
সংবাদ

আইগ্লোবাল ও ড্যাফোডিলের সমঝোতা স্মারক সই, শিক্ষার্থী বিনিময়সহ শিক্ষার উৎকর্ষে থাকবে নানা উদ্যোগ

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনয়াস্থ আইগ্লোবাইল ইউনিভার্সিটি ও বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময়সহ আইটিভিত্তিক শিক্ষার উৎকর্ষে দুই বিশ্ববিদ্যালয় একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে। ভার্জিনিয়ার লিসবার্গে আইজিওর নিজস্ব ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) এই এমওইউ সই হয়। ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের টাস্ট্রি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান এবং আইগ্লোবাল ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।ড. মো. সবুর খান সস্ত্রীক আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালের ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর বাংলাদেশি আমেরিকান প্রকৌশলী আবুবকর হানিপের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, একজন বাংলাদেশি যুক্তরাষ্ট্রে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন যা বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের জন্য একটি গর্বের বিষয়। "আমি নিজেও গর্ব অনুভব করি এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে কাজ করতে পারে তারই একটি পরিকল্পনা নিয়ে আমরা এগোচ্ছি। সম্পর্কটিকে আমরা সর্বোতভাবে ফলপ্রসূ করে তুলতে চাই," বলেন ড. মো. সবুর খান। মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, "একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শীর্ষে পৌঁছানের জন্য যে বৈশিষ্ট্য ও সম্ভাবনা থাকা প্রয়োজন তার সবই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে।" "আইজিইউ'র চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ একজন উদ্যমী ও উদ্যোগী ব্যক্তিত্ব। দুই দশকের বেশি সময় ধরে আইটি জগতে কাজ করছেন। এরই মধ্যে তার প্রতিষ্ঠিত আইটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেক সর্বোচ্চ সফলতা দেখিয়েছে। এমন একজন উদ্যোক্তার নতুন এই উদ্যোগটিও সর্বোচ্চ সফলতা পাবে বলেই আমার বিশ্বাস," যোগ করেন সবুর খান। অন্যদিকে সবুর খানকে বাংলাদেশে তার নিজের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত আইটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ও তারই ধারাবাহিকতায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে দেশে ও বিদেশে সুপরিচিত করে তোলার সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানিয়ে আবুবকর হানিপ বলেন, "আমাদের লক্ষ্যগুলো একইরকম। আমরা চাই শিক্ষার উৎকর্ষ এবং তার জন্য আধুনিক সময়ের যুগোপযোগী শিক্ষাকেই আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।" "বাংলাদেশে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস আমি ঘুরে এসেছি। ড. সবুর খান একটি স্বপ্নকে শুধু লালনই করেননি, সেটিকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। তার প্রমাণ তার প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় ও তার ক্যাম্পাস। আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেকটা একই ধাচে গড়ে তোলার প্রগাঢ় ইচ্ছা নিয়েই আমরা এগিয়ে চলেছি," বলেন আবুবকর হানিপ। অনুষ্ঠানে আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. কারাবার্ক অতিথিদের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরার পাশাপাশি এরই মধ্যে যেসব সাফল্য দেখাতে শুরু করেছে তা তুলে ধরেন। ড. কারাবার্ক বলেন, আবুবকর হানিপ বিশ্ববিদ্যালয়টির চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এক খোলনলচে পাল্টে যেতে শুরু করেছে। গত এক বছরে বিশ্ববিদ্যালয়টি যেসব সাফল্য দেখাতে পেরেছে তা এর অতীতের দেড় দশকে সম্ভব হয়নি।" আবুবকর হানিপকে একজন ভিশনারি শিক্ষা-প্রশিক্ষণ উদ্যোক্তা হিসেবে তুলে ধরে তিনি বলেন, "তার এই পথ চলার সঙ্গে থাকতে পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অধ্যাপক ও কর্মকর্তারা আনন্দিত ও গর্বিত।"প্রেসিডেন্ট ড. কারাবার্ক ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্কেও কথা বলেন। তিনি বলেন, আমি ওয়েব সাইট থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি সম্পর্কে জেনেছি এবং মুগ্ধ হয়েছি। ড. সবুর খানের কাছে তিনি জানতে চান তার সাফল্যের পেছনের গল্প।  উত্তরে ড. সবুর খান বলেন, "আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় সাফল্য একটি শক্তিশালী সুদক্ষ অ্যালামনাই গড়ে তুলতে পারা। বিশ্বের দেশে দেশে আইটি খাতে এখন ড্যাফোডিলের গ্রাজুয়েটরা তাদের দক্ষতার প্রমাণ রাখতে পারছে। এরচেয়ে বড় গর্বের আর আনন্দের কিছু হতে পারে না।""আর শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে গড়ে দিতে চাই যোগ্য ও দক্ষ ফ্যাকাল্টি। ড্যাফোডিল শুরু থেকেই বিষয়টিতে জোর দিয়ে আসছে। ফলে এখানে শিক্ষকরাই সবচেয়ে বড় সম্পদ," বলেন তিনি।এক্ষেত্র ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় তাদের নিজেদের অ্যালামনাইদের শিক্ষক হিসেবে নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেয় জানিয়ে ড. সবুর খান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী যখন নিজ বিশ্ববিদ্যালয়েই আবার শিক্ষকতার সুযোগ পান তার চেয়ে আনন্দের কিছু নেই। এক্ষেত্রে তাদের কমিটমেন্ট অনেক বেশি থাকে।"তৃতীয় যে বিষয়টিতে জোর দেওয়া প্রয়োজন তা হচ্ছে নেটওয়ার্কিং। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে, শিক্ষা-প্রশিক্ষণের নেটওয়ার্কের সঙ্গে এরই মধ্যে যুক্ত হয়েছে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নতুন নতুন দুয়ার খুলে দিয়েছে।"সবুর খান আবারও আশা প্রকাশ করেন আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয় তারা শিক্ষা প্রশিক্ষণের অঙ্গণে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন পালক যুক্ত করবে এবং সামনে এগিয়ে যাবে।এসব প্রশংসার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপ বলেন, "ড. মো. সবুর খানের মতো অভিজ্ঞ মানুষ পাশে থাকলে লক্ষ্যে পৌছানো সহজ হবে। ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী ব্যাচেলর কমপ্লিট করেছে, তাদের মধ্যে অসংখ্য মেধাবী রয়েছে যারা উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পেলে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করতে পারবে। আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমরা সেই সুযোগটা তৈরি করে দিতে চাই।"শুধু ছাত্রছাত্রী নয় দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও অভিজ্ঞতারও আদান প্রদান করতে পারবেন। এই সমঝোতার চুক্তির মাধ্যমে সব পথ খুলে গেছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এখন আমার আরো সামনে এগিয়ে যেতে চাই, বলেন আবুবকর হানিপ।  আইজিইউ'র প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ফারহানা হানিপ ড. সবুর খানকে বিশ্ববিদ্যালয়টি পরিদর্শনে আসা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাজ করতে সমঝোতা স্মারক সই করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে কিভাবে শীর্ষে তুলে নিতে হয় তার প্রমাণ তিনি এরই মধ্যে রেখেছেন। আইগ্লোবাল তার সেই পথচলাকে গুরুত্বের সাথে দেখে। "দুটি বিশ্ববিদ্যালয় একসঙ্গে কাজ করতে পারলে তা শিক্ষার উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখতে পারবে," বলেন ফারহানা হানিপ।   আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষকদের অনেকেই এই এমওইউ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে স্কুল অব আইটি'র পরিচালক প্রফেসর অ্যাপোসটোলস এলিওপোলস, স্কুল অব বিসনেস এর পরিচালক অধ্যাপক মার্ক রবিনসন, সাইবার সিকিউরিটির অধ্যাপক ডেরেক স্মিথ, প্রফেসর নেকমি মুটলু, প্রফেসর জাফর পিরিম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। তারা সকলেই বাংলাদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্যে তাদের মুগ্ধতার কথা জানান এবং আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন উচ্চতায় তুলে নেওয়ার জন্য অব্যাহত প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করেন। শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাকে সহজ করে তোলাই আমাদের কাজ, বলেন ড. অধ্যাপক মুটলু। ড. ডেরেক স্মিথ বলেন, এখানে সাইবার সিকিউরিটির শিক্ষা একটি চাকরি পাওয়ার জন্য নয়, শিক্ষার্থীর মধ্যে এই সাইবার সিকিউরিটি ব্রেন তৈরি করাই আমাদের উদ্দেশ্য। ড. হুগো বলেন আমরা তাই শেখাই যা শিক্ষার্থীদের জানা প্রয়োজন। আমরা তাদের মধ্যে একটি দক্ষতা তৈরি করে দিতে চেষ্টা করি। একটি উচ্চমানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থাই নিশ্চিত করে আইগ্লোবাল, বলেন তিনি। এখন সময়টাই নেটওয়ার্কিংয়ের। ব্যক্তির সম্পর্ক, বন্ধুত্ব আমাদের কাছে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ তবে তার চেয়েও বেশি গুরুত্ব রাখে প্রাতিষ্ঠানিক বন্ধুত্ব, বলেন জাফর পিরিম। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের অপর সুপরিচিত উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান, আইগ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. শ্যান চো ও মামুন ওয়াহাব। এছাড়াও ছিলেন এডমিশন ম্যানেজার সারাহ হেদায়েত, অ্যাসিস্ট্যান্ট আইটি ম্যানেজার কাজি বারী, অ্যাকাউন্ট্যান্ট কৌশিকা নাভাল, এডমিশন অফিসার সেমি জ্যাং সহ অন্যরা। পরে ড. মো. সবুর খান ও তার স্ত্রীর সম্মানে একটি নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তারা এই নৈশভোজে অংশ নেন। 

post
সংবাদ

একুশে পদক পাচ্ছেন ২৪ জন বিশিষ্ট নাগরিক

সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের ২৪ জন বিশিষ্ট নাগরিককে ২০২২ সালের একুশে পদক প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২) সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব বাবুল মিয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়। একুশে পদকপ্রাপ্তরা হলেন- ভাষা আন্দোলনে মোস্তফা এম এ মতিন (মরণোত্তর) ও মির্জা তোফাজ্জল হোসেন (মরণোত্তর)। শিল্পকলায় (নৃত্যে) জিন্নাত বরকতউল্লাহ, সংগীতে নজরুল ইসলাম বাবু (মরণোত্তর), ইকবাল আহমেদ ও মাহমুদুর রহমান বেণু। শিল্পকলায় অভিনয়ে খালেদ মাহমুদ খান (মরণোত্তর), আফজাল হোসেন ও মাসুম আজিজ। মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান, সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী (মরণোত্তর), কিউ এ বি এম রহমান ও আমজাদ আলী খন্দকার। সাংবাদিকতায় এবার একুশে পদক পাচ্ছেন এম এ মালেক। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে পাচ্ছেন মো. আনোয়ার হোসেন। শিক্ষায় অধ্যাপক গৌতম বুদ্ধ দাশ। সমাজসেবায় এস এম আব্রাহাম লিংকন ও সংঘরাজ জ্ঞানশ্রী মহাথের। ভাষা ও সাহিত্যে পাচ্ছেন কবি কামাল চৌধুরী ও ঝর্ণা দাশ পুরকায়স্থ। গবেষণায় এবারের একুশে পদক পাচ্ছেন মো. আবদুস সাত্তার মণ্ডল, মো. এনামুল হক (দলগত হিসেবে তিনি দলনেতা), সাহানাজ সুলতানা (দলগত) ও জান্নাতুল ফেরদৌস (দলগত)। বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক এই পদকপ্রাপ্তদের পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেককে একটি স্বর্ণপদক, এককালীন অর্থ (চেক) ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.